ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা নতুন স্বাভাবিক অবস্থা : অর্থমন্ত্রী


বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা নতুন স্বাভাবিক অবস্থা : অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা এখন নতুন স্বাভাবিক অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী মন্থর প্রবৃদ্ধি, ঋণের উচ্চ ব্যয় এবং বাণিজ্যিক সংরক্ষণবাদের মতো চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সঠিক ও তথ্যনির্ভর নীতি নির্ধারণই অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি।

আজ ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অর্থনীতি বিভাগের সহযোগিতায় এবং জুনিয়র ইকোনমিস্টস ফোরামের (জেইএফ) উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘ইকনথন ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফাইনালের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, নীতি নির্ধারণে বাস্তবসম্মত সমাধান এবং তথ্যের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, যেখানে সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৪টি দল ‘ইকনথন ২০২৬’-এ নিবন্ধন করেছে। কুইজ, কেস সলভিং ও পলিসি মেকিংভিত্তিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন কঠিন ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো শিক্ষার্থীদের তিনি প্রশংসা করেন।

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, জ্বালানির দাম, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তিনি বলেন, জনগণের করের প্রতিটি টাকার স্বচ্ছতা ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষতা ছাড়া কোনো জাতি এগোতে পারে না এবং সততা ও মানবিকতা ছাড়া সেই দক্ষতা সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, অর্থনীতি শুধু পরীক্ষা পাসের বিষয় নয়, এটিকে অনুধাবন করতে হবে এবং দেশের সেবায় নীতি ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও ইউনাইটেড গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা হাসান মাহমুদ রাজা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ইউনাইটেড গ্রুপের উপদেষ্টা কে এম এ শামীম।

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

ইউআইইউর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে নেসলের দুগ্ধজাত খাবার বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


ভারতে নেসলের দুগ্ধজাত খাবার বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নির্ধারণী কর্তৃপক্ষ (FSSAI) বহুজাতিক খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নেসলের জনপ্রিয় পণ্য ‘লো ফ্যাট ডেইরি হোয়াইটনার’ (Nestle Low Fat Dairy Whitener) মানবস্বাস্থ্যের জন্য অনিরাপদ ও নিম্নমানের হিসেবে ঘোষণা করেছে। পণ্যটির বিক্রি অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

সম্প্রতি নয়াদিল্লির কনট প্লেসে অবস্থিত 'মেসার্স ভারত হোটেলস লিমিটেড' থেকে নেসলের এই ডেইরি হোয়াইটনারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। সরকারি খাদ্য বিশ্লেষক গবেষণাগারে পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, নমুনাটি 'খাদ্য নিরাপত্তা ও মান আইন, ২০০৬'-এর নির্ধারিত মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং নিম্নমানের হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাওয়ার পর, FSSAI সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ জারি করেছে। আক্রান্ত ব্যাচসহ নির্দিষ্ট পণ্যের বিক্রি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নেসলেকেও এই ল্যাব রিপোর্ট পাঠিয়ে তাদের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

এফএসএসএআই ক্রেতা ও উপভোক্তাদের উদ্দেশ্যে একটি সতর্কবার্তা জারি করেছে, যেখানে বলা হয়েছে, এ ধরনের প্যাকেটজাত দুগ্ধজাত পণ্য কেনার আগে তার মান ও ব্যাচ নম্বর যাচাই করা জরুরি। দপ্তরটি সাধারণ জনগণকে সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শও দিয়েছে।

প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গুণগত মান রক্ষায় নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত ভাঙলো ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


ভারত ভাঙলো ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ভারতীয় ক্রিকেট দল ওয়ানডে ক্রিকেটের তিন ম্যাচের দ্বিপাক্ষিক সিরিজে সর্বোচ্চ ছক্কার নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।

বর্তমান সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতীয় ব্যাটাররা মোট ৪৫টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। এই মাধ্যমে ইংল্যান্ডের পূর্ববর্তী রেকর্ড ভেঙে গেছে।

২০২১ সালে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের সিরিজে ইংলিশ ব্যাটাররা ৩৭টি ওভার বাউন্ডারি মেরেছিল। পাঁচ বছর পর, ভারত এই রেকর্ড নিজেদের দখলে নিয়েছে।

থিরুভানান্থাপুরামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ভারতীয় ব্যাটাররা ১৩টি, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৫টি এবং আজ তৃতীয় ম্যাচে ১৭টি ছক্কা মারেন।

তবে, এক সিরিজে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর বিশ্ব রেকর্ড যৌথভাবে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে রয়েছে। দুই দলই এক সিরিজে ৬৬টি করে ছক্কা হাঁকিয়েছে।

২০১৩ সালে ভারতের মাটিতে ছয় ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এবং ২০১৯ সালে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬৬টি ছক্কা মেরেছিল।

দক্ষিণ আফ্রিকার তৃতীয় সর্বোচ্চ ৫৫টি ছক্কা রয়েছে। ২০২৩ সালে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রোটিয়া ব্যাটাররা ৫৫টি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন।

এরপর সমান ৪৫টি ছক্কা রয়েছে ইংল্যান্ড ও ভারতের। ২০১৯ সালে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংলিশদের ৪৫টি ছক্কা ছিল। বর্তমানে ভারতের ৪৫টি ছক্কা চলমান তিন ম্যাচের সিরিজে।

ভারত ইতোমধ্যে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে লোকেশ রাহুলের ১২৯ রানের অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে ভারত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্নেল ইউনিভার্সিটি ধর্ষণ মামলায় অ্যাটর্নির গাফিলতির চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


কর্নেল ইউনিভার্সিটি ধর্ষণ মামলায় অ্যাটর্নির গাফিলতির চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া একটি চাঞ্চল্যকর যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের হাতে আসা নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, টম্পকিন্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি (ডিএ) কার্যালয় ক্যাম্পাসের পুলিশ বিভাগ থেকে পাওয়া অতিরিক্ত তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষীর বিবরণ পর্যালোচনা করতেই অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও নথিপত্রের তথ্য

ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের কর্নেল ইউনিভার্সিটির ‘চাই ফাই’ (Chi Phi) ফ্র্যাটারনিটি হাউসে। ভুক্তভোগী সাবেক শিক্ষার্থী (যিনি আইনগত সুরক্ষার অংশ হিসেবে ‘জেন ডো’ নামে পরিচিত) পুলিশকে দেওয়া প্রাথমিক বিবৃতিতে জানান, পার্টি চলাকালীন অ্যালকোহল ও কেটামিন সেবনের পর একাধিক ব্যক্তি তার ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে বেশ কয়েকজন তরুণ শারীরিক নির্যাতন ও নিপীড়ন চালায়।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে:

সাক্ষ্য ও সাক্ষাতকার এড়িয়ে যাওয়া: ক্যাম্পাসের পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তা জেফরি নর্থরপ ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের প্রতিনিধি জেফ হাডলকে জানান যে, পুলিশ একাধিক সাক্ষীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে, চ্যাট মেসেজ পর্যালোচনা করেছে এবং কিছু সন্দেহভাজনের আইনজীবীদের সাথেও কথা বলেছে।

প্রসিকিউটরের অনীহা: এই অতিরিক্ত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যাথিউ ভ্যান হাউটেনের কার্যালয় নতুন কোনো প্রমাণ পর্যালোচনা করতে আগ্রহ দেখায়নি। ভুক্তভোগীর প্রাথমিক ৬ পৃষ্ঠার একটি বিবৃতির ওপর ভিত্তি করেই কোনো ফৌজদারি অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গাফিলতির সমালোচনা ও বিশেষ প্রসিকিউটর নিয়োগ

ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যাথিউ ভ্যান হাউটেন তার সিদ্ধান্তের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে দাবি করেন, ভুক্তভোগী জেন ডোর দেওয়া প্রথম বিবরণ অনুযায়ী অভিযোগ আনার মতো পর্যাপ্ত উপাদান ছিল না। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের পুলিশ বাহিনীর সংগৃহীত অতিরিক্ত নথি তাদের বিশ্লেষণের জন্য “প্রাসঙ্গিক ছিল না”।

তবে আইন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অপরাধ সংক্রান্ত প্রসিকিউটররা এই প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন। সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটির আইনের অধ্যাপক ও সাবেক প্রসিকিউটর রিক ট্রানফিও জানান, জটিল কোনো যৌন অপরাধের তদন্তে কেবল একটি ক্যাম্পাস পুলিশের খসড়া বিবৃতির ওপর নির্ভর করা বড় ধরনের গাফিলতি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের ভাবমূর্তি এবং আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে অনেক সময় নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

ঘটনাটি সামনে আসার পর নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি এবং কর্নেল পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি রাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসকে বিশেষ প্রসিকিউটর (Special Prosecutor) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন এবং তদন্ত পুনরুজ্জীবিত করে নতুন করে ফৌজদারি মামলা করার ক্ষমতা প্রদান করেছেন।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী টমাস জিউফ্রা সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "শুরু থেকেই আমার মক্কেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দায়িত্বহীনতার শিকার হয়েছেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বেড়ে ১৯.২ বিলিয়ন ডলারে, প্রধান ক্রেতা আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বেড়ে ১৯.২ বিলিয়ন ডলারে, প্রধান ক্রেতা আমিরাত

বিশ্ববাজারে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানিতে রেকর্ড গড়েছে ইসরাইল, যদিও চারপাশে যুদ্ধ-বিগ্রহ ও সংঘাত চলছে। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস)-এর একটি নতুন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইসরাইলের বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, হামাস, হিজবুল্লাহ, হুতি এবং ইরানের সঙ্গে তীব্র লড়াই চলার পরও।

এই পাঁচ বছরে দেশটির অস্ত্র রপ্তানি ৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ বা আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এই রপ্তানির একটি বড় অংশ গেছে। চুক্তির অংশীদার দেশগুলো— সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), মরক্কো এবং বাহরাইন এই সময়ে ইসরাইলের কাছ থেকে মোট প্রায় ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি করেছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত সবচেয়ে বেশি লাভবান ও প্রধান ক্রেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমিরাত ইসরাইল থেকে মাঝারি পাল্লার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, ড্রোন, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম এবং গোয়েন্দা বিমান সংগ্রহ করেছে। দুই দেশের এই প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক এখন অস্ত্র কেনাবেচায় সীমাবদ্ধ নেই।

আমিরাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইসরাইলের শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা ও এআই স্টার্টআপগুলোতে বড় অংকের বিনিয়োগ করেছে এবং যৌথভাবে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করছে। অন্যদিকে, আব্রাহাম চুক্তির অপর দুই অংশীদার মরক্কো ও বাহরাইনও ইসরাইলি স্যাটেলাইট, রাডার ও ড্রোন ক্রয়ের মাধ্যমে সামরিক সম্পর্ক বাড়িয়েছে। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পখাত ততটা উন্নত না থাকায় আমিরাতের মতো ইসরাইলের সঙ্গে তারা বড় পরিসরে যৌথ শিল্প সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারেনি। সার্বিকভাবে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও ইসরাইলের প্রতিরক্ষা অর্থনীতি যে বহুগুণ শক্তিশালী হয়েছে, এই প্রতিবেদনে সেটিই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%