ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বালিয়াকান্দিতে আদালতে বিচারাধীন জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন


বালিয়াকান্দিতে আদালতে বিচারাধীন জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের ইলিশকোল গ্রামে আদালতে বিচারাধীন জমিতে জোরপূর্বক পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে বালিয়াকান্দি থানার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন  মোঃ কাজেম মণ্ডল। 
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তিনি এ অভিযোগ দাখিল করেন। 
 
লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী কাজেম মণ্ডল (৫০), ইলিশকোল গ্রামের মৃত ইদ্রিস মণ্ডলের ছেলে। অভিযোগে বিবাদী হিসেবে বহরপুর ইউনিয়নের ইলিশকোল গ্রামের বাসুদেব চন্দ্র দাস (৬৫) এবং নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী এলাকার বিনয় সিকদারকে (৪০) উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
অভিযোগে বলা হয়, ইলিশকোল মৌজার এসএ ১১৭ নম্বর খতিয়ানের ৭১ নম্বর দাগে মোট ৩৬ শতাংশ জমির মধ্যে ২৮ শতাংশ জমি অভিযোগকারী ও তাঁর চাচাতো ভাই দলিলমূলে মালিকানা লাভ করেন। ওই জমির ২০ শতাংশ নিয়ে বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সিভিল রিভিশন ১৩৩/২০১৮ নম্বর মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
অভিযোগকারীর দাবি, আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদীরা স্থানীয় অমল্য চাকীসহ কয়েকজনকে নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এ কাজে বাধা দিলে তাঁরা তা উপেক্ষা করেন। আদালতের মামলার কাগজপত্র দেখানোর পরও নির্মাণকাজ বন্ধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, জমির বিরোধসংক্রান্ত মামলার বর্তমান অবস্থা জানতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি চিঠি থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গত ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে দেওয়া ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের সিভিল রিভিশন ১৩৩/২০১৮ মামলার রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে গত ২১ মে ২০২৫ তারিখে আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ১৯৬০/২০২৫ দায়ের করা হয়েছে। চিঠি অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারাধীন (পেন্ডিং) রয়েছে। 
 
অভিযোগকারী কাজেম মণ্ডল বলেন, আদালতে বিচারাধীন জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করা হলে তাঁরা আর্থিক ও জমিসংক্রান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে তিনি পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০০৮ সালের যুবদল নেতা এ্যালবার্ট রিপনকে আওয়ামী লীগের দোসর বানানোর অপচেষ্টা! সাংগঠনিক যোগাযোগ নিয়ে কার স্বার্থে অপপ্রচার?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


২০০৮ সালের যুবদল নেতা এ্যালবার্ট রিপনকে আওয়ামী লীগের দোসর বানানোর অপচেষ্টা! সাংগঠনিক যোগাযোগ নিয়ে কার স্বার্থে অপপ্রচার?

সাংগঠনিক দায়িত্বকে রাজনৈতিক দোসরত্বের তকমা! এ্যালবার্ট রিপনকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের কঠোর জবাব

রাজনীতিতে প্রতিপক্ষের সমালোচনা করার অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক সমালোচনার নামে ইতিহাস বিকৃত করা, খণ্ডিত তথ্য উপস্থাপন করে একজন ব্যক্তির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের ঘটনাকে রাজনৈতিক দোসরত্বের তকমা দেওয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার পরিচয় হতে পারে না। বরিশাল মহানগর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক এ্যালবার্ট রিপনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এমন প্রশ্নই সামনে এসেছে।

প্রকাশিত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, আওয়ামী লীগের একটি অংশ বিএনপিতে অনুপ্রবেশ করে দলটির সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল করার চেষ্টা করছে। সেই বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় এ্যালবার্ট রিপনের অতীতের কিছু রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক যোগাযোগ সামনে এনে তাঁর নেতৃত্ব, রাজনৈতিক অবস্থান এবং দলীয় পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, একজন ব্যক্তির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ইতিহাস, সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং বাস্তব কর্মকাণ্ড বিবেচনা না করে শুধু কয়েকটি সাক্ষাৎ ও ছবির ভিত্তিতে তাঁকে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশকারী হিসেবে উপস্থাপন করার অধিকার কে দিয়েছে?

এখানে আবেগনির্ভর বক্তব্য নয়, প্রয়োজন তথ্য, যুক্তি এবং বাস্তবতার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন।

২০০৮ সাল থেকেই যুবদলের দায়িত্বশীল পদে ছিলেন এ্যালবার্ট রিপন

এ্যালবার্ট রিপন কোনো উড়ে এসে জুড়ে বসা ব্যক্তি নন। তাঁর রাজনৈতিক পথচলার ইতিহাস রয়েছে, রয়েছে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা। ২০০৮ সালে তিনি বরিশাল মহানগর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

অর্থাৎ আজ হঠাৎ করে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় তৈরি করে কিংবা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হননি। তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বহু বছরের পুরোনো। তাঁর এই সাংগঠনিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড যাচাই করার জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের কাছেও খোঁজ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, ২০০৮ সাল থেকে যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নতুন করে সন্দেহ তৈরির প্রয়োজন কেন? তাঁর অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড যাচাই না করে কয়েকটি ছবি ও সাক্ষাৎকে সামনে এনে তাঁকে আওয়ামী লীগের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা কি বাস্তবতাকে আড়াল করার অপপ্রয়াস নয়?

যাঁরা তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের উচিত আগে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া। রাজনৈতিক পরিচয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন ছবি নয়, একজন ব্যক্তির দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট একটি বৃহত্তর সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠন। এই সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার অর্থ শুধু একটি পদ ধারণ করা নয়; বরং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কাজ করা।

একজন সংগঠনের নেতা হিসেবে এ্যালবার্ট রিপনের দায়িত্ব ছিল সংগঠনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রক্ষমতায় আওয়ামী লীগ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই সংগঠনের প্রয়োজনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাক্ষাৎ কিংবা আলোচনা করার প্রয়োজন হতে পারে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সেই সময়ে সংগঠনের স্বার্থে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে কি তিনি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শের অনুসারী হয়ে যাবেন? কোনো সংগঠনের নেতা কি শুধু বিরোধী দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন, আর ক্ষমতাসীনদের কাছে সংগঠনের দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন না?

যে সরকার ক্ষমতায় থাকবে, সংগঠনের স্বার্থে তার দায়িত্বশীল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেই হবে। এটি সাংগঠনিক দায়িত্ব, রাজনৈতিক আত্মসমর্পণ নয়। এই সাধারণ বাস্তবতাটুকু না বুঝে একজন সংগঠকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক তকমা লাগানোর চেষ্টা কতটা যুক্তিসংগত, তা বিবেচনার দাবি রাখে।

সাংবাদিকের পেশাগত যোগাযোগের উদাহরণ বুঝলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে

একটি সহজ উদাহরণ দেওয়া যাক। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একজন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের প্রয়োজনে সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের সোনিয়াবাদ ভবনে গেছেন, সাবেক মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের বাসভবনে গেছেন কিংবা তৎকালীন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

তাহলে কি ওই সাংবাদিককে আওয়ামী লীগের অনুসারী কিংবা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির সহযোগী বলা যাবে? নিশ্চয়ই নয়।

একই সাংবাদিক বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান সরোয়ারের বাসভবনে যেতে পারেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন। সংবাদ সংগ্রহ, বক্তব্য গ্রহণ, তথ্য যাচাই কিংবা পেশাগত প্রয়োজনে এসব যোগাযোগ তাঁর দায়িত্বের অংশ।

তাহলে একজন সাংবাদিকের ক্ষেত্রে যে পেশাগত বাস্তবতা স্বাভাবিক বলে বিবেচিত হয়, একটি বৃহত্তর সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনের নেতার ক্ষেত্রে সেই একই বাস্তবতা অস্বীকার করা হবে কেন?

এ্যালবার্ট রিপন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংগঠনের স্বার্থে সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়ে তৎকালীন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ কিংবা তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে থাকলে সেটিকে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল কী, আলোচনার বিষয় কী ছিল এবং সংগঠনের স্বার্থে কী প্রয়োজন ছিল—সেসব বিবেচনা না করে শুধু ছবি সামনে এনে রাজনৈতিক পরিচয় নির্ধারণ করা এক ধরনের খণ্ডিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মূল্যায়ন।

রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়কার ভূমিকা উপেক্ষা করে সুবিধামতো ইতিহাস তৈরি করা যাবে না

এ্যালবার্ট রিপনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও সাংগঠনিক ভূমিকার বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ওই সময়ে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও হয়রানির মুখোমুখি হয়েছেন।

২০০৮ সালে যুবদলের দায়িত্বশীল পদে থাকা একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক ইতিহাসকে উপেক্ষা করে তাঁকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে নতুন করে পরিচিত করার চেষ্টা কেন? তাঁর রাজনৈতিক পথচলা, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও অতীত কর্মকাণ্ডের বিষয়ে খোঁজ না নিয়ে তাঁকে নিয়ে মন্তব্য করা কি দায়িত্বশীলতার পরিচয়?

কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিকভাবে কোথায় ছিলেন, কোন সময়ে কী দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাঁর অবস্থান কী ছিল—এসব তথ্য যাচাই করেই মূল্যায়ন করতে হয়। কারও সঙ্গে একটি ছবি থাকলেই তাঁর রাজনৈতিক অতীত মুছে যায় না। আবার ক্ষমতাসীন দলের কোনো নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেই কেউ সেই দলের অনুসারী হয়ে যান না।

ত্যাগী নেতা-কর্মীদের অবমূল্যায়নের প্রশ্ন তুলে অন্য একজন সংগঠককে আক্রমণ কেন?

মূল বক্তব্যে বরিশালের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নির্যাতিত, কারাবরণকারী এবং দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের অবহেলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ২০১২ সালের অমৃত কোম্পানির গাড়ি পোড়ানোর মামলায় কারাভোগ করা বিএনপি কর্মী এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আহত হওয়া খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জাতীয়তাবাদী আদর্শের কর্মীদের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

ত্যাগী নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ার অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। তাঁদের রাজনৈতিক অবদান স্বীকৃতি পাওয়া প্রয়োজন। তাঁদের অবহেলার বিষয়ে দলীয় নেতৃত্বের কাছে জবাবদিহি চাওয়া যেতে পারে।

কিন্তু সেই প্রশ্নের সঙ্গে এ্যালবার্ট রিপনের সাংগঠনিক যোগাযোগকে জুড়ে দিয়ে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা কেন? একজন ত্যাগী কর্মীর মূল্যায়ন না হওয়ার দায় অন্য একজন সংগঠকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। দলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নব্যবস্থা ও নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সেই প্রশ্নের জবাব সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের কাছেই চাইতে হবে।

ত্যাগী নেতা-কর্মীদের অবদানকে রাজনৈতিক বক্তব্যের হাতিয়ার বানিয়ে অন্য একজন সংগঠকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাঁড় করানো কোনো সমাধান নয়। বরং এতে প্রকৃত সমস্যার জায়গা আড়ালে থেকে যায় এবং সংগঠনের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিভাজন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বিএনপির সমমনা সংগঠনের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় আপত্তি তুলুন

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অসংখ্য জাতীয়তাবাদী আদর্শের নেতা-কর্মী রয়েছেন—এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু সেই যুক্তিতে এ্যালবার্ট রিপনের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাস ও সাংগঠনিক যোগ্যতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি ২০০৮ সালে মহানগর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই রাজনৈতিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে সেই প্রশ্নের ভিত্তি কী, তা স্পষ্ট করতে হবে।

কোনো সংগঠনের নেতৃত্ব নির্ধারণে আপত্তি থাকলে গঠনতন্ত্র, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত, নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হোক। কিন্তু একজন ব্যক্তির অতীতের সাংগঠনিক যোগাযোগকে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশের প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করানো গ্রহণযোগ্য নয়।

একটি স্বার্থসংশ্লিষ্ট মহলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

এ্যালবার্ট রিপনের বক্তব্য, তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয় ও সাংগঠনিক ভূমিকা উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার কিছু সাংগঠনিক যোগাযোগকে পুঁজি করে একটি স্বার্থসংশ্লিষ্ট মহল বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে।

এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। তবে কেউ যদি সত্যিই সংগঠনের স্বচ্ছতা ও নেতৃত্বের জবাবদিহি চান, তাহলে তাঁকে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলতে হবে। কারও ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সংগঠনের কোনো কল্যাণ সাধন করা সম্ভব নয়।

একজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে উত্থাপন করা হোক। তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক অনিয়ম থাকলে প্রমাণসহ প্রকাশ করা হোক। কিন্তু সংগঠনের স্বার্থে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে যোগাযোগের ঘটনাকে রাজনৈতিক দোসরত্বের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করা হলে সেটি যুক্তির বিচারে টিকবে না।

রাজনৈতিক পরিচয় ছবি দিয়ে নয়, দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ড দিয়ে বিচার করতে হয়

রাজনীতিতে সুবিধাবাদী অবস্থান, দলবদল কিংবা অনুপ্রবেশের অভিযোগ অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন। কিন্তু সেই যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য তথ্য, দলীয় নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন।

এ্যালবার্ট রিপনের ক্ষেত্রে ২০০৮ সালের যুবদলের দায়িত্বশীল পদগুলোর বিষয়টি সামনে থাকতেই তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে তথ্য যাচাই করা উচিত। বিচ্ছিন্ন ছবি কিংবা অনুষ্ঠানে উপস্থিতিকে একমাত্র প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করানো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক বিশ্লেষণ নয়।

একজন সংগঠক তাঁর সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য কাজ করবেন, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যোগাযোগ রাখবেন, ক্ষমতাসীনদের কাছে দাবি তুলে ধরবেন—এটাই স্বাভাবিক। এর জন্য তাঁকে রাজনৈতিকভাবে অপরাধী বানানোর কোনো যুক্তি নেই।

শেষ কথা হলো, এ্যালবার্ট রিপন কোনো উড়ে এসে জুড়ে বসা ব্যক্তি নন। ২০০৮ সাল থেকেই যুবদলের দায়িত্বশীল পদে তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ইতিহাস রয়েছে। বৃহত্তর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল সাংগঠনিক প্রয়োজনের অংশ—এমনটাই তাঁর পক্ষের বক্তব্য। সেই যোগাযোগকে রাজনৈতিক দোসরত্বের তকমা দেওয়ার আগে পুরো ইতিহাস যাচাই করা জরুরি।**

রাজনৈতিক সমালোচনা করুন, সাংগঠনিক ব্যর্থতার প্রশ্ন তুলুন, প্রয়োজন হলে নেতৃত্বের জবাবদিহি চান। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া একজন ব্যক্তির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয়কে অস্বীকার করে তাঁকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবেন না।

কারণ, ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সংগঠনের স্বার্থে যোগাযোগ রাখা আর ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করা এক বিষয় নয়। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই মৌলিক পার্থক্য অস্বীকার করে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা সত্য অনুসন্ধান নয়; বরং তা বিভ্রান্তি তৈরির ঝুঁকি বহন করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


মধুপুরে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের দাবিতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সাংগঠনিক কাঠামো (অর্গানোগ্রাম) দ্রুত অনুমোদনের দাবিতে টাঙ্গাইলের মধুপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মধুপুর শাখা কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশের কর্মসূচির অংশ হিসেবে শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নেন।
মধুপুর শাখার ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কেন্দ্রীয় কমিটির সিবিএ সভাপতি এনামুল হক, টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল কবির, জেলা সিবিএর সহসভাপতি মামুনুর রশিদ, জেলা কমিটির সিবিএ নেতা মো. শাহাদত হোসেন, আইনবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জাবেদ আলী, প্রচার সম্পাদক আখতার হোসাইন, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক লাইজু আক্তার এবং জেলা নেতা শহিদুল্লাহ প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ দীর্ঘদিন আগেই ব্যাংকের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন করে অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ এই অর্গানোগ্রামের অনুমোদন পাওয়া যায়নি। এতে ব্যাংকের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
তাঁরা আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনা, প্রশাসনিক গতিশীলতা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামোর বিকল্প নেই। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে অর্গানোগ্রাম দ্রুত অনুমোদন করা জরুরি।
বক্তারা ব্যাংকের বৃহত্তর স্বার্থ, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার বিবেচনায় নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের জোর দাবি জানান।
আয়োজকরা জানান, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর করা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই শান্তিপূর্ণভাবে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় এইচএসসি ও আলিমে ফলাফলে হতাশার চিত্র, শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে প্রশাসনের মাইকিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় এইচএসসি ও আলিমে ফলাফলে হতাশার চিত্র, শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে প্রশাসনের মাইকিং

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগ, সন্ধ্যার পর বাইরে আড্ডা এবং মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত আসক্তিকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করছে উপজেলা প্রশাসন। এ পরি¯ি’তিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশায় মাইকিং করে সচেতনতামূলক নির্দেশনা প্রচার করা হয়।

প্রচারণায় জানানো হয়, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী মাগরিবের পর কোনো শিক্ষার্থী বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের কাছে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করা যাবে না। এ ছাড়া স্কুল চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের দোকানে বসে আড্ডা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ছোট শিশুদের ডোবা, পুকুর, খাল ও নদী থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী আফিসার মোঃ হাসিবুল হসান জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনা, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পরীক্ষার ফলাফলের মান উন্নয়নে এ ধরনের সচেতনতামূলক প্রচারণা করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা মেনে চলতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মীরসরাইয়ে দেশীয় তৈরি এলজি, রকেট ফ্লেয়ারস ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ গ্রেফতার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


মীরসরাইয়ে দেশীয় তৈরি এলজি, রকেট ফ্লেয়ারস ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ গ্রেফতার ১

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও মীরসরাই থানা পুলিশের অভিযানে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, ৫টি রকেট ফ্লেয়ারস এবং ৪টি দেশীয় অস্ত্রসহ নওশেদ আলম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

০৩ নভেম্বর ২০২৬ খ্রি. দুপুর ২টা ০৫ মিনিটে মীরসরাই থানাধীন সাহেরখালী ইউনিয়নের ডোমখালী এলাকায় রওশোন জামান মিস্ত্রি বাড়ির সামনে অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরকসদৃশ দ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির পরিচয়: নওশেদ আলম, পিতা-জসিম উদ্দিন, সাং-ডোমখালী, রওশোন জামান মিস্ত্রি বাড়ি, থানা-মীরসরাই, জেলা-চট্টগ্রাম।

উদ্ধারকৃত আলামত: ১টি দেশীয় তৈরি ফায়ারিং পিন ও ট্রিগারযুক্ত এলজি, ৫টি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ার, ১টি স্টিলের কিরিচ এবং ৩টি লোহার তৈরি ছোরা।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মীরসরাই থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%