মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১১ পি.এম
জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, গাজীপুরকে শব্দদূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হলো—মানুষকে স্বস্তি প্রদান করা এবং একটি শান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা। তিনি উল্লেখ করেন, গাড়ির হর্ন, বিশেষ করে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধ করা এই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। হর্নের ব্যবহার সীমিত করা গেলে আমরা এর সুফল ভোগ করতে পারব।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর জেলাকে শব্দদূষণমুক্ত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন মালিক ও গণপরিবহন চালকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক জানান, আমরা পর্যায়ক্রমে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা এবং অন্যান্য গণপরিবহনের চালক ও শব্দদূষণের সঙ্গে জড়িত সকল অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে বৈঠক করছি। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য এবং বাস্তবায়নের উপায়গুলো তাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আজকে গণপরিবহনের মালিক, শ্রমিক এবং ড্রাইভার—এই তিন শ্রেণির প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সাড়ে পাঁচশ’রও বেশি বাস, যেগুলো গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলো হাইড্রোলিক হর্ন মুক্ত করে মিউজিক হর্ন ব্যবহার করবেন। এই হর্নগুলো শ্রুতিমধুর ও সহনীয় মাত্রার হবে এবং মানুষের কানের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করবে না। আজ থেকে প্রয়োজন ছাড়া তারা কোনো হর্ন বাজাবেন না।
মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (ট্রাফিক) জানিয়েছেন, গত দুই মাসে আমাদের কর্মসূচির আওতায় প্রায় নয়শ’ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়েছে। এটি প্রশংসার যোগ্য। জেলা পুলিশ সুপারও এ বিষয়ে কাজ করছেন এবং জনগণকে উদ্বুদ্ধ করছেন। আমরা একসঙ্গে অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করেছি এবং ভবিষ্যতেও একসঙ্গে অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করব। আমাদের একটাই উদ্দেশ্য—মানুষকে স্বস্তি দেওয়া এবং একটি শান্ত ও শব্দদূষণমুক্ত গাজীপুর গড়ে তোলা।
ভাওয়াল সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাহরিয়ার নজিরসহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের একজন নির্বাহীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ওই ব্যক্তির শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ৭৭ বছর বয়সী এই দম্পতির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যাসহ একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
নিহত ৪০ বছর বয়সী জোনাথন ম্যাককিনসি নিউইয়র্ক টাইমসের গেমস প্লেয়ার এক্সপেরিয়েন্স বিভাগের প্রকৌশল শাখার পরিচালক ছিলেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে সানফ্রান্সিসকো থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার পূর্বে ডাবলিন স্পোর্টস গ্রাউন্ডের বাইরে একটি গাড়ি পার্কিং এলাকায় একাধিক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এদিকে, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেজিও-টিভিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা পরপর বেশ কয়েকটি গুলির শব্দ শুনেছেন। এরপর তারা জোনাথনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। আসাদ রাজাওয়ি নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমি দেখলাম, লোকটি মাটিতে পড়ে গেল। তার মাথা ও বুক রক্তাক্ত ছিল।’
আসাদের মেয়ে জানান, গুলি চালানোর পর তারা ওই দম্পতিকে স্বাভাবিকভাবে একসঙ্গে হেঁটে চলে যেতে দেখেছেন।
ঘটনার কিছু মিনিট পর ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে জোনাথনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তবে তাকে হত্যার কারণ বা সম্ভাব্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, চরম অবহেলার সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া এবং শিশুকে বিপদের মধ্যে ফেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আগামীকাল বুধবার আদালতে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে হাজির করার কথা রয়েছে। তবে ম্যাককিনসিকে হত্যার পেছনে কী কারণ ছিল, তা এখনো জানানো হয়নি পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পূর্বধলায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬ মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত
নেত্রকোনার পূর্বধলায় নবম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে মো. রাহাতুল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা নাছিমা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। তবে মামলা দায়েরের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সহেলাপাড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী আব্দুল হেলিমের ছেলে রাহাতুল বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৫ মার্চ তার পরীক্ষা করা হয়। ৪ এপ্রিল নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালেও পরীক্ষা করানো হয়। মামলার নথিতে ওই সময় প্রায় ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, বর্তমানে ওই কিশোরী প্রায় আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ভুক্তভোগীর মা জানান, স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গত ২৯ মার্চ তিনি পূর্বধলা থানায় অভিযোগ করেন। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় আদালতে মামলা করেন।
পরিবারের অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত রাহাতুল এলাকায় নেই। দীর্ঘ সময় পার হলেও মামলার কার্যকর অগ্রগতি না হওয়ায় তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা দাবি করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাহাতুলের মা কহিনূর বেগম। তাঁর দাবি, মামলাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনা প্রমাণিত হলে তিনি বিচার মেনে নেবেন; আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে মানহানির মামলা করবেন।
এ বিষয়ে শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ সেন্টু মিয়া বলেন, “মামলাটি পূর্বধলা থানায় ছিল। বর্তমানে বাদী মামলাটি শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের চেষ্টা চলমান রয়েছে।”
মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পারভীন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৩ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলা সমাজসেবা অফিসের আওতাধীন সকল সামাজিক সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও নিবেদিতপ্রাণ সদস্যবৃন্দ—আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ / নমস্কার ও শুভেচ্ছা।
একটি সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে যারা নিজেদের সময়, মেধা ও শ্রম বিলিয়ে দিচ্ছেন, সেই সত্যিকারের সংগঠক মাত্রই জানেন পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধার প্রকৃত মূল্য। প্রকৃত সংগঠকরা সবসময় নিজেদের ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনের মর্যাদা বজায় রেখে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যান।
তবে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, এই সুন্দর পথচলায় মাঝে মাঝে স্বার্থান্বেষী বা নেতিবাচক মানসিকতার কিছু মানুষের (ইবলিশ রূপী অপশক্তির) সাময়িক আবির্ভাব ঘটে, যাদের লক্ষ্য থাকে আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরানো। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, এই অপচেষ্টা কখনো সফল হতে পারে না, যদি আমরা সজাগ থাকি।
আজ আমাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে যা ভাবতে হবে, তা হলো—আমরা সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত প্রতিটি মানুষ আমরা একটি বড় পরিবার। পরিবারে ভুলত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু সেখানে পরশ্রীকাতরতা বা একে অপরকে ছোট করার কোনো স্থান থাকতে পারে না।
আসুন, বিভেদ ভুলে আমরা সবাই সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। একে অপরের হাত শক্ত করে ধরি। তবেই আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের মাঝে শান্তি, শৃঙ্খলা ও অটুট ঐক্য বজায় থাকবে, যা আমাদের সমাজকে আরও সুন্দর ও প্রগতিশীল করে তুলবে।
নিবেদক:
মোঃ ইব্রাহীম খলিল
সাধারণ সম্পাদক
আত্মকর্ম সমাজ উন্নয়ন সংস্থা
নারায়ণগঞ্জ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে বিএনপির সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নাম উল্লেখ করে স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় উপজেলা বিএনপি একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে গলাচিপা উপজেলার স্থানীয় আমখোলা বাজারে ‘১ নম্বর আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপি ও সকল অঙ্গসহযোগী সংগঠন’-এর ব্যানারে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং গলাচিপা উপজেলা বিএনপির প্রয়াত সভাপতি শাহজাহান খানের ছবি স্থান পেয়েছে। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সমাবেশ ও মিছিল।’
ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন, ‘এই লড়াইয়ে জিতবে কারা- শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা।’ এরপর তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন। যুবলীগের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; ছাত্রলীগের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।’ পরে তারা ‘যুবদলের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; ছাত্রদলের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ বলেও স্লোগান দেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মিছিল ও সমাবেশে আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান গাজী, সদস্যসচিব আল মামুন সরদার এবং গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ইমরানসহ প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া গলাচিপা উপজেলা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ইমরান জানান, ‘গতকাল তিনি পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে নিজ উপজেলায় ফিরছিলেন। আমখোলা চৌরাস্তায় পৌঁছালে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আল মামুন সরদার তাকে মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান করেন। পরে তিনি মিছিলে অংশ নেন। এরপর মিছিল চলাকালে কে বা কারা পেছন থেকে যুবলীগ-ছাত্রলীগের অ্যাকশন বলে স্লোগান দেয়।’
আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আল মামুন সরদারের মুঠোফোনে কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান গাজী দাবি করেছেন যে তিনি বিষয়টি জানেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা তো দলীয় স্লোগান দিয়ে মিছিল করেছি। এর মধ্যে কে বা কারা যুবলীগ-ছাত্রলীগের নাম করে স্লোগান দিয়েছে বলে লোকমুখে শুনেছি।’
গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলতাফ খান জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহরাব হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ