ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো মসজিদে ‘শিবলিঙ্গ’ বসানোর ঘোষণা!


ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো মসজিদে ‘শিবলিঙ্গ’ বসানোর ঘোষণা!

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এবার প্রায় ৬৫০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদকে হিন্দু ডানপন্থি সংগঠন ‘আদিনাথ পুরাতন শিব মন্দির’ মন্দির বলে দাবি করছে। তাদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে মসজিদটির পাশে পূজা-আর্চনা শুরু করে দিয়েছে।

এর সাথে সাথে আগামী সোমবার (২৭ জুলাই) মসজিদটির বাইরে বড় একটি শিবলিঙ্গ স্থাপনের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতা সমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফুলপুর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন, অব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ

২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে, হিন্দুত্ববাদী বিজেপিদলীয় রাজ্যসভার সদস্য ও বর্তমান রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করেন।

ওই সময় সমীক ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার সুলতান সিকান্দার শাহ ১৩৭৩ সালে আদিনা মসজিদটি নির্মাণ করেন। পূর্বে সেখানে অবস্থানের জন্য হিন্দু ও বৌদ্ধ স্থাপনার উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছিল এই মসজিদ নির্মাণে। স্থানীয় জনশ্রুতি ও ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, ওই স্থানে আগে শিব ও বিষ্ণুর উদ্দেশে নির্মিত আদিনাথ মন্দির ছিল। তিনি দাবী করেন, মসজিদের ভেতরে থাকা হিন্দু প্রতীক ও স্থাপত্য এই দাবি সমর্থন করে।

হিন্দু ডানপন্থি সংগঠন ‘আদিনাথ পুরাতন শিব মন্দির’-এর দাবির ভিত্তিতে, ঐতিহাসিক ওই মসজিদটিতে একটি শিবলিঙ্গের পাশাপাশি বহু হিন্দু ও বৌদ্ধ প্রতীকও রয়েছে। এই বিষয়ে এএসআইয়ের প্রতিবেদন চেয়ে তাদের তরফ থেকে শিগগির কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করার পরিকল্পনায় রয়েছে।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিআই-এম) রাজ্য সম্পাদক ও পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম এটিকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘বিজেপি বা আরএসএস যখনই কোনো সুযোগ পায়, তখনই তারা এমন ঘটনা শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে ধর্মীয় কার্যকলাপ নিয়ে আসে। পরে সংঘাত ও বিভাজন সৃষ্টি করে। আদিনা মসজিদ তারই সর্বশেষ উদাহরণ।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ফের আগুন, সময়ের সঙ্গে বাড়ছে ভয়াবহতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনায় ট্রায়াল শেষে দেশে ফিরেই মারা গেলেন ফুটবলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


আর্জেন্টিনায় ট্রায়াল শেষে দেশে ফিরেই মারা গেলেন ফুটবলার

উরুগুয়ের ফুটবলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাবেক প্রতিভাবান ফুটবলার মারিও ব্রুনো বেন্তানকোর, যিনি মাত্র ২২ বছর বয়সে মারা গেছেন। আর্জেন্টিনায় একটি ক্লাবে ট্রায়াল দিতে গিয়ে চুরির অভিযোগের শিকার হওয়ার কয়েকদিন পর তার মরদেহ উরুগুয়েতে উদ্ধার করা হয়েছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্ট জানাচ্ছে, বেন্তানকোর সম্প্রতি আর্জেন্টিনার প্রথম বিভাগের ক্লাব দেপোর্তিভো রিয়েস্ত্রার হয়ে ট্রায়াল দিতে বুয়েনস আইরেসে গিয়েছিলেন। তবে ট্রায়াল শেষে ক্লাবটি তার সাথে চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত নেয়।

সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি অনুসারে, ট্রায়াল শেষে বেন্তানকোর অভিযোগ করেছিলেন যে, তার সাথে থাকা কয়েকজন ট্রায়ালিস্ট তার পোশাক ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র চুরি করেছে। এরপর তিনি কোনো চুক্তি না করেই দেশে উরুগুয়ে ফিরে যান।

এর কিছুদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, কার্ডিওরেসপিরেটরি অ্যারেস্ট (হৃদ্‌যন্ত্র ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া) তার মৃত্যুর কারণ। প্রাথমিক তদন্তে মৃত্যুর সাথে ট্রায়ালের সময় ঘটে যাওয়া চুরির ঘটনার সরাসরি কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

বেন্তানকোরের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল উরুগুয়ের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব পেনিয়ারোলের একাডেমিতে। বয়সভিত্তিক দলের একজন সম্ভাবনাময় ফুটবলার হিসেবে তিনি সেখানে পরিচিত ছিলেন। পরে তিনি উরুগুয়ের অপেশাদার লিগের ক্লাব দেপোর্তিভো ইতালিয়ানোতে যোগ দেন।

বেন্তানকোরের মৃত্যুতে দেপোর্তিভো ইতালিয়ানো গভীর শোক প্রকাশ করেছে। ক্লাবটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় লিখেছে, “প্রতিটি গোল উদযাপনে, প্রতিটি আলিঙ্গনে এবং এই ক্লাবের সবার হৃদয়ে তুমি বেঁচে থাকবে।”

মাত্র ২২ বছর বয়সে একজন সম্ভাবনাময় ফুটবলারের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে উরুগুয়ের ফুটবল অঙ্গনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়াবা নিয়ে বরখাস্ত পুলিশ কনস্টেবল করছিলেন গাঁজার চাষ, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


ইয়াবা নিয়ে বরখাস্ত পুলিশ কনস্টেবল করছিলেন গাঁজার চাষ, অতঃপর...

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বাসার ছাদে লাগানো তিনটি গাঁজা গাছসহ অংকন দে (২৯) নামের এক বরখাস্ত পুলিশ কনস্টেবল পুলিশ দ্বারা গ্রেপ্তার হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকালে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন ৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময়, তার বসতঘরের বাথরুমের ছাদে টবে লাগানো তিনটি গাঁজা জব্দ করা হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অংকন দে একসময় বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ইয়াবাসহ আটক হওয়ার পর সাময়িকভাবে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, জেলায় চলমান মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের সার্বিক তত্ত্বাবধানের মধ্যে এসআই (নিরস্ত্র) হুসাইন মো. জুয়েল শেখ এবং সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।

গ্রেপ্তার অংকন দে উপজেলা টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত নিরঞ্জন দে (তপন)-এর ছেলে।

বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযানে উদ্ধার হওয়া তিনটি গাঁজা গাছ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন কর্মকর্তার সামনে মেছোবাঘ পিটিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


বন কর্মকর্তার সামনে মেছোবাঘ পিটিয়ে হত্যা

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে অভিযোগ উঠেছে, বন বিভাগের কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতার কারণে এলাকার লোকজন একটি মেছোবাঘকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে পৌরসভার ছিলিমপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের অবহেলা ও উদ্ধার তৎপরতার ব্যর্থতার কারণেই ক্ষুব্ধ লোকজন মেছোবাঘকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকাল ৯টার সময় ছিলিমপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল আহাদ চৌধুরীর বাড়িতে, বাড়ির কেয়ারটেকার ফিরোজ মিয়া একটি মেছোবাঘ দেখতে পান আমগাছে। খবরটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এবং উৎসুক এলাকাবাসীর মধ্যে বাঘ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণীটি দেখতে সেখানে লোকজন ভিড় জমায়।

পরে সুনামগঞ্জ জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্টার) মো. আনিসুর রহমানকে বিষয়টি জানানো হলে দুপুর ১২টার দিকে তিনি এবং জগন্নাথপুর থানার এসআই অনিক রায়ের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশ ভিড় সামলে লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিলেও ফরেস্টার আনিসুর রহমান প্রাণীটিকে উদ্ধার করতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। বন বিভাগের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি বা প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম না থাকার কারণে প্রাণীটি ধরার জন্য ওই কর্মকর্তা শুধু একটি চটের ব্যাগ নিয়ে আসেন। বিষয়টি দেখে উপস্থিত জনতার মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ার পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রাণীটিকে গাছ থেকে নিচে নামায়। তবে গাছ থেকে নামার পর মেছোবাঘটি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় উপস্থিত জনতার একাংশ লাঠি ও টেঁটা নিয়ে প্রাণীটির ওপর হামলা চালায়। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, উপর্যুপরি হামলায় ঘটনাস্থলেই প্রাণীটির মৃত্যু ঘটে।

জগন্নাথপুর পৌরসভার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং সাবেক প্যানেল মেয়র সাফরোজ ইসলাম মুন্না বলেছেন, জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতায় একটি বন্যপ্রাণীর নির্মম মৃত্যু ঘটেছে এবং এটি দুঃখজনক। আধুনিক কোনো সরঞ্জাম বা প্রয়োজনীয় কর্মী ছাড়াই কেবলমাত্র একটি চটের ব্যাগ নিয়ে প্রাণীটি ধরতে আসেন তিনি। এ কারণে প্রাণীটিকে উদ্ধারে সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, উৎসুক লোকজন আতঙ্কে প্রাণীটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।

এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, মেছোবিড়ালটিকে অনেকেই বাঘ মনে করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি জানার পর আমি সুনামগঞ্জ বন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তবে প্রাণীটিকে এভাবে পিটিয়ে হত্যা করা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে, সুনামগঞ্জ জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানিয়েছেন ভিন্ন কথা। তিনি মুঠোফোনে বলেন, এটি একটি মেছোবিড়াল ছিল। আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর প্রাণীটি গাছ থেকে নেমে জঙ্গলে চলে যায়। পরে আমরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করি। এরপর কী ঘটেছে, তা জানা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫ আগস্ট ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


১৫ আগস্ট ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

কাদিয়ানী (আহমদিয়া) সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রকাশিত কিছু বই বাজেয়াপ্তের দাবিতে আগামী ১৫ আগস্ট রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এ জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

এই সম্মেলনের ঘোষণা আয়োজকরা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বাদ জোহর গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে জামে মসজিদে জাতীয় ওলামা-মাশায়ेख সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী।

আয়োজকদের তথ্যমতে, সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের সভাপতি আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ্ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক, হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা খলিল আহমাদ কুরাইশী, মাওলানা সৈয়দ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই), মাওলানা আব্দুল হামীদ (পীর সাহেব মধুপুর), বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এবং মাওলানা আরসাদ রাহমানীরও উপস্থিত থাকার কথা জানানো হয়েছে।

বৈঠকে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরের সব জোন কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার সাথে সম্মেলন সফল করতে খিলগাঁও, বারিধারা, উত্তরা, লালবাগ-চকবাজার, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, কেরানীগঞ্জ ও সাভারসহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন জোন এবং নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায় বাস্তবায়ন কমিটির সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সম্মেলন সফল করতে দেশের আলেম-ওলামা, মাশায়েখ এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৈঠকে মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা এনামুল হক মুসা, মাওলানা সুলতান মহিউদ্দিন, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা আল আমিন ফয়জী, মাওলানা আব্দুল্লাহ ইয়াহিয়া, মাওলানা জুবায়ের রশিদ, মাওলানা বাকি বিল্লাহ, মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুদ, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা নূর মোহাম্মদ আজিজী, মাওলানা জুবায়ের আহমদ বকশী, মাওলানা আনোয়ারুল হকসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%