ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ শেষে গ্যাস সরবরাহ শুরু


সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ শেষে গ্যাস সরবরাহ শুরু

কক্সবাজারের মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আবার শুরু হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে পূর্বের মতো গ্যাস সরবরাহের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

পেট্রোবাংলার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার পর দুপুর ১টা থেকে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম আবার শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে দুইটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে পূর্বের মতো গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ফ্রি ক্যাম্প, ৩ লাখ টাকার ওষুধ ও চশমা বিতরণ

বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে।

এর আগে পেট্রোবাংলা গত ১ নভেম্বর জানায়, সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও এই রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: অচল শরীরেও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি কাঞ্চন, সঙ্গী স্ত্রী আসমা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অচল শরীরেও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি কাঞ্চন, সঙ্গী স্ত্রী আসমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


অচল শরীরেও জীবনযুদ্ধে হার মানেননি কাঞ্চন, সঙ্গী স্ত্রী আসমা

দুই পা অচল এবং দুই হাতের শক্তি কম থাকলেও জীবনযুদ্ধে থেমে নেই সৈয়দ কাঞ্চন। আগুনে পুড়ে গেছে তার শেষ সম্বল, কিন্তু তিনি হার মানেননি। স্ত্রী আসমা বেগম তার এই সংগ্রামে সবচেয়ে বড় ভরসা।

সৈয়দ কাঞ্চন মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বেতবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম সৈয়দ সোহবার হোসেন। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং মায়ের সঙ্গে সংসার পরিচালনা করেন।

ছোটবেলায় টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে কাঞ্চনের পরিবার যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেনি। এর ফলস্বরূপ, তার হাত-পা অচল হয়ে যায়। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে আসমার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শারীরিক সীমাবদ্ধতা এবং জীবনের বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও আসমার উপস্থিতি তাকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করে। তাদের ভালোবাসা ও নির্ভরতার সম্পর্কের ভিত্তিতে ২০১০ সালে তাদের বিয়ে হয়। সংসারজীবনের নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আসমা আজও তার স্বামীর পাশে রয়েছেন এবং বাকি জীবন তার সঙ্গে কাটাতে চান।

দুজনে মিলে একটি মুদি দোকান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু ২০২৩ সালের এক রাতে আগুনে পুড়ে যায় তাদের দোকান, যা ছিল তাদের একমাত্র আয়ের উৎস। এই ঘটনার পরেও কাঞ্চন হাল ছাড়েননি। বর্তমানে, স্ত্রীর সহযোগিতায় বাড়িতে উপকরণ তৈরি করে প্রতিদিন বিকেলে হুইলচেয়ারে করে বের হন তিনি।

ডাসার সরকারি মহিলা কলেজের পাশে একটি ছোট জায়গায় সিঙ্গারা ও পুরির দোকান বসান। সেখানে আসমা বেগম নিজ হাতে সিঙ্গারা ও পুরি তৈরি করে বিক্রি করেন। এই আয়েই তাদের সংসার চলে। তাদের দুই মেয়ে, যারা ১২ ও ৮ বছর বয়সী, মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। তাদের খাতা-কলম কেনার খরচ এবং সংসারের অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে প্রতিদিন সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও অসহায়ত্ব থাকা সত্ত্বেও কাঞ্চন কখনো ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়াননি। তিনি নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে সংসার চালানোর চেষ্টা করছেন। তবে সরকারি সহায়তা পেলে তার পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি আধুনিক হুইলচেয়ার এবং ঋণ সহায়তা তার বিশেষ প্রয়োজন।

সৈয়দ কাঞ্চন বলেন,

“মানুষ জন্ম নিলে একদিন মরবেই। কিন্তু যতদিন বেঁচে আছি, মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই। আমার দুইটা পা অচল, আমি হাঁটতে পারি না। কিন্তু আল্লাহ আমাকে একটা সুস্থ বিবেক আর দুইটা হাত দিয়েছেন। সেই হাতও প্রায় অচল। সেই বিবেক থাকতে আমি মানুষের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা করতে পারব না। ভিক্ষা করলে হয়তো সহজে টাকা পাওয়া যায়, কিন্তু নিজের আত্মসম্মানটা ধুলায় মিশে যায়।”

তিনি আরও বলেন, “আমার একমাত্র আয়ের পথ ছিল ওই ছোট্ট মুদি দোকানটা। কিন্তু আগুনে পুড়ে আমার শেষ সম্বলটুকু যখন ছাই হয়ে গেল, আমি পুরো দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। তবে আমি হাল ছাড়িনি। আমি কারও করুণা চাই না, শুধু একটু সুযোগ চাই, যেন নিজের পরিশ্রম দিয়ে আমার পরিবার আর দুই মেয়ের মুখে দুবেলা খাবার তুলে দিতে পারি।”

কাঞ্চনের স্ত্রী আসমা বেগম বলেন,

“বিয়ের পর থেকেই দেখে আসছি, তিনি কতটা কষ্ট করেন। শরীরটা অচল হলেও তার মনের জোর আমাদের সবার চেয়ে বেশি। সরকারিভাবে একটু সহযোগিতা পেলে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব।”

মাদারীপুর জেলার সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা আফজাল হোসাইন জানিয়েছেন, অসহায় এই কাঞ্চনকে ইতিমধ্যে ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। তাকে সাবলম্বী করতে সহযোগিতা করা হবে। প্রয়োজনে তাকে ক্ষুদ্র ঋণও দেয়া হবে।

মাদারীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা আফজাল হোসাইন আরও জানান, কাঞ্চনকে এরইমধ্যে ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। তাকে স্বাবলম্বী করে তুলতে সহযোগিতা করা হবে। প্রয়োজনে তাকে ক্ষুদ্রঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় সংহতি সুদৃঢ় করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা: ডিসি ফরিদার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় সংহতি সুদৃঢ় করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা: ডিসি ফরিদার আহ্বান

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন, জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুদৃঢ় করার মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল, মানবিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে। তিনি উল্লেখ করেন, মত ও আদর্শের ভিন্নতা গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে, জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার প্রশ্নে সকলকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে গভীর রাজনৈতিক সংকট ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর সামরিক অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।

তিনি বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার নিজস্ব প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। ইতিহাসের যথাযথ মূল্যায়নের জন্য তথ্যনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি, উদার মানসিকতা এবং অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা জরুরি। অতীতকে অনুধাবন করে বর্তমানকে সমৃদ্ধ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আমাদের জাতীয় জীবনের অমূল্য সম্পদ। স্বাধীনতার মর্যাদা সমুন্নত রাখা, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা আমাদের সকলের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রা ও স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং আইনের শাসন। গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও আদর্শের ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক। তবে, মতপার্থক্য যেন কখনো জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পারস্পরিক সহাবস্থান ও সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

জনপ্রশাসনের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে ফরিদা খানম বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা, সরকারি সেবার মানোন্নয়ন এবং জনবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠা জনপ্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে জনগণের কল্যাণ থাকতে হবে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা ধারণ করে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের সঠিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় অর্জন যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবিকতা, নৈতিকতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। কারণ, আজকের তরুণরাই আগামী দিনের রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে।

আলোচনা সভা শেষে জেলা শিশু একাডেমি আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার হিসেবে বই বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফটিকছড়িতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ফ্রি ক্যাম্প, ৩ লাখ টাকার ওষুধ ও চশমা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


ফটিকছড়িতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ফ্রি ক্যাম্প, ৩ লাখ টাকার ওষুধ ও চশমা বিতরণ

"বয়স হয়েছে, চোখেও ঠিকমতো দেখি না। টাকার অভাবে ভালো ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয় না। এখানে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর পাশাপাশি ওষুধ ও চশমাও পেয়েছি। এমন সুযোগ আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য অনেক বড় পাওয়া।" কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নের গোপালঘাটায় আয়োজিত বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পে সেবা নিতে আসা এক সত্তরোর্ধ বয়োবৃদ্ধা রোগী সায়রা খাতুন। তাঁর মতো গ্রামের শত শত অসহায় ও চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের জন্য একদিনের এই আয়োজন হয়ে ওঠে স্বস্তির উপলক্ষ।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে দিনব্যাপী বিশাল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে লেলাং ইউনিয়নের গোপালঘাটা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়।

‘হাজী মোমেনা-আনোয়ার মুহুরী ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করে রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং এরিস্টোক্র্যাট ও নানুপুর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জয়নাল আবেদীন মুহুরীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ক্যাম্পে ১৬ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল অংশ নেয়। দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে চক্ষু, চর্ম ও যৌনরোগ, মেডিসিন, হৃদরোগ, গাইনি, শিশু রোগ এবং হাড়ভাঙা ও বাত-ব্যথাসহ বিভিন্ন বিভাগে সহস্রাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি অসহায় ও দুস্থ রোগীদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ টাকার বিনামূল্যের ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রাথমিকভাবে বাছাই করা ২০ জন ছানি রোগীর চোখের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করে দেয় আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এতে চিকিৎসাবঞ্চিত দরিদ্র রোগীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও স্বস্তি দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, গ্রামীণ জনপদে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরামর্শ নেওয়া অনেক দরিদ্র পরিবারের জন্য ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। এ ধরনের উদ্যোগের ফলে এক জায়গায় বিভিন্ন রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ ও অসচ্ছল রোগীদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত উপকারী আয়োজন।

আয়োজকরা জানান, মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাক শিল্পের অস্থিরতা বিনিয়োগে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


পোশাক শিল্পের অস্থিরতা বিনিয়োগে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, পোশাক শিল্পে সাম্প্রতিক কয়েক দিনের অস্থিরতার কারণে বিনিয়োগে কোনো প্রভাব পড়বে না।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, "কোনো অস্থিরতাই কাম্য নয়। কারণ একটি অস্থিরতা নতুন আরেকটি অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তবে বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। তাই এই কয়েক দিনের অস্থিরতার কারণে বিনিয়োগ দুই পা পিছিয়ে বা এগিয়ে যাবে না।"

পোশাক শিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, "এ ধরনের পরিস্থিতিতে মালিকপক্ষ, বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের মধ্যে সাময়িক উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে কয়েক দিনের অস্থিরতা ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড বিচার-বিশ্লেষণ করে শ্রমিকদের জন্য উপযুক্ত মজুরি নির্ধারণ করবে।"

সীমান্ত হাট চালু এবং স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, "এসব কার্যক্রম দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্য দেশেরও আগ্রহ ও সহযোগিতা প্রয়োজন। উভয় দেশের সম্মিলিত উদ্যোগেই কার্যক্রম পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণ করা সম্ভব।"

এর আগে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সততা ও দেশপ্রেমের আদর্শ অনুসরণ করে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, "৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিনের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার আকাঙ্ক্ষা নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জিয়াউর রহমান মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছিলেন। সীমিত সম্পদ ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে তিনি তা প্রমাণ করেছিলেন।"

জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, "তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করে। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গেও সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়। সততা, স্বজনপ্রীতিহীনতা ও দেশপ্রেমের যে দৃষ্টান্ত তিনি রেখে গেছেন, তা এখনো মানুষের কাছে একটি মানদণ্ড। বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছেও মানুষ একই মানের সততা, দায়িত্বশীলতা ও আদর্শ প্রত্যাশা করে।"

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম এ মালিক, অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরী ও তাহসিনা রুশদির লুনা, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ শামীম এবং রেঞ্জ ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

এছাড়াও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেকসহ অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%