রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫০ পি.এম
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৪ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১,৫৯৩ জন। ফলে এবারের মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬১,৯৭২ জনে পৌঁছেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন মৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং ১ জন নারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ১১ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এবং বাকি ৫ জনের বয়স ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।
তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা গেছে, মোট মৃত ১৮৪ জনের মধ্যে ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী এবং ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ।
মাসের ভিত্তিতে হিসাব করলে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে ১ জন এবং জুনে ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। চলতি মাসে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৮ সেপ্টেম্বর একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জন প্রাণ হারান।
ঢাকা বিভাগের দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ৫৩, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন হাসপাতালে ২৩ এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে ১১ জন মারা গেছেন। খুলনায় ৩৪, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে ১৮ জন করে, বরিশালে ১৪, রাজশাহীতে ৮, রংপুরে ৪ এবং সিলেটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোগীর মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত ২৬,১২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আগের মাস আগস্টে এই সংখ্যা ছিল ২০,৫৩৬ জন। জানুয়ারিতে ১,০৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে ২,৯০৭ এবং জুলাইয়ে ৯,২০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে ৫৭,৬১০ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কুড়িল বিশ্বরোডের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুড়িল বিশ্বরোডের ৯৫/ক নম্বর ভবনে, পূবালী ব্যাংকের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ‘হোটেল পূর্বাচল’-এ আবাসিক হোটেলের আড়ালে এসব কর্মকাণ্ড চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, হোটেলটির ব্যবস্থাপক রবিউলের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর পাশাপাশি মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি দেখা যাচ্ছে না। এতে হোটেলটিতে অবস্থানকারী সাধারণ অতিথি ও আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে হোটেল পূর্বাচলের ব্যবস্থাপক রবিউলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা থানায় মাসোয়ারা দিই। যা কিছু জানার থানার ওসির কাছে জানেন।”
তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং হোটেলটিতে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, মাদকবিরোধী অভিযান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগরের পানিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ ও পরিশোধন প্রযুক্তি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্যের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে একটি প্রতিনিধিদল জাপানের।
এই সাক্ষাৎ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
জাপানের এহিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কোজো ওয়াতানাবের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ইয়ামাগাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তরু ওয়াতানাবে, ড. মাসেতেরু নিশিয়েমা এবং মি. ইউমা হায়াশি। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে আলোচনা হয় জাপান সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি) এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে। প্রকল্পটির নাম ‘ঢাকা মহানগর এলাকায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে পানির গুণগত মান পর্যবেক্ষণ ও পরিশোধন প্রযুক্তি’, যা বাস্তবায়ন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বৈঠকে প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম, পানির গুণগত মান পর্যবেক্ষণ, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়েও মতবিনিময় করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা, এবং ভবিষ্যতে যৌথভাবে নতুন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর দয়াগঞ্জ ও ধোলাইপাড়ের মাঝামাঝি সড়কে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশার ধাক্কায় প্রমোৎ সরকার (৬৫) নামের ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রমোৎ সরকারকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক মো. রুবেল জানিয়েছেন, বিকেল আড়াইটার দিকে দয়াগঞ্জ ও ধোলাইপাড়ের মাঝামাঝি সড়কে ওই ব্যক্তি রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি ব্যাটারিচালিত রিকশার ধাক্কায় তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বিকেল চারটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন প্রমোৎ সরকারের পরিচিত কল্যাণ কুমার সিংহ। তিনি বলেন, বিকেলে প্রমোৎ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে খবর পান। পরে হাসপাতালে এসে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
ঢামেক হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম হোসেন জানান, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
প্রমোৎ সরকার মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার পাহাড়ি গ্রামের মৃত রাম হরি সরকারের ছেলে। তিনি রাজধানীর বাংলাবাজারের হেমেন্দ্র দাশ রোডের একটি ফ্ল্যাটে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জনকারী বাংলাদেশি হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বইটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার ফেরত নিয়েছেন। মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে, নিজ দপ্তরে বিজয়ী হাফেজদের কাছ থেকে বইটি গ্রহণ করেন প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিজয়ী হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে, বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা প্রদান করেন। ওই অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের জন্য বিভিন্ন উপহারের পাশাপাশি ‘নেক্সাস’ বইও বিতরণ করা হয়েছিল।
বইটি ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার মন্তব্য করেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজয়ী হাফেজদের দেওয়া ‘নেক্সাস’ বইটি ফেরত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিজয়ী হাফেজদের জন্য ঘোষিত আন্তর্জাতিক সফর ও সহায়তা সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ