ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে কলম্বিয়া


১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে কলম্বিয়া

বিশ্বকাপের অভিষেকটা ভালো হয়নি উজবেকিস্তানের। কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধের বিরতিতে গেছে মধ্য এশিয়ার দেশটি। ম্যাচের ৪০ মিনিটে লুইস দিয়াজের বক্সের ভেতরে পাঠানো বলে দারুণভাবে জালে পাঠিয়ে কলম্বিয়াকে লিড এনে দিয়েছেন দানিয়েল মুনিওজ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে ‘কে’ গ্রুপের ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে উজবেকিস্তান। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি ছিল দেশটির প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ।

প্রথমার্ধে গোল মাত্র একটি হলেও পুরোটা সময় দাপট দেখিয়েছে কলম্বিয়া। ৭২ শতাংশ বল একাই নিজেদের দখলে রেখেছে দলটি। আর ২৮ শতাংশ বল ছিল প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে আসা উজবেকিস্তানের। কলম্বিয়া ৬টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখলেও কোনো শটই নিতে পারেনি উজবেকিস্তান।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ৪৭ ও ৪৮তম দল হিসেবে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছে উজবেকিস্তান–কলম্বিয়া। অভিষেক ম্যাচে শক্তিশালী কলম্বিয়ার মুখোমুখি হয় উজবেকিস্তান। লাতিন আমেরিকার দলটি ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে টানা নকআউট পর্বে খেলেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে সাত বছরেও বেড়িবাঁধের কাজ শেষ হয়নি, ঝুঁকিতে ৬ হাজার একর জমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


নড়াইলে সাত বছরেও বেড়িবাঁধের কাজ শেষ হয়নি, ঝুঁকিতে ৬ হাজার একর জমি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অন্তত ছয় হাজার একর জমির ফসল ও বসতবাড়ি মধুমতী নদীর পানিতে বছরের পর বছর প্লাবিত হয়ে আসছে। প্রতি বছরের বর্ষা মৌসুমে নদীর জল বৃদ্ধির ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। সেই সঙ্গে হাজারো পরিবারও ঘরবাড়ির ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প শুরুর পরেও সাত বছর পেরিয়ে গেছে, প্রকল্পটি শেষ হয়নি। এই অবস্থায় তাঁরা দ্রুত বেড়িবাঁধ তৈরির দাবি জানিয়েছেন। তবে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাজটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিছু দশকের ভাঙন ও ক্ষতির ফলে মধুমতী নদীর পাড়ে পাকা সড়ক পুরোপুরি বিলীন হয়ে গেছে। বারবার নদীর পানি ঢুকা অব্যাহত থাকায় অন্তত ছয় হাজার একর জমির ফসল রোপণ করা বিফলে গেছে। শুধু ফসলি জমি নয়, বরং ঘরবাড়িতেও এ জল ঢুকে অনেক পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় ২০১৯ সালে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল থেকে ঘাঘা চেয়ারম্যানের বাড়ি পর্যন্ত (ধলইতলা) ৩ দশমিক ১ কিলোমিটার এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়েছিল। প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৩৪২ কোটি টাকা।

স্থানীয় জনগণের আপত্তি ও আদালতের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ২০২৩ সালে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন প্রকল্পের কাজ শুরু করে। যদিও প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা, সেই সময়ের মধ্যে কাজের অগ্রগতি খুবই সন্তোষজনক নয়। দু'দফা সময় বৃদ্ধির পরেও কাজের গতি অত্যন্ত ধীর। কিছু স্থানে খনন কাজ হয়েছে, কিন্তু অন্য কোথাও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এছাড়া, প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণে থাকা ১৬১ জনের মধ্যে ২৪ জন মাত্র ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য ঠিকাদारी প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অন্তত ১৫টি গ্রামের ফসলি জমি ও বাড়িঘর রক্ষার জন্য স্থানীয়রা দ্রুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানাচ্ছে, জমির ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তারা প্রকল্পের কাজ চলতে দেবেন না।

এস এ ইউবি জে বি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মো. মিলন আলী সময় সংবাদকে জানান, বেড়িবাঁধের কাজ নিয়ে তাঁরা কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি বলছেন, এখনো পানি উন্নয়ন বোর্ড পুরো জমি তাঁদের বুঝিয়ে দেয়নি। কাজ করতে গেলে স্থানীয়দের কিছু বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। তারা বলছেন, ক্ষতিপূরণ না পেলে কাজ করতে দেবেন না। এ অবস্থায় কিছু অংশে কাজ চলছে, কিন্তু পুরো জমি বুঝে পেলে কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি ২০১৯ সালে অনুমোদিত হয়, কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০২২ সাল পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি। বর্তমানে ২০২৩ সাল থেকে কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাধা ও জমি জটিলতার কারণে ঠিকাদার নিয়মিতভাবে কাজ করতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, লাল পতাকা দিয়ে জমি চিহ্নিত করলেও পরবর্তীতে তা তুলে ফেলা হচ্ছে। সমস্যা সমাধান হলে দ্রুত কাজ শেষ করার আশা ব্যক্ত করেছেন।

অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসনে আরা তান্নি জানিয়েছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একাধিকবার জমি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৪ জন ক্ষতিগ্রস্তকে যাচাই-বাছাই করে ক্ষতিপূরণের চেক দেয়া হয়েছে। বাকিদের আবেদন এবং কাগজপত্র যাচাই করে পর্যায়ক্রমে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্ড লাইনে দুই ঘণ্টা সাশ্রয়, ৩ ঘণ্টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ এম


কর্ড লাইনে দুই ঘণ্টা সাশ্রয়, ৩ ঘণ্টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রা!

অবশেষে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেল চলাচলের সময় প্রায় দুই ঘণ্টা কমানোর ব্যাপারে অন্তত ৮০ কিলোমিটার দূরত্ব সংকোচনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। মূলত কুমিল্লায় কর্ড লাইন স্থাপনের মাধ্যমে আখাউড়া-ভৈরব ও টঙ্গী রুট এড়িয়ে কুমিল্লা-লাকসাম-নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া হয়ে চলাচল করবে সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেন। এভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রার সময় কমে দাঁড়াবে প্রায় ৩ ঘণ্টায়।

বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের অভিজাত ট্রেন সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭০ কিলোমিটার গতিতে চললেও ৩২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে অন্তত সাড়ে ৫ ঘণ্টা। চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলো আখাউড়া-ভৈরব ও টঙ্গী হয়ে ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছে।

চট্টগ্রামমুখী ট্রেনগুলোর ক্ষেত্রেও একই রুট ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিন্তু এই রুটে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে গিয়ে যাত্রীদের বাড়তি প্রায় দুই ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, "দূরত্ব কমে গেলে জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং পরিচালন ব্যয়ও কমে আসবে।"

তিনি আরও বলেন, "একজন যাত্রীকে বিমানযোগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে বাসা থেকে বিমানবন্দর, চেক-ইন, ফ্লাইট ও গন্তব্যে পৌঁছানোর পুরো সময় বিবেচনা করলে কর্ড লাইন চালু হলে ব্রডগেজ ট্রেনে তারও আগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছানো সম্ভব হবে।"

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের যাত্রীরা কুমিল্লা-লাকসাম হয়ে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া রুট ব্যবহার করবেন। বর্তমানে ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ডুয়েল গেজ রেললাইন বিদ্যমান। প্রকল্পের আওতায় এই লাইন কুমিল্লা ও লাকসামের মধ্যবর্তী অংশ পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। কর্ড লাইন চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলওয়ের জ্বালানি ব্যয় প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাবে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম বলেন, "ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত কর্ড লাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হচ্ছে এবং সেটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে।" সমীক্ষা শেষ হলে ডিপিপি প্রণয়ন করা হবে। এরপর অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

এর আগে কর্ড লাইন স্থাপনের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন হলেও বিভিন্ন কারণে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়ায় সংশ্লিষ্টরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এম আর মনজু বলেন, "চাকরিতে যোগদানের আগেও আমি কর্ড লাইনের কথা শুনেছি, কিন্তু কেউ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার দ্রুত এই কর্ড লাইন বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়ায় ধন্যবাদ জানাই।"

কর্ড লাইন প্রকল্পের প্রাথমিক ধাপে গত ১৫ মার্চ ড্রাফট ফিজিবিলিটি রিপোর্ট অনুমোদন করা হয়েছে। বর্তমানে চূড়ান্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে ভূমি অধিগ্রহণ শুরু করতে পৃথক ডিপিপি প্রস্তুতের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত অ্যালাইনমেন্ট অনুযায়ী সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন, টপোগ্রাফিক সার্ভে, পরিবেশগত সমীক্ষা, পুনর্বাসন পরিকল্পনা (রিসেটেলমেন্ট প্ল্যান) এবং হাইড্রোমরফোলজিক্যাল স্টাডির কাজও সম্পন্ন হয়েছে। প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম বলেন, "বর্তমানে যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ রয়েছে, সেটিকে ভবিষ্যতে ডেডিকেটেড সাইড করিডর হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।"

সব প্রক্রিয়া শেষ করে ২০২৭ সালে রেললাইন নির্মাণকাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ২০৩০ সালের মধ্যে কুমিল্লার কর্ড লাইন পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে। যাত্রাপথে যানজট এড়াতে রেলপথে একাধিক পৃথক ওভারপাসও নির্মাণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্ড লাইন চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলযাত্রার সময় প্রায় দুই ঘণ্টা কমে আসবে। এতে সড়কপথে যাত্রী পরিবহনের চাপ যেমন কমবে, তেমনি আকাশপথের যাত্রী পরিবহনেও এর প্রভাব পড়বে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে দ্রুত ও স্বল্পসময়ের যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এটি সহজ ছিল না’, চুক্তি সইয়ের সময় বললেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ এম


‘এটি সহজ ছিল না’, চুক্তি সইয়ের সময় বললেন ট্রাম্প

দীর্ঘ দেন দরবারের পর অবশেষে ইরান যুদ্ধ বন্ধে ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ জুন) রাতে ফ্রান্সের প্যারিসের কাছে প্যালেস অব ভার্সাইয়ে এক নৈশভোজ চলাকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিপত্রে সই করেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকে সইয়ের সময়, দীর্ঘ ও জটিল আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটি সহজ ছিল না।’

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ট্রাম্পকে এই মন্তব্য করতে দেখা যায়। ম্যাক্রোঁ ওই নৈশভোজ অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে আতিথ্য দেন।

ভিডিওটির সঙ্গে দেয়া পোস্টে ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘১৪ দফার এই পরিকল্পনা স্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত করবে।’ তিনি আরও বলেন, এই চুক্তির ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্যও কমে আসবে।

ইরানের সাথে এই ঐতিহাসিক চুক্তির পরও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনই সেনা সরাচ্ছে না। প্যারিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, চুক্তি হলেও মার্কিন বাহিনী আরও কিছুদিন ওই অঞ্চলে অবস্থান করবে।

চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ট্রাম্প কিছুটা নমনীয় মনোভাব দেখিয়েছেন। তেহরানের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস করার চেয়ে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে সেটিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, মজুত ধ্বংস করা অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরানও। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভিকে জানান, ইরানের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই চুক্তিতে সই করেছেন।

এদিকে চুক্তি সই হলেও ওয়াশিংটনের প্রতি তীব্র অনাস্থা প্রকাশ করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি জানান, এই শান্তি চুক্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করা যায় না। শত্রুপক্ষ যুক্তির ভাষা না বুঝলে তেহরান আবারও শক্তির ভাষায় জবাব দেবে বলে জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে ৪৮ দলের বিশ্বমঞ্চে ১৩টি মুসলিম দেশের রেকর্ড অংশগ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ এম


এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে ৪৮ দলের বিশ্বমঞ্চে ১৩টি মুসলিম দেশের রেকর্ড অংশগ্রহণ

শুরু হয়েছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ।

এবার আয়োজন করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মতো নামি দেশগুলোতে।

এটি প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে আয়োজনকৃত এই টুর্নামেন্ট বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ করার প্রচেষ্টা করেছে।

তবে এই আসরের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো রেকর্ডসংখ্যক ১৩টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের অংশগ্রহণ, যা বৈশ্বিক ফুটবলের মানচিত্রে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ফুটবল দীর্ঘকাল ধরে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার আধিপত্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

কিন্তু গত দুই দশক ধরে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার মুসলিম দেশগুলো ধাপে ধাপে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে।

অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদেশি কোচিং স্টাফ, ইউরোপীয় লিগে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ফলস্বরূপ, এই দেশগুলো এখন নিছক অংশগ্রহণকারী নয়, বরং শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ১৩টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলো মরক্কো, সেনেগাল, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মিসর, সৌদি আরব, কাতার, ইরান, ইরাক, জর্ডান, উজবেকিস্তান, তুরস্ক এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা।

এই দেশগুলো আফ্রিকা, এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত হলেও তাদের মধ্যে একটি বড় মিল হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বী জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠতা, যা অনেক ক্ষেত্রেই ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশের মধ্যে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে আফ্রিকান ও এশিয়ান মুসলিম দেশগুলোর এই সম্মিলিত উপস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল ক্রীড়া অংশগ্রহণ নয়, বরং বৈশ্বিক ফুটবলের ক্ষমতার ভারসাম্যে একটি কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রতিফলন।

উত্তর আফ্রিকার মরক্কো, এই তালিকার সবচেয়ে আলোচিত দল।

এ দেশে প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ মুসলিম।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে তারা প্রথম আফ্রিকান ও আরব দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে পৌঁছে বিশ্বের ফুটবল ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় রচনা করেছে।

তাদের সাফল্য কোনও আকস্মিক ঘটনা ছিল না; বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি ফুটবল পরিকল্পনা, শক্তিশালী একাডেমি এবং ইউরোপে খেলা প্রবাসী খেলোয়ाड़দের সমন্বয়ের ফল।

আশরাফ হাকিমি, ইউসেফ এন-নেসিরি, সোফিয়ান আমরাবাত ও ব্রাহিম দিয়াজদের মতো তারকাপূর্ণ মরক্কো এখন বিশ্ব শিরোপার স্বপ্ন দেখছে।

অভিজ্ঞता ও সংগঠনের জন্য আফ্রিকার সবচেয়ে সংগঠিত ফুটবল কাঠামোর একটি হিসেবে তারা স্থানীয় ফুটবলের স্থায়ী শক্তি হয়ে উঠেছে।

সেনেগাল আফ্রিকার আরেক মহান শক্তি, যেখানে প্রায় ৯৭ শতাংশ মানুষ মুসলিম।

২০০২ সালে অভিষেক বিশ্বকাপে তারা তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায়, যা আজও আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম বড় বিস্ময় হিসেবে বিবেচিত হয়।

বর্তমানে সাদিও মানে, কালিদু কুলিবালি, এডুয়ার্ড মেন্ডির মতো ইউরোপীয় লিগের খেলা বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের নিকট গঠিত সেনেগাল নিয়মিত আফ্রিকান প্রতিযোগিতায় শিরোপার জন্য লড়াই করে।

শৃঙ্খলা ও শারীরিক শক্তির সমন্বয়ে গঠিত এই দলটি যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

প্রায় ৯৯ শতাংশ মুসলিম দেশ আলজেরিয়া এবার আবার বিশ্বমঞ্চে ফিরে এসেছে দীর্ঘ বিরতির পর।

২০১৪ বিশ্বকাপে তারা জার্মানির বিপক্ষে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই করে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল।

রিয়াদ মাহরেজ, ইসমাইল বেনাসের ও ইউসেফ আত্তালদের নিয়ে গঠিত দলটি এবার আরও পরিণত।

আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলের এই দলটি আক্রমণাত্মক ফুটবল ও কৌশলগত শৃঙ্খলার জন্য সুপরিচিত।

তিউনিসিয়ার পুরো জনসংখ্যাই মুসলিম।

এরা ধারাবাহিকভাবে বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে আফ্রিকার স্থিতিশীল দলগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত।

২০২২ সালে তারা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল।

তিউনিসিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের দলগত শৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষামূলক কৌশল।

যদিও তারা বড় তারকাপ্রবণ দল নয়, তবে সংগঠিত ফুটবল বিপরীত দিকে যেকোনো বড় দলকে সমস্যায় ফেলতে সক্ষম।

মিসরের জনসংখ্যার অধিকাংশই মুসলিম এবং এটি আফ্রিকার একটি ঐতিহ্যবাহী ফুটবল দল।

রেকর্ড সাতবার আফ্রিকা কাপ অব নেশনস জয়ী মিসর এবার নতুন প্রত্যাশা নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছে।

মোহাম্মদ সালাহ তাদের সবচেয়ে বড় তারকা, এবং লিভারপুলের এই ফরওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে মিসরের আক্রমণভাগ তৈরি হয়েছে।

আফ্রিকার সবচেয়ে সফল ক্লাব ইতিহাসের সঙ্গে জাতীয় দলের এই সংমিশ্রণ তাদের বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

প্রায় ৯৭ শতাংশ মুসলিম জনসংখ্যার দেশ সৌদি আরব, এশিয়ান ফুটবলের অন্যতম আলোচিত নাম।

১৯৯৪ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের তিরিশ বছর পর, তারা নিয়মিত বিশ্বমঞ্চে অংশ নিচ্ছে।

২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে তারা ফুটবল বিশ্বে একটি চমক সৃষ্টি করে।

সেই জয় আজও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হয়।

বর্তমানে সৌদি আরব ঘরোয়া লিগে বিপুল বিনিয়োগ করছে, যেখানে বিশ্বসেরা তারকারা খেলছেন।

এই বিনিয়োগ জাতীয় দলের শক্তি বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কাতারের জনগণের একটি বড় অংশ মুসলিম, যা প্রায় ৬৫ শতাংশের কাছাকাছি।

২০২২ সালে বিশ্বকাপ আয়োজন করে তারা ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।

এবার তারা প্রথমবারের মতো স্বাভাবিক বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছে।

অ্যাসপায়ার অ্যাকাডেমির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কাতারের ফুটবল উন্নয়নের ভিত্তি।

আকরাম আফিফ ও আলমোয়েজ আলী মতো তারকা খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত দলটি এখন আরও পরিণত ও প্রতিযোগিতামূলক।

প্রায় ৯৯ শতাংশ মুসলিম, দেশ ইরান এশিয়ার সবচেয়ে অভিজ্ঞ দলগুলোর একটি।

এটি তাদের টানা বিশ্বকাপে উপস্থিতির ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।

ইরানের ফুটবল সবসময়ই শৃঙ্খলা, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের জন্য পরিচিত।

মেহেদি তারেমি, আলিরেজা জাহানবখশ এবং এহসান হাজসাফির মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দলটি এবার আরও দূর যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।

রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার মধ্যেও তাদের ফুটবলে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

প্রায় পুরোপুরি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইরাক, দীর্ঘ ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এসেছে।

যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্যেও ইরাকের ফুটবল টিকে আছে, যা তাদের প্রত্যাবর্তনকে আরও অর্থবহ করে।

২০০৭ সালের এশিয়ান কাপ জয়ী দলের উত্তরসূরিরা এখন বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রমাণের অপেক্ষায় আছে।

তাদের লক্ষ্য অন্তত গ্রুপ পর্বে কিছু ভালো অর্জন করা এবং বিশ্বকাপে প্রথম জয় অর্জন করা।

জর্ডানের প্রায় ৯৭ শতাংশ মানুষ মুসলিম।

এই দেশটি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

২০২৪ সালের এশিয়ান কাপের ফাইনালে পৌঁছে তারা নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দেয়।

মুসা আল-তামারির মতো ইউরোপীয় লিগে খেলা খেলোয়াড় জর্ডানের বৃহত্তম ভরসা।

সীমিত সম্পদ ও অবকাঠামোর মধ্যেও তাদের এই অর্জন বিশ্ব ফুটবলে অনুপ্রেরণার উদাহরণ।

মধ্য এশিয়ার প্রায় ৯৬ শতাংশ মুসলিম দেশ উজবেকিস্তান এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে।

এটি তাদের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন।

দীর্ঘদিন কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর, তারা অবশেষে বিশ্বমঞ্চে জায়গা পেয়েছে।

এলদোর শোমুরোদভ ও আবদুকোদির খুসানভদের সহযোগিতায় গঠিত দলটি ভবিষ্যতের এক শক্তিশালী এশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গৃহীত হচ্ছে।

প্রায় ৯৯ শতাংশ মুসলিম দেশ তুরস্ক, ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এসেছে।

২০০২ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে তারা বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল।

হাকান চালহানওলু, আরদা গুলের ও কেনান ইয়িলদিজদের মতো প্রতিভাবান প্রজন্ম নিয়ে তুরস্ক এবার ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেদের শক্ত অবস্থান তুলে ধরতে চায়।

তাদের লক্ষ্য আগের সফলতার পুনরাবৃত্তি করা।

বলকান অঞ্চলের এই দেশের প্রায় ৫১ শতাংশ মানুষ মুসলিম।

এটি তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ।

সীমিত জনসংখ্যা ও সম্পদের সত্ত্বেও ইউরোপের কঠিন বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপে তাদের এই উঠানো একটি বড় অর্জন।

দেশটির ফুটবল ইতিহাস রাজনৈতিক বাস্তবতা ও যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

সুতরাং, তাদের প্রতিটি আন্তর্জাতিক সাফল্যই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী এই ১৩টি মুসলিম দেশের মধ্যে আফ্রিকা থেকে পাঁচটি, এশিয়া থেকে ছয়টি এবং ইউরোপ থেকে দুটি দেশ সেটিতে রয়েছে।

এই সকল দেশের সম্মিলিত জনসংখ্যা বহু ৭০০ মিলিয়নেরও বেশি মুসলিম জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপ বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার ভারসাম্যে একটি বড় পরিবর্তন আনয়ন করেছে।

ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার একচেটিয়া আধিপত্য ধীরে ধীরে বৈশ্বিক রূপ নিচ্ছে,

যেখানে আফ্রিকা, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

মরক্কোর ঐতিহাসিক সেমিফাইনাল, সেনেগালের ধারাবাহিক উত্থান, সৌদি আরবের আর্জেন্টিনা বধ, কাতারের সংগঠিত উন্নয়ন, ইরাক ও জর্ডানের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন এবং উজবেকিস্তানের অভিষেক এই বিশ্বকাপে মুসলিম বিশ্বের ফুটবল ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় রচনা করছে।

এই আসর কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং একটি পরিবর্তিত বিশ্ব ফুটবল বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, যেখানে নতুন শক্তিগুলো এখন শিরোপার লড়াইয়ে সক্রিয় অংশীদার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%