ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় শুরু হলো সৌখিন বাগানীদের বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনী


খুলনায় শুরু হলো সৌখিন বাগানীদের বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনী

খুলনা, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ : ‘হবে সবুজ পৃথিবী, সুন্দর জীবন -যদি করি বৃক্ষরোপণ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ শুরু হয়েছে সৌখিন বাগানীদের বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনী- ২০২৬।

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সবুজে হাসি-সবুজে বাঁচি’ এই বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে, যা আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলতে থাকবে।

আজ শুক্রবার নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে প্রধান অতিথি হিসেবে এ বৃক্ষমেলা ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

আরও পড়ুন: মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, মাদারীপুরে ৭ বাড়িতে আগুন, ৪০ ঘরে ভাঙচুর-লুটপাট

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘সবুজে হাসি-সবুজে বাঁচি’ সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আমিরুল খসরু। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রানা আকন্দ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় সংগঠনের সদস্যবৃন্দ ও ছাদ বাগানীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ছাদ বাগানীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু অনুষ্ঠানে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। এই কারণেই প্রধানমন্ত্রী পাঁচবছরে পঁচিশ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনও নগরীতে পঁচিশ হাজার গাছের চারা রোপণ করেছে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে। এছাড়া একলাখ বৃক্ষের বন তৈরীর জন্য বিকাশের সাথে চুক্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, সম্মাননা পেলেন চার চালক

বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশ্যে জায়গা রাখা এবং ফ্যাট বাড়ির ছাদে বৃক্ষরোপণের জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানুষের কল্যাণে কাজ করুন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য: গোলাম সারোয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


মানুষের কল্যাণে কাজ করুন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য: গোলাম সারোয়ার

বিশিষ্ট দানবীর ও শিক্ষানুরাগী মরহুম জুনাব আলীর কনিষ্ঠ পুত্র এবং আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সমাজসেবক মো. গোলাম সারোয়ার বলেছেন, 'জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে ভোটের কোন সম্পর্ক না থাকাটাই উচিত। মানুষের কল্যাণে করা কাজ যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই হয়। আমি প্রায়ই বলে থাকি, 'আগে কাজ পরে ভোট'। নির্বাচনকে সামনে রেখে যারাই আসবে তাদের কাছে আমার এই বার্তাটি পৌঁছে দিবেন।'

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের ডুবাইরচর উত্তরপাড়া ফুরকানিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদের সামনের বিরাটাকার অংশে আরসিসি ঢালাই কাজের অগ্রগতি এবং ওই এলাকায় একটি সংযোগ সড়কের কাজ পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দা ও মুসল্লিদের সঙ্গে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং এলাকার উন্নয়ন ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

গোলাম সারোয়ার আরও বলেন, সমাজের মানুষের জন্য আমার কাজ আজকের নতুন কিছু নয়, আমি দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে মোকাম ইউনিয়নবাসীর সুখে দুখে পাশে আছি। আমার বাবা দানবীর ছিলেন, তিনি মানবসেবা করতেন, আমি ওনার আদর্শের জায়গাটি ধরে রাখার চেষ্টা করছি। মোকাম ইউনিয়নবাসীর জন্য আমার একটি মাস্টারপ্ল্যান রয়েছে। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ এলাকার যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে আমি কাজ করতে চাই। আমি নির্বাচিত হই বা না হই, মানুষের কল্যাণে আমার সাধ্যমতো উন্নয়নমূলক কাজ করে যাব। কাজের বিনিময়ে ভোটের রাজনীতি আমি বিশ্বাস করি না। মানুষের জন্য, সমাজের জন্য কাজ করাটা পিতার উত্তরাধিকার সূত্রে আমার ভেতর জেগে বসেছে। তেমনি আমার মৃত্যুর পরও আমার সন্তানদের বলে গেছি, তারা যেন মানুষের পাশে সব সময় থাকে।

মসজিদের মুসল্লী ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণের খালি অংশটি অনেকটা অবহেলিত অবস্থায় পড়েছিল। মাহফিল, জানাজা ও ধর্মীয় অন্যান্য অনুষ্ঠান করার ক্ষেত্রে নানা রকম সমস্যা হতো। এছাড়া বর্ষা মৌসুম মসজিদে মাদ্রাসার এইখালি অংশটি কর্দমাক্ত হয়ে থাকতো, ফলে মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক ও মসজিদের মুসল্লিদের যাতায়াতে বিড়ম্বনা পথে হতো। সমস্যাটির বিষয়ে বিশিষ্ট দানবীর ও শিক্ষানুরাগী মরহুম জুনাব আলীর কনিষ্ঠ পুত্র সমাজসেবক গোলাম সারোয়ারের সরণাপন্ন হলে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণের এই খালি অংশটি আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে পাকা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

স্থানীয়রা আরো জানান, কেবল মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণের খালি অংশই নয়, এখানকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কের কাজও তিনি নিজ অর্থায়নে করে দিচ্ছেন। আজকালকার যুগে এ ধরনের সমাজসেবার মনোবৃত্তির মানুষের খুবই অভাব। গোলাম সারোয়ার ওনার পিতার আদর্শের এই জায়গাটি ধরে রেখেছেন। ওনার মতো মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে ইউনিয়নের ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হবে।

উল্লেখ্য, সমাজসেবক গোলাম সারোয়ারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এবং আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের তদারকিতে মোকাম ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ১৬টি সংযোগ সড়ক নতুন করে মেরামত করা হয়েছে। সেই সাথে বর্ষার পানিবদ্ধতা দূরীকরণে নির্মাণ করা হয়েছে চারটি ড্রেন, কালভার্ট ও গাইডওয়াল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাইজ শহরে হুথিদের অবরোধ: ৮ লাখ মানুষ খাদ্য ও পানির সংকটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


তাইজ শহরে হুথিদের অবরোধ: ৮ লাখ মানুষ খাদ্য ও পানির সংকটে

ইয়েমেনের তাইজ শহরে সশস্ত্র হুথি বিদ্রোহীরা একটি প্রধান সরবরাহ পথ (সাপ্লাই রুট) অবরুদ্ধ করে দেওয়ার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন। জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই পথটি বন্ধ হওয়ার কারণে শহরটির প্রায় ৮ লাখ বাসিন্দার কাছে জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে হুথি বাহিনীর মূল যোগাযোগ পথটি অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে শহরটিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে। গৃহযুদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার মাঝে প্রধান রুটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দৈনন্দিন খাদ্যাভাব ও সুপেয় পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এবং অন্যান্য সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত এই অবরুদ্ধ পথটি খুলে দেওয়া না হলে তাইজে একটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো অবরুদ্ধ এলাকায় দ্রুত ও নিরাপদে ত্রাণ ও জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী পৌঁছাতে অবরুদ্ধ পথটি পুনরায় চালু করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

ইয়েমেনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ প্রদেশে তীব্র লড়াই ও সংঘাত মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। এর ফলে দেশটিতে মানবিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। চলমান এই সংঘাতের কারণে গত আগস্ট মাস থেকে দেশজুড়ে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী

বান্দরবান, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী জেলা শহরের বালাঘাটায় তাবলিগি মারকাজ মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবারের এই পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় মারকাজ মসজিদ ও তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। মন্ত্রী এ সময় বান্দরবানের ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, আগামী ২৯ ও ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বান্দরবান জেলা ইজতেমা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের জন্য তিনি ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী মন্তব্য করেন, "পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। ধর্ম, বর্ণ, জাত বা গোত্র নির্বিশেষে এই ভূখণ্ডের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার যে নিরলস চেষ্টা চালানো হচ্ছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।"

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তাবলিগ জামায়াতের জেলা আমির ওসমান গনি, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল মাবুদ, ইজতেমার জমিদাতা কামাল মেম্বার, জেলা বিএনপি নেতা মুছা সওদাগর, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ হাকিম চৌধুরী, মারকাজ মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফটিকছড়িতে হালদা ভ্যালি চা বাগানে টিলা কেটে মাটি ভরাটের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


ফটিকছড়িতে হালদা ভ্যালি চা বাগানে টিলা কেটে মাটি ভরাটের অভিযোগ

পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া রাতের অন্ধকারে পাহাড় ও টিলা কেটে জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হালদা ভ্যালি চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার তথ্য জানতে চাইলে সাংবাদিকের সঙ্গে উদ্ধত আচরণ করেন বাগানটির ব্যবস্থাপক এম এ কাশেম। উপজেলা প্রশাসন জানায়, পাহাড় ও টিলা কাটার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২২ অক্টোবর গভীর রাতে উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়নের ইদিলপুর এলাকায় চা বাগানের ফ্যাক্টরির পাশে স্ক্যাভেটর দিয়ে টিলা কেটে মাটি সরানোর অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের অন্ধকারে বাগানের ফ্যাক্টরির পাশে একটি টিলা থেকে স্ক্যাভেটর দিয়ে লাল মাটি কেটে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ রয়েছে যে, বাগান ব্যবস্থাপকের বাংলোর কয়েকশ ফুট পেছনে একটি ফসলি জমি ভরাট করতে ওই মাটি ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, টিলা কাটার স্থানটির লাল মাটি ছাই দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, লাল মাটি দিয়ে জমি ভরাটের স্থানটি বালু দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হালদা ভ্যালি চা বাগানের এক বাসিন্দা জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি না নিয়েই বাগান কর্তৃপক্ষ এ কাজ করেছে। তিনি বলেন, এর আগেও বাগানের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের কাজ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হালদা ভ্যালি চা বাগানের ব্যবস্থাপক এম এ কাশেম এ প্রতিবেদকের সঙ্গে উদ্ধত আচরণ করেন। তিনি বলেন, "হালদা ভ্যালি চা বাগানের পুরোটাই তো পাহাড়। এছাড়াও সমাজসেবা থেকে আমাদেরকে ছয়টি ঘর করার জন্য বলা হয়েছে। তাই মাটি ভরাট করা হচ্ছে।"

তবে পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে জানতে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, "পাহাড় ও টিলা কাটার ব্যাপারে প্রশাসন জিরো টলারেন্স। বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। দ্রুত এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

উল্লেখ্য, এর আগে হালদা ভ্যালি চা বাগানের অভ্যন্তরে পাহাড় কেটে খাল খননের অভিযোগে জরিমানার ঘটনা ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%