শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫৫ এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন কর্মসূচি থেকে পুলিশ আটক করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মীকে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাদের আটক করা হয় অনশনস্থল থেকে।
সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে গেজেটবঞ্চিতরা ৪৫তম বিসিএসে অনশন শুরু করেন। অভিযোগ উঠেছে যে, অনশনকারীদের মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের উপস্থিতিতে শাহবাগ থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে এবং চারজনকে আটক করে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আশরাফুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের উপসাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুল ইসলাম, একই হল শাখায় ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক পদপ্রার্থী মনিরুজ্জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আকরাম গাজী হৃদয়। আটক অপর ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক কামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আটক চারজনের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পদধারী নেতা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের শাহবাগ থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম জানিয়েছে, ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যকলাপ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন মন্তব্য করেছেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে বুদ্ধের মহান বাণীই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার সারাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মিরসরাইয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ভিক্ষু, ধর্মীয় প্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মিরসরাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় এমপি নুরুল আমিন প্রতিশ্রুতি দেন যে, উপজেলার প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে তিন লাখ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভিক্ষু মহাসভার সহসভাপতি প্রিয়নন্দ মহাথের।
এমপি নুরুল আমিন আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন বৌদ্ধ গ্রামে বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করেছেন।
সভায় লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক পুষ্পেন্দু বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্য দেন। সভাটি পরিচালনা করেন অগ্রণী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) বিজয় বড়ুয়া। এছাড়া বক্তব্য দেন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব পুলক কান্তি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট চিকিৎসক বিপ্লব কুমার বড়ুয়া, দমদমা নবাবপুর ধর্মকীর্তি বৌদ্ধ বিহারের আজীবন অধ্যক্ষ ড. ধর্মকীর্তি মহাথের এবং শাসনবংশ মহাথের। সভায় উপজেলার পাঁচটি বৌদ্ধ গ্রামের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিরসরাইয়ের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হওয়ার জন্য নুরুল আমিন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি একই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেন যে, উপজেলার প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে তিন লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালিতে সাতটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যদি এই জলপথে জাহাজ চলাচলে সহায়তা অব্যাহত রাখে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতভর হামলার শিকার হওয়া সাতটি জাহাজের মধ্যে চারটি জাহাজে তেল স্থানান্তরের কাজ চলছিল। হামলার পর জাহাজগুলোতে আগুন ধরে যায়। অন্যদিকে, তিনটি জাহাজ মাইন দ্বারা আঘাত হানার পর চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে বলে দাবি করেছে ইরান।
তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। হামলায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর কোন দেশের পতাকা ছিল, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। তাদের বক্তব্য, যদি ওয়াশিংটন প্রণালির অন্যান্য অংশ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে সহায়তা করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সংঘাত এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতেও ছড়িয়ে পড়বে।’ এটিকে তারা গুরুতর সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হতো। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই জলপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপান আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ ৭৭ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা, যা ১ ডলার ১২২ টাকার ভিত্তিতে নির্ধারিত।
বৃহস্পতিবার জাপানের গণমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সও এ বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের জন্য এই অর্থের সংস্থান করতে রাজি হয়েছে জাপান সরকার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে শীর্ষ বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হবে।
নিক্কেই এশিয়া জানাচ্ছে, এই ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং এশীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাব কমানো। এছাড়াও, বাংলাদেশকে বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
জাপানের এই বিনিয়োগ বাংলাদেশে অটোমোবাইলস, অন্যান্য উৎপাদন শিল্প এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হবে। একই সঙ্গে, জাপানি ট্রেডিং হাউস সুমিতোমো করপোরেশনসহ অন্যান্য অংশীদারদের উদ্যোগে গঠিত ‘বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন’-এ জাপানি কোম্পানিগুলো বিনিয়োগ করবে। গত ফেব্রুয়ারিতে জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সই করেছে।
আগামী ২৬ অক্টোবর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার দিনের সফরে জাপান যাবেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে, ২৭ অক্টোবর, তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে তার কার্যালয়ে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী একটি নৈশভোজের আয়োজন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন। তিনি গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, কৃষি, মৎস্যসম্পদ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বিষয়ে জাপানের সঙ্গে আটটির মতো সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। তাদের আশা, এর মধ্যে তিন-চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশ, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ডিজিটাল উদ্ভাবন, গবেষণা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র সচিব।
জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত ও যোগাযোগ প্রকল্প নির্মাণ ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মুহুর্মুহু আক্রমণে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সৌদি সমর্থিত জোট কোণঠাসা হয়ে পড়েছে, শুধু তারাই নয়, সৌদি আরব নিজেও ভয়ংকর ভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে হুতিদের হামলায়। এমন প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে প্রচন্ড সামরিক শক্তি দিয়ে লড়াই করতে এবং হামলা করতে সৌদি আরবের সমর্থনে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, এবং গ্রিস অন্যদিকে মক্কা জোটের সমর্থনে দুই মুসলিম শক্তিধর রাষ্ট্র পাকিস্তান ও তুরস্ক এবং মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম নামধারী রাষ্ট্র আরব আমিরাত ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও লজিকস্টিক সাপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবের নয়টি রাষ্ট্রের যৌথ জোটের হামলা হতে যাচ্ছে হুতিদের বিরুদ্ধে। অথচ যেখানে এর আগে ২০১৪ সালে হুতিদের বিরুদ্ধে বা ইয়েমেনিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব নাক গলানো শুরু করলে একক শক্তিতে হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না পারায় সৌদি আরব ৩০ টি রাষ্ট্র মিলে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করেও ব্যর্থ হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা করতে এসেও যুদ্ধ করে ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছে।
এখানে মনে রাখা উচিত কেন বার বার তাদের বিরুদ্ধে বড় বড় পরাশক্তি যুদ্ধ করে ব্যর্থ হচ্ছে? শুধু যুদ্ধের ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এয়ার ডিফেন্স কিংবা সর্বাধুনিক ফাইটার জেট দিয়ে কোন একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করা যায় না যদি যেত তাহলে ইরান এতদিনে ধ্বংস হয়ে যেত। কিন্তু হুতিদের তো ইরানের মত সামরিক শক্তি নেই তারপরও কেন তারা বারবার যুদ্ধে টিকে আছে? এখানেই আসে যুদ্ধের সামরিক হিসাব নয় হিসাবটি অন্য স্থানে আর তা হচ্ছে ধর্মতত্ত্ব বা হুতিদের বিশ্বাস এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি এবং আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ভরসা করে তাদের সেই সময়ের মতো, যে সময়ে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ নবী হিসেবে প্রায় ৬৪ টি যুদ্ধ করেছিলেন যেগুলো ছিল অসম যুদ্ধ যার ২৭ টি তিনি নিজে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ওই সব অসম যুদ্ধেও অল্পসংখ্যক সাহাবী এবং অল্প সংখ্যক যুদ্ধাস্ত্র নিয়েও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিংবা তার পাঠানো সেনাপতিরা যুদ্ধে জয় লাভ করে ফিরে আসতো, তেমন বিশ্বাস নিয়ে তারা যুদ্ধ করছে যাদের প্রতি আবার ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করে গেছেন এই ইয়েমেন ও শামবাসীদের জন্য যা সহীহ বুখারী, তিরমিজি শরীফ এর কয়েকটি হাদিস বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে এবং রেওয়ায়াতকারীরা অত্যন্ত শক্তিশালী যেমন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এবং আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকেই হাদিস গুলো বর্ণিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ