মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৯ পি.এম
সুইডেন সরকার সোমবার ঘোষণা করেছে যে, দেশটির সামরিক বাহিনীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি হিমার্স রকেট আর্টিলারি সিস্টেম কিনতে ৭ বিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা, যা প্রায় ৭৩০ মিলিয়ন ডলারের সমান, ব্যয় করবে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই সিস্টেম সংগ্রহের ফলে সুইডিশ সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান ব্যবস্থার তুলনায় অধিক বিস্তৃত এলাকায় এবং আরও দূরপাল্লার সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাল ইয়োনসন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চুক্তির আওতায় লঞ্চারসহ প্রায় ১০টি ট্রাক এবং বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ তথ্য সুইডেনের সংবাদ সংস্থা টিটি নিশ্চিত করেছে।
সরকার জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানি লকহিড মার্টিনের তৈরি এই রকেট সিস্টেম ২০২৭ সাল থেকে সুইডেনে সরবরাহ শুরু হবে।
সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এমন সক্ষমতা প্রয়োজন, যা প্রচলিত আর্টিলারি সিস্টেমের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।’
সুইডেনের নিজস্ব তৈরি আর্চার আর্টিলারি ব্যবস্থার সঙ্গে হিমার্স ব্যবহৃত হবে।
এছাড়া, সুইডেন প্রতিবেশী নর্ডিক দেশ ফিনল্যান্ডের সঙ্গে রকেট আর্টিলারি ব্যবস্থায় সহযোগিতা আরও গভীর করার জন্য একটি যৌথ ঘোষণাও দিয়েছে।
সুইডিশ সরকার জানিয়েছে, ফিনল্যান্ড মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম ব্যবহার করে।
২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর থেকেই সুইডেন নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
রাশিয়ার আগ্রাসনের পর সুইডেন ও ফিনল্যান্ড উভয় দেশই দীর্ঘদিনের সামরিক জোটনিরপেক্ষতার নীতি থেকে সরে এসে ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে ঘটে যাওয়া গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষিতে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি, ককটেল, চাপাতি, সুইচ গিয়ার, মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের খেজুরবাগ ও ডেমরার পাড়া ডগাইর এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, একই ঘটনার পরবর্তী সময়ে ডোবা মিঠু নামে একজনকে আগে থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
অভিযানে উদ্ধার হওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে নিষ্ক্রিয় করেন।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে যাত্রাবাড়ীর ধলপুরের বাদল সরদার গলিতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইমরান হোসেন নামে এক যুবক নিহত হন। এই ঘটনার ফলে জাকারিয়া নামে আরেক যুবক আহত হন।
হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচিত নয়, বরং এটি একটি মাফিয়া গ্যাং। আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত হবে না।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তবে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের আলোচনায় রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন জাহেদ উর রহমান।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরও সেই নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
‘ফ্যাসিবাদী’ দল হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেছেন জুলাই আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। এর ফলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারেনি।
তবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জারি করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে গতকাল হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়
এছাড়াও, ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকারের পর দলটির পুনর্গঠনের আলোচনা শুরু হয়।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে সরকার ফিরিয়ে আনতে চায় কি না—এ বিষয়ে কিছু অনুমান করা হচ্ছে, যা সঠিক নয়। ভারতের ওপর চাপ তৈরির জন্য প্রত্যর্পণের দাবি তোলা হচ্ছে, এমন কোনো কৌশল সরকারের নেই। ভারত সরকারের সঙ্গে বিষয়টি শর্ত হিসেবে দেওয়া হয়েছিল এবং সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রায়ই বলছি, আপনি (শেখ হাসিনা) আসবেন না, আপনাকে ধরে নিয়ে আসতে চাই।
আপনি আসামি, আপনি পলাতক আসামি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।’
শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার আপিল করার সুযোগ নেই। ফলে তিনি দেশে ফিরে বিচার পুনর্বিবেচনার সুযোগও পাবেন না।’
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘টেকনিক্যালি এখন ব্যাপারটা এ রকম, তিনি আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে। আমরা তাকে ধরে আনতে চাই।’
ভারতীয় গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
সম্প্রতি শেখ হাসিনা ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন উল্লেখ করে এ বিষয়ে ভারত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন, এটি সরকারের কাছে অপ্রত্যাশিত। প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত অন্তত তিনি যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ড করতে না পারেন, ভারত সরকারের কাছ থেকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছিল বাংলাদেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করব ভারত সরকার, এ ব্যাপারে তাকে একটাবার (বাধা) দেবেন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ভারতে কী ধরনের মর্যাদা বা অধিকার ভোগ করছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।’
ভারত সরকারের এ অবস্থান ‘সঠিক হচ্ছে না’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার দাবি শক্তিশালী এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই।’
ভারত চাইলে সম্পর্ক উন্নয়নে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের উন্নয়নে ভারত চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে একটি পদক্ষেপ নিতে পারে। সেটি হলো শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমে কথা বলা থেকে বিরত রাখা।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইন্ডিয়ান সরকার সম্পর্কটা উন্নতি করার জন্য অন্তত একটা স্টেপ ইমিডিয়েটলি নিতে পারত, সেটা হচ্ছে তার মুখ বন্ধ রাখা। সেটা কেন নিচ্ছেন না, সেই জবাব আমার মনে হয় আমি আপনাদের কাছে চাইব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে জয়ী হয়, তবে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত হ্রাস পাবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, এই বিজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি গ্যালনে ৩ ডলারে নেমে আসবে এবং পরে তা ২ ডলারের নিচেও চলে যেতে পারে।
তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংঘাতের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। মার্কিন নাগরিকদের আশ্বস্ত করার পাশাপাশি ট্রাম্প পুনরায় সতর্ক করে বলেন, ইরানকে কোনভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না।
এদিকে, সংঘাত ও উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে। মধ্যপ্রাচ্যের এই কৌশলগত প্রণালিটি দিয়ে গত এক সপ্তাহে জাহাজ চলাচল প্রায় ২৮ শতাংশ কমে গেছে। তথ্য অনুযায়ী, বিগত সপ্তাহে এই নৌপথে মাত্র ৭৭টি জাহাজ চলাচল করতে সক্ষম হয়েছে।
মার্কিন নৌ অবরোধ বজায় থাকার প্রেক্ষাপটে পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন রণতরী ও জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার পূর্ণ সক্ষমতা তেহরানের রয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার এই অচলাবস্থায় কাতার চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির এই সংকট যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বিশ্ব অর্থনীতি একটি বড় ধরনের শিল্প বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে। ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি এড়াতে প্রণালিটি দ্রুত পুনর্নিরাপদ ও উন্মুক্ত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে কাতার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার ৬৯তম জাতীয় দিবস এবং মালয়েশিয়া দিবসের প্রেক্ষাপটে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর, শক্তিশালী এবং বহুমাত্রিক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানী ঢাকার ক্রাউন প্লাজা হোটেলে মালয়েশিয়ার জাতীয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যের সময়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাসের কথা স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক মালয়েশিয়া সফর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দুই দেশের নিবিড় কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি ভবিষ্যতে এই বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাত তুলে ধরেন।
সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি খাত। প্রযুক্তি ও আধুনিকায়নের মধ্যে ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ, বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং আধুনিক প্রযুক্তি খাতে যৌথ সহযোগিতার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়া, মালয়েশিয়ায় কর্মরত এবং গমনেচ্ছুক বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, অভিবাসনপ্রত্যাশী সাধারণ মানুষ যেন কোনো অসাধু চক্র বা দালাল গোষ্ঠীর শিকার না হন, সেজন্য উভয় দেশকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
শিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি এবং মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে মালয়েশিয়ার আরও সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা কামনা করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ