ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন অর্থনৈতিক চাপে কি নতি স্বীকার করবে ইরান?


মার্কিন অর্থনৈতিক চাপে কি নতি স্বীকার করবে ইরান?

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বা ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’র মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন নতুন করে সর্বাত্মক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং নৌ অবরোধ জোরদার করার পরিকল্পনা করছে। এর মাধ্যমে তেহরানকে নতুন শর্তে দরকষাকষিতে বাধ্য করা মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ কয়েক দশকের অর্থনৈতিক চাপ, অস্থিতিশীল অর্থনীতি এবং ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে ইরানকে কেবল অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেই কোনো চুক্তিতে আনা সম্ভব হবে কি না।

গত ১৭ জুন পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ১৪ দফার এই নথিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ৬০ দিনের এই সাময়িক বিরতিকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে দুই দেশের উপস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী চালুর মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর স্থায়ী সমাধান খোঁজা। যদিও চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, স্থগিত তহবিল ফেরত দেওয়া এবং ইরান উপকূল থেকে মার্কিন সেনা হ্রাসের প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত ছিল, দুই পক্ষের মতপার্থক্যের কারণে শেষ পর্যন্ত এই মেয়াদের মধ্যে স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। এরপরেই ট্রাম্প প্রশাসন পূর্বের ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ’ নীতিতে ফিরে যাওয়ার সংকেত দিয়ে নতুন করে চরম অর্থনৈতিক অবরোধের হুমকি দিয়েছে।

নতুন এই অর্থনৈতিক অভিযানের মূল স্তম্ভ হলো ইরানের জ্বালানি ও তেল বাণিজ্যের পাশাপাশি তার সামুদ্রিক বিমা, বিমান পরিষেবা এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা। বিশেষ করে চীনা স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন অর্থ দফতর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা ও শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ ইরানের তেল রফতানির একটি বড় অংশই চীনে যায়। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আর্থিক সংকটে জর্জরিত এবং তাদের অর্থনীতি প্রায় ধ্বংসের মুখে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) অনুযায়ী, দেশটির বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি বর্তমানে প্রায় ৬৯ শতাংশে ঠেকেছে এবং চলতি বছর তাদের অর্থনীতি ৬.১ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। স্থানীয় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এক নাগাড়ে বেড়ে চলেছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তবে সাবেক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, কেবল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তেহরানের ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থা বা তাদের নীতি পুরোপুরি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ইতিহাসে দেখা গেছে, আশির দশক থেকে ইরান নিজস্ব বিকল্প অর্থনীতি এবং 'ছায়ানৌবহর' তৈরি করে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিয়েছে হতাশাজনক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়ে। অন্যদিকে, মার্কিন অর্থ দফতরের দাবি অনুযায়ী, এই ধরনের সর্বাত্মক অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ইরানকে বিশ্ব বাজার থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্দরে শৌচাগার, সুপেয় পানি ও বসার ছাউনির সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


বন্দরে শৌচাগার, সুপেয় পানি ও বসার ছাউনির সংকট

কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দর ঘাট ইজারা দেওয়া হলেও যাত্রীদের জন্য শৌচাগার, সুপেয় পানি ও বসার ছাউনি নেই। এটি সম্প্রতি তোলা ছবি। কালের কণ্ঠের সংবাদ।

কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দর ঘাট চলতি অর্থবছরে এক কোটি ৯৪ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হলেও যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। শৌচাগার, সুপেয় পানি এবং বসার ছাউনি না থাকায় প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ছেন।

এ পরিস্থিতিতে নারী, শিশু এবং বয়স্কদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত এই ঘাটটি রৌমারী, রাজীবপুর, জামালপুর ও শেরপুরের যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত নৌকায় চার-পাঁচ হাজার যাত্রী ঘাটটি ব্যবহার করছে। অনেকের জন্য দূরবর্তী চরাঞ্চল থেকে নৌপথে আসতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লেগে যায়।

কিন্তু যাত্রীদের মাঝে শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন হলে তাদের আশপাশের বাড়িগুলোতে যেতে হয়।

রৌমারীর যাত্রী শাহ্ মোমেন বলেন, এত টাকা দিয়ে ঘাট ইজারা দেওয়ার পরেও যাত্রীদের জন্য একটি শৌচাগারও নেই।

নারী যাত্রী শামসুন্নাহার বেগম জানিয়েছেন, ‘টয়লেট না থাকায় নারীদের অনেক সমস্যা হয়। অপরিচিত বাড়িতে গিয়ে টয়লেটে যেতে চাইলে তা অস্বস্তিকর হয়ে যায়।’

রমনা ঘাটের মাস্টার মো. সিদ্দিক বলেন, ‘গণশৌচাগার স্থাপনের জন্য বিআইডাব্লিউটিএ-কে জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘যেখানে জনসমাগম হয়, সেখানকার জন্য নিরাপদ শৌচাগার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা না থাকলে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে।’

এদিকে, বিআইডব্লিউটিএর চিলমারীর বন্দর কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র বলেন, ‘বন্দরের যাত্রী টার্মিনালের কাজ শেষ হয়েছে। সেখানে টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। জেটির কাজ শেষ হলে টার্মিনালটি চালু করা হবে।’ তবে জেটির কাজ শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট সময় তিনি জানাতে পারেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ আগস্ট থেকে রেডিসনে শুরু ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


২০ আগস্ট থেকে রেডিসনে শুরু ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’, যা তিন দিনব্যাপী হবে। বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউট (বাস্থই) চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের উদ্যোগে আগামী ২০, ২১ ও ২২ আগস্ট নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল র‌্যাডিসন ব্লুতে এ এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু, চট্টগ্রামে- এই উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬’ সাব-কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি মো. মিজানুর রহমান।

এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে রাশিয়ান ফেডারেশনের অনারি কনসাল জেনারেল ও সংগঠনের সাবেক চেয়ারম্যান স্থপতি আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো ২০২৬ সাব কমিটির উপদেষ্টা স্থপতি মেহেদী ইফতেখার, সদস্য স্থপতি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, স্থপতি অনিকেত চৌধুরী, স্থপতি আবদুল্লাহ রুম্মান, এন মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হকসহ আরো অনেকে।

এবারের এক্সপোতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মোট ৩০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এদিকে, সেখানে থাকবে পণ্য প্রদর্শন, ব্র্যান্ড অ্যাক্টিভেশন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনার ও আলোচনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এফবিআই সদর দপ্তর সরানোর সিদ্ধান্তে ধাক্কা খেল ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


এফবিআই সদর দপ্তর সরানোর সিদ্ধান্তে ধাক্কা খেল ট্রাম্প প্রশাসন

 

যুক্তরাষ্ট্রের আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া এফবিআইয়ের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। বিচারক জানিয়েছেন, মেরিল্যান্ডে নতুন ভবন নির্মাণের পূর্বানুমোদিত সিদ্ধান্ত বাতিল করে ওয়াশিংটন ডিসির রোনাল্ড রিগান বিল্ডিংয়ে কার্যালয় স্থানান্তরের উদ্যোগটি সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল।

এফবিআইয়ের নতুন সদর দপ্তর কোথায় হবে, তা নিয়ে টানা কয়েক বছরের লড়াইয়ের মুখে সোমবার (১৭ আগস্ট) আদালতের এই রায় প্রদান করা হয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে এফবিআইয়ের নতুন সদর দপ্তরের জন্য মেরিল্যান্ডের গ্রীনবেল্ট এলাকাকে চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের মনোনীত কর্মকর্তাগণ গত বছর সেই সিদ্ধান্ত বদলে এফবিআইকে বিদ্যমান কার্যালয়ের কাছেই 'রোনাল্ড রিগান বিল্ডিং' নামের একটি ভবনে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেন।

বারাক ওবামা কর্তৃক নিযুক্ত মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ থিওডোর ডি চুয়াং তার রায়ে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই স্থানান্তর পরিকল্পনা ‘আইনসংগত ছিল না’। ফলে রিগান ভবনে এফবিআইকে নেওয়া, ভবনটির সংস্কারকাজ কিংবা এই উদ্দেশ্যে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার করার ওপর আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

আদালতের এই রায়ের পর মার্কিন বিচার বিভাগ কিংবা এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের সরকার এবং প্রিন্স জর্জ কাউন্টি যৌথভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিল। রায়ের পর মেরিল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যান্থনি ব্রাউন এক বিবৃতিতে বলেন, “এফবিআই সদর দপ্তর নিজেদের এলাকায় আনতে মেরিল্যান্ড ও প্রিন্স জর্জ কাউন্টি এক দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করেছে এবং কোটি কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের বেআইনি উদ্যোগ আদালত আটকে দেওয়ায় গ্রিনবেল্টে কার্যালয় নির্মাণের পথ আবার উন্মুক্ত হলো।”

১৯৭৫ সালে উন্মোচনের পর থেকে ওয়াশিংটন ডিসির পেন্সিলভেনিয়া অ্যাভিনিউয়ের ‘জে এডগার হুভার বিল্ডিং’-এ এফবিআইয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে ব্রুটালিস্ট স্থাপত্যরীতির এই পুরোনো ভবনটির পলেস্তারা খসে পড়া ঠেকাতে চারপাশ জাল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই ভবনটি সংস্কার বা নতুন জায়গায় কার্যালয় স্থানান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি জানিয়ে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিক দ্বীপে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় হানিমুনে থাকা ব্রিটিশ দম্পতি নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


গ্রিক দ্বীপে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় হানিমুনে থাকা ব্রিটিশ দম্পতি নিহত

গ্রিসের সিফনস দ্বীপে একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় হানিমুনে থাকা এক ব্রিটিশ দম্পতি নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারটির পাইলটও নিহত হয়েছেন।

এই মর্মান্তিক ঘটনা গত সোমবার ঘটে বলে জানিয়েছে গ্রিক পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে যখন একটি ব্যক্তিগত হেলিকপ্টারটি উড্ডয়ন করছিল, তখন তা বিধ্বস্ত হয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহতদের নাম আলেকজান্ডার ক্রোমি ও মেরি এবার্ট, যারা নবদম্পতি এবং মধুচন্দ্রিমায় গ্রিসে ছিলেন।

ব্যক্তিগত হেলিকপ্টারটি অবতরণ প্যাড থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে বিধ্বস্ত হয়। ঘটনায় নবদম্পতিসহ গ্রিক নাগরিক পাইলট নিহত হন।

গ্রিসের সংবাদমাধ্যম ক্যাথিমেরিনির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দম্পতিটি এথেন্সের নিকটবর্তী মার্কোপোলো গ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে জনপ্রিয় অবকাশ যাপনের দ্বীপটিতে গিয়েছিলেন।

গ্রিসের বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ বিবিসিকে জানিয়েছে যে, তারা দুর্ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করছে।

সেই সাথে তদন্তকারীরা প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ও সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%