প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে জয়ী হয়, তবে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত হ্রাস পাবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, এই বিজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি গ্যালনে ৩ ডলারে নেমে আসবে এবং পরে তা ২ ডলারের নিচেও চলে যেতে পারে।
তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংঘাতের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। মার্কিন নাগরিকদের আশ্বস্ত করার পাশাপাশি ট্রাম্প পুনরায় সতর্ক করে বলেন, ইরানকে কোনভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না।
এদিকে, সংঘাত ও উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে। মধ্যপ্রাচ্যের এই কৌশলগত প্রণালিটি দিয়ে গত এক সপ্তাহে জাহাজ চলাচল প্রায় ২৮ শতাংশ কমে গেছে। তথ্য অনুযায়ী, বিগত সপ্তাহে এই নৌপথে মাত্র ৭৭টি জাহাজ চলাচল করতে সক্ষম হয়েছে।
মার্কিন নৌ অবরোধ বজায় থাকার প্রেক্ষাপটে পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন রণতরী ও জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার পূর্ণ সক্ষমতা তেহরানের রয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার এই অচলাবস্থায় কাতার চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির এই সংকট যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বিশ্ব অর্থনীতি একটি বড় ধরনের শিল্প বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে। ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি এড়াতে প্রণালিটি দ্রুত পুনর্নিরাপদ ও উন্মুক্ত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে কাতার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন