ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত


‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং সম্পর্কের বরফ গলার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে বহুপাক্ষিক যোগাযোগের পথ খুলে দিল ভারত। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর মঞ্চে ইসলামাবাদের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নয়াদিল্লি। ২০২৫ সালের মে মাসে পহেলগামে জঙ্গি হামলা এবং পরবর্তীতে ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর' অভিযানের ফলে দুই দেশের সম্পর্কের মারাত্মক অবনতি ঘটেছিল। সেই সংঘাতের পর এই প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের কোনও মন্ত্রীকে ভারতে আসার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে।

আগামী ২০ থেকে ২২ নভেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক পুরানা কিল্লায় এসসিও-র প্রথম 'সিভিলাইজেশনাল ডায়ালগ ফোরাম' অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানসহ সংগঠনের ১০টি সদস্য দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারত কর্তৃক। বিশেষ করে পাকিস্তানের জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী ঔরঙ্গজেব খান খিচিকে এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। তবে পাক মন্ত্রী এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে দিল্লি সফর করবেন কি না, তা ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।

কূটনৈতিক মহলের বিশ্লেষণে, যদি পাক মন্ত্রী খিচি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ভারতে আসেন, তবে এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হবে। কারণ, ২০২৩ সালের মে মাসে গোয়ায় অনুষ্ঠিত এসসিও-র বৈঠকে তৎকালীন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভূট্টোর যোগদানের পর থেকে আর কোনো পাকিস্তানি মন্ত্রী ভারত সফর করেননি।

আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

২০২৫ সালে চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র-র শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সাংস্কৃতিক সংলাপের প্রস্তাব রেখেছিলেন। প্রাচীন সভ্যতা, শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা ও ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে সদস্য দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সহযোগিতা মজবুত করাই এই ফোরামের মূল লক্ষ্য। গত ২০ অক্টোবর তাজিকিস্তানের দুশানবেতে পররাষ্ট্র-র সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠকে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মেলনের কথা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সতর্কতা জারি করেন।

নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণ জানানো হলেও কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এটিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফগলা বা বড় কোনো রাজনৈতিক উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখার পক্ষপাতী নন। তাদের মতে, এটি সম্পূর্ণরূপে একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ। তবে বৈরিতা কাটিয়ে পাকিস্তান এই কূটনৈতিক মঞ্চে অংশগ্রহণ করে কি না এবং এর মাধ্যমে বরফ কিছুটা হলেও খোলে কি না, সে দিকেই নজর দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে পাকশী ইউনিয়নের রুপপুর ফটু মার্কেট এলাকায় এ কর্মসূচিটি পালন করা হয়।

পাকশী ইউনিয়নের সচেতন নাগরিক ও সর্বস্তরের এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনের বক্তারা অভিযোগ করেছেন যে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করছে একাধিক প্রভাবশালী চক্র। বালু উত্তোলনের ফলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং লালনশাহ সেতুর ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের কারণে নদীপাড়ের ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন,

তারেক রহমান নামে এক যুবক বলেন, "বেশ কিছুদিন যাবৎ একটি অসাধুচক্র ফটু মার্কেট সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। বালু উত্তোলনের ফলে নদী পাড়ের ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বালুবাহী ভারী গাড়ি চলাচলের ফলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বিভিন্ন সড়ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড ধুলা বালুর কারণে এই অঞ্চলের মানুষের বসবাস করা খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।"

রাসেল মৃধা নামে একজন বলেন, "দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় প্রভাবশালী চক্র ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদী ভাঙনের চরম ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ অঞ্চলের বসতবাড়ি, ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বালুভর্তি গাড়ি চলাচলের কারণে শিশুরা প্রতিনিয়ত রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।"

মানববন্ধনের বক্তারা জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি লিখিতভাবে প্রশাসনের কাছে জানানো হয়েছে। তারা অবিলম্বে বালু উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক ১৭২ বাংলাদেশি দেশে ফিরতে চলেছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদের ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর সময় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, লিবিয়ার মিসরাতা শহর থেকে বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে ১৭২ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে থাকা এই বাংলাদেশিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরছেন।

দেশে ফেরার আগে, লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ মিসরাতা শহরে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

রাষ্ট্রদূত দেশে ফেরার আগে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি এবং এর শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে তাদের সচেতন করেন। তিনি মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের প্রলোভনে পা না দিতে সতর্ক করেন।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দূতাবাস কাজ করে যাচ্ছে।

এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা বন্দিশালায় আটক বাংলাদেশিসহ অন্যান্য বিপদগ্রস্ত অভিবাসীদের দ্রুত দেশে ফেরাতে আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফেরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীরা ১ জানুয়ারির বদলে ২৪ ডিসেম্বর নতুন পাঠ্যবই পাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


শিক্ষার্থীরা ১ জানুয়ারির বদলে ২৪ ডিসেম্বর নতুন পাঠ্যবই পাবে

দেশজুড়ে বহু বছর ধরে ১ জানুয়ারি ‘বই উৎসব’ উদযাপন করে শিক্ষার্থীদের নতুন পাঠ্যবই বিতরণের রীতি চলে আসছে। কিন্তু এবার সরকার একটি ভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে। বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন বই তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ২৪ ডিসেম্বর নতুন পাঠ্যবই পাবে। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্যও ডিসেম্বরে শেষ সপ্তাহের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হবে।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে বুধবার (২৮ অক্টোবর) শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

একই দিনে দেশের বিভিন্ন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জারি করা নোটিশে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম তৈফিকুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তি জাগো নিউজের হাতে এসেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফরিদপুর জেলাধীন সব উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের জানানো হচ্ছে যে, আগামী ২৪ ডিসেম্বর সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও একই দিনে ২০২৭ সালের নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এদিকে, অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের শেষের দিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বা মূল্যায়ন থাকলে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকবেন। তাই ২৪ ডিসেম্বর বই বিতরণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। পরে শিক্ষার্থীরা ক্রিসমাস ও নতুন বছরের ছুটিতে যাবে। ছুটি শেষে ক্লাসে ফিরে নতুন বই ও নতুন মলাট নিয়ে পড়াশোনা শুরু করবে।

কোন শ্রেণিতে পাঠ্যবই কত

এবার প্রাক-প্রাথমিকে ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৭ কোটি ৬২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫৮ কপি বই ছাপানো হবে।

এছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের ভাষায় লেখা বইয়ের প্রয়োজন ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৩২ কপি। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মিলিয়ে মোট বইয়ের সংখ্যা ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি হবে। ইবতেদায়ি প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি।

নিম্নমাধ্যমিকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৪ কোটি ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৭ কপি, সপ্তম শ্রেণিতে ৪ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার ৬০১ কপি, অষ্টম শ্রেণিতে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৫ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে।

মাধ্যমিকে নবম শ্রেণিতে সবচেয়ে বেশি বই থাকবে। এ শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল বইয়ের সংখ্যা হবে ৯ হাজার ৪ কপি।

পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তথ্যমতে, চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে এবার নতুন চারটি বিষয় চালু হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণিতে নতুন দুটি বিষয় হলো- খেলাধুলা ও আমাদের সংস্কৃতি। এ দুই বিষয়ের বইয়ের সংখ্যা ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ২৮ কপি।

অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন দুই বিষয় হলো- আনন্দময় শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা। এ দুটি বইয়ের সংখ্যা ৭১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯০ কপি। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে।

বই ছাপাতে এবার সরকারের খরচ কত

আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য বই ছাপাতে মোট এক হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য বই ছাপাতে খরচ হবে ৪৬৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৬ টাকা। নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি মিলিয়ে ব্যয় হবে এক হাজার ৪২০ কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

মার্কেটে দুধ, ডিম ও মাংসের দাম উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক বেশি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এক লিটার দুধ উৎপাদনে ৪৪ টাকা ৮০ পয়সা খরচ হয়। কিন্তু খুচরা বাজারে এটি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একইভাবে, সোনালি ও ব্রয়লার মুরগি, ডিম এবং গরু ও খাসির মাংসের দামও উৎপাদন খরচের তুলনায় বেশি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন খরচ ও বাজারমূল্যের তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি কেজি সোনালি মুরগির উৎপাদন খরচ ২৫৩ টাকা, ব্রয়লার মুরগির ১৬১ টাকা ৫৫ পয়সা, একটি ডিমের ১০ টাকা ৮১ পয়সা, প্রতি কেজি গরুর মাংসের ৫৮৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং খাসির মাংসের ৮৭৫ টাকা।

অন্যদিকে, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, প্রতিটি ডিম ১২ থেকে ১৩ টাকা, গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার তদারকির সুপারিশ

উৎপাদন খরচ ও খুচরা বিক্রয়মূল্যের এই ব্যবধানের কারণে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত মুনাফা, কৃত্রিম সংকট এবং সরবরাহব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ যাচাইয়ের সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বাজারভিত্তিক তদন্ত ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে একদিনের বাচ্চা ও ডিমের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার বিষয়েও আলোচনা করা হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর মন্ত্রণালয়ে একটি কৌশলপত্র পাঠিয়েছে বলে জানানো হয়।

কৌশলপত্রের আলোকে বাজারে একদিনের বাচ্চা ও ডিমের চাহিদা নিরূপণ করে উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উৎপাদন বৃদ্ধি ও সরবরাহব্যবস্থায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে মাছ ও প্রাণিজ পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, ন্যায্যমূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করা, ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বাজার তদারকি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জলাশয়ে মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে খামারিদের সহায়তা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ অনুসন্ধান, মাছ আহরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে কমিটির কাছে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন সব অধিদপ্তর ও সংস্থার চলমান নিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতি পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ করা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটির সভাপতি খায়রুল কবির খোকনের সভাপতিত্বে বৈঠকে সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, শেখ মো. রেজাউল ইসলাম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, এম এ হান্নান, আলী আজম, আবু বকর ও আমির হামজা অংশ নেন। সভাপতির বিশেষ আমন্ত্রণে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%