মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৫ পি.এম
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিস্তারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কেনিয়া ও ঘানায় আর্টিমিয়া চাষ এবং গিফট তেলাপিয়া প্রযুক্তি সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা জোরদার করা, যা টেকসই মৎস্য চাষে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সম্ভব হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় আর্টিমিয়া চাষ, সমন্বিত লবণ-আর্টিমিয়া-মৎস্য চাষব্যবস্থা এবং গিফট তেলাপিয়ার দায়িত্বশীল বিস্তার নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই কর্মশালায় তিন দেশের নীতিনির্ধারক, গবেষক, উন্নয়ন অংশীদার, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং মৎস্য বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের কক্সবাজারের লবণ মাঠে লবণ উৎপাদনের পাশাপাশি আর্টিমিয়া, চিংড়ি, তেলাপিয়া, কাঁকড়া ও সবজি চাষের সমন্বিত উৎপাদনব্যবস্থা নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বাংলাদেশ আর্টিমিয়ার সিস্ট ও বায়োমাস উৎপাদন, হ্যাচারিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পুষ্টি-সংবেদনশীল মাছ চাষে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এসব প্রযুক্তি কেনিয়া ও ঘানায় প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে।
আর্টিমিয়া হলো ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী, যা মাছ ও চিংড়ির হ্যাচারিতে গুরুত্বপূর্ণ জীবন্ত খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সিস্ট ও বায়োমাস উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে হ্যাচারি শিল্পের খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি লবণাক্ত এলাকায় সমন্বিত কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কর্মশালায় বাংলাদেশের তিন দশকের গিফট তেলাপিয়া উন্নয়ন ও বিস্তারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ গোলাম হোসেনের প্রণীত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. এ.এইচ.এম. কহিনুর ও জিল্লুর রহমান। এতে গিফট তেলাপিয়ার দায়িত্বশীল বিস্তার, জেনেটিক মান সংরক্ষণ এবং বেসরকারি খাতের মাধ্যমে মানসম্মত পোনা উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।
অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা করেন, বাংলাদেশের গবেষণা, প্রজনন ও মাঠপর্যায়ের সম্প্রসারণের অভিজ্ঞতা কেনিয়া ও ঘানার মৎস্য খাতে কিভাবে কাজে লাগানো যায়। উন্নত জাতের তেলাপিয়ার জেনেটিক মান ধরে রাখা, মানসম্মত পোনা উৎপাদন এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. এ.টি.এম. ফারুক-উল ইসলাম বলেন, দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা মৎস্য চাষে উদ্ভাবন, গবেষণা ও টেকসই সমাধান বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি তিন দেশের মধ্যে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীল, জলবায়ু-সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জলজ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।
ওয়ার্ল্ডফিশের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. খন্দকার মুরশেদ-ই-জাহান বলেন, ‘গিফট একটি পরীক্ষিত ও সফল প্রযুক্তি। তবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এ প্রযুক্তি কার্যকরভাবে স্থানান্তর ও বিস্তারের জন্য সুস্পষ্ট কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে।’
কর্মশালায় বিসিকের পরিচালক কাজী নজরুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (ইনল্যান্ড ফিশারিজ) ড. মোতালেব হোসেন এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা, পরিকল্পনা ও অর্থ) ড. আমিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেইলর সুইফট এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসের (ভিএমএ) ইতিহাসে সর্বোচ্চ পুরস্কারজয়ী শিল্পী হওয়ার নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছেন। রবিবার অনুষ্ঠিত আয়োজনে ‘দ্য ফেট অব ওফেলিয়া’ গানের জন্য ‘ভিডিও অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার লাভ করে তার ভিএমএ পুরস্কারের সংখ্যা ৩২তে পৌঁছেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি বিয়ন্সেকে ছাড়িয়ে গেছেন।
সুইফট এবং বিয়ন্সের পুরস্কারের সংখ্যা আগে ৩০টি করে ছিল। নতুন এই সাফল্যের মাধ্যমে সুইফট এককভাবে রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন।
পুরস্কার গ্রহণের সময় প্রয়াত সংগীতশিল্পী ডলি পার্টনকে স্মরণ করেন সুইফট। তিনি পার্টনকে ‘দ্য আলটিমেট শোগার্ল’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "পার্টনের লেখা প্রতিটি গান এবং গল্প বলার ধরন ছিল অত্যন্ত জীবন্ত ও সমৃদ্ধ।"
এবারের অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো দেওয়া ‘আর্টিস্ট ডিরেক্টর অনার্স’ পুরস্কারও অর্জন করেছেন সুইফট। এই পুরস্কারটি সংগীত ভিডিওর সম্ভাবনা বাড়ানো এবং দৃশ্যনির্ভর গল্প বলার শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে চালু করা হয়েছে।
সুইফটের দীর্ঘদিনের বন্ধু অভিনেত্রী ডাকোটা জনসন তার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন। জনসন এ সময় সুইফটকে ‘আবেগের জগতের একজন নির্মাতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
অনুষ্ঠানে সুইফট জানান, গত ২০ বছরে তিনি প্রায় ৬০টি সংগীত ভিডিও তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ১৮টির চিত্রনাট্য লেখা ও পরিচালনার দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। ভক্তদের কথা ভেবেই সংগীত ভিডিও লেখা ও পরিচালনা করতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে বলে জানান তিনি।
পুরস্কার গ্রহণের পর সুইফট তার নতুন গান ‘পেশেন্ট জিরো’র মিউজিক ভিডিওর উদ্বোধন করেন। ভিডিওটি পরিচালনাও করেছেন তিনি। এতে ডাকোটা জনসন ও অস্কার মনোনীত অভিনেতা কলিন ফারেল অভিনয় করেছেন। চিত্রগ্রহণ করেছেন অস্কারজয়ী সিনেমাটোগ্রাফার এমানুয়েল লুবেজকি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুইফট জানান, ‘পেশেন্ট জিরো’র ভিডিওতে গথিক ভূতের গল্প, সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত অপরাধকাহিনি এবং মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারের উপাদান একসঙ্গে তুলে ধরতে চেয়েছেন। ভিডিওতে ব্যবহৃত বাড়িটি ভেঙে যাওয়া ও শীতল হয়ে পড়া একটি সম্পর্কের রূপক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শুক্রবার মধ্যরাতে প্রকাশিত ‘পেশেন্ট জিরো’ চলতি বছরে এক দিনে কোনো নারী শিল্পীর সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম হওয়া গান হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে। একই সময়ে ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল : দ্য এনকোর’ অ্যালবামের বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশের ফলে ২০২৬ সালে এক দিনে যেকোনো নারী শিল্পীর মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রিমের রেকর্ডও গড়েছেন সুইফট।
বর্ধিত সংস্করণে ‘পেশেন্ট জিরো’ ছাড়াও রয়েছে ‘ক্লিভল্যান্ড!’, ‘পিংক ক্লাউডিং’ ও ‘ব্যাবিলন’ গান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটি প্রিমিয়ার লিগের শতাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। যদিও প্রাথমিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, ক্লাবটির আত্মবিশ্বাসের দেয়াল এখনও ভাঙেনি। সিটির চেয়ারম্যান খালদুন আল-মুবারক এই আইনি লড়াইয়ের নাটকীয়তাকে আসল সত্য প্রকাশের পূর্ববর্তী আবহ হিসেবে দেখছেন। চূড়ান্ত শুনানিতে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করে ক্লাবটি সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হবে, এমন দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে চেয়ারম্যানের।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিটির আইনি অবস্থানকে বিশ্লেষকরা ‘রোপ-আ-ডোপ’ কৌশল হিসেবে দেখছেন, যা প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করার উদ্দেশ্যে। ক্লাবটি জনপ্রিয় কার্টুন ‘স্কুবি-ডু’-র রহস্য উন্মোচনের মতো করে এগোচ্ছে।
তাদের লক্ষ্য, শেষ মুহূর্তে সব অভিযোগের মুখোশ খুলে নিজেদের নির্দোষিতার চূড়ান্ত প্রমাণ হাজির করা। খ্যাতনামা আইনজীবী লর্ড প্যানিক কেসির ওপর ভরসা করে সিটি কর্তৃপক্ষ একটি অবিশ্বাস্য ও ঝুঁকিপূর্ণ আইনি চাল চালাচ্ছে।
এদিকে, ২০১২ সালে সিটিকে প্রিমিয়ার লিগ জেতানো সাবেক কোচ রবার্তো মানচিনির ‘দ্বৈত চুক্তি’ বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে মানচিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতা তার ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা নয়।
এই আইনি টানাপোড়েনের মধ্যে ফুটবল বিশ্বে জাতি-রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট ফুটবল প্রজেক্টগুলোর সবচেয়ে সোনালী এক দশকের অবসান হতে যাচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন। পেপ গার্দিওলার অধীনে আকাশি-নীল শিবিরের সোনালি সময় এখন নজিরবিহীন অনিশ্চয়তার মুখোমুখি।
ফুটবল ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন এই ঘটনার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশাল বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি কয়েকটি ধাপে অগ্রসর হতে পারে। প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞায় চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ সিটির চূড়ান্ত শাস্তি ঘোষণা করতে পারে। শাস্তি ঘোষণার পর ম্যানচেস্টার সিটির পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। উভয় পক্ষের এই আইনি লড়াই ব্যয়বহুল হবে এবং এটি শেষ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে।
বর্তমানে সিটির শাস্তির মাত্রা কতটা বড় হবে, তা নিয়েই ফুটবল পাড়ায় আলোচনা চলছে। সমালোচকরা সিটির পতন দেখতে উদগ্রীব হলেও, তাদের উদযাপনে জল ঢেলে দিতে পারে সিটির আইনি দল।
শাস্তির তীব্রতা নিয়ে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নানা গুঞ্জন রয়েছে। সবচেয়ে নমনীয় শাস্তি হিসেবে সিটিকে বড় অঙ্কের জরিমানা, এক মৌসুমের জন্য পয়েন্ট কেটে নেওয়া এবং দলবদলে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা (ট্রান্সফার ব্যান) দেওয়া হতে পারে।
তবে, এই ধরনের শাস্তি কেবল লোকদেখানো হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। বাস্তব ফলাফলের চূড়ান্ত হাতুড়িপেটা ছাড়া এই রায়ের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে দেশের সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে অবদান রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আনোয়ারুল আজিম লেকচার গ্যালারিতে পাবলিক হেলথ বিভাগের মাস্টার্স প্রথম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
অধ্যাপক আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, জনস্বাস্থ্যের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ বিদ্যমান। পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডেটা অ্যানালাইসিসের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পড়াশোনা ও গবেষণার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পাবলিক হেলথ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ফার্মাসিউটিক্যালস, খাদ্য ও পুষ্টি, পরিবেশবিজ্ঞান, মাইক্রোবায়োলজি এবং জেনেটিকসসহ বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। এসব বিষয়ে অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাদের অর্জিত জ্ঞান দেশের মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানোর জন্য আহ্বান জানান।
পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. শাকিলা নার্গিস খান, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সায়েদুল আরেফিন এবং পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি ব্যক্ত করেন শিক্ষার্থী মুফিদুল হক সৃজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ