১১:২৯ পি.এম
বাংলাদেশে নিযুক্ত সউদী আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আবিয়্যাহ মন্তব্য করেছেন যে, আল্লাহ পবিত্র কুরআনকে সমগ্র দুনিয়ার জন্য হেদায়েত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র কুরআন মানুষের জন্য একটি সংবিধান এবং জীবনবিধান। রাজকীয় সউদী সরকার বিশ্বব্যাপী কুরআনের খেদমত করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ কুরআনে হাফেজদের জন্য বিশেষ মর্যাদা নির্ধারণ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, কুরআন চার্চার মাধ্যমে মানুষের অন্তরে আল্লাহর নূর উদ্ভূত হয়। সউদী সরকার কুরআন ও হাদীসের খেদমতে যে গুরুত্ব প্রদান করছে, তারই অংশ হিসেবে প্রতিবছর সউদী দূতাবাসের অ্যাটাশে অফিসের মাধ্যমে হিফযুল কুরআন ও হিফযুল হাদীসের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। আজ বুধবার ঢাকায় সউদী দূতাবাসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য পবিত্র কোরআন ও মহান হাদিস মুখস্তকরণ প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।
এ প্রতিযোগিতার আয়োজন সউদী আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আবিয়্যাহর পৃষ্ঠপোষকতায় সউদী আরবের ইসলামবিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের অধীন ধর্মীয় অ্যাটাশে কার্যালয়ের উদ্যোগে করা হয়।
আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম
অনুষ্ঠানে সউদী আরবের দূতাবাসের ধর্মীয় অ্যাটাশে মুবারক বিন আমেক আল-ওনাজি এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, হুফ্ধসঢ়;ফাজুল কুরআন বাংলাদেশের প্রধান প্রখ্যাত হাফেজ ক্বারী আব্দুল হক, ইফার গবেষক ড.ওয়ালী উর রহমান খান, মুফতি আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন ইসলামি সংস্থার পরিচালক, হিফজ মাদরাসার প্রিন্সিপাল, সউদী দূতাবাসের ধর্মীয় অ্যাটাশে কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট আলেম, দাঈ ও মসজিদের ইমামগণ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, প্রতিযোগিতার জেলা পর্যায়ে মোট ৫ হাজার পুরুষ ও নারী প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে চূড়ান্ত পর্বে ২০৫ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় পুরস্কারের জন্য ১৭ জন পুরুষ ও ৮ জন নারীসহ মোট ২৫ জন বিজয়ী নির্বাচিত হন। সউদী রাষ্ট্রদূত হিফযুল কুরআন ও হিফযুল হাদীস প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে ক্রেস্ট ও পুরষ্কার বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন