ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে লটারি পদ্ধতির প্রস্তাব


দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে লটারি পদ্ধতির প্রস্তাব

বাংলাদেশে নিয়োগ এবং বদলি বাণিজ্য দুর্নীতির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একটি সংগঠিত দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগী চক্র সরকারি চাকরির পদোন্নতি এবং বদলিতে তদবির করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বিভিন্ন সরকারের সময়কালেও এরা প্রশাসনের অন্দরমহলে প্রবেশ করে তদবির চালিয়ে যাচ্ছে।

যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে, তখন এই দালালরা সেই দলের লোক হয়ে যায়। তারা সহজেই নিজেদের রং পরিবর্তন করতে সক্ষম। এদের কারণেই প্রশাসনে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ে এবং সরকারের বদনাম হয়।

যে চাকরিজীবী কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে কাঙ্ক্ষিত পদে নিয়োগ পান, তার প্রধান কাজ হয়ে যায় ঘুষের টাকা উদ্ধার করা। ফলে নতুন পদে আসীন হয়ে তিনি জনগণের সেবা না করে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। যেহেতু তিনি ঘুষ দিয়ে চেয়ারে বসেছেন, তাই ওই সরকারি কর্মচারী জবাবদিহিতার উর্ধ্বে থাকেন। এভাবেই সরকারি অফিসে দুর্নীতি বিস্তৃত হয়।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। দুর্নীতি প্রতিরোধে তারেক রহমান বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

এতে তিনি নিজে যেমন কৃচ্ছতার নীতি অনুসরণ করছেন, তেমনি সরকারের প্রতিটি স্তরে অপচয় বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। তবে দুর্নীতি দমনে প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি হলো সরকারি অফিসে বদলি ও পদায়নে লটারি পদ্ধতি চালু করা।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতিমধ্যে কয়েকটি পদে লটারির মাধ্যমে বদলি পদ্ধতি কার্যকর করা হয়েছে। সম্প্রতি দেশে প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রার বদলি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় বদলি প্রক্রিয়ায় ‘স্বচ্ছতা নিশ্চিত’ করতে সাব-রেজিস্ট্রারদের লটারির মাধ্যমে বদলি করছে। এর ফলে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে পরিচিত এই পদে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এটি যে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ, তা প্রমাণিত হয়েছে।

অতীতে ভূমি অফিসের পদায়ন ছিল ঘুষের খনি। সাব-রেজিস্ট্রার পদ ঘিরে এখানে ঘুষ লেনদেন হতো। এই সাব-রেজিস্ট্রাররাই হলেন এই খাতের কালেক্টর, যারা জনগণের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ আদায় করেন। এই টাকা পদ অনুযায়ী বণ্টন হতো সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত। সাব-রেজিস্ট্রারের কিছু নির্দিষ্ট পদ ছিল, যেগুলো বিক্রি হতো নিলামে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

গুলশান, গাজীপুর, রূপগঞ্জ, কেরানীগঞ্জের মতো স্থানে সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে পদায়নের জন্য কয়েক কোটি টাকা লাগতো। এই বদলি লটারির মাধ্যমে সরকার দুর্নীতি বন্ধে একটি কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে।

তবে সাব-রেজিস্ট্রার পদায়নে দুর্নীতি হ্রাস পেলেও অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন বানিজ্য এখনো অব্যাহত রয়েছে। দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে এখনো সক্রিয়।

শুধু সাব রেজিস্ট্রার নয়, সরকারি ব্যাংকের এমডি থেকে চিকিৎসক—সব সরকারি কর্মচারীদের বদলির ক্ষেত্রে তদবির এবং ঘুষ লেনদেনের প্রবণতা এখনো লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে নিম্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পছন্দের স্থানে বদলি হতে হলে দালালদের মাধ্যমে লেনদেনের রেওয়াজ অনেক পুরনো। কিছু লাভজনক পদ বিক্রি হয় কোটি কোটি টাকায়।

যে কর্মকর্তা বিপুল অঙ্কের অর্থ দিয়ে বদলি হন, তার প্রথম কাজ হয় বিনিয়োগের টাকা তোলা। এরপর তিনি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত হন। সচিব থেকে শুরু করে নিম্ন স্তরের কর্মকর্তাদের লাভজনক পদ পেতে ঘুষ দিতে হয়। কর্মচারীদেরও লোভনীয় পদে যেতে উৎকোচ দিতে হয়। সরকারি চাকরিতে কিছু চিহ্নিত পদ রয়েছে, যেসব পদে টাকা ছাড়া পদায়ন অসম্ভব। আবার এলাকা ভেদে পদের দাম বাড়ে-কমে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এরকম অন্তত ২৫টি পদ আছে, যেখানে টাকা ছাড়া বদলি হওয়া সম্ভব নয়। দেশের অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এখানে দুর্নীতি হয় প্রধানত থানাকেন্দ্রিক। অতীতে গুলশান, বনানী, ধানমন্ডির মতো অভিজাত এলাকার থানায় ওসি পদে আসতে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা খরচ করতে হতো। এখনো পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি, বলছেন সংশ্লিষ্টরা। শুধুমাত্র ওসি নয়, এসব থানার কনস্টেবল পদে আসতেও গুনতে হয় লাখ টাকা।

একজন পুলিশ সদস্য যখন ঘুষ দিয়ে একটি পদে আসেন, তখন তিনি সৎ থাকবেন কিভাবে?

নিম্ন আদালতের বিচারকদের পদায়নেও হয় ঘুষ লেনদেন। সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিচারকদের বদলিতে ঘুষ নেওয়ার অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিলেন। এই সময় নিম্ন আদালতের বিচারক বদলিতে কোটি টাকার লেনদেন হয়। সবচেয়ে বেশি ঘুষ লাগে ঢাকা এবং তার আশপাশের এলাকায় পদায়নের জন্য।

ইউনূস আমলে সচিব পর্যায়ে পদায়ন ও পদোন্নতির জন্য ঘুষ লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে প্রকাশ্যে। ডিসি নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জনপ্রশাসন সচিব বদলি হন। এই সময় বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর পদায়ন বাণিজ্যের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংক, বীমা কোম্পানির এমডি হবার জন্য কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংকের এমডি নিয়োগ নিয়ে কিছু মধ্যস্বত্বভোগী দালালের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

বন বিভাগ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ইত্যাদি বিভাগে নিম্ন পদের চেয়ে উচ্চ পদ অনেক ব্যয়বহুল। ২০২৩ সালে একটি প্রধান প্রকৌশলীর পদ শতকোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছিল। এসব সরকারি দপ্তরে কিছু চিহ্নিত জেলা ও পদ আছে, যেসব পদে বদলি হওয়ার জন্য রীতিমতো নিলাম হয়।

চিকিৎসকদের পদায়নেও বাণিজ্য হয়। একজন চিকিৎসককে ঢাকায় বদলি হতে লাখ টাকা গুনতে হয়। ঢাকার বাইরে কোনো চিকিৎসক থাকতে চান না। কারণ সবকিছু ঢাকামুখী, ঢাকা কেন্দ্রিক। ইউনূস আমলে ৩ হাজার মেডিক্যাল অফিসার ও ৫০০ কর্মচারীর চেয়ার রদবদল করা হয়েছে। এত স্বল্প সময়ে অতীতে এমন বদলি হয়নি অধিদপ্তরে। বদলি হওয়া অনেক চিকিৎসক জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মস্থলে যোগ দেননি। তদবির করে ঢাকা এবং তার আশপাশে বদলি হয়েছেন। ফলে গ্রামে চিকিৎসক নেই।

ফলে বদলি ও পদায়ন বানিজ্যের কারণে, একদিকে যেমন একটি দুর্নীতিবাজ দালাল গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা গোটা সরকার পদ্ধতিকে কুলষিত এবং দুর্নীতিগ্রস্ত করছে, অন্যদিকে জনগণ সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

আশার কথা, তারেক রহমানের সরকার দুর্নীতির এই উৎসমুখ বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই অবস্থা পরিবর্তনের জন্য সাব রেজিস্ট্রার বদলিতে প্রথমবারের মতো লটারি পদ্ধতি চালু করেছে। এটি একটি অসাধারণ উদ্যোগ। এর ফলে দেশের অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত এই সেক্টরে দুর্নীতি অনেক কমে যেতে শুরু করেছে। যারা ঘুষ ছাড়া লটারির মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং লাভজনক এলাকায় সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন, তারা আগের মতো বুভুক্ষের মতো দুর্নীতিতে নিমজ্জিত নন। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকছেন এবং জনগণের সেবায় মনোযোগী হয়েছেন।

লটারির মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রার বদলি মাধ্যমে দুর্নীতি বন্ধে যে প্রশংসনীয় উদ্যোগ সরকার নিয়েছে, তা অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও অনুসরণ করতে পারে। ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি কয়েকটি মন্ত্রণালয় লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়ন করা হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

বদলি বাণিজ্য বন্ধ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে পদায়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংক, বীমার প্রধান নির্বাহী পদায়নের ক্ষেত্রেও যোগ্যদের ফিট লিস্ট করে লটারির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে কেবল দুর্নীতি কমবে না, ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সরকারের সেবামূলক সব প্রতিষ্ঠান এ পদ্ধতি অনুসরণ করে বদলি ও পদায়ন করতে পারে। যেমন ধরা যাক, জেলা প্রশাসক পদায়ন নিয়ে প্রায়ই বিতর্ক সৃষ্টি হয়। কিন্তু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যদি ফিট লিস্টে থাকা যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করে যে, কোন জেলায় কে ডিসি পদে নিয়োগ পাবেন, তাহলে সহজেই বিতর্ক এড়ানো সম্ভব। একইভাবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কিংবা চিকিৎসক পদে বদলির ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি একটি সহজ সমাধান।

একজন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী যদি ঘুষ না দিয়ে একটি পদে বসেন, তাহলে একদিকে যেমন তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত হবেন না, অন্যদিকে তিনি জবাবদিহির আওতায় আসবেন। ভালো কাজ করে জনগণের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করবেন। এতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী আবহ সৃষ্টি হবে।

তাহলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে লটারির মাধ্যমে পদায়ন ও বদলি। শুধু কয়েকটি সরকারি বিভাগে নয়, সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে বদলি ও পদায়ন বানিজ্য বন্ধ করতে পর্যায়ক্রমে লটারি পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে। এটি বর্তমান সরকারের দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে অনেকখানি সফল করতে পারে।

অদিতি করিম

লেখক ও নাট্যকার

ইমেইল : [email protected]

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণমাধ্যমই ফ্যাসিস্ট তৈরিতে সহায়তা করেছে: জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


গণমাধ্যমই ফ্যাসিস্ট তৈরিতে সহায়তা করেছে: জামায়াত আমির

"আগে দেখেছি, বিরোধী দলের সভাপতি-সেক্রেটারি কে হবেন, সেটিও সরকার ঠিক করে দিত। গণমাধ্যমই ফ্যাসিস্ট তৈরি করতে সহায়তা করেছে। এখন গণমাধ্যমকে সঠিকভাবে কাজ করতে হবে।"—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার, মৌলভীবাজারে সাংগঠনিক সফরে গিয়ে সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজের মুন হলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মৌলভীবাজার জেলা শহরে জামায়াত আমিরের এটি প্রথম সফর। স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সফরের জন্য মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

শনিবার সকাল ৮টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জামায়াত আমিরকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগরী আমির ফখরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার জেলা আমির ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলী, সিলেট মহানগরী নায়েবে আমির ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, সিলেট জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, সিলেট মহানগরী সেক্রেটারি শাহজাহান আলী, সিলেট জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, মৌলভীবাজার জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আজিজ আহমদ কিবরিয়া ও ছাত্রশিবিরের মৌলভীবাজার শহর সভাপতি কাজী দাইয়ান আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াত আমিরের সফরসঙ্গী হিসেবে আরও ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগরী আমির মো. ফখরুল ইসলাম ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান।

সকাল ৯টায় ডা. শফিকুর রহমান মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজে পৌঁছালে জেলার পক্ষ থেকে তাকে অভ্যর্থনা জানান মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলী, হবিগঞ্জ জেলা আমির মাওলানা কাজী মখলিছুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা সেক্রেটারি ইয়ামীর আলী, হবিগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমদ ও ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ফরিদ উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতারা। এ সময় রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের অংশ হিসেবে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে জামায়াত আমির মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা, ৬৭টি ইউনিয়ন ও ৬০৩টি ওয়ার্ডের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সব রুকন ও স্থানীয় নির্বাচনের প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত দায়িত্বশীল ওয়ার্ড সম্মেলনে ডেলিগেট হিসেবে অংশ নেন।

সকাল সাড়ে ১২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল ওয়ার্ড সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে তিনি কোর্ট মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন। নামাজের পর জেলা সার্কিট হাউজে ১১ দলীয় জোটের মৌলভীবাজার জেলা নেতৃবৃন্দ জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং দুপুরের খাবারে অংশ নেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পরপর জেলা আমির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য মৌলভীবাজার জেলা আমির নির্বাচনের ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে দুপুর ২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে জেলার ৬০০ রুকন অংশগ্রহণ করবেন।

রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। নির্বাচন পরিচালনা করবেন সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান।

সম্মেলনে বক্তব্য শেষে বিকাল ৪টায় সিলেট বিমানবন্দরের উদ্দেশে মৌলভীবাজার ত্যাগ করবেন জামায়াত আমির।

জামায়াত নেতারা জানান, ডা. শফিকুর রহমানের এই সাংগঠনিক সফর দলের জনশক্তির মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঞ্চার করবে। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলেও তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তারেক রহমানকে লেখা চিঠি উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৮ পি.এম


শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তারেক রহমানকে লেখা চিঠি উদ্ধার

সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে টাকা গণনার সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে লেখা একটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনার প্রক্রিয়ার সময় টাকার স্তূপের মধ্যে চিঠিটি পাওয়া যায়।

চিঠিতে বিএনপির সদস্য ও কর্মী হওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বয়স সংক্রান্ত নির্দিষ্ট শর্ত প্রবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএনপির সদস্য হতে হলে এসএসসি পাস অথবা জিপিএ ২.৫ এবং কর্মী হতে হলে এইচএসসি পাসের পাশাপাশি জিপিএ ৩.৫ বাধ্যতামূলক করা উচিত। একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আগে কাউকে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠির নিচে প্রেরকের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে সেখানে বলা হয়েছে যে, তিনি ২০১১ সালে রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং পরে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। চিঠির শেষে ইংরেজিতে লেখা ছিল, ‘I want the change to come through you.....’।

এদিকে, শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এরপর সকাল ১০টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দানের টাকা গণনার কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মাজার পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীল প্রতিনিধি এবং উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে এই গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এর আগে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো মাজারের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। সে হিসেবে প্রায় ৩৫ দিন পর আবারও দানের টাকা গণনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হয়। এরপর ১১ জুলাই, ১৫ আগস্ট ও ১৯ সেপ্টেম্বর দানবাক্স ও ডেগ খুলে চার দফায় মোট ২ কোটি ২৯ লাখ টাকারও বেশি নগদ অর্থ পাওয়া যায়।

এবার দীর্ঘ পূজার ছুটিতে মাজারে দর্শনার্থী ও ভক্তদের উপস্থিতি বেশি থাকায় আগের তুলনায় রেকর্ড পরিমাণ অর্থ জমা পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর গঠিত কমিটির সভায় দানবাক্সের অর্থ নিয়মিত গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ ব্যয় হবে মাজারের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে।

নিয়মিত গণনা ও অর্থ ব্যয়ের নির্ধারিত নীতিমালার মাধ্যমে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলাম পরওয়ার মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছেন : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


গোলাম পরওয়ার মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করছেন : রিজভী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছেন। এই অভিযোগটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর ফকিরাপুলে ডেঙ্গু সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে উত্থাপন করেন।

রিজভী মন্তব্য করেন যে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের আঁতাত রয়েছে। তিনি জানান, বিএনপি ইতোমধ্যে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছে।

এ সময় বিএনপির এই নেতা জনগণকে সতর্ক করে বলেন, দেশে নতুন করে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা হলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার বিরোধীদের অপপ্রচার ও উসকানিতে কান না দিয়ে জনগণের কল্যাণে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারের অর্জন তুলে ধরে রিজভী বলেন, বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। এটি সরকারের সঠিক নীতির প্রতিফলন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি ডা. জাহিদুর রহমান, ছাত্রদলের সহ সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মামলা ও মালামাল ক্রোক: ডিএসসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মামলা ও মালামাল ক্রোক: ডিএসসিসি প্রশাসক

অনুরোধের পালা শেষ হয়েছে; সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসানোর ক্ষেত্রে এখন থেকে সরাসরি মামলা দায়ের ও মালামাল ক্রোক করা হবে বলে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আয়োজিত সাপ্তাহিক ‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে বিশেষ মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, ‘রাস্তায় যানজট, যত্রতত্র ময়লা ফেলা এবং পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির জন্য অবৈধ হকার ও ভাসমান দোকানসমূহ বহুলাংশে দায়ী। ঢাকাবাসী তথা সিটি কর্পোরেশন এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চায়। তাই মানবিকতার দোহাই দিয়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখলের কোনো সুযোগ নেই। ডিএসসিসি নির্ধারিত নিয়মের বাইরে দোকান বসালেই মালামাল জব্ধ ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউমার্কেট এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়ে তিনি জানান, আগামী সপ্তাহেই সেখানে পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, কোনো অবস্থাতেই সড়কে হকার বসতে দেওয়া হবে না।

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না।’ রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও যানজট নিরসনে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির পাশাপাশি সচেতনতামূলক র‍্যালি ও প্রচারণা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযানকালে মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ের সামনে থেকে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, জনস্বার্থে সিআইডি কর্তৃপক্ষের অনুরোধে এসটিএসটি স্থানান্তর করে সেখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরেকটি নতুন এসটিএস নির্মাণের কাজ চলছে, যা চলতি মাসের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ্য, ‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানটি সিআইডি কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শান্তিনগর, কাকরাইল ও নয়াপল্টন হয়ে ফকিরাপুলে গিয়ে শেষ হয়। পথিমধ্যে ডিএসসিসি প্রশাসক জমে থাকা বর্জ্য পরিষ্কার ও অবৈধ দোকান অপসারণের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এবং ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মাইকিং ও সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%