ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোদির আসনে ধাক্কা খেল বিজেপি, বারাণসীতে জয়ী লালবিহারি যাদব


মোদির আসনে ধাক্কা খেল বিজেপি, বারাণসীতে জয়ী লালবিহারি যাদব

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় এলাকা বারাণসীতে অনুষ্ঠিত উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদের নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একটি ধাক্কা খেয়েছে। সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী লালবিহারি যাদব শিক্ষক আসনে জয়লাভ করেছেন। একইসঙ্গে, বারাণসীর স্নাতক আসনে সমাজবাদী পার্টির এগিয়ে থাকার খবরও পাওয়া গেছে। ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে অখিলেশ যাদবের দলের এই সাফল্য রাজনৈতিকভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদের ১১টি আসনের ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষক ও স্নাতক প্রতিনিধিদের জন্য নির্ধারিত এই আসনগুলিতে বিজেপি এবং সমাজবাদী পার্টির মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে। যদিও বিজেপি কিছু আসনে জয়লাভ করেছে, বারাণসীর ফল প্রধানমন্ত্রী মোদির দলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বারাণসীর শিক্ষক আসনে সমাজবাদী পার্টির লালবিহারী যাদব বিজেপির প্রার্থী প্রমোদ মিশ্রকে পরাজিত করেছেন। লালবিহারী যাদব ১০ হাজার ৯৫৮ ভোট পেয়েছেন, যেখানে বিজেপি প্রার্থী ৬ হাজার ৬০ ভোট অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, স্নাতক আসনে সমাজবাদী পার্টির ভালো ফলের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এদিকে, উত্তরপ্রদেশের অন্যান্য কয়েকটি আসনে বিজেপি তাদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। লখনউয়ের শিক্ষক আসনে বিজেপির উমেশ দ্বিবেদী জয়ী হয়েছেন। মেরঠের শিক্ষক ও স্নাতক আসন, পাশাপাশি বরেলি-মোরাদাবাদের শিক্ষক আসনেও বিজেপি প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। ফলে সামগ্রিকভাবে বিজেপির নির্বাচনী সাফল্য থাকলেও বারাণসীর ফল বিরোধী সমাজবাদী পার্টির জন্য রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।

এই নির্বাচনের গুরুত্ব শুধুমাত্র বিধান পরিষদের কয়েকটি আসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আগামী ২০২৭ সালে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের মনোভাব বোঝার ক্ষেত্রে এই ফলকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। বিশেষ করে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সংসদীয় এলাকায় বিজেপির পরাজয় বিরোধীদের কাছে একটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

তবে শিক্ষক ও স্নাতক আসনের ভোটের ফল দিয়ে সরাসরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল অনুমান করা সম্ভব নয়। এই নির্বাচনে ভোটারদের ধরন এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আলাদা। তা সত্ত্বেও, বারাণসীর ফল বিজেপির জন্য সতর্কবার্তা এবং অখিলেশ যাদবের দলের জন্য মনোবল বৃদ্ধির মতো একটি ঘটনা। উত্তরপ্রদেশের বাকি আসনগুলোর গণনা ও চূড়ান্ত ফলের দিকে রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টির মধ্যে লড়াই কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আচরণবিধি লঙ্ঘনে হারিস রউফের শাস্তি, ইংল্যান্ডও জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


আচরণবিধি লঙ্ঘনে হারিস রউফের শাস্তি, ইংল্যান্ডও জরিমানা

আইসিসির আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে পাকিস্তানের পেসার হারিস রউফকে ম্যাচ ফির ২০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। তার শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যুক্ত হয়েছে। লাহোরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে ম্যাচে অসংযত আচরণের জন্য এই শাস্তি প্রদান করা হয়।

ঘটনাটি ঘটে রোববার (২৫ অক্টোবর) পাকিস্তানের ইনিংসের ৪৬তম ওভার শেষ হওয়ার পর। নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে অবস্থানরত হারিস রউফ ওয়াইডের আবেদন জানানো পর ইংলিশ অলরাউন্ডার উইল জ্যাকসের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। মাঠের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সতর্ক করার পরও পাকিস্তানি এই পেসার ব্যাট উঁচিয়ে তর্ক চালিয়ে যেতে থাকেন। পরবর্তীতে জ্যাকসের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তিনি আম্পায়ারকে পাশ কাটিয়ে যান।

আইসিসির খেলোয়াড় ও খেলোয়াড়-সহায়ক কর্মীদের আচরণবিধির ২.২ ধারা ভঙ্গের দায়ে রউফকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটের চেতনার পরিপন্থী আচরণ সংক্রান্ত এই ধারায় গত ২৪ মাসে এটি তার তৃতীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। নতুন করে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হওয়ায় তার মোট পয়েন্ট এখন পাঁচে পৌঁছেছে।

এদিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিন ওভার কম বোলিং করার কারণে ইংল্যান্ডও শাস্তির মুখে পড়েছে। আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ ধারা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতি ওভার কম বোলিংয়ের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ জরিমানা করা হয়। সেই নিয়ম অনুসারে ইংল্যান্ডকে ১৫ শতাংশ জরিমানা দিতে হচ্ছে।

হারিস রউফ এবং ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক উভয়েই নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তারা এমিরেটস আইসিসি এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রোর দেওয়া শাস্তিও মেনে নিয়েছেন। ফলে এই ঘটনায় আর আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। মাঠের দুই আম্পায়ার রশিদ রিয়াজ ও শরফুদ্দৌলা সৈকত, তৃতীয় আম্পায়ার ওয়েন নাইটস এবং চতুর্থ আম্পায়ার নাসির হোসেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব

দেশের ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বাজারে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৪ টাকা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে। রোজার আগেই এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর করতে তারা আগ্রহী। দুই মাসেরও কম সময় আগে লিটারে ৫ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল।

নতুন দাম বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানিয়ে ১৩ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

দাম বৃদ্ধির পক্ষে তারা আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য এবং দেশের জ্বালানির দাম ও পরিবহণ খরচের বৃদ্ধি উল্লেখ করেছে। এ কারণে কোম্পানিগুলো মনে করে সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয় করা প্রয়োজন।

বর্তমানে বাজারে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা। কোম্পানিগুলো এখন সেই দাম বাড়িয়ে ২১৮ টাকা করার পরিকল্পনা করছে। এছাড়া ৫ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতলের দাম ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৭০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করার আবেদন তারা করেছে।

দেশের বাজারে সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এর আগে এক লিটারের বোতলের দাম ছিল ১৯৯ টাকা।

চিঠিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। ২৫ অক্টোবর থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে তাদের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে সম্মতি দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন যুগান্তরকে জানিয়েছেন, দেশের ৪ থেকে ৫টি বড় কোম্পানি সয়াবিন তেলের বাজারের ৮৫-৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। বাকি ১০-১৫ শতাংশ অন্য ছোট কোম্পানি সরবরাহ করে। ওইসব বড় কোম্পানি দেশের চাহিদামতো তেল আমদানির পর রিফাইন করে বাজারে ছাড়ে। বাড়তি মুনাফার জন্য তারা বছরের বিভিন্ন সময় তাদের ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দেয়। সরকারকে চাপে ফেলে সাধারণ ভোক্তাকে জিম্মি করে মূল্য বাড়িয়ে নেয়। গত কয়েক বছর একই পন্থায় ওই চক্র সরকারকে চাপে ফেলে মূল্য বাড়িয়ে নিয়েছে। তবুও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাজারে ৫-১০ টাকা বেশি দামে ভোজ্যতেল বিক্রি করে। এমন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয় ব্যাংককে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার হাতিয়ার করা যাবে না: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


রাষ্ট্রীয় ব্যাংককে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার হাতিয়ার করা যাবে না: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও অন্যায়ভাবে সুবিধা বিতরণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আজ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) আয়োজনে ১১তম বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলন (এবিসি) ২০২৬-এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংক-বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জন পিসুমে, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল হাই সরকার এবং সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (এবিবি) চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, "আর্থিক খাত পুরো অর্থনীতির ‘হৃদপিণ্ড’। তাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতকে ব্যবহার করা কোনোভাবেই ঠিক নয়। এ বিষয়ে রাজনৈতিক সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।"

ব্যাংকিং খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, "অতীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংকিং খাত সংস্কারের মাধ্যমে ঋণখেলাপির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে বেসরকারি ব্যাংকের একটি বড় অংশকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ শাসনামলে কিছু বিধিবিধান শিথিল করার ফলে ব্যাংকিং খাত আবারও বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় কিছু ক্ষেত্রে পুনঃঅর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় শিথিলতা দিতে হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রকৃত উদ্যোক্তা ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের যাচাই করে অর্থায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।"

ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ উল্লেখ করেন, "শুধু নিয়ম ও বিধিবিধান দিয়ে ব্যাংকিং খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এর সাথে ব্যাংকার, উদ্যোক্তা ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে ন্যূনতম নৈতিকতা থাকতে হবে। নৈতিকতার ঘাটতি থাকলে যত বেশি নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক না কেন, তা কার্যকর হবে না।"

রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের বিষয়ে তিনি বলেন, "বেসরকারি ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি হলেও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ক্ষেত্রে পুরোনো সমস্যা অনেকটাই রয়ে গেছে। রাজনৈতিক সরকারগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোকে বিভিন্ন সুবিধা বিতরণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ নিয়েছে।"

তিনি বলেন, "রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি কখনো বেশি, কখনো কম থাকলেও ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে রাজনৈতিক কারণে সুবিধা বিতরণের প্রয়োজন হলে অর্থনীতির ক্ষতি না হয়— এমন ক্ষেত্র বেছে নেওয়া উচিত। কিন্তু দেশের পুরো অর্থনীতির ‘হৃদপিণ্ড’ আর্থিক খাত ও ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় আনা উচিত নয়।"

ড. ওয়াহিদউদ্দিন বলেন, "এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বা ব্যাংকারদের এককভাবে কিছু করার নেই; এটি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। রাজনৈতিক সরকারকে বিষয়টি অনুধাবন করতে হবে।"

তিনি আশা প্রকাশ করেন, "দেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তন ও অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্টরা আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে: সিনিয়র সচিবের নিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে: সিনিয়র সচিবের নিশ্চয়তা

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কমিশন নিশ্চিত করেছে যে, ভোটাররা যেন সম্পূর্ণ নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁওয়ের পুরো নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন তদারকির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। একইসঙ্গে, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বডিওন ক্যামেরা প্রদান করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভোটগ্রহণের সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কোনো ধরনের সংশয় বা আতঙ্ক না রাখার আহ্বান জানিয়ে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, "ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই এবং ভোটাররা সম্পূর্ণ নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%