ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

গোপালগঞ্জে প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজ শিক্ষার্থী সারজিল সিকদার নিহত


গোপালগঞ্জে প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজ শিক্ষার্থী সারজিল সিকদার নিহত

গোপালগঞ্জে প্রাইভেটকার এবং মোটরসাইকেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে সারজিল সিকদার (২২) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। রবিবার (৮ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের শহরতলির গোবরা মাদরাসার সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সারজিল সিকদার গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শহরের ব্যাংকপাড়া এলাকার বাসিন্দা পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী নিরালা বেগম এবং শাহ আলম সিকদারের ছেলে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঘোনাপাড়া থেকে মোটরসাইকেলে শহরের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে সারজিলের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: ‘যারা অনুষ্ঠানে আসেননি, প্রমোশন-আপগ্রেডেশন কিংবা অন্য কোনো সুবিধা চাইতে এলে মনে রাখব’: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপির নেতাকর্মীদের রাতভর পাহারার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:১৮ এম


রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপির নেতাকর্মীদের রাতভর পাহারার ঘোষণা

রাজধানীর শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মগবাজার, মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শাহবাগ থানার এলাকায় ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় উপস্থিত জনতা এবং বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তিনজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে এসব বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত সাড়ে ৭টায় পল্লবী থানার সামনের ফ্লাইওভার থেকে থানার চত্বরে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এই ঘটনায় এক পুলিশ সদস্য আহত হন। কাছাকাছি সময়ে মগবাজার সিআইডি অফিস চত্বরে আরেকটি ককটেল ছোড়া হয়, যা পুলিশের একটি গাড়ির ওপর বিস্ফোরিত হয়।

প্রায় একই সময়ে শাহবাগ থানাধীন জাতীয় জাদুঘর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একাধিক ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এই ঘটনায় উপস্থিত জনতা এবং বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিয়ে তিন দুর্বৃত্তকে হাতেনাতে ধরেন। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এরপর রাত পৌনে ৯টার দিকে মিরপুর সনি সিনেমা হলের সামনে একটি চলন্ত গাড়ির ওপর একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।

এভাবে ককটেল নিক্ষেপ ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। রাতে জাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এরপর একটি মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানায় আসেন ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ ধরনের নৈরাজ্য কোনোভাবেই চলতে দেবেন না জানিয়ে তারা সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোমান গ্রুপের বিরুদ্ধে গ্যাস চুরির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২০ এম


নোমান গ্রুপের বিরুদ্ধে গ্যাস চুরির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

এখন বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান ‘নোমান গ্রুপ’র বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকার গ্যাস চুরির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি গ্যাস অবৈধভাবে লুটপাট এবং গোপন বাইপাস লাইন স্থাপনের গুরুতর অভিযোগের তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিগত আ’লীগ সরকারের সময় তিতাসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করছে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তবে পরবর্তীতে এই তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি: সূত্রে জানা যায়, ‘নোমান গ্রুপ’ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান অবৈধ ডিস্ট্রিবিউশন কক্ষ ও অতিরিক্ত ব্যাসের পাইপলাইন স্থাপন করেছে। টঙ্গীর পাগাড় মৌজায় অবস্থিত গ্রুপ অব কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘জাবের এন্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স লিঃ’র অভ্যন্তরে তিতাস গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউশন কক্ষ অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের গ্যাস লাইনের অনুমোদন নিলেও পরবর্তীতে নিজেদের অর্থায়নে গোপনে ১২ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের পাইপলাইন সংযোগ করে নিয়েছে। টঙ্গী চেরাগআলী টিবিএস থেকে আরেকটি নতুন গ্যাস লাইন ও ডিআরএস স্থাপন করে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখে বিশাল পরিমাণে গ্যাস ব্যবহার করছে। তদন্ত কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সাকশন পাম্প ও বাইপাস লাইনের মাধ্যমে গ্যাস চুরি হচ্ছে।

কারখানার মূল সরবরাহ লাইনে মিটারের পূর্বে গোপন পাইপ বা বাইপাস লাইন যুক্ত করার ফলে গ্যাস সরাসরি কারখানায় চলে যাচ্ছে। এর ফলে মিটারে সঠিক রিডিং উঠছে না। এছাড়া কারখানায় শক্তিশালী সাকশন পাম্প ব্যবহার করে গ্যাস টেনে নেয়ার কারণে আশেপাশের সাধারণ গ্রাহকরা গ্যাসের তীব্র সংকটে ভুগছেন। অনুমোদনহীন একাধিক রাইজার ব্যবহারের ফলে সরকার প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

এদিকে এর আগেও একই বিষয়ে তিতাস কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা হলে কোনো ফলাফল আসেনি। প্রতিষ্ঠানটির বিগত দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশিদসহ সংশ্লিষ্টরা তদন্তের নামে প্রহসন করে নোমান গ্রুপের কাছ থেকে অন্তত: ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ফলে বিপুল গ্যাস চুরির বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তদন্তের নাটক মঞ্চস্থ করে প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের ঘুষ দিয়ে নোমান গ্রুপ বেঁচে যায়। কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় সম্প্রতি আরেকটি অভিযোগ দাখিল করার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর আবারো তদন্ত কমিটি গঠন করে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ৩০ মে ‘নোমান কম্পোজিট টেক্সটাইল লিঃ’র তিতাস গ্যাসের বরাবরে দাখিল করা অনুরূপ এক আবেদনপত্রেও তাদের নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপিত লাইন থেকে অন্য কোনো গ্রাহককে গ্যাস সংযোগ না দেয়ার জন্য তদবির করা হয়েছিল। অতীতেও এই ধরনের সিন্ডিকেটের কারণে সরকারের শত শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে এবং হাজার হাজার কোটি টাকার গ্যাস লুটপাটের সঙ্গে জড়িত নোমান গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক কে.এম. মাসুদুর রহমান, জাবের এন্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স’র পরিচালক মো: আব্দুল্লাহ জাবের, টঙ্গী তিতাসের ম্যানেজার মো: মিজান-উর-রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে জরুরি ভিত্তিতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানানো হয়েছে তিতাস বরাবর দাখিলকৃত অভিযোগে। জাতীয় স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের নিকট অবিলম্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ ডিস্ট্রিবিউশন কক্ষ ও গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদের আর্জি জানানো হয়েছে।

তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি :

এদিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুন্ঠনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এখন এই কমিটির বিরুদ্ধেই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। কমিটির প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বরাবর দায়ের করা হয়েছে পৃথক অভিযোগ। অভিযোগে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পরিবর্তে অভিযোগকারীর কাছ থেকেই উল্টো ৩৪ প্রশ্নের উত্তর দাবির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। নোমান গ্রুপের প্রতি তদন্ত কমিটির পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন অভিযোগকারী মো: কাজল সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে করা আবেদনে এ কমিটির কাছ থেকে নিরপেক্ষ প্রতিবেদন পাওয়া যাবে না-মর্মে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাই তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। তদন্ত কমিটিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ রাষ্ট্রের ১০ সংস্থার প্রতিনিধি সমন্বয়ে নতুন কমিটি দ্বারা ব্যাপকভিত্তিক তদন্তের দাবি জানানো হয়।

রহস্যজনক অফিস আদেশ: গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নোমান গ্রুপ, জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিক্সের পরিচালক এবং তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানানো হয়। তবে অভিযোগ জমা দেয়ার তিন দিন আগেই, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তিতাসের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) হাসান আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে। প্রকৌশলী ড. প্রদীপ চন্দ্র মন্ডলকে আহ্বায়ক এবং প্রকৌশলী কে এম মনিরুল ইসলাম ও প্রকৌশলী মো: গোলাম মহিউদ্দীনকে সদস্য করে গঠিত এই কমিটি মূল অভিযোগ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন-মর্মে অভিযোগকারীর দাবি।

গত ২৬ অক্টোবর তিতাস প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগকারী শুনানিতে অংশ নিলে তদন্ত কমিটি তাকে জানান যে, কেবল ‘জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড’র সীমানার ভেতরের বিষয় ছাড়া নোমান গ্রুপের ‘নোমান ফ্যাশন ফেব্রিক্স, নোমান ফেব্রিক্স ইউনিট ১ ও ২, এবং ইসমাইল আঞ্জুমান আরা ফেব্রিক্স’র মতো অন্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অবৈধ সংযোগের তদন্ত তারা করতে পারবেন না।

অভিযোগকারীর অভিযোগ, শুনানিকালে তিতাস কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমোদনের নথিপত্রের ছায়ালিপি চাওয়া হলেও নোমান গ্রুপের প্রভাবের ভয়ে কমিটি তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এছাড়া বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে আবেদনে বলা হয়, তদন্ত কমিটির সদস্যরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপঢৌকনে প্রভাবিত হয়েছেন, ফলে তাদের দিয়ে নিরপেক্ষ বিচার ও সঠিক প্রতিবেদন পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ১০ সদস্যের শক্তিশালী কমিটি ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিবিদ্যমান পরিস্থিতির আলোকে ৩ সদস্যের গঠিত দুর্বল ও বিতর্কিত কমিটি বাতিল করে ম্যাজিস্ট্রেট ও তিতাসের ঢাকা বিভাগের প্রকৌশলী ছাড়া নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। নোমান গ্রুপ এ পর্যন্ত কত টাকার গ্যাস চুরি করেছে তা উদঘাটন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বিএফআইইউ, সিআইডি, গাজীপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি যৌথ তদন্ত টিম গঠনের দাবি জানান অভিযোগকারী। তার মতে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সরজমিনে পাইপের সংযোগস্থল উন্মোচন করে নিরপেক্ষ তদন্ত না করা হলে দেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুন্ঠন অব্যাহত থাকবে। প্রকৃত অপরাধীরাও থেকে যাবে ধরা- ছোঁয়ার বাইরে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের পর বাংলাদেশে সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে টোকিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের পর বাংলাদেশে সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে টোকিও

তারেক রহমানের জাপান সফরের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কাজ করছে জাপান সরকার। বিশেষত, পরিবহন অবকাঠামো এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করতে চেষ্টা করছে দেশটি।

এই প্রেক্ষাপটে, ঢাকায় মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর এবং মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। ঢাকা মাস ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের মেট্রোরেল লাইন-১-এর চারটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত সাইদা অংশগ্রহণ করেন। চুক্তিগুলোর মধ্যে সিপি-০৪, সিপি-০৬, সিপি-০৯ ও সিপি-১০ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওগাতুল আলম, জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি জুনকো তাকাহাশি এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে রাষ্ট্রদূত সাইদা মেট্রোরেল লাইন-১-এর প্রাথমিক উন্নয়ন পর্যায়ে যুক্ত সাত জাপানি নাগরিকের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি ২০১৬ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারানো ওই জাপানি নাগরিকদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় ও রক্ষণাবেক্ষণ বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, "মেট্রোরেলের মতো উন্নয়ন সহযোগিতা প্রকল্প বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।" তিনি প্রকল্পটির দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। গত ২৭ অক্টোবর জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকে ঘোষিত যৌথ বিবৃতিতেও এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এদিকে, এর আগে রাষ্ট্রদূত সাইদা জেরা মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। জেরা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড পরিচালিত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় কেন্দ্রটির পরিচালনা কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করা হয়।

২০২৫ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাপানে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে জেরার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত সাইদা পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের মাধ্যমে সৃষ্ট ইতিবাচক গতি কাজে লাগিয়ে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পরিবহন ও জ্বালানি খাতে জাপানের এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কার কোচের সাফের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


শ্রীলঙ্কার কোচের সাফের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ

শ্রীলঙ্কার কোচ আবদুল্লাহ আল মুতাইরি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ভুটানের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করার পর তিনি আয়োজক দেশ এবং ভারতের পক্ষে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। একই সাথে, গ্রুপ পর্বে ভিএআর ব্যবহারের দাবি করেছেন এই কোচ।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে মুতাইরি বলেন, “যদি বাণিজ্যিক স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশকে ফাইনালে দেখতে চান, তাহলে শুধু এই দুই দলকে নিয়ে একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করুন। অন্য দলগুলোকে প্লে-অফ খেলতে বলুন, অন্য কোনো সময়ে খেলতে বলুন। আমাদের সময় নষ্ট করবেন না।”

তিনি দাবি করেন, ভুটানের বিপক্ষে কিছু সিদ্ধান্ত শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গেছে। বিশেষ করে পেনাল্টি এবং অফসাইডের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। মুতাইরির মতে, ভিএআর থাকলে ভুটানের দ্বিতীয় গোলটি বাতিল হতে পারত। তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কারও একটি পেনাল্টি পাওয়া উচিত ছিল।

রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এএফসি বা ফিফার সেরা রেফারি আনা সম্ভব না হলে অন্তত ভিএআর রাখুন। শুধু সেমিফাইনাল ও ফাইনালে কেন ভিএআর থাকবে? খরচের কারণে? আয়োজন করার সামর্থ্য না থাকলে প্রতিযোগিতা আয়োজনের দরকার কী?”

শ্রীলঙ্কা ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই জানিয়ে মুতাইরি বলেন, “আমি শুধু একজনকেই ভয় পাই, আমার বাবাকে। তিনি ৩০ বছর আগে মারা গেছেন। আল্লাহ তাকে রহম করুন। তাই আর কাউকে ভয় পাই না।”

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচকে সাফের ইতিহাসের সেরা লড়াই বানানোর প্রত্যয়ও তিনি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%