মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩২ পি.এম
এক সময় তিনি বলিউডের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন। রাহুল রায় ‘আশিকী’, ‘জুনুন’ ও ‘ফির তেরি কাহানি ইয়াদ আয়ি’ সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছিলেন।
কিন্তু ২০২০ সালে ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর তার জীবন পাল্টে যায়। দীর্ঘ সময় কাজ থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি বর্তমানে আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেতা।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে রাহুল তার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অর্থের প্রয়োজনেই বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হচ্ছে তাকে।
এমনকি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচার কাজও করছেন তিনি। এই ধরনের অনুষ্ঠানে তিনি কখনো ২ লাখ, আবার কখনো ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করেন বলে জানিয়েছেন।
রাহুল বলেন, ২০২০ সালে ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর কাজ পাওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। এরপর প্রায় পাঁচ বছর তিনি বিরতির মধ্যে কাটিয়েছেন।
এই সময় তিনি মূলত সুস্থ হয়ে ওঠার চেষ্টা করেছেন। এখন তিনি ধীরে ধীরে অভিনয়ে ফিরছেন এবং আরো কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে কটাক্ষও সহ্য করতে হয়েছে। তবে রাহুলের দাবি, বাইরে থেকে বিষয়টি সহজ মনে হলেও এ ধরনের কাজ করাও যথেষ্ট পরিশ্রমের। তিনি আর্থিক প্রয়োজন থেকেই এসব কাজ করছেন।
এদিকে, রাহুল ও তার ভাই একটি আইনি মামলায় জড়িয়ে পড়েছেন। অভিনেতার ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটির আর্থিক অঙ্ক প্রায় ৩০ লাখ টাকা। সেটি মিটিয়ে ফেলতে তিনি ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করছেন।
রাহুল আরো জানান, বিবাহবিচ্ছেদের সময় তিনি নিজের সম্পত্তি স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে বর্তমানে তিনি অনেকটা শূন্য থেকে জীবন ও ক্যারিয়ার নতুন করে গড়ে তুলছেন। ৬০ বছর বয়সে এসেও তিনি নিজের ‘সাম্রাজ্য’ আবার তৈরি করতে চান বলে জানিয়েছেন।
কঠিন সময়ে বলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন বলেও জানান রাহুল। তাদের মধ্যে সালমান খান, কারিশমা কাপুর, রাবিনা ট্যান্ডন, ফারাহ খান, অর্চনা পুরান সিং ও পূজা ভাট উল্লেখযোগ্য। স্ট্রোকের পর তার চিকিৎসার খরচেও সালমান খান সহযোগিতা করেছিলেন বলে জানান অভিনেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ে মোংলা-ঢাকা রুটে আন্ত নগর ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাগো নিউজে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ রেলওয়ের ২৩ আগস্টের মাসিক পর্যালোচনা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় নাজিরহাট লোকাল ট্রেনকে কমিউটার ট্রেনে উন্নীত করার ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের সার্কুলার রুটে চালুর বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে মতামত প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নরসিংদী কমিউটার ট্রেনের রেক ব্যবহার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত একজোড়া কমিউটার ট্রেন চলাচলের বিষয়ে মতামত দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড় ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ আয়োজনে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাইসুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মোঃ লুৎফর রহমান, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম, সবুজ কান্তি সিকদার, কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায়, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাবেক সভাপতি এনামুল হক, অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাহমিদ আল রামিন ও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সানাইয়া ইমরোজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাইসুল ইসলাম
বলেন,একটি দেশের মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ। শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন না করা পর্যন্ত টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কাউখালী উপজেলাকে নিরক্ষরমুক্ত করতে প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষার আলোয় ফেরাতে আমাদের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ওয়াহিদুর রহমান বলেন,
সাক্ষরতার মূল ভিত্তি তৈরি হয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই। প্রতিটি শিশু যাতে বিদ্যালয়ে ভর্তি হয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন পর্যন্ত ঝরে না পড়ে, সে বিষয়ে আমরা কঠোর মনিটরিং বজায় রেখেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংলিশ ফুটবলের নবম সারির লিগে গোলপোস্ট সামলানো গোলরক্ষকের জীবন একটি অবিশ্বাস্য রাজকীয় মোড়ের মাধ্যমে বদলে গেছে! দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের অপেশাদার ফুটবল ক্লাব ‘এসই ডনস’-এর অধিনায়ক ও গোলকিপার জর্জ ডেসমন্ড কামুরাসি এবার উগান্ডার ঐতিহ্যবাহী ‘তোরো’ রাজ্যের নতুন রাজা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
ক্যান্সারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই শেষে তোরো রাজতন্ত্রের তৎকালীন রাজা চতুর্থ ওইয়ো নিম্বার (৩৪) অকালপ্রয়াণের পর এই নাটকীয় ঘটনা ঘটেছে।
নিঃসন্তান রাজার মৃত্যুর পর রাজপরিবারের উপদেষ্টা কমিটি ৩৬ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ নাগরিক ফুটবলারকে তাদের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
৩৬ বছর বয়সী এই আফ্রো-ব্রিটিশ গোলকিপার সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে ‘বিগ জি’ নামে পরিচিত। সাউথ লন্ডনভিত্তিক ক্লাবটির সাজঘরে দলের উদ্দেশ্যে দেওয়া তার আগুনঝরা ও কড়া বক্তব্যের বেশ কিছু ভিডিও ক্লিপ ইতিপূর্বে নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।লন্ডনে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বসবাস করা কামুরাসির রাজকীয় পদবি গ্রহণের ব্যাপারে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, রাজকীয় দায়িত্বের খাতিরে রাজপ্রাসাদে বসবাস করতে রাজকীয় সিংহাসনের এই দাবিদার বেশ ইতস্তত বোধ করছেন।
এদিকে, উগান্ডার সাধারণ মানুষের একাংশ তার কঠোর ও নীতিবান ভাবমূর্তির কারণে তাঁকে নতুন রাজা হিসেবে স্বাগত জানালেও অন্য একটি অংশ প্রশ্ন তুলেছে যে, ব্রিটেনে বেড়ে ওঠা একজনকে কিভাবে নিজেদের সংস্কৃতির কাণ্ডারি হিসেবে মেনে নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে মাত্র তিন বছর বয়সে সিংহাসনে বসা সাবেক রাজা ওইয়ো নিম্বার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলতি সপ্তাহান্তেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাদের রাজপরিবারের ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ; কামুরাসির দাদু রাজা তৃতীয় জর্জ রুকিডি ১৯৫৪ সালে উগান্ডা সফরকালে সাবেক ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিয়েছিলেন।
তবে এই রাজকীয় নাটকের শেষ অঙ্কে তৈরি হয়েছে দারুণ এক মোড়! চলতি সপ্তাহে সাবেক রাজার শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দিতে উগান্ডা নাও যেতে পারেন এই হবু রাজা। কারণ? একই দিনে যে মাঠে রয়েছে তার ক্লাব ‘এসই ডনস’-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক কাপ ফাইনাল ম্যাচ!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইডেন সরকার সোমবার ঘোষণা করেছে যে, দেশটির সামরিক বাহিনীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি হিমার্স রকেট আর্টিলারি সিস্টেম কিনতে ৭ বিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা, যা প্রায় ৭৩০ মিলিয়ন ডলারের সমান, ব্যয় করবে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই সিস্টেম সংগ্রহের ফলে সুইডিশ সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান ব্যবস্থার তুলনায় অধিক বিস্তৃত এলাকায় এবং আরও দূরপাল্লার সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাল ইয়োনসন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চুক্তির আওতায় লঞ্চারসহ প্রায় ১০টি ট্রাক এবং বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ তথ্য সুইডেনের সংবাদ সংস্থা টিটি নিশ্চিত করেছে।
সরকার জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানি লকহিড মার্টিনের তৈরি এই রকেট সিস্টেম ২০২৭ সাল থেকে সুইডেনে সরবরাহ শুরু হবে।
সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এমন সক্ষমতা প্রয়োজন, যা প্রচলিত আর্টিলারি সিস্টেমের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।’
সুইডেনের নিজস্ব তৈরি আর্চার আর্টিলারি ব্যবস্থার সঙ্গে হিমার্স ব্যবহৃত হবে।
এছাড়া, সুইডেন প্রতিবেশী নর্ডিক দেশ ফিনল্যান্ডের সঙ্গে রকেট আর্টিলারি ব্যবস্থায় সহযোগিতা আরও গভীর করার জন্য একটি যৌথ ঘোষণাও দিয়েছে।
সুইডিশ সরকার জানিয়েছে, ফিনল্যান্ড মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম ব্যবহার করে।
২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর থেকেই সুইডেন নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
রাশিয়ার আগ্রাসনের পর সুইডেন ও ফিনল্যান্ড উভয় দেশই দীর্ঘদিনের সামরিক জোটনিরপেক্ষতার নীতি থেকে সরে এসে ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ