প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শিক্ষাঋণ এবং ব্যাংক ঋণ সুবিধা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাজেট বক্তৃতার মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য বিশেষ ব্যাংক ঋণ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে।’
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, দেশের সকল সরকারি মেডিক্যাল কলেজকে আধুনিক, মানসম্মত এবং শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে একটি সমন্বিত সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, বিশেষ করে পুরাতন মেডিক্যাল কলেজসমূহের একাডেমিক ভবন, ছাত্রাবাস, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, হাসপাতাল এবং প্রশিক্ষণ সুবিধাসমূহ আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের জন্য একটি নিরাপদ ও উন্নত এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।
বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিধি এবং উন্নয়ন কর্মসূচি প্রত্যেকটি দশকেই বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট।
বিশাল নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূর্ণ করতে দেশের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ বাজেটের আকার মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিরাট এ বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে।
বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
এই বিশাল বাজেটের ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।
এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ হবে।
নতুন বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি প্রদান, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন