প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশের ১৭টি প্রতিষ্ঠান ইউরোপের অন্যতম প্রধান টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল বাণিজ্য মেলা ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করে দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতা প্রদর্শন করছে।
এ মেলা প্যারিসের লে বুর্জেতে আজ শুরু হয়েছে এবং আগামী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। বৈশ্বিক ফ্যাশন ও টেক্সটাইল শিল্পের উৎপাদক, সরবরাহকারী এবং পেশাদার ক্রেতাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য, উৎপাদন সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরছে।
মেলার ৫৯তম আসরে প্রায় ৩৫টি দেশের ১ হাজার ৩০০ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য এ মেলায় কাপড়, তৈরি পোশাক, অ্যাকসেসরিজ এবং বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবনী টেক্সটাইল পণ্যের বৈচিত্র্যময় সমাহার রয়েছে।
বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, চীন, ভারত, তুরস্ক, মিয়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ইতালিসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এ মেলায় অংশগ্রহণ করছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, চীনের পর বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক সোর্সিং হাব হিসেবে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈশ্বিক অ্যাপারেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব প্রতিফলিত হচ্ছে।
মেলায় অংশ নেওয়া ১৭টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণ করছে এবং অন্যগুলো রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্যাভিলিয়নের অধীনে রয়েছে।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- হুরাইন হাই টেক (এইচটিএফ), এনজেড ডেনিম, স্কাইলার্ক নিট কম্পোজিট, নরবান কমটেক্স, ওয়ার্পটেক্স, বিএনএম গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি, ফেবিটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ডিকে টেক্সটাইলসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
ডিকে টেক্সটাইলের মার্চেন্ডাইজিং ম্যানেজার ইলিয়াস জানিয়েছেন, ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬-এ এখন পর্যন্ত আমরা খুবই ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার বিষয়ে আমরা আশাবাদী।’
বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের কাছে দেশের টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল খাতের সক্ষমতা তুলে ধরছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে সর্বশেষ পণ্য ও সেবা আন্তর্জাতিক বাজারে উপস্থাপন, বৈদেশিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব তৈরি এবং উদীয়মান সোর্সিংয়ের সুযোগ অনুসন্ধানের সুযোগ পাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন