ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাহুলের ভোট বাঁচাও আন্দোলনকে অনুপ্রবেশকারী রক্ষার কৌশল বললেন শাহ


রাহুলের ভোট বাঁচাও আন্দোলনকে অনুপ্রবেশকারী রক্ষার কৌশল বললেন শাহ

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ‘ভোট বাঁচাও’ আন্দোলনকে অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করার প্রচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, রাহুল গান্ধীর এই অভিযান মূলত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার একটি কৌশল। একই সঙ্গে, তিনি উত্তরাখণ্ডসহ সারা ভারত থেকে সকল অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানোর পক্ষে জোরালো দাবি জানান।

জনসভায় অমিত শাহ প্রশ্ন করেন, যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে, তাদের এই পবিত্র ভূমি ও দেশ থেকে বের করে দেওয়া উচিত কি না। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরাখণ্ডে মুসলিম জনমিতির পরিবর্তন এবং বহিরাগতদের বসতি স্থাপন নিয়ে বিজেপির প্রচারের প্রেক্ষাপটে অমিত শাহের এই বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোষণ রাজনীতির অভিযোগ তুলে শাহ বলেন, কংগ্রেস শুক্রবারের নামাজের জন্য ছুটির প্রস্তাব দিয়েছিল এবং রামমন্দির নির্মাণের বিরোধিতা করেছে। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস সরকারের আমলে এমন নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল যা দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও জনবিন্যাসের পরিবর্তনকে উৎসাহিত করে, কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এই ধারা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন: বৈশ্বিক সংকটে ৪ কোটি মানুষের চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকি

উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার, দেরাদুন এবং উধম সিং নগরে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে বিজেপি কিছুদিন ধরে সরব রয়েছে। দলটির দাবি, অন্যান্য রাজ্য ও প্রতিবেশী দেশ থেকে মানুষের আগমন স্থানীয় জনবিন্যাস এবং ব্যবসাবাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে, উত্তরাখণ্ডের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশ, ধর্মীয় মেরুকরণ এবং তোষণনীতির বিষয়গুলো সামনে এনে বিজেপি তাদের পুরনো রাজনৈতিক কৌশলকে আরও তীব্র করেছে। উন্নয়নমূলক প্রচারের পাশাপাশি ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী আবহ তৈরি করে হিন্দু ভোটারদের একত্রিত করার লক্ষ্য বিজেপি নেতৃত্বের প্রধান উদ্দেশ্য বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কসবায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে জনজীবন বিপর্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


কসবায় দু

বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান এবং বিএনপির নমিনেশন প্রত্যাশী কবির আহমাদ ভূইয়ার সমর্থকদের মধ্যে চলছে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।

শনিবার (৭ নভেম্বর) কসবা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়া পরিবার ঐক্যের রাজনীতিকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


জিয়া পরিবার ঐক্যের রাজনীতিকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এই তিন প্রজন্মই ঐক্যের রাজনীতিকে ধারণ করে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি অডিটরিয়ামের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আগামীতে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সম্ভাবনাময় বাংলাদেশকে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি সমৃদ্ধশালী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট, রাজনৈতিক বিভাজন ও নেতৃত্বের শূন্যতা কাটিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি নিশ্চিত ও শক্তিশালী নেতৃত্বের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানের তারেক রহমান—এই তিন প্রজন্মই ঐক্যের রাজনীতিকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

পঞ্চগড়ের বিশেষ প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দলমত ও সর্বস্তরের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পঞ্চগড় উপহার দিতে হলে, আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় এ সময় পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির সমাবেশ ও র‌্যালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


বরিশালে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির সমাবেশ ও র‌্যালি

বরিশাল, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের স্মরণে বরিশালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পৃথক সমাবেশ ও র‌্যালির আয়োজন করেছে।

আজ শনিবার দুপুরে বরিশাল মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে দুপুর ১২টায় নগরীর সদর রোডে অশ্বিনীকুমার হলের পাশে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপি একটি সমাবেশের আয়োজন করে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. মজিবর রহমান সরোয়ার।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সমাবেশে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, "গত ১৭ বছর যেভাবে মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এখনো সেভাবেই মাঠে রয়েছি। প্রয়োজনে সাংগঠনিক টিম গঠন করে স্বৈরাচারী শক্তি প্রতিহত করা হবে।"

সমাবেশ শেষে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ করেন।

অন্যদিকে, দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল জেলা বিএনপির উদ্যোগে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে একটি পৃথক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শেষে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও নগরীতে র‌্যালি বের করে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

নতুন নির্বাচন নাকি সরকার গঠন? রাজনৈতিক জটিলতায় ইসরাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


নতুন নির্বাচন নাকি সরকার গঠন? রাজনৈতিক জটিলতায় ইসরাইল

ইসরাইলের সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগ একটি জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। রোববার (৮ নভেম্বর) সরকার গঠনের জন্য প্রথম সুযোগ কার হাতে যাবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে তার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট—দুই নেতা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।

প্রেসিডেন্টের দপ্তরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক পরামর্শ সভার পর দেখা গেছে, ১২০ আসনের নেসেটে গাদি আইজেনকোট ৬৭ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন পেয়েছেন। অন্যদিকে, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে ৪৬ জনের সমর্থন এসেছে। যদিও নেতানিয়াহুর ডানপন্থী ও ধর্মীয় জোটের হাতে ৫৩টি আসন থাকার কথা ছিল, তথাপি অতি-গোঁড়া ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ সংক্রান্ত মতবিরোধের কারণে তার দীর্ঘদিনের মিত্র ‘ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম’ দল তাকে শেষ মুহূর্তে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

আইজেনকোট ৬৭ জনের সমর্থন পেলেও, তার এই জয়ের পেছনে রয়েছে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরাইলি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব দলগুলোর ভোট, যারা গত অক্টোবরের নির্বাচনে রেকর্ড ১৯টি আসন জিতেছিল। তবে আইজেনকোট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি এই আরব দলগুলোকে নিজের সরকারে অংশীদার করবেন না। ইসরাইলে সরকার গঠন করতে হলে সর্বনিম্ন ৬১টি আসনের প্রয়োজন হয়। যদি আইজেনকোট ফিলিস্তিনি দলগুলোকে সরকারে না রাখেন, তাহলে তাকে অতি-গোঁড়া দলগুলোকে রাজি করিয়ে ৬১ আসনের কোটা পূরণ করতে হবে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে বিরোধী শিবিরের কোনো দলকে নিজের পক্ষে টানতে হবে অথবা আইজেনকোটের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য সরকার গঠন করতে হবে, যা বিরোধীরা ইতিমধ্যেই নাকচ করে দিয়েছেন।

নির্বাচনে আরব দলগুলোর জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’ এবং ‘ইউনাইটেড আরব লিস্ট’ বা ‘রাম’ মূলত নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার উদ্দেশ্যে আইজেনকোটকে সমর্থন দিয়েছে। রাম দল সরকারে যোগ দিতে ইচ্ছুক হলেও জয়েন্ট লিস্ট বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার কথা বলেছে। তবে আইজেনকোটের শর্ত হলো—ফিলিস্তিনি দলগুলোকে সমর্থন দিতে হলে হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। ফিলিস্তিনি দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, নেতানিয়াহুর মতো উগ্র ডানপন্থী সরকারের পতন ঘটানো এবং দেশের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বাড়িঘর ধ্বংস বন্ধ ও অপরাধ দমনের মতো মৌলিক অধিকার রক্ষা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট যাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন, তিনি প্রথমে ২৮ দিন সময় পাবেন এবং প্রয়োজন হলে তা ১৪ দিন বাড়ানো যাবে। যদি নির্ধারিত ধাপগুলোতে একের পর এক মনোনীত প্রার্থী ব্যর্থ হন, তাহলে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হবে এবং ৯০ দিনের মধ্যে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো সরকার গঠিত না হওয়া এবং নতুন নির্বাচন দেওয়াটাই নেতানিয়াহুর সবচেয়ে পছন্দের কৌশল, কারণ এতে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের অবস্থান দুর্বল হতে পারে এবং তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%