সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৩ পি.এম
এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ ও ভারত, দুই প্রতিবেশী দেশ মুখোমুখি হতে চলেছে।
মর্যাদাপূর্ণ এই টুর্নামেন্ট, যা এশিয়ার হকির ‘ওয়ার্ল্ড কাপ’ হিসেবে পরিচিত, এর উদ্বোধনী ম্যাচটি শুরু হবে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিটে।
গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগের দিন, ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী অলিম্পিয়ান সুরজিৎ সিং হকি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল তাদের সবশেষ প্রস্তুতি সেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।
বাংলাদেশ দল পুরোপুরি প্রস্তুত, শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হওয়ার জন্য। কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিয়ে নিজেদের সেরাটা দিতে তারা কঠোর পরিশ্রম করেছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
অনুশীলন সেশন শেষে, বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আশরাফুল ইসলাম এবং টিম ম্যানেজার রাহুল রায় দলের সার্বিক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
আশরাফুল বলেন, "ভারতে আসার পর দুই বেলা অনুশীলন সেশনে সবাই বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিল। কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে ভারতের বিপক্ষে ভাল ম্যাচ উপহার দেয়া সম্ভব।"
ম্যানেজার রাহুল রায়ও আশরাফুলের সাথে একমত পোষন করেছেন। তিনি জানান, "এশিয়ান হকি অন্যতম পরাশক্তি ভারতের বিপক্ষে খেলার আগে পুরো দল বেশ ভাল অবস্থায় আছে। আসরের প্রথম ম্যাচেই ভারতের মত দলের বিপক্ষে খেলাটা কঠিন হলেও বাংলাদেশ দল প্রস্তুত।"
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৩১ অক্টোবর ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তথা ১১ দলীয় জোটের পরিকল্পিত রাজনৈতিক সমাবেশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা ও পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার দাবিতে এবং সমাবেশের স্থান পরিবর্তনের আহ্বানে আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড। এসময় তারা "কুষ্টিয়া জিলা স্কুল সবার, ঐতিহ্য রক্ষার দায়িত্বও সবার" লেখা একটি ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
জানা যায়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট তাদের ৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া অভিমুখে একটি লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে। এই লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ আগামী ৩১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আয়োজকদের এই স্থান নির্বাচনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজপথে সরব হয়েছেন স্কুলটির প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্ররা।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে লক্ষাধিক স্কুল থাকলেও জিলা স্কুলের সংখ্যা মাত্র ১৫টি। ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়ার শীর্ষস্থানীয় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গত ৬৩ বছরের ইতিহাসে কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশ হয়নি। মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা স্পষ্ট জানিয়েছেন, লংমার্চ বা কোনো দলের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি তাদের কোনো বিরোধ নেই, তাদের একমাত্র আপত্তি 'কুষ্টিয়া জিলা স্কুল' মাঠে এর আয়োজন নিয়ে। জেদাজেদির কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত এড়াতে তারা বিকল্প হিসেবে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠ, ডিসি কোর্ট চত্বর, কুষ্টিয়া বাইপাস অথবা শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন। একইসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, নেতা আমির হামজাসহ লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে এই ঐতিহ্যবাহী স্কুলের আবেগকে সম্মান জানিয়ে সমাবেশ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
এদিকে এখন পর্যন্ত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সমাবেশের কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেয়নি বলে জানা গেছে। যদিও অভিযোগ উঠেছে, আয়োজকদের পক্ষ থেকে 'ওপর মহল থেকে অনুমতি নিয়ে আসার' কথা বলা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন না করাটাই উত্তম। তিনি নিশ্চিত করেন যে, আগামী ৩১ অক্টোবরের সমাবেশের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী বা জোটের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত আবেদন জমা পড়েনি।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, রাজনৈতিক মতাদর্শ যার যার ব্যক্তিগত বিষয় হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষার জন্য লড়াইয়ে প্রবীণ নাগরিকরা এবার তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমেছেন। সম্প্রতি দিল্লির কেন্দ্রস্থলে অনুষ্ঠিত এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে সমাজের প্রবীণদের একটি বড় অংশকে দেখা গেছে, যাঁদের মধ্যে অনেকেই শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, আইন পেশা কিংবা সরকারি উচ্চপদস্থ চাকরির মতো দীর্ঘ পেশাগত জীবন কাটিয়ে আজ গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হয়েছেন।
২৩ অক্টোবর ‘পিপল অ্যাগেইনস্ট এসআইআর’-এর ব্যানারে মানবাধিকার কর্মী, ছাত্র সংগঠন, কৃষক ও সাধারণ নাগরিকরা ভারতের নির্বাচন কমিশনের দিকে পদযাত্রা করার চেষ্টা করেন। পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর বাধার কারণে সেই মার্চ আটকে গেলেও, প্রবীণ নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা প্রদান করে।
দ্য ওয়্যার-এ প্রকাশিত একটি নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বা পারিবারিক পরিসরে প্রতিবাদের সমালোচনা কিংবা তরুণ প্রজন্মকে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচলিত ট্রেন্ডের বিপরীতে গিয়ে প্রবীণরা রাজপথে নেমেছেন। তাঁদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভোটাধিকার হরণের যে চক্রান্ত চলছে, তা কেবল তরুণদের একক লড়াই নয়, বরং গোটা জাতির টিকে থাকার লড়াই।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের প্রাক্তন শিক্ষিকা নিরজ খান্না এই বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বলেন, “আমার গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভোট দেওয়ার ক্ষমতা আজ তীব্র সংকটে। এসআইআর-এর মতো পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চলছে। আমরা যদি আজ রুখে না দাঁড়াই, তবে আগামী প্রজন্মকে একনায়কতন্ত্রের মধ্যে বাস করতে বাধ্য হতে হবে। তাই নিজের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আজ আমার এই অবস্থান।”
দীর্ঘ ৩০ বছর ‘নবভারত টাইমস’-এ সাংবাদিকতা করা মানবাধিকার কর্মী অনিল দুবে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই আইন কেবল জনবিরোধীই নয়, এটি সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধ ঘোষণা। দেশের যুবসমাজ যখন শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও চিকিৎসার অভাবে চরম হতাশার শিকার, তখন নাগরিকদের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে বলা লজ্জার। আমাদের প্রজন্মের সময় তো ফুরিয়ে আসছে, তাই জেন জি-র পাশে দাঁড়ানোই আমাদের ন্যূনতম কর্তব্য।”
আন্দোলনস্থলে উপস্থিত প্রবীণরা কেবল প্রতিবাদেই অংশ নেননি, বরং তরুণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে নিজেদের জীবনলব্ধ জ্ঞান ও প্রজ্ঞা বিলিয়ে দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস.এস. নেহরা বলেন, “প্রতিবাদ হলো একটি সংলাপের মতো। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যতই পালানোর চেষ্টা করুক না কেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এবং সংলাপের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”
জাতীয় ফেডারেশন ফর ইন্ডিয়ান উইমেন (এনএফআইডব্লিউ)-এর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ও নেত্রী অ্যানি রাজা বলেন, “প্রতিটি প্রতিবাদই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সংবিধানই আমাদের প্রাণভোমরা। দেশ ও সংবিধান রক্ষার্থে যন্তর মন্তর বা নির্দিষ্ট কোনো গণ্ডি নয়, জাতীয় পতাকা হাতে আমরা যেখানেই দাঁড়াব, সেটাই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।”
প্রখ্যাত উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষ এবং ৭৭ বছর বয়সী এক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি আমলাও এই আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বলেন, দমন-পীড়নের মধ্যেও তারা আশার আলো দেখছেন। কাঁপতে থাকা পায়েও তরুণদের পাশে এসে দাঁড়ানোকে তাঁরা জীবনের একটি নৈতিক দায়বদ্ধতা বলে মনে করেন।
গণতন্ত্রের বহু লড়াইয়ের সাক্ষী ভারতীয় প্রবীণদের বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনকে আরও বেশি নৈতিক শক্তি জোগাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ আট মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। পদ্মা নদীর তলদেশে স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ইউনিয়নের প্রায় দেড় হাজার পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে এবং ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নে নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। আট মাস আগে ক্যাবলটি ছিঁড়ে যাওয়ার পর পুরো ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিকল্প সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে।
নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা নয়ন শেখ জানান, "আট মাস ধরে তাদের এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। দৈনন্দিন নানা কাজে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। গরমেও কষ্ট করতে হচ্ছে তাদের।" তিনি অবিলম্বে বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর দাবি জানান।
একই গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, "বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। টেলিভিশন, ফ্রিজসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাচ্ছে না। আট মাস ধরে এভাবে চলতে থাকায় তারা খুব কষ্টে আছেন।" তিনি দ্রুত সমস্যার সমাধান করে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন বলেন, "সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ায় ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।"
সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন জানান, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে নদীর তলদেশে ক্যাবল লাইনে সংযোগ দিতে বিলম্ব হচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ চালুর বিষয়ে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর দোহার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) খায়রুল বাকী খান বলেন, "বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য স্থাপিত সাবমেরিন ক্যাবলটি অনেক পুরোনো হওয়ায় পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। নদীর তলদেশে প্রবল স্রোত থাকায় আপাতত নতুন করে ক্যাবল স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে নতুন সাবমেরিন ক্যাবলের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হানি ট্র্যাপ প্রতারণার ঘটনায় জড়িত তিন নারীসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার পেছনে থাকা একাধিক রাজনৈতিক দলের অনুসারী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এখনো রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এই সংঘবদ্ধ চক্রটির সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদল, ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনের বেশ কয়েকজন অনুসারী ও নেতার নাম এই চক্রের সাথে জড়িয়ে পড়েছে।কুমুদিনী কলেজ,ফজিলাতুন্নেছা কলেজের বেশ কিছু নারী এবং স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু শিক্ষকদের এই চক্রে জড়িত হবার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো তাদের গ্রেফতার করতে বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
বেশ কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, অপরাধ চক্রটিকে আড়াল করতে এবং তদন্তের মুখ ঘুরিয়ে দিতে আড়ালে সক্রিয় রয়েছে একাধিক প্রভাবশালী বলয়। বিভিন্ন সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে সাধারণ সদস্যদের গ্রেফতার দেখানো হলেও চক্রটির মূল পৃষ্ঠপোষকদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।
তবে এসব অভিযোগ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য বা তথ্য প্রদান করা হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবের উর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে এই হানি ট্র্যাপ চক্রের সাথে জড়িত আরও অনেক হেভিওয়েট ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রকাশ্যে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ