বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৫ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সবুজ বাংলাদেশ গড়া, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জেলার বিজয়নগরে একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা গাছ বিতরণ করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘তরী বাংলাদেশ’।
আজ বুধবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মাঠে অ্যাসেম্বলি শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে চারা তুলে দেওয়া হয়।
কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন তরী বাংলাদেশ বিজয়নগর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. সাদেকুল ইসলাম ভুঁইয়া ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক শামীম আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তরী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সোহেল রানা ভুঁইয়া ও সুশান্ত পাল, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল ইসলাম এবং উপজেলা শাখার সদস্যসচিব আলমগীর হোসেন।
এ সময় সংগঠনের সদস্য কাজী লোকমান হোসেন, রুবেল মিয়া, শাহজাহান সরকার, কামরুল ইসলাম, জুনায়েদ হাসান, অপু চন্দ্র ও রুমেনা বেগমসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
সোহেল রানা ভুঁইয়া বলেন, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের একক দায়িত্ব নয়, এটি সম্মিলিত নৈতিক দায়বদ্ধতা। শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি প্রকৃতি সংরক্ষণের দায়িত্ববোধও তাদের মধ্যে সঞ্চারিত করতে চাই।
তিনি বলেন, পরিবেশ, নদী-প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তরী বাংলাদেশের জনসম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণও জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার গুরুদাসপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালসমূহে শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত মিড ডে মিল নিরাপদ খাদ্য র্কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়েছে।
আজ বুধবার উপজেলার নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত দুধ এবং পাউরুটির নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা নেয়ামুল হাসান নীপ জানান, ল্যাবরেটরিতে দুধের ডিটারজেন্ট, স্টার্চ, ফরমালিন এবং পানি পরীক্ষা করে কোনো রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পাউরুটিতে ক্ষতিকর পটাশিয়াম ব্রোমেট পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ উভয় পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক।
জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমান ল্যাব টেকনিশিয়ান মো. সাগর আলী এবং নাটোর জেলা কার্যালয়ের নমুনা সংগ্রহকারী মো. বাপ্পারাজ পরীক্ষা কার্যক্রম সহায়তা প্রদান করেন।
নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা নাজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার আরও সাতটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মিড ডে মিলের মান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন।
উল্লেখ্য, গুরুদাসপুর উপজেলার ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৭ হাজার ৫৩০ জন শিক্ষার্থীকে মিড ডে মিল প্রদান করছে সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের জাজিরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পুলিশ পেয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। এর আগে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে থানার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে তার সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, প্রায় তিন বছর আগে জাজিরার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের মালেক শেখের কন্যা ইতি আক্তারের সঙ্গে জাজিরা পৌরসভার সোনার দেউল এলাকার নূর মোহাম্মদ শেখের পুত্র সাত্তার শেখের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা যৌতুকের দাবিতে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছিলেন বলে অভিযোগ করেন ইতি।
এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান আসেনি। সর্বশেষ ১৭ আগস্ট রাতে স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়ার সময় তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ৪ সেপ্টেম্বর স্বামী সাজ্জাদ শেখসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পারিবারিক বিরোধ, শারীরিক নির্যাতন ও যৌতুক দাবির অভিযোগে জাজিরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ইতি আক্তার। অভিযোগটির তদন্তের দায়িত্ব এসআই রফিকুল ইসলামকে দেওয়া হয়।
তদন্তের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাদীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের সময় রফিকুল ইসলাম ইতি আক্তারের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন— এমন অভিযোগ উঠেছে। পরে ভুক্তভোগীর এক নিকটাত্মীয় সৌদি প্রবাসী দুলাল মোড়লের সঙ্গে ফোনে কথোপকথনের সময় টাকা পাঠানোর জন্য নিজের বিকাশ নম্বরও দেন তিনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই কথোপকথনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর রফিকুল ইসলামকে থানার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাকারিয়া রহমান বলেন, এসআই রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে থানার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়া চলছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলার আমানতগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় দুই কর্মচারীকে বদলিপূর্বক তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ওবায়দুল্লাহ ওই ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এ সময় উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শিমুল পাইন শান্তা এবং অফিস সহায়ক মো. মজিবুর রহমানকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।
নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিকেলে জারি করা অফিস আদেশে তাদের বদলি করে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত করা হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শিমুল পাইন শান্তাকে মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এবং অফিস সহায়ক মো. মজিবুর রহমানকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি, দায়িত্ব পালন এবং সেবার মান নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারের নির্দেশনায় আকস্মিক পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
কোনো ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়াই জেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি কিংবা সরকারি সেবা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বাসসকে বলেন, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলার শামিল।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুজন কর্মচারীকে বুধবার বিকেলেই বদলিপূর্বক স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসনের এ পদক্ষেপের ফলে ভূমি অফিসগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্বশীলতা ও জনগণকে যথাযথ সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে কঠোর বার্তা গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ জারি করেন।
রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অ্যাডহক কমিটি অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। শিক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, কলেজ পরিদর্শক, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং অধ্যক্ষকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৩ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ আদালতে এই রিট দায়ের করেন। তিনি নিজেই রিটের পক্ষে শুনানি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ।
আদেশের পর আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, ২৬ জুলাই ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় ইসমাইল জবিউল্লাহকে। তিনি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।
আইনজীবীর দাবী, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি পরপর দুইবারের বেশি অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বা সদস্য থাকতে পারেন না।
এছাড়া, ২০২৪ সালের গভর্নিং বডি সংক্রান্ত বিধিমালায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে ওই সভাপতি ও সদস্যদের পরবর্তী কমিটিতে রাখার সুযোগ নেই। তবে এসব বিধান উপেক্ষা করে ইসমাইল জবিউল্লাহকে টানা তৃতীয়বারের মতো অ্যাডহক কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। এই কারণে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ