মোঃ উজ্জ্বল মিয়া,নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩২ পি.এম
পূর্বধলায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬ মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত
নেত্রকোনার পূর্বধলায় নবম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে মো. রাহাতুল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা নাছিমা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। তবে মামলা দায়েরের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সহেলাপাড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী আব্দুল হেলিমের ছেলে রাহাতুল বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৫ মার্চ তার পরীক্ষা করা হয়। ৪ এপ্রিল নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালেও পরীক্ষা করানো হয়। মামলার নথিতে ওই সময় প্রায় ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, বর্তমানে ওই কিশোরী প্রায় আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ভুক্তভোগীর মা জানান, স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গত ২৯ মার্চ তিনি পূর্বধলা থানায় অভিযোগ করেন। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় আদালতে মামলা করেন।
পরিবারের অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত রাহাতুল এলাকায় নেই। দীর্ঘ সময় পার হলেও মামলার কার্যকর অগ্রগতি না হওয়ায় তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা দাবি করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাহাতুলের মা কহিনূর বেগম। তাঁর দাবি, মামলাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনা প্রমাণিত হলে তিনি বিচার মেনে নেবেন; আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে মানহানির মামলা করবেন।
এ বিষয়ে শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ সেন্টু মিয়া বলেন, “মামলাটি পূর্বধলা থানায় ছিল। বর্তমানে বাদী মামলাটি শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের চেষ্টা চলমান রয়েছে।”
মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পারভীন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৩ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলা সমাজসেবা অফিসের আওতাধীন সকল সামাজিক সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও নিবেদিতপ্রাণ সদস্যবৃন্দ—আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ / নমস্কার ও শুভেচ্ছা।
একটি সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে যারা নিজেদের সময়, মেধা ও শ্রম বিলিয়ে দিচ্ছেন, সেই সত্যিকারের সংগঠক মাত্রই জানেন পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধার প্রকৃত মূল্য। প্রকৃত সংগঠকরা সবসময় নিজেদের ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনের মর্যাদা বজায় রেখে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যান।
তবে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, এই সুন্দর পথচলায় মাঝে মাঝে স্বার্থান্বেষী বা নেতিবাচক মানসিকতার কিছু মানুষের (ইবলিশ রূপী অপশক্তির) সাময়িক আবির্ভাব ঘটে, যাদের লক্ষ্য থাকে আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরানো। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, এই অপচেষ্টা কখনো সফল হতে পারে না, যদি আমরা সজাগ থাকি।
আজ আমাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে যা ভাবতে হবে, তা হলো—আমরা সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত প্রতিটি মানুষ আমরা একটি বড় পরিবার। পরিবারে ভুলত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু সেখানে পরশ্রীকাতরতা বা একে অপরকে ছোট করার কোনো স্থান থাকতে পারে না।
আসুন, বিভেদ ভুলে আমরা সবাই সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। একে অপরের হাত শক্ত করে ধরি। তবেই আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের মাঝে শান্তি, শৃঙ্খলা ও অটুট ঐক্য বজায় থাকবে, যা আমাদের সমাজকে আরও সুন্দর ও প্রগতিশীল করে তুলবে।
নিবেদক:
মোঃ ইব্রাহীম খলিল
সাধারণ সম্পাদক
আত্মকর্ম সমাজ উন্নয়ন সংস্থা
নারায়ণগঞ্জ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে বিএনপির সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নাম উল্লেখ করে স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় উপজেলা বিএনপি একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে গলাচিপা উপজেলার স্থানীয় আমখোলা বাজারে ‘১ নম্বর আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপি ও সকল অঙ্গসহযোগী সংগঠন’-এর ব্যানারে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং গলাচিপা উপজেলা বিএনপির প্রয়াত সভাপতি শাহজাহান খানের ছবি স্থান পেয়েছে। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সমাবেশ ও মিছিল।’
ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন, ‘এই লড়াইয়ে জিতবে কারা- শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা।’ এরপর তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন। যুবলীগের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; ছাত্রলীগের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।’ পরে তারা ‘যুবদলের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন; ছাত্রদলের অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ বলেও স্লোগান দেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মিছিল ও সমাবেশে আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান গাজী, সদস্যসচিব আল মামুন সরদার এবং গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ইমরানসহ প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া গলাচিপা উপজেলা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ইমরান জানান, ‘গতকাল তিনি পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে নিজ উপজেলায় ফিরছিলেন। আমখোলা চৌরাস্তায় পৌঁছালে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আল মামুন সরদার তাকে মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান করেন। পরে তিনি মিছিলে অংশ নেন। এরপর মিছিল চলাকালে কে বা কারা পেছন থেকে যুবলীগ-ছাত্রলীগের অ্যাকশন বলে স্লোগান দেয়।’
আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আল মামুন সরদারের মুঠোফোনে কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে আমখোলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান গাজী দাবি করেছেন যে তিনি বিষয়টি জানেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা তো দলীয় স্লোগান দিয়ে মিছিল করেছি। এর মধ্যে কে বা কারা যুবলীগ-ছাত্রলীগের নাম করে স্লোগান দিয়েছে বলে লোকমুখে শুনেছি।’
গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলতাফ খান জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহরাব হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান তরুণদের দেশের গঠনে প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, তরুণদের সামনে দেশের জন্য কাজ করার বিশাল সুযোগ রয়েছে। তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে মানুষের জন্য।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাওয়ার সময় তার।’ তবে এই যুদ্ধ অস্ত্রের যুদ্ধ নয়; এটি একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার যুদ্ধ। তরুণদের সামনে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার দায়িত্ব সবচেয়ে বড়।
মন্ত্রী বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্ব উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তরুণদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করছে। এই প্রশিক্ষণকে ব্যক্তিগত উন্নয়নের বিষয় হিসেবে না দেখে, বরং দেশ গড়ার বৃহত্তর দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস তরুণদের আত্মত্যাগ ও অবদানে সমৃদ্ধ। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা অর্জন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন পর্যায়ে তরুণেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণেও তাদের এগিয়ে আসতে হবে।
গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে তাদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। দেশের জন্য, মানুষের জন্য এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য আপনাদের কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিস্তারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কেনিয়া ও ঘানায় আর্টিমিয়া চাষ এবং গিফট তেলাপিয়া প্রযুক্তি সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা জোরদার করা, যা টেকসই মৎস্য চাষে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সম্ভব হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় আর্টিমিয়া চাষ, সমন্বিত লবণ-আর্টিমিয়া-মৎস্য চাষব্যবস্থা এবং গিফট তেলাপিয়ার দায়িত্বশীল বিস্তার নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই কর্মশালায় তিন দেশের নীতিনির্ধারক, গবেষক, উন্নয়ন অংশীদার, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং মৎস্য বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের কক্সবাজারের লবণ মাঠে লবণ উৎপাদনের পাশাপাশি আর্টিমিয়া, চিংড়ি, তেলাপিয়া, কাঁকড়া ও সবজি চাষের সমন্বিত উৎপাদনব্যবস্থা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বাংলাদেশ আর্টিমিয়ার সিস্ট ও বায়োমাস উৎপাদন, হ্যাচারিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পুষ্টি-সংবেদনশীল মাছ চাষে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এসব প্রযুক্তি কেনিয়া ও ঘানায় প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে।
আর্টিমিয়া হলো ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী, যা মাছ ও চিংড়ির হ্যাচারিতে গুরুত্বপূর্ণ জীবন্ত খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সিস্ট ও বায়োমাস উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে হ্যাচারি শিল্পের খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি লবণাক্ত এলাকায় সমন্বিত কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কর্মশালায় বাংলাদেশের তিন দশকের গিফট তেলাপিয়া উন্নয়ন ও বিস্তারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ গোলাম হোসেনের প্রণীত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. এ.এইচ.এম. কহিনুর ও জিল্লুর রহমান। এতে গিফট তেলাপিয়ার দায়িত্বশীল বিস্তার, জেনেটিক মান সংরক্ষণ এবং বেসরকারি খাতের মাধ্যমে মানসম্মত পোনা উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।
অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা করেন, বাংলাদেশের গবেষণা, প্রজনন ও মাঠপর্যায়ের সম্প্রসারণের অভিজ্ঞতা কেনিয়া ও ঘানার মৎস্য খাতে কিভাবে কাজে লাগানো যায়। উন্নত জাতের তেলাপিয়ার জেনেটিক মান ধরে রাখা, মানসম্মত পোনা উৎপাদন এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. এ.টি.এম. ফারুক-উল ইসলাম বলেন, দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা মৎস্য চাষে উদ্ভাবন, গবেষণা ও টেকসই সমাধান বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি তিন দেশের মধ্যে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীল, জলবায়ু-সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জলজ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।
ওয়ার্ল্ডফিশের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. খন্দকার মুরশেদ-ই-জাহান বলেন, ‘গিফট একটি পরীক্ষিত ও সফল প্রযুক্তি। তবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এ প্রযুক্তি কার্যকরভাবে স্থানান্তর ও বিস্তারের জন্য সুস্পষ্ট কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে।’
কর্মশালায় বিসিকের পরিচালক কাজী নজরুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (ইনল্যান্ড ফিশারিজ) ড. মোতালেব হোসেন এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা, পরিকল্পনা ও অর্থ) ড. আমিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ