প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পূর্বধলায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬ মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত
নেত্রকোনার পূর্বধলায় নবম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে মো. রাহাতুল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা নাছিমা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। তবে মামলা দায়েরের প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সহেলাপাড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী আব্দুল হেলিমের ছেলে রাহাতুল বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৫ মার্চ তার পরীক্ষা করা হয়। ৪ এপ্রিল নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালেও পরীক্ষা করানো হয়। মামলার নথিতে ওই সময় প্রায় ১২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, বর্তমানে ওই কিশোরী প্রায় আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ভুক্তভোগীর মা জানান, স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গত ২৯ মার্চ তিনি পূর্বধলা থানায় অভিযোগ করেন। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় আদালতে মামলা করেন।
পরিবারের অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত রাহাতুল এলাকায় নেই। দীর্ঘ সময় পার হলেও মামলার কার্যকর অগ্রগতি না হওয়ায় তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা দাবি করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাহাতুলের মা কহিনূর বেগম। তাঁর দাবি, মামলাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনা প্রমাণিত হলে তিনি বিচার মেনে নেবেন; আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে মানহানির মামলা করবেন।
এ বিষয়ে শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ সেন্টু মিয়া বলেন, “মামলাটি পূর্বধলা থানায় ছিল। বর্তমানে বাদী মামলাটি শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের চেষ্টা চলমান রয়েছে।”
মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন