ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন’


‘জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কাজ হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর ফলে বাংলাদেশে নতুন করে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।

সোমবার (৩১ আগস্ট) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই কথা উল্লেখ করেন।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, "বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আজকের দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।"

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

তিনি আরও উল্লেখ করেন, "১৯৭৮ সালের এই দিনে এক শুভ বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় 'বাকশাল' প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।"

তিনি লিখেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়। বিএনপির গৌরবময় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন, যিনি স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার।

তিনি বলেন, "প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যিনি তার সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।"

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা ছাড়াও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে এবং করছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে যতবার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, ততবার গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকরা অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যাঁরা প্রাণোৎসর্গ করেছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের অবদানকে তিনি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদের স্পেন ও ইইউর সহযোগিতার প্রশংসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়

তিনি আরও বলেন, দেশে যতবার জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবার বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে, ইনশাআল্লাহ।

বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপির অপর নাম হলো একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে প্রধানমন্ত্রী আবারও গণতন্ত্রকামী, স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খাতভিত্তিক কর্মকৌশল চান উদ্যোক্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খাতভিত্তিক কর্মকৌশল চান উদ্যোক্তারা

এলডিসি থেকে টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণের জন্য এসএমই, কৃষি, ওষুধসহ অন্যান্য শিল্পের জন্য খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন শিল্পদ্যোক্তারা। তাদের মতে, শুধু কর্মকৌশল গ্রহণ করলেই হবে না, তার সঠিক বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, সহজ অর্থায়ন, লজিস্টিকস সাপোর্ট, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই’র উদ্যোগে আয়োজিত এলডিসি উত্তরণের জন্য সংস্কার কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকল্পে কর্মকৌশল নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভার শুরুতে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার ওপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। প্রতিবেদনে জানানো হয়, এলডিসি উত্তরণের ফলে অন্যতম রপ্তানি বাজার ইউরোপে জিএসপি, ইবিএ -এর মতো শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। কড়াকড়ি আসবে ওষুধ শিল্পসহ বিভিন্ন শিল্পের মেধাস্বত্ব বিধিবিধানেও। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা জানান, এলডিসি উত্তরণের জন্য কর্মকৌশল বাস্তবসম্মত না হলে কার্যকর সুফল মিলবে না। এ জন্য মাঠপর্যায় থেকে সঠিক তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করে খাতসমূহের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রয়োজন কোনটি, তা খুঁজে বেড় করার প্রস্তাব দেন আলোচকরা।

এ সময় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজিব এইচ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দর কষাকষির সক্ষমতা (নেগোসিয়েশন ক্যাপাসিটি) নাই। এখানে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোকে সম্পূর্ণ কার্যকর করতে হবে।

বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি শামীম আহমেদ জানান, দেশের প্লাস্টিক শিল্পের বড় অংশই কপি পণ্য তৈরি করে। এলডিসি উত্তরণের পর ওষুধ শিল্পের মতো এই খাতের জন্যও মেধাস্বত্ব ইস্যু বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এমন পরিস্থিতিতে প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশলসহ কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুত অ্যাকশন প্ল্যান গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

টেকসই এলডিসি উত্তরণের জন্য গৃহীত কর্মকৌশল যেন শুধু ঢাকা কেন্দ্রীক শিল্পের জন্য না হয়, সে বিষয়ে এফবিসিসিআইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন পটুয়াখালী উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ইসমাত জেরিন খান। প্রান্তিক পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং লজিস্টিকস সহযোগিতা আহ্বান করেছেন তিনি।

এলডিসি উত্তরণের পর শিল্পের ইন্টেলেকচুয়্যাল প্রোপার্টি রাইট (মেধাস্বত্ব অধিকার) নিয়ে বাংলাদেশ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে জানান বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএএমএ) সভাপতি কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর ওষুধ শিল্প, কৃষি, এগ্রো কেমিক্যাল খাত প্রভৃতি ভুক্তভোগী হবে। এ জন্য বাংলাদেশ প্যাটেন্টের আওতাভুক্ত যেসব পণ্য উৎপাদন করে দ্রুত সেগুলোর নিবন্ধন সম্পন্ন করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ রেজিওনাল কানেক্টিভিটি প্রজেক্টে- ১ এর জাতীয় বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ মো. মুনির চৌধুরী। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতকে নিজ নিজ চ্যালেঞ্জগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। সেগুলো সমাধানের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে কাউন্সিল গঠন এবং ফলাফল ভিত্তিক কর্মকৌশল গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, তিন বছর বাড়তি যে সময় পাওয়া গেল সেটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। এ জন্য সকল জেলা চেম্বার ও খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র সাবেক প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান, সাপোর্ট টু সাস্টেইনেবল গ্রেজুয়েশন প্রজেক্টের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এক্সপার্ট নেছার আহমেদ, এফবিসিসিআই’র সহায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ, এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালকবৃন্দ, এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর, বিজিএমইএ’র পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মদ মুস্তাফিজ, বিকেএমইএ’র ভাইস প্রেসেডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদ, বিজেএমএ’র চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, বিটিএমএ’র পরিচালক সাজিদ ইশরাক, বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সংগীতা আহমেদ, বাংলাদেশ বহুমুখী পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. রাশেদুল করিম মুন্না, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিএসটিআই এবং আইসিটি ডিভিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারিসে বাংলাদেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান তুলে ধরছে টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল খাতের সক্ষমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ পি.এম


প্যারিসে বাংলাদেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান তুলে ধরছে টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল খাতের সক্ষমতা

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশের ১৭টি প্রতিষ্ঠান ইউরোপের অন্যতম প্রধান টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল বাণিজ্য মেলা ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করে দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতা প্রদর্শন করছে।

এ মেলা প্যারিসের লে বুর্জেতে আজ শুরু হয়েছে এবং আগামী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। বৈশ্বিক ফ্যাশন ও টেক্সটাইল শিল্পের উৎপাদক, সরবরাহকারী এবং পেশাদার ক্রেতাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য, উৎপাদন সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরছে।

মেলার ৫৯তম আসরে প্রায় ৩৫টি দেশের ১ হাজার ৩০০ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য এ মেলায় কাপড়, তৈরি পোশাক, অ্যাকসেসরিজ এবং বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবনী টেক্সটাইল পণ্যের বৈচিত্র্যময় সমাহার রয়েছে।

বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, চীন, ভারত, তুরস্ক, মিয়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ইতালিসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এ মেলায় অংশগ্রহণ করছে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, চীনের পর বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক সোর্সিং হাব হিসেবে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈশ্বিক অ্যাপারেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব প্রতিফলিত হচ্ছে।

মেলায় অংশ নেওয়া ১৭টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণ করছে এবং অন্যগুলো রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্যাভিলিয়নের অধীনে রয়েছে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- হুরাইন হাই টেক (এইচটিএফ), এনজেড ডেনিম, স্কাইলার্ক নিট কম্পোজিট, নরবান কমটেক্স, ওয়ার্পটেক্স, বিএনএম গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি, ফেবিটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ডিকে টেক্সটাইলসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

ডিকে টেক্সটাইলের মার্চেন্ডাইজিং ম্যানেজার ইলিয়াস জানিয়েছেন, ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬-এ এখন পর্যন্ত আমরা খুবই ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার বিষয়ে আমরা আশাবাদী।’

বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের কাছে দেশের টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল খাতের সক্ষমতা তুলে ধরছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে সর্বশেষ পণ্য ও সেবা আন্তর্জাতিক বাজারে উপস্থাপন, বৈদেশিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব তৈরি এবং উদীয়মান সোর্সিংয়ের সুযোগ অনুসন্ধানের সুযোগ পাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুর্ঘটনায় দায়ী মালিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে : শিল্পমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুর্ঘটনায় দায়ী মালিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে : শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের নিঃসরণে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দায়িত্বে অবহেলার বিভিন্ন দিক চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই কারণে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইয়ার্ড মালিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, তবে শাস্তির প্রকৃতি বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ট্যাংকে ছিদ্র করার সময় হঠাৎ করে বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণ হয়। গ্যাসটির তীব্রতা এত বেশি ছিল যে, এর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা তাৎক্ষণিকভাবে চেতনা হারিয়ে ফেলেন। এই ঘটনায় প্রায় ১০ জনের মৃত্যু ঘটে।

সংবাদ সম্মেলনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, অতিরিক্ত সচিব একেএম বেনজামিন রিয়াজী, ফেরদৌস স্টিল শিপ ইয়ার্ডে গ্যাস লিকেজের ঘটনা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরসনে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইয়াসির আরাফাত খানসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, প্লাস্টিক থেকে হাইড্রোজেন সালফাইডের মতো প্রাণঘাতী গ্যাস নিঃসরণের সম্ভাবনা সম্পর্কে শিল্পখাতের কাছে আগে তেমনভাবে জানা ছিল না। এই দুর্ঘটনা সংশ্লিষ্টদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশও তদন্ত প্রতিবেদনে করা হয়েছে।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই সরকার সংশ্লিষ্ট সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। একইসঙ্গে নিহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সমিতি সরকারকে অবহিত করে।

মন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনার পরদিন সকাল থেকেই রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। পরে দুপুর থেকে সেনাবাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে রাখে, যাতে নতুন করে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। গ্যাসের নিঃসরণ পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেখানে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হয়।

এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিটি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার কারণের পাশাপাশি কোথায়-কোথায় অবহেলা ছিল, তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, রিসাইক্লিং শিল্প এখনো বিকাশমান। কয়েক বছর আগে এই শিল্পের অবস্থা ছিল অনেকটা প্রাথমিক পর্যায়ের। বর্তমানে দেশের কয়েকটি রিসাইক্লিং ইয়ার্ড গ্রিন সার্টিফিকেশন পেয়েছে এবং আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের সনদ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেকোনো দুর্ঘটনা বা ঘটনার প্রকৃত তথ্য স্বচ্ছতার সঙ্গে জনগণের সামনে তুলে ধরতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তার প্রতিবেদন প্রকাশ করার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ইয়ার্ড মালিকের বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে এ বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রচলিত আইনে যে শাস্তি প্রাপ্য, বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারই ব্যবস্থা হবে।

তিনি বলেন, ‘শাস্তি কী হবে, তা আমরা নির্ধারণ করে দিতে পারি না। বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তা নির্ধারিত হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে ১ হাজার ১৬৩ জন নতুন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৬৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২০ জন, খুলনা বিভাগে ২৮৩ জন, রংপুর বিভাগে সাতজন, রাজশাহী বিভাগে ৮৭ জন, বরিশাল বিভাগে ১৩২ জন এবং সিলেট বিভাগে একজন রয়েছেন।

চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৩৫ হাজার ৮৪৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৩৩ হাজার ২০৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%