ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আড়াইহাজারে ম্যাজিস্ট্রেট দেখে দোকান বন্ধ করে পালালেন ব্যবসায়ীরা


আড়াইহাজারে ম্যাজিস্ট্রেট দেখে দোকান বন্ধ করে পালালেন ব্যবসায়ীরা

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার খবর পেয়ে দুই শতাধিক ওষুধ ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে গেছেন।

এ সময় একটি ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আড়াইহাজার উপজেলা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন আড়াইহাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান ইমন।

অভিযানে আল আমিন ফার্মেসিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল রাখা, অননুমোদিত ওষুধ বিক্রি, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি এবং ওষুধ বিক্রির রেজিস্ট্রার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার বিষয়টি ধরা পড়ে।

এসব অপরাধে ফার্মেসিটির দায়িত্বে থাকা মাহিন (৪০) কে ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর ৪০(খ), ৪০(গ) ও ৪০(ঘ) ধারায় ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়লে দুই শতাধিক ওষুধের দোকানি দোকান বন্ধ করে সরে যান বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান ইমন বলেন, ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে আইন ও নির্ধারিত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচ জনের দশ বছরের কারাদণ্ড

পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন সংক্রান্ত মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মঠবাড়িয়া থানার মামলাটি ২০১৪ সালের ৩ জুন দায়ের করা হয়েছিল। পরে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সেজন্য প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত থাকায়, তাদের সাজা পরোয়ানামূলে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাজা ঘোষণার দিন থেকেই তাদের দণ্ড কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, পলাতক আসামিরা মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ আছে। এছাড়া, পলাতক আসামিদের সাজা পরোয়ানা জারি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট মানস কুমার বৈরাগী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযানগুলোকে মানতে হবে বিভিন্ন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযানগুলোকে মানতে হবে বিভিন্ন নির্দেশনা

বাগেরহাট, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নদী দূষণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে পর্যটকবাহী নৌযানে ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিন রাখতে সহ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ, আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মোংলা ফরেস্ট ঘাটের ফুয়েল জেটিতে নৌযান মালিক এবং চালকদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা আয়োজন করে। এই আলোচনা সভায় নির্দেশনাগুলি প্রদান করা হয়।

সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান বলেন, "প্রতিটি পর্যটকবাহী নৌযানে ঢাকনাযুক্ত প্যাডেল বিন রাখতে হবে।" তিনি আরো বলেন, "কোনো ধরনের বর্জ্য নদীতে ফেলা যাবে না।" ভ্রমণ শেষে ডাস্টবিনের জমা বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। একইসঙ্গে নৌযানে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী উল্লেখ করেন, "সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে নদী দূষণ রোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।"

সভায় উপস্থিত নৌযান মালিক ও চালকরা মোংলা ফেরিঘাট এবং পিকনিক কর্নারে স্থায়ীভাবে তিনটি ডাস্টবিন স্থাপনের দাবি জানান। নদী দূষণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের অঙ্গীকারও করেন নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা।

এই সময়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, জালি বোট মালিক সমিতির মোংলার সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, সভাপতি ইমাদুল হোসেন, মাঝিমাল্লা ইউনিয়ন সংঘের জয়েন্ট সেক্রেটারি সোহাগ হাওলাদার এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় নৌযান মালিক ও চালকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মোট ৫০ জন নৌযান মালিক ও চালক অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সভা শেষে পর্যটকদের সচেতনতায় বিভিন্ন নৌযানে এসব লিফলেট লাগিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সুন্দরবনের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে বিখ্যাত বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন অংশে বন বিভাগের সংরক্ষিত পর্যটন স্পট করমজল অবস্থিত। প্রতিদিন শত শত পর্যটক মোংলা ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌযানে করমজল ভ্রমণে যান।

এসময় পর্যটকদের সঙ্গে করে নেওয়া চিপস, বিস্কুট, চকলেটসহ বিভিন্ন প্যাকেটজাত খাবার ও পানির বোতল নদীতে ফেলায় সুন্দরবন ও সংলগ্ন নদ-নদীর পানি দূষিত হচ্ছে, যা জীববৈচিত্র্যের জন্যেও হুমকির সৃষ্টি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলের কালিয়ায় ৫ ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


নড়াইলের কালিয়ায় ৫ ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হাচলা গ্রামে বিএনপি নেতা এনায়েত মোল্যাসহ আপন পাঁচ ভাইয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই গ্রামের মোতালেব হোসেন মোল্যা পাঁচ ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অপপ্রচার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর প্রতিবাদে ভুক্তভোগীদের আয়োজনে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বাবরা হাচলা ইউনিয়নের শুক্তগ্রাম বাজারে স্থানীয় বিএনপির অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে কালিয়া উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক হাচলা গ্রামের এনায়েত মোল্যা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোতালেব হোসেন মোল্যা তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অপপ্রচার করছেন। এমনকি নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের ছত্রছায়ায় এনায়েত মোল্যা চাঁদাবাজিসহ এলাকায় প্রভাব খাটাচ্ছেন বলে অপ্রচার করা হয়েছে। এতে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। তাদের সম্মানহানি হচ্ছে।

বিএনপি নেতা এনায়েত মোল্যা বলেন, এমপির ছত্রছায়ায় চাঁদাবাজি করছি, প্রমাণ দিতে পারলে জনগণ যে শাস্তি দিবেন; তা মাথা পেতে নিবো। অবিলম্বে মোতালেব হোসেন মোল্যার এসব অপপ্রচার বন্ধসহ নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।

এ সময় এনায়েত মোল্যাসহ তার আপন চার ভাই মোতাহের মোল্যা, মোকাদ্দেস মোল্যা, হেমায়েত মোল্যা ও বেলায়েত মোল্যা এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মরফুদ খান, আজাদ হুসাইন, মোহসিন শেখ,  মিরাজ খানসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন অর্থনৈতিক চাপে কি নতি স্বীকার করবে ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


মার্কিন অর্থনৈতিক চাপে কি নতি স্বীকার করবে ইরান?

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বা ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’র মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন নতুন করে সর্বাত্মক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং নৌ অবরোধ জোরদার করার পরিকল্পনা করছে। এর মাধ্যমে তেহরানকে নতুন শর্তে দরকষাকষিতে বাধ্য করা মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ কয়েক দশকের অর্থনৈতিক চাপ, অস্থিতিশীল অর্থনীতি এবং ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে ইরানকে কেবল অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেই কোনো চুক্তিতে আনা সম্ভব হবে কি না।

গত ১৭ জুন পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ১৪ দফার এই নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ৬০ দিনের এই সাময়িক বিরতিকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে দুই দেশের উপস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী চালুর মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর স্থায়ী সমাধান খোঁজা। যদিও চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, স্থগিত তহবিল ফেরত দেওয়া এবং ইরান উপকূল থেকে মার্কিন সেনা হ্রাসের প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত ছিল, দুই পক্ষের মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত এই মেয়াদের মধ্যে স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। এরপরেই ট্রাম্প প্রশাসন পূর্বের ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ’ নীতিতে ফিরে যাওয়ার সংকেত দিয়ে নতুন করে চরম অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকি দিয়েছে।

নতুন এই অর্থনৈতিক অভিযানের মূল স্তম্ভ হলো ইরানের জ্বালানি ও তেল বাণিজ্যের পাশাপাশি তার সামুদ্রিক বিমা, বিমান পরিষেবা এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা। বিশেষ করে চীনা স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন অর্থ দফতর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা ও শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ ইরানের তেল রফতানির একটি বড় অংশই চীনে যায়। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আর্থিক সংকটে জর্জরিত এবং তাদের অর্থনীতি প্রায় ধ্বংসের মুখে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) অনুযায়ী, দেশটির বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বর্তমানে প্রায় ৬৯ শতাংশে ঠেকেছে এবং চলতি বছর তাদের অর্থনীতি ৬.১ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। স্থানীয় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এক নাগাড়ে বেড়ে চলেছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

তবে সাবেক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, কেবল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তেহরানের ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থা বা তাদের নীতি পুরোপুরি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ইতিহাসে দেখা গেছে, আশির দশক থেকে ইরান নিজস্ব বিকল্প অর্থনীতি এবং 'ছায়ানৌবহর' তৈরি করে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিয়েছে হতাশাজনক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়ে। অন্যদিকে, মার্কিন অর্থ দফতরের দাবি অনুযায়ী, এই ধরনের সর্বাত্মক অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ইরানকে বিশ্ব বাজার থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%