ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপে কত আয় করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো?


বিশ্বকাপে কত আয় করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো?

ফিফা বিশ্বকাপ কেবল মাঠের উত্তেজনা নয়, আয়োজক দেশগুলোর জন্য এটি একটি বিশাল অর্থনৈতিক সুযোগও তৈরি করে। ২০২৬ আসর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে। তাই অনেকের দৃষ্টি এখন পুরোদমে এই বিশ্বকাপে আয়োজকদের আসল আয় কত হবে সেটির দিকে।

ফুটবলকে আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপ থেকে চলে আসা ৩২ দলের কাঠামো এবার ভেঙে দিয়েছে ফিফা। ফলে ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ হবে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর। এতে থাকবে ৪৮টি দল, তিনটি স্বাগতিক দেশ এবং ১৬টি ভেন্যু, যেখানে ৩৯ দিনে রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

কিন্তু এই সম্প্রসারণকে শুধু খেলার উন্নয়ন হিসেবে দেখলে চিত্রটা পুরোপুরি ধরা পড়ে না। কারণ একই সঙ্গে ম্যাচ, দর্শক এবং সম্প্রচারের পরিসর বাড়িয়ে ফুটবল এখন আরও বড় এক বাণিজ্যিক মঞ্চে পরিণত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

বর্ধিত টুর্নামেন্ট ফরম্যাটের কারণে ফিফা আশা করছে, বিশ্বকাপ থেকে প্রায় ৮.৯ বিলিয়ন ডলার আয় হবে। এই আয় মূলত আসবে সম্প্রচার স্বত্ব, বিনিয়োগ, টিকিট বিক্রি এবং অতিথি সেবা থেকে।

যুক্তরাষ্ট্র ১১টি ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজন করবে, আর মেক্সিকো ও কানাডা যথাক্রমে ৩টি এবং ২টি ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজন করবে। মেক্সিকো মোট ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করবে, যার মধ্যে থাকবে ১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে উদ্বোধনী ম্যাচ। এছাড়া সেখানে তিনটি নকআউট পর্বের ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে।

কানাডাও মোট ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করবে। স্বাগতিক কানাডার প্রথম ম্যাচ হবে ১২ জুন টরন্টোতে বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে। সেখানে তিনটি নকআউট ম্যাচ আয়োজন করা হবে।

বাকি ৭৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। এর প্রারম্ভ হবে ১২ জুন লস অ্যাঞ্জেলেস অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দল ও প্যারাগুয়ের ম্যাচ দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে সব ম্যাচ আয়োজন করবে। এর মধ্যে সেমিফাইনাল এবং ফাইনালও থাকবে, যা অনুষ্ঠিত হবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে জমকালো আয়োজনে সিএফএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত

ফিফার ২০২৩–২৬ বাণিজ্যিক চক্রের প্রাথমিক বাজেটে মোট আয় ধরা হয়েছিল ১১ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু সংস্থাটি ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে শেষ হওয়া চার বছরের বাণিজ্যিক চক্রে রেকর্ড আয়ের পথে রয়েছে। তারা আশা করছে, এই পুরো সময়ের মোট আয় প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। এর মধ্যে প্রায় ৮.৯ বিলিয়ন ডলার একা যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্ট থেকেই আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই পূর্বাভাস আগের চক্রগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ দিয়ে শেষ হওয়া চক্রের তুলনায় আয় প্রায় ৭২ শতাংশ বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং ২০১৫–১৮ সময়ের তুলনায় এটি দ্বিগুণেরও বেশি। আর যেহেতু ফিফা কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে পূর্বাভাসের চেয়ে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় বেশি করেছিল, তাই চূড়ান্ত আয় আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জুরিখ-ভিত্তিক সংস্থাটি আশা করছে, সম্প্রচার স্বত্ব তাদের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে থাকবে এবং এটি প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অবদান রাখবে। বিনিয়োগ থেকে আয় ধরা হয়েছে প্রায় ১.৮ বিলিয়ন ডলার, যা নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাড়বে। এর মধ্যে সৌদি আরবের জ্বালানি জায়ান্ট আরামকোর সঙ্গে একটি চুক্তিও রয়েছে।

তবে সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা আয় আসবে টিকিট বিক্রি ও অতিথি সেবা থেকে, যা ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে শুধু ৬৪ ম্যাচ থেকে ১০৪ ম্যাচে টুর্নামেন্ট সম্প্রসারণ নয়, বরং টিকিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়া এবং সেকেন্ডারি টিকিট বাজারের বৃদ্ধিও ভূমিকা রেখেছে।

আরও পড়ুন: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে আরেকটি বিপ্লবের ডাক দেওয়া ছাড়া বিকল্প থাকবে

বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয় ফিফার পুরো চার বছরের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর একটি অংশ সংস্থাটির আর্থিক রিজার্ভ শক্তিশালী করতেও ব্যবহৃত হবে, যা কাতার বিশ্বকাপের পর ৩.৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে ২০২৫ সালের শেষে কমে ২.৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। ফিফা সাধারণত প্রতিটি চক্রে একটি নির্দিষ্ট উদ্বৃত্ত লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং বিশ্বজুড়ে ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিকে সমর্থন দেয়।

তিন দেশের বিশ্বকাপ অর্থনৈতিক দিক থেকে আগের টুর্নামেন্টগুলোর তুলনায় একেবারেই ভিন্ন একটি মডেল তৈরি করে। ২০২৬ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো—এই তিন দেশে আয়োজিত হওয়ার কারণে আর্থিক চাপ এককভাবে কোনো একটি দেশের ওপর না পড়ে একাধিক সরকার ও শহরের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। এর ফলে নতুন করে বিশাল অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনও কমে আসে এবং আয়োজকরা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান অবকাঠামোর ওপরই বেশি নির্ভর করতে পারেন।

এই বহুদেশীয় ফরম্যাট ফিফার বাণিজ্যিক পরিসরও আরও বাড়িয়ে দেয়। কারণ স্পনসর, সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান এবং অংশীদাররা একসঙ্গে তিনটি বড় ভোক্তা বাজারে প্রবেশের সুযোগ পায়।

তবে এই মডেলের সঙ্গে জটিলতাও আছে। দল, দর্শক এবং মিডিয়া সংস্থাগুলোকে সীমান্ত পেরিয়ে ভ্রমণ করতে হয়, বিভিন্ন সময় অঞ্চলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় এবং আগের আসরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়।

আরও পড়ুন: টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজের বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ সদস্য দগ্ধ

ফিফার দৃষ্টিতে সুবিধাগুলো স্পষ্ট—আরও বেশি ম্যাচ, বড় দর্শকসংখ্যা এবং বেশি বাণিজ্যিক সুযোগ। কিন্তু স্বাগতিক শহরগুলোর জন্য বিষয়টি কিছুটা জটিল। বিশ্বকাপ আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও স্বল্পমেয়াদে অর্থনৈতিক গতি দিলেও নিরাপত্তা, পরিবহন ও জনসেবা খাতে বড় ব্যয়ও করতে হয়।

চূড়ান্ত অর্থনৈতিক ফলাফল তাই নির্ভর করবে কে তা মূল্যায়ন করছে তার ওপর। ফিফা সবচেয়ে বড় আর্থিক লাভবান প্রতিষ্ঠান হিসেবে উঠে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি হোটেল, এয়ারলাইন, সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান, স্পনসর এবং অতিথি সেবা ব্যবসাগুলোও লাভবান হবে। কিন্তু সরকার ও স্বাগতিক শহরগুলোর দীর্ঘমেয়াদি লাভ নির্ভর করবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও এটি কতটা স্থায়ী উপকার রেখে যায় তার ওপর।

তিন দেশের এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৮টি ম্যাচ আয়োজন করে সিংহভাগ অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে কানাডা ও মেক্সিকো আয়োজন করবে ১৩টি করে ম্যাচ। এ আসর চলাকালে প্রায় ৬৫ লাখ পর্যটক আয়োজক শহরগুলোতে ভ্রমণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গড়ে ১২ দিন অবস্থান করা এই দর্শনার্থীরা প্রতিদিন প্রায় ৪১৬ ডলার করে খরচ করবেন—হোটেল, রেস্তোরাঁ ও যাতায়াতে। সব মিলিয়ে তাদের মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই যাবে প্রায় ১২ লাখ ৪০ হাজার বিদেশি পর্যটক, যাদের ৬০ শতাংশই প্রথমবারের মতো দেশটি ভ্রমণ করবেন।

কর্মসংস্থানেও বড় প্রভাব পড়বে এই বিশ্বকাপে। আয়োজনের প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮ লাখ ২৪ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি সৃষ্টি হয়েছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি আয়োজক শহরেই নতুন কাজ পেয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ।

আরও পড়ুন: হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তারসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

কর হিসেবেও তিন দেশ মিলিয়ে আয় হবে প্রায় ৯৪০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস একাই তাদের ৮টি ম্যাচ থেকে প্রায় ৫৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয়ের আশা করছে, যা ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত ‘সুপার বোল’ ইভেন্টের আয়কেও ছাড়িয়ে যাবে। একইভাবে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৯টি ম্যাচ থেকে প্রায় ৪০ কোটি ডলার আয় হতে পারে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ১টায় পর্দা উঠবে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের। আর ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের মাধ্যমে পর্দা নামবে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক দিতে হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


ব্যাংকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত জমায় আবগারি শুল্ক দিতে হবে না

সরকার ব্যাংকে জমা রাখা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক অব্যাহতির সীমা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। ব্যাংকে জমা রাখা টাকার উপর এই শুল্ক অব্যাহতির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম অনুসারে একটি লোন হিসাবের বিপরীতে শুধুমাত্র একবারই আবগারি শুল্ক কাটার বিধান প্রবর্তন করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বিষয়টি জানান। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ‘বর্তমানে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক স্থিতির ওপর আবগারি শুল্ক অব্যাহতি রয়েছে। আমি ক্ষুদ্র আমানতকারীদের স্বস্তি প্রদানের স্বার্থে অব্যাহতির সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ ছাড়া একটি লোন অ্যাকাউন্টের বিপরীতে শুধুমাত্র একবারই আবগারি শুল্ক কর্তন করার বিধান প্রণয়নের প্রস্তাব করছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে শিক্ষাঋণ চালু করা হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে শিক্ষাঋণ চালু করা হবে

মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শিক্ষাঋণ এবং ব্যাংক ঋণ সুবিধা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাজেট বক্তৃতার মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য বিশেষ ব্যাংক ঋণ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, দেশের সকল সরকারি মেডিক্যাল কলেজকে আধুনিক, মানসম্মত এবং শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে একটি সমন্বিত সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, বিশেষ করে পুরাতন মেডিক্যাল কলেজসমূহের একাডেমিক ভবন, ছাত্রাবাস, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, হাসপাতাল এবং প্রশিক্ষণ সুবিধাসমূহ আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের জন্য একটি নিরাপদ ও উন্নত এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিধি এবং উন্নয়ন কর্মসূচি প্রত্যেকটি দশকেই বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট।

বিশাল নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূর্ণ করতে দেশের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বাজেটের আকার মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিরাট এ বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে।

বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

এই বিশাল বাজেটের ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ হবে।

নতুন বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি প্রদান, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারা বছর আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


সারা বছর আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে

আগামী অর্থবছর থেকে করদাতারা সারা বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ে আগে রিটার্ন দাখিল করলে কর ছাড়ের সুবিধা পাওয়া যাবে। অন্যদিকে, যদি দেরিতে রিটার্ন দাখিল করা হয়, তাহলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা, যা কম, সেই পরিমাণ কর ছাড় পাবেন।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন দাখিল করলে কোনো অতিরিক্ত কর ছাড় বা জরিমানা থাকবে না। এই সময়ে করদাতাদের জন্য কেবল নির্ধারিত কর পরিশোধ করলেই যথেষ্ট হবে।

কিন্তু তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) রিটার্ন দাখিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা, যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

এছাড়া, অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) রিটার্ন দাখিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।

করদাতাদের সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এবং কর প্রশাসনকে আরও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তথ্য জানানো হয়েছে, ১৯৭২ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করে। পঞ্চাশ বছরের অধিককাল ধরে চলমান এই যাত্রায় দেশের অর্থনীতি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে উন্নয়ন কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের আকারও।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট এটি। সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রতিগুলো পূরণে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

এই বিশাল বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংগ্রহ হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণের জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

নতুন এই বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যৌন স্বাস্থ্যের রক্ষায় করণীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


যৌন স্বাস্থ্যের রক্ষায় করণীয়

যৌন স্বাস্থ্য হলো শারীরিক, মানসিক, আবেগজনিত এবং সামাজিক সুস্থতার একটি অবস্থা যা যৌনতার সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি কেবল রোগ, অক্ষমতা বা যৌন সমস্যা অনুপস্থিতির চেয়ে বেশি। যৌন স্বাস্থ্য মূলত সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন যৌন স্বাস্থ্য ভালো হয়, তখন মানসিক শান্তি, আত্মবিশ্বাস এবং সম্পর্কের গুণগত মানও বাড়ে। নিরাপদ যৌন অভ্যাস, যৌন সংক্রমণ ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক হয়। এর পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনা, নিরাপদ গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মের অধিকারের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায়। ব্যক্তিগতভাবে, নিজের শরীরের যৌন ও প্রজনন সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে সমাজে সহনশীলতা ও মানবাধিকারের চর্চা উন্নত হয়। যৌন স্বাস্থ্য চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সম্মতি, শ্রদ্ধা ও সমতা।

যৌন অঙ্গ শুধুমাত্র যৌনতা বা প্রজননের মাধ্যম নয়, এটি একটি সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, যা আত্মবিশ্বাস এবং জীবনমানের প্রতিচ্ছবি। যৌন অঙ্গের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানে জীবন যাপন, খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, মানসিক অবস্থা এবং সঠিক চিকিৎসা বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সামাজিক সংকোচ বা ভুল তথ্যের কারণে যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা এখনো কম রয়েছে।

যৌন অঙ্গের সুস্বাস্থ্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে বজায় রাখতে বিভিন্ন উপায় রয়েছে। যেমন- সঠিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা, সঠিক ব্যায়াম ও রক্ত সঞ্চালনের পদ্ধতি অনুসরণ করা, নেশা জাতীয় দ্রব্য পরিহার করা, মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা এবং সচেতনতা বজায় রেখে যৌন অঙ্গের স্বাস্থ্য লাভ অর্জন করা যেতে পারে।

যৌন অঙ্গের স্বাস্থ্য রক্ষার প্রথম ধাপ হচ্ছে নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে যারা সারকামসিশন অর্থাৎ খৎনা করেননি, তাদের ক্ষেত্রে লিঙ্গের ডগায় স্মেগ্মা নামক সাদা আবরণ জমে থাকে, যা মূলত ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর সংক্রমণের উৎস হতে পারে।

যৌন স্বাস্থ্যের সঙ্গে রক্ত প্রবাহের সম্পর্ক জড়িত। সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহের জন্য রক্তনালিগুলোর সুস্থতা বজায় রাখতে হয়। এ ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- ওমেগা থ্রী ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ খাবার, অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফলমূল, লাইকোপিনযুক্ত সবজি, আর্গিনিনসমৃদ্ধ খাবার ইত্যাদি বেশ কার্যকর। তবে কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন- অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড খাবার খাওয়ার প্রতি বিরত থাকা উচিত। এছাড়াও ট্রান্স ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট দূরে রাখতে হবে।

যারা সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন, বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা বা ইরেকটাইল ডিসফাংশনের ঝুঁকি ৩০ ভাগ কমে যায়।

নিয়মিত ব্যায়াম, বিশেষ করে পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ, যেমন-কেগেল এক্সারসাইজ নারী-পুরুষ উভয়ের লিঙ্গে রক্ত প্রবাহ উন্নত করে। পাশাপাশি যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা দৌড়ানোর পরামর্শ রয়েছে। শ্রেণিচক্রের মাংসপেশিকে শক্তিশালী করতে কেগেল এক্সারসাইজ করা উচিত। এছাড়াও যোগাসন রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে লিঙ্গের স্বাস্থ্য উন্নত থাকে।

ধূমপান লিঙ্গে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয়, যা সেক্সুয়াল ডিসফাংশনের অন্যতম কারণ। একইভাবে, অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করলে পুরুষদের সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, যার ফলে যৌন স্বাস্থ্য ব্যাহত হয়। অনেক ক্ষেত্রেই যৌন ইচ্ছা ও সক্ষমতা দুটোই কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত, তাদের মধ্যে যৌন অক্ষমতার হার দ্বিগুণ।

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, বিষণ্নতা ও ভয় ইত্যাদি মানসিক সমস্যা যৌন জীবনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যৌন উত্তেজনা মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত একটি প্রক্রিয়া। তাই যৌন স্বাস্থ্যের সুস্থতা বজায় রাখতে মস্তিষ্কের বিশ্রাম অত্যন্ত প্রয়োজন। যেমন- দৈনিক অন্তত ছয় ঘণ্টা ঘুম, মেডিটেশন ও গভীর শ্বাস প্রশ্বাসের অনুশীলনের প্রয়োজন রয়েছে।

মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হলে সেক্সুয়াল ডিসফাংশনের লক্ষণ প্রায় ৪০ ভাগ কমে যায়।

যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যে কোনো ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে যদি তা প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা যায়, তাহলে সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত। তবে সন্দেহজনক উপসর্গ ও লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে পরীক্ষা করা উচিত। নিয়মিত যৌন স্বাস্থ্যের সুরক্ষা যৌন স্বাস্থ্যের দীর্ঘসূত্র গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রতিরোধে কার্যকর।

যৌন স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে যৌনতা ও যৌন সম্পর্কে ইতিবাচক ও শ্রদ্ধাশীল মনোভাব থাকা অত্যন্ত জরুরি। নিরাপদ, আনন্দদায়ক ও সম্মতিসূচক যৌন অভিজ্ঞতা থাকা উচিত। বল প্রয়োগ, বৈষম্য ও সহিংসতা থেকে মুক্ত থাকতে হবে।

যৌন অঙ্গের সুস্বাস্থ্য রক্ষা করা মানে কেবল যৌন জীবনের সন্তুষ্টি নয়, বরং এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্য, আত্মবিশ্বাস এবং সুখী দাম্পত্য জীবনের একটি পূর্ব শর্ত। পরিচ্ছন্নতা, খাদ্য, ব্যায়াম, মানসিক সুস্থতা এবং সঠিক চিকিৎসার সমন্বয়ের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার যৌন স্বাস্থ্যকে দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থ ও সক্রিয় রাখতে পারেন। সতর্কতা ও সচেতনতাই ভবিষ্যতের জটিলতা দূরে রাখতে পারে। নিজের শরীরকে ভালোবাসুন এবং নিজের যত্ন নিন।

যৌন স্বাস্থ্য শুধুই একটি চিকিৎসার বিষয় নয়, এটি ব্যক্তিগত অধিকার, মানব মর্যাদা এবং সমাজের সুস্থ বিকাশের একটি অপরিহার্য অংশ। যৌনতা নিয়ে সচেতনতা, শিক্ষা ও উন্মুক্ত আলোচনা যৌন স্বাস্থ্য উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%