০৪:০৬ পি.এম
নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন।
দেশের পূর্ব প্রান্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে এই প্রার্থীদের প্রচারণার দৃশ্য দেখা গেছে। মাদক পাচারের কারণে আলোচনায় থাকা এই ইউনিয়নটি নাফনদ ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ইতোমধ্যে, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শোডাউনের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে, জেলার অন্যান্য ইউনিয়নে প্রচারণার তেমন খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কেবল ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাই প্রচারণায় নেমেছেন। টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে বিএনপির পাঁচজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণার কথা স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, কিন্তু দলীয় কোনো নেতা এখনো প্রচারণায় অংশ নেননি।
আরও পড়ুন: বর্ষপূর্তিতে ম্যাগাজিন বর্ষবার্তা বের হচ্ছে
এদিকে, টেকনাফ পৌরসভায় আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় নেমেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ইসমাঈল।
মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, অস্ত্র, সোনা এবং মাদকের চালান পাচারের কারণে এই ইউনিয়নটি আলোচনায় রয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে নিত্যপণ্য পাচারের সীমান্ত পথের কারণে সাবরাং ইউনিয়নের দিকে সবার নজরও রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যেও পাচারকারীর নাম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার তালিকায় রয়েছে।
সপ্তাহখানেক ধরে, টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা পাড়ায় পাড়ায় ভোটারদের সঙ্গে কোলাকুলি এবং সালাম জানিয়ে দোয়া চাচ্ছেন। ইতোমধ্যে, বিএনপির স্থানীয় নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য এম এ হাশেম সিআইপি, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান আহমদ, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান ও নুরুল আলম এবং সাবেক চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন।
আরও পড়ুন: মদনে শিশু ধর্ষণ ও গর্ভধারণ মামলা, রায় ১১ নভেম্বর
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এম এ হাশেম সম্প্রতি শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেছেন। অপরদিকে, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান আহমদও সমর্থকদের নিয়ে সড়ক প্রদক্ষিণের মাধ্যমে শোডাউন করেছেন। অন্য প্রার্থীরাও ইউনিয়নের হাট-বাজার, চা দোকান এবং বিভিন্ন পাড়ায় গিয়ে সমর্থন প্রার্থনা করছেন।
গত ১২ অক্টোবর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করে কমিশন। ওই সময়সূচি অনুযায়ী আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপ শুরু হবে ২১ জানুয়ারি এবং শেষ ধাপ ২৭ মে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন