ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চীনের সানইয়ার পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘুরে দেখলেন বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা


চীনের সানইয়ার পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘুরে দেখলেন বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা

চীনের হাইনান প্রদেশের সমুদ্রতীরবর্তী পর্যটননগরী সানইয়াতে ছয় দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৯টি দেশ ও অঞ্চলের গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নির্মাতারা অংশগ্রহণ করেন। সফরের সময় তাঁরা শহরটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পর্যটন অবকাঠামো এবং দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতির বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন।

‘গো চায়না ইন সানইয়া’ শীর্ষক এই কর্মসূচিটি ১ থেকে ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি ‘হোয়াই চায়না: ডিসকভারিং সানইয়া’ আন্তর্জাতিক যোগাযোগ উদ্যোগের অংশ ছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের কাছে চীনের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, আধুনিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পর্যটনের সম্ভাবনা তুলে ধরা।

সানইয়া পৌর কমিটির প্রচার বিভাগের দিকনির্দেশনায় এবং সানইয়া পর্যটন উন্নয়ন ব্যুরোর আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সানইয়া পৌর সাইবারস্পেস প্রশাসন সহায়তা করে এবং বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল চায়না নিউজ সার্ভিস ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশন গ্রুপের হাইনান শাখা।

আরও পড়ুন: রাহুলের ভোট বাঁচাও আন্দোলনকে অনুপ্রবেশকারী রক্ষার কৌশল বললেন শাহ

সানইয়ার লুহুইতোউ পর্যটন এলাকায় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সানইয়া পৌর কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রচার বিভাগের প্রধান লি ইংটিং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, "পাহাড়, সমুদ্র ও আধুনিক নগরজীবনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সানইয়া আন্তর্জাতিক পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।" তিনি বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সানইয়ার সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার গল্প বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

ছয় দিনের সফরে প্রতিনিধিরা সানইয়ার লুহুইতোউ, থিয়ানইয়া হাইচিয়াও, দাসিয়াওদোংথিয়ান, উঝিঝৌ দ্বীপ ও ওয়েস্ট আইল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রবালপ্রাচীর রক্ষা এবং শতবর্ষী জেলেপল্লির ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।

ঐতিহাসিক ইয়াঝৌ প্রাচীন নগরী পরিদর্শনের সময় তাঁরা ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য, প্রাচীন সড়ক, স্থানীয় লোকসংগীত ও লি জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন। এ ছাড়া সানইয়া বে, দাদংহাই পর্যটন এলাকা, থিয়ানইয়া টাউন ও ফার্স্ট মার্কেট ঘুরে স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতি, বাজারব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হন।

সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল সানইয়ার আধুনিক পর্যটন ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো পরিদর্শন। প্রতিনিধিরা হংঝৌ আন্তর্জাতিক ইয়ট মেরিনা, আটলান্টিস সানইয়া, সিডিএফ সানইয়া আন্তর্জাতিক শুল্কমুক্ত বিপণিবিতান এবং সানইয়া জয় সিটি ঘুরে দেখেন। এসব স্থানে তাঁরা আন্তর্জাতিক পর্যটন, সামুদ্রিক বিনোদনশিল্প, শুল্কমুক্ত কেনাকাটা এবং পর্যটকবান্ধব সেবার সম্প্রসারণ সম্পর্কে জানতে পারেন।

আরও পড়ুন: ম্যাকাওয়ের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানকে ১২ বছরের কারাদণ্ড

সানইয়া জয় সিটিতে বিদেশি পর্যটকদের কেনাকাটা ও অন্যান্য সেবা গ্রহণ সহজ করতে নেওয়া ‘পাসপোর্ট ফ্রেন্ডলি’ উদ্যোগ সম্পর্কে প্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়।

পাশাপাশি তাঁরা সানইয়ার আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, হাইনান লুজান পর্যটন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউছাই পরিবেশ অঞ্চলের ডুরিয়ান ভ্যালি পরিদর্শন করেন। এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পর্যটন, আন্তর্জাতিক মানের আতিথেয়তা শিক্ষা এবং কৃষিভিত্তিক পর্যটন বিকাশের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।

হাইনান মুক্ত বাণিজ্যবন্দর কাঠামোর আওতায় সানইয়ার আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ভিসামুক্ত প্রবেশব্যবস্থার আওতায় ৮৮টি দেশের নাগরিক সুবিধা পান। কিছু ক্ষেত্রে একজন যাত্রীর অভিবাসন প্রক্রিয়া মাত্র ৩০ সেকেন্ডে সম্পন্ন করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।

বর্তমানে সানইয়ার সঙ্গে বিদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ৩৮টি আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী বিমান রুট চালু রয়েছে। এসব রুট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া ও রুশভাষী অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পর্যটনবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে।

আরও পড়ুন: করাচির কাছে পর্যটকের ছদ্মবেশে জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলছে

চলতি বছরের ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সানইয়া ফিনিক্স আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক আগমন ও বহির্গমনকারী যাত্রী চলাচল ১০ লাখ ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

সফরে অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা স্থানীয় জনগোষ্ঠী, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পর্যটনকেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা পরিদর্শনের মাধ্যমে চীনের উন্নয়ন সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান।

ছয় দিনের এই কর্মসূচি সানইয়ার পর্যটন সম্ভাবনা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: বিজেপিকে মমতার হুঁশিয়ারি, "আমাদের ওপর বুলডোজার চালান"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকারি প্রত্যাশীদের জন্য ৩৪৭ জন কর্মী নিয়োগের সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


সরকারি চাকারি প্রত্যাশীদের জন্য ৩৪৭ জন কর্মী নিয়োগের সুখবর

বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়ে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়, ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট একাডেমি (ফিমা) এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন অডিট অধিদপ্তরে মোট ৩৪৭ জন কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নিয়োগের জন্য ১৬তম ও ২০তম গ্রেডের চারটি পদে দুটি পৃথক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী এবং যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিকেরা অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদভিত্তিক বিবরণ, পদসংখ্যা ও বেতন স্কেল

জুনিয়র অডিটর (গ্রেড-১৬): ৭০টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।

কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গ্রেড-১৬): ৬২টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।

ড্রাইভার (গ্রেড-১৬): ৬টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।

অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০): ২০৯টি। বেতন স্কেল: ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা।

আবেদনের যোগ্যতা

জুনিয়র অডিটর পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অন্তত দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কম্পিউটারে টাইপ করার দক্ষতা থাকা আবশ্যক। বাংলায় ও ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে কমপক্ষে ২০ শব্দ টাইপ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্ধারিত দক্ষতা পরীক্ষা স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপ্টিটিউড টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে।

কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে আবেদন করতে হলে স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্তত দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতার পাশাপাশি প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে কমপক্ষে ৩০ শব্দ এবং বাংলায় ২৫ শব্দ টাইপ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। এ পদে নিয়োগের জন্য নির্ধারিত দক্ষতা পরীক্ষায় স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপ্টিটিউড টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে।

ড্রাইভার পদে আবেদন করার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা জেএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। হালকা বা ভারী যানবাহন চালানোর বৈধ লাইসেন্স থাকা আবশ্যক। গাড়ি চালানোর কাজে অন্তত তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

অফিস সহায়ক পদে আবেদন করতে হলে স্বীকৃত বোর্ড থেকে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বয়সসীমা ও অন্যান্য শর্ত

আবেদনকারীর বয়স ২৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের এফিডেভিট গ্রহণ করা হবে না। সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময়ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র প্রদর্শন করতে হবে। আবেদনপত্রে দেওয়া কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ, ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে প্রার্থীর আবেদন বাতিল করা হবে। নিয়োগ পাওয়ার পরও এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেলে নিয়োগ বাতিল করা হতে পারে। নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি অনুসরণ করা হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার যাতায়াত বা দৈনিক ভাতা দেওয়া হবে না।

আবেদনপ্রক্রিয়া ও সময়সীমা

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের নির্ধারিত টেলিটক ওয়েবসাইট (https://cag.teletalk.com.bd) প্রবেশ করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। আবেদন শুরু হয়েছে ৩ নভেম্বর ২০২৬, সকাল ১০টা থেকে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৫ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

অনলাইনে আবেদন করার সময় প্রার্থীকে সদ্য তোলা রঙিন ছবি ও স্বাক্ষর স্ক্যান করে নির্ধারিত স্থানে আপলোড করতে হবে। ছবির মাপ হতে হবে ৩০০×৩০০ পিক্সেল এবং স্বাক্ষরের মাপ ৩০০×৮০ পিক্সেল। ছবির ফাইলের সর্বোচ্চ আকার ১০০ কিলোবাইট এবং স্বাক্ষরের ফাইলের সর্বোচ্চ আকার ৬০ কিলোবাইট হতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হবে। আবেদন Submit করার পর ছবিসহ Applicant's Copy ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।

আবেদন ফি জমা দেওয়ার নিয়ম

অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর টেলিটকের প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি পরিশোধ করতে হবে। জুনিয়র অডিটর ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের আবেদন ফি ১০০ টাকা এবং টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকা। সব মিলিয়ে দিতে হবে ১১২ টাকা। অন্যদিকে অফিস সহায়ক পদের আবেদন ফি ৫০ টাকা এবং সার্ভিস চার্জ ৬ টাকা। এ পদের জন্য মোট ৫৬ টাকা জমা দিতে হবে।

ফি জমা দেওয়ার জন্য প্রথমে টেলিটকের প্রিপেইড নম্বর থেকে CAG লিখে একটি স্পেস দিয়ে Applicant's Copy-তে পাওয়া User ID লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে আবেদনকারীর নাম, ফি জমার পরিমাণ ও একটি PIN নম্বর জানানো হবে। এরপর দ্বিতীয় এসএমএসে CAG লিখে স্পেস দিয়ে YES, আবার স্পেস দিয়ে পাওয়া PIN নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফি সফলভাবে জমা হলে ফিরতি এসএমএসে আবেদনকারীর User ID ও Password জানিয়ে দেওয়া হবে।

প্রবেশপত্র ও পরীক্ষার তথ্য

প্রবেশপত্র ডাউনলোডের বিষয়টি প্রার্থীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। এজন্য আবেদনপত্রে দেওয়া মোবাইল নম্বরটি সচল রাখতে হবে। এসএমএসে পাওয়া User ID ও Password ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে হবে। প্রবেশপত্রে প্রার্থীর রোল নম্বর, পদের নাম, ছবি, পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্রের নাম উল্লেখ থাকবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীদের সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। পাশাপাশি এসব সনদের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। নাগরিকত্ব সনদ, চারিত্রিক সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি এবং অনলাইনে পূরণ করা আবেদনপত্রের Applicant's Copy সঙ্গে রাখতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া অন্যান্য সনদও জমা দিতে হবে।

বিস্তারিত তথ্য ও যোগাযোগ

নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.cag.org.bd) এবং টেলিটকের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। টেলিটকের জব পোর্টাল (https://alljobs.teletalk.com.bd) থেকেও বিজ্ঞপ্তি দেখা যাবে। অনলাইনে আবেদন করতে কোনো সমস্যা হলে টেলিটক নম্বর থেকে ১২১ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। প্রয়োজনে [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল করেও সহায়তা নেওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভাবের কারণে স্ত্রীকে ভাড়া দিলেন মিজান, আটক দম্পতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


অভাবের কারণে স্ত্রীকে ভাড়া দিলেন মিজান, আটক দম্পতি

ভোলার মনপুরা অঞ্চলে স্ত্রীকে দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড (দেহ ব্যবসা) পরিচালনার অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় এক দম্পতিকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক নারীর কাছ থেকে ২৬টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কথিত দুই খদ্দের এবং মধ্যস্থতাকারী এক মোটরসাইকেলচালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে হাজিরহাট ইউনিয়নের পুরোনো হাসপাতালসংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকার একটি ঝোপ থেকে তাদের আটক করা হয়। স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে মনপুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই স্বামী-স্ত্রীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে আটক নারীর কাছ থেকে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মিজান, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘জাটকি মিজান’ নামে পরিচিত। তিনি ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার স্ত্রী রানী বেগম (ছদ্মনাম) ৪ নম্বর দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকা থেকে মাজেদ নামে এক মোটরসাইকেলচালকের সহযোগিতায় স্ত্রীকে নিয়ে হাজিরহাট ইউনিয়নের পুরোনো হাসপাতালসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় যান মিজান। অভিযোগ রয়েছে, ওই মোটরসাইকেলচালকের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় দুই ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক কাজের জন্য পাঁচ হাজার টাকার একটি মৌখিক চুক্তি হয়।

বিষয়টি বুঝতে পেরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে স্বামী-স্ত্রী স্লুইসগেটসংলগ্ন ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা তাদের হাতেনাতে আটক করতে পারলেও সুযোগ বুঝে মোটরসাইকেলচালক মাজেদ ও সেখানে উপস্থিত দুই খদ্দের দৌড়ে পালিয়ে যান।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক স্বামী-স্ত্রী দাবি করেছেন, সংসারের চরম অভাব-অনটনের তাড়নায় বাধ্য হয়েই তারা এ ধরনের কাজে জড়িয়েছেন। তবে জব্দ হওয়া মাদকের দায় অস্বীকার করে তাদের ভাষ্য, স্থানীয়দের উপস্থিতি দেখে মোটরসাইকেলচালক মাজেদ তড়িঘড়ি করে পালানোর সময় ইয়াবাগুলো তাদের কাছে রেখে চলে যান।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে আটক হওয়া স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢামেকে কারাবন্দি মো. শামিমের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


ঢামেকে কারাবন্দি মো. শামিমের মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি মো. শামিম (৩২) নামের এক হাজতি মারা গেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে শামিমকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

মৃত শামিম কোন মামলায় বন্দি ছিলেন, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তার গ্রামের বাড়ি ধামরাই এবং বাবার নাম আব্দুল কাদের (মৃত)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাকাওয়ের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানকে ১২ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


ম্যাকাওয়ের প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানকে ১২ বছরের কারাদণ্ড

ম্যাকাওয়ের সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানকে আদালত সাড়ে ১২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এটি ক্যাসিনো নগরী হিসেবে পরিচিত ম্যাকাওয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত রায়। এই রায় রুদ্ধদ্বার আদালতে প্রকাশ করা হয়।

২০২৫ সালে আউ কাম সানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০০৯ সালে ম্যাকাওয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর এই আইনের আওতায় এটি ছিল প্রথম প্রকাশ্যে জানা গ্রেপ্তারের ঘটনা। তার বিরুদ্ধে মামলাটি হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন দমনে বেইজিংয়ের কঠোর পদক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

আউয়ের পরিবার অভিযোগ করেছে, গ্রেপ্তারের পর থেকে তাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি তিনি নিজের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। আউ কাম সানকে ‘রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষমতার বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড’ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে ম্যাকাওয়ের বাইরের বিভিন্ন সংগঠন, গোষ্ঠী ও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়, আউ দীর্ঘদিন ধরে বাইরের কয়েকটি সংগঠনকে সহায়তা করেছেন। রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রচার চালানোর উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন ছবি ও তথ্য সংগ্রহ, তৈরি এবং জনসমক্ষে প্রকাশেও সহায়তা করেছেন।

আদালতের রায়ে আরও বলা হয়, আউ ম্যাকাওয়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর উদ্দেশ্য ছিল সংবিধানে নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা দুর্বল ও উৎখাত করা। গত সেপ্টেম্বরে রুদ্ধদ্বার আদালতে তার বিচার শুরু হয় এবং মাত্র তিন দিনের মধ্যে তা শেষ হয়।

‘জাস্টিস অ্যাব্রড’-এর পরিচালক মাইকেল পোলাক, যিনি আউয়ের পরিবারকে আইনি সহায়তা দিচ্ছেন, তার বিচারপ্রক্রিয়াকে ‘প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছেন।

তার মতে, এই ঘটনা ম্যাকাওয়ের জন্য লজ্জাজনক এবং বিশ্বে অঞ্চলটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে। তিনি ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’কে বলেন, আউয়ের বিচার ও তার বিরুদ্ধে আনা ‘মনগড়া অভিযোগ’ ম্যাকাওকে বিশ্বের সবচেয়ে দমনমূলক অঞ্চলগুলোর কাতারে নিয়ে গেছে। এসব জায়গায় নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নিজেদের বিরোধীদের যথাযথ ও সুষ্ঠু বিচারপ্রক্রিয়া ছাড়াই কারাগারে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে।

৬৯ বছর বয়সী আউ পর্তুগালেরও নাগরিক। তিনি ম্যাকাওয়ের অন্যতম প্রধান বিরোধী নেতা। বেইজিংপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইনসভায় তিনি প্রায় ২০ বছর আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর তার গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তবে তার মুক্তির দাবি জানায়নি সংস্থাটি।

মাইকেল পোলাক পর্তুগাল ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন আউকে ম্যাকাও ছাড়ার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানায়। তার মতে, এতে আউকে ‘মনগড়া অভিযোগে’ এক দশকের বেশি সময় কারাগারে কাটাতে হবে না।

লন্ডনপ্রবাসী আউয়ের মেয়ে চেরি আউ ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’কে জানিয়েছেন, তার বাবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এ কারণে কারাগারে তার স্বাস্থ্য নিয়ে পরিবার উদ্বিগ্ন। চেরি বলেন, ‘সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, যে সরকারের জন্য তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, সেই সরকারই এখন তাকে অপরাধী হিসেবে তুলে ধরছে।

আমি আশা করি, মানুষ তার দীর্ঘদিনের কাজ ও অবদানের কথা মনে রাখবে। তার ওপর মানুষ আস্থা রেখেছিল এবং বারবার নির্বাচিত করেছিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমার বাবা এখন চরম অবিচারের শিকার। যারা তার অবদান জানেন, পাশে দাড়ান।’

পেশায় শিক্ষক আউ ২০ বছর ম্যাকাওয়ের আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। ১৯৮৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে বিক্ষোভ দমনের ঘটনার স্মরণে ম্যাকাওয়ে আয়োজিত কর্মসূচির অন্যতম সংগঠকও ছিলেন তিনি।

গত বছরের জুলাইয়ে নিজের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, তিনি ম্যাকাওয়ের বাইরের বিভিন্ন ‘শত্রুভাবাপন্ন’ সংগঠনকে সহায়তা করেছেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বক্তব্য সংগ্রহ ও প্রচার এবং মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভিন্নমত দমনের কঠোর নীতি এবার ম্যাকাওয়েও ছড়িয়ে পড়েছে। সাবেক আইনপ্রণেতা আউ কাম সানের বিরুদ্ধে মামলা করে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ আরও কঠোর করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।

ম্যাকাও ১৯৯৯ সালে পর্তুগালের কাছ থেকে চীনের শাসনে আসে। এরপর থেকে এটি হংকংয়ের মতো বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। অঞ্চলটির নিজস্ব রাজনৈতিক ও আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। ম্যাকাও চীনের একমাত্র শহর, যেখানে ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা বৈধ।

এখানে এমজিএম, লাস ভেগাস স্যান্ডস ও উইন রিসোর্টসের মতো বড় মার্কিন প্রতিষ্ঠান হোটেল ও ক্যাসিনো পরিচালনা করে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, আউয়ের বিরুদ্ধে এই মামলা ম্যাকাওয়ের অন্য সমালোচকদের মধ্যেও ভীতি তৈরি করবে। সংস্থাটির এশিয়া বিষয়ক উপপরিচালক মায়া ওয়াং বলেন, ম্যাকাওয়ে গণতন্ত্রপন্থীদের কণ্ঠরোধের ঘটনা চীনে ভিন্নমত ও মানুষের মৌলিক অধিকার দমনের বৃহত্তর নীতিরই অংশ।

আউ জানান, সমাজের নানা সমস্যা দেখে তিনি রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তার মতে, এসব বিষয়ে মানুষের কথা বলা প্রয়োজন। ১৯৮৯ সালে বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন তাকে ও তার সমমনা বন্ধুদের রাজনীতিতে যুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করে। পরে ম্যাকাওয়ে গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ার জন্য কাজ শুরু করেন।

গ্রেপ্তারের আগে আউ নিয়মিত ফেসবুক ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সরকারের সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করতেন। ম্যাকাওয়ে সরকারের সমালোচনা করা বিরল ব্যক্তিদের একজন ছিলেন তিনি। তবে তার সমালোচনার ভাষা বেশির ভাগ সময়ই ছিল সংযত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%