০৮:৪৪ পি.এম
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব ছিলেন মো. মোস্তফা জামান।
একটি চিঠির মাধ্যমে, যা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত, কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি জানানো হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর দুই দিন পর, বিলুপ্ত কমিটির একজন শীর্ষ নেতা, যিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে পুনরায় দেখতে চেয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন রূপনগর থানার ওসি নোমান হোসেন।
আরও পড়ুন: শাকিলের জানাজায় এমপির বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান
ওসি নোমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক স্যার একজন সৎ, নীতিবান, আদর্শবান ও পরোপকারী মানুষ। আমরা ঢাকা মহানগর উত্তরের সব জনগণ আবার ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে আমিনুল হক স্যারকে দেখতে চাই। ঢাকা মহানগর উত্তরের সব জনগণের চাওয়া একটাই- আমিনুল হক স্যারের বিকল্প নেই। যিনি সরকারি দায়িত্ব শেষ করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের জন্য ভোররাত পাঁচটা/ছয়টা পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সব জনগণ আবার আমিনুল হক স্যারকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চায়। সব ভোলাবাসীর ভালোবাসা, দোয়া, সবসময় কাম্য। ভালোবাসি ভোলা জেলার সব মানুষকে।’
ওসির এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই এ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা শুরু করেন। একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে একটি রাজনৈতিক দলের কমিটি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে অনেকে ওসির শাস্তির দাবি করেন। আবার কিছু মন্তব্যে ওসিকে দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অনেকে আবার ওসিকে নতুন কমিটি না দেওয়া পর্যন্ত মনোবল চাঙা রাখার পরামর্শ দেন।
রূপনগর থানার ওসি নোমান হোসেনকে এই বিষয়ে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, রূপনগর থানার ওসির স্ট্যাটাসটি তিনি দেখেছেন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং এটি তদন্ত করা হচ্ছে। যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা
এদিকে, এ ঘটনার উপর গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে পারে এমনটি জানার পর শনিবার বিকালে ওসি নোমান তার ফেসবুক পোস্টটি ডিলিট করেন। তবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংবাদকর্মীদের কাছে এ ঘটনার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন