মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৩ এম
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার কসবা মহল্লায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তির কেনা জমিতে বাঁশের বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা মহল্লার প্রতিবন্ধী আব্দুল মালেক এবং তার ভাই আব্দুস সাত্তার একই এলাকার গোপাল কুমার মহন্তের কাছ থেকে ৬ শতক জমি ক্রয় করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জমিটি রেজিস্ট্রি করা হয়। জমিটিতে পূর্বে একটি স্থাপনা বিদ্যমান ছিল। জমির মালিকদের কাছ থেকে স্থাপনাসহ পুরো জমি বুঝে নেওয়ার পর সেখানে ব্যবসায়িক স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দুই ভাই।
অভিযোগ রয়েছে, শনিবার উত্তর একডালা মহল্লার সাহেব আলী, সৈয়দ আলী, বারীক মাস্টার ও আব্দুল কুদ্দুসসহ কয়েকজন ওই জমির স্থাপনার সামনে বাঁশের বেড়া দেন। জমির মালিকরা দাবি করেছেন, তাদের ওই জমিতে কোনো মালিকানা বা স্থাপনা নেই। ফলে ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
জমির মালিক আব্দুল মালেক বলেন, "অনেক কষ্ট করে জমিটি কিনেছি। সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা করার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ জোরপূর্বক তাদের কেনা জমিতে বাঁশের বেড়া দিয়েছে। ওই জমিতে তাদের কোনো অধিকার নেই।"
আব্দুস সাত্তার আরও বলেন, "আমরা দুই ভাই গোপাল মহন্তের কাছ থেকে ৬ শতক জমি কিনেছি। ফেব্রুয়ারি মাসে জমিটি রেজিস্ট্রি হয়েছে। স্থাপনাসহ জমিটি আমাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ অন্য এলাকার কয়েকজন লোক এসে জোরপূর্বক বাঁশের বেড়া দিয়েছে।"
তিনি বলেন, "এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানালে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।"
অভিযোগের বিষয়ে সাহেব আলী জানান, "সেখানে তাদের কোনো ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি নেই। রাস্তার পাশে কিছু সরকারি জায়গা রয়েছে, সেটি দখলের উদ্দেশ্যে তারা বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। সেখানে একটি বিদ্যালয়ও রয়েছে এবং আব্দুল মালেকরা বিদ্যালয়ে তালা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ কারণে তারা বাঁশের বেড়া দিয়েছেন বলেও জানান সাহেব আলী।"
প্রতিবন্ধীর জমি দখলের চেষ্টায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি দেখা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিজু তামান্না জানান। তিনি আরও বলেন, "লিখিত অভিযোগ পেলে উভয়পক্ষকে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, "জায়গা দখলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হয়। এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার জন্য এক লাখ টাকার মূল্যমানের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে এই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
উপজেলা পরিষদের পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। মাছের পোনা অবমুক্তকরণের উদ্বোধন করেন বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুল বারী সরদার। উদ্বোধনের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "জেলে ও মৎস্যজীবীদের স্বার্থে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জেলে ও মৎস্যজীবীদের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। তিনি দেশীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিজু তামান্না উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা কাওসার আলী, ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুস সোবহান, সাবেক সদস্য সচিব শামসুজ্জোহা সরকার বাদশা, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি সহকারি অধ্যাপক অহিদুল ইসলাম, ভবানীগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর আশরাফুল ইসলাম আশিকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের নিমগাছি সরকারি মৎস্য খামার থেকে রুই, কাতলা ও মৃগেলসহ মোট ২৮৬ কেজি মাছের পোনা সংগ্রহ করা হয়। এই পোনার ক্রয়মূল্য ছিল এক লাখ টাকা। পরে উপজেলার ঝিকরা ঠাকুরঝি আশ্রয়ণ প্রকল্প, বিল কালাই বিল ও দুবিলার জলাশয়ে এসব পোনা অবমুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে চাউল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা নিয়ে এক ব্যবসায়ী উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, জেলার নওহাটা, মৌগাছি ও কেশরহাট এলাকার অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী তার কাছে টাকা পাওনা রয়েছেন। নওহাটার ২৮ ব্যবসায়ীর পাওনা প্রায় ৬২ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
সোমবার সকালে পবার নওহাটা বাজারে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে চাউল ব্যবসায়ী আব্দুর রব জানান, তারা প্রায় এক বছর ধরে মেহেরচণ্ডী এলাকার ওয়াহিদুজ্জামান শিশু এবং তার ব্যবসায়িক সহযোগী আজমীর রহমানের সঙ্গে চাউলের ব্যবসা করে আসছিলেন। শুরুতে নিয়মিত লেনদেন হলেও গত আগস্ট মাস থেকে পাওনা পরিশোধে অনিয়ম শুরু হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, গত ১৭ সেপ্টেম্বর তারা জানতে পারেন আজমীর রহমান এলাকা ছেড়ে গেছেন এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। নওহাটার ২৮ ব্যবসায়ীর প্রায় ৬২ লাখ টাকার পাশাপাশি মৌগাছি ও কেশরহাটের ব্যবসায়ীদের কাছে আরও ৪০ লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে বলে তারা জানান।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আজমীরের সহযোগী ওয়াহিদুজ্জামান শিশু তাদের পাওনা টাকা চাইলে দুর্ব্যবহার ও হুমকি দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, তারা দুজন মিলে প্রতারণা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা আজমীর রহমানকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান, ওয়াহিদুজ্জামান শিশুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এবং পাওনা টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আহ্বান করেন। আরএমপির মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, লেনদেনজনিত পাওনা আদায়ের বিষয়টি দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। তবে ফৌজদারি অপরাধের প্রমাণ থাকলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাঘা এলাকায় স্ত্রী জুসি খাতুনকে (৩০) ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে হত্যা করার অভিযোগে প্রধান আসামী স্বামী জহুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাঘা থানার পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার ৬ দিন পর চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জহুরুল ইসলাম (৪০) বাঘা উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের খোর্দ্দবাউসা গ্রামের ইনছার আলীর সন্তান।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে আড়ানী খোর্দ্দবাউসা গ্রামে তার স্বামী জহুরুল প্রকাশ্যে নিজ বাড়িতে এই হত্যার ঘটনা ঘটান। নিহত জুসি খাতুন বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের মালিগাছা গ্রামের লুৎফর রহমানের কন্যা। ওই দিন নিহতের পিতা লুৎফর রহমান বাদি হয়ে বাঘা থানায় ৬ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৬ সেপ্টেম্বর জহুরুল ইসলাম কাজ শেষে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরেন। এ সময় তার দেড় বছরের সন্তান জায়ান হোসেন কান্নাকাটি করছিল। জহুরুল তার স্ত্রীকে ছেলেকে থামাতে বলেন। এর আগে ঋণের কিস্তির টাকা নিতে এসে এনজিও মাস্টার গালমন্দ করে চলে যায়। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে জহুরুল খেজুরের গাছ ঝোড়া ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করেন। স্ত্রীকে হত্যা করার পর তিনি বাড়ির পাশে খোর্দ্দবাউসা বাজারে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে গিয়ে বলেন, "আমার আগে পিছে কিছুই নেই, আমি আজ থেকে মুক্ত"। এরপর তিনি সেখান থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। তাদের ৯ বছর আগে সামাজিকভাবে বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে, দেড় বছরের জায়ান হোসেন এবং ৭ বছরের জিহাদ হোসেন।
বাঘা থানার তদন্ত ওসি সুপ্রভাত মন্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামী জহুরুলকে আটক করা হয়েছে এবং পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মাদক সেবন আর নয়, তারুণ্য যদি সজাগ হয়’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে পাবনার চাটমোহরে ৬টি গ্রামের মানুষের যৌথ উদ্যোগে একটি মাদকবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ওমর আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর, আড়িংগাইল, মল্লিকবাইন তিন মাথা মোড়ে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। সুস্থ সমাজ গড়ার উদ্দেশ্যে এলাকার মাদক সম্রাট ওমর ও তার সহযোগীদের হুমকির বিরুদ্ধে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন আজির উদ্দিন প্রামানিক এবং সঞ্চালনা করেন ফয়সাল কবির। বক্তব্য রাখেন পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল করিম তারেক, ৬টি গ্রামের সম্মিলিত কবরস্থান হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুস সালাম, মাদ্রাসার মুহতামিম হাসিবুল ইসলাম শান্ত, সদস্য মোহাম্মদ আলী ফারুকী, পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নাম্বার ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মনজিল হোসেন, সাংবাদিক শাহীন রহমান, রাসেল, মাসুম রানা, কাওসার, মানসুক আলম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, চাটমোহরের সবচেয়ে বড় মাদক ডিলার ও ব্যবসায়ী হলো ওমর আলী। দীর্ঘ বছর ধরে তার বাড়ি থেকে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি হয়ে আসছে। তার কারণে এলাকায় মাদকসেবীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। তবে প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এলাকার শিশু, কিশোর, তরুণ, যুবক ও বৃদ্ধরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সমাজে চুরি ও বিশৃঙ্খলার মাত্রা বেড়ে গেছে। বক্তারা বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ওমরকে মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে, নাহলে তাকে এলাকা ছাড়তে হবে। নিজেদের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক সম্রাট ওমর নিজে মাদক ব্যবসা করে কিভাবে এলাকার মানুষকে হুমকি দেয়, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা। তারা প্রত্যেক ওয়ার্ডে ও গ্রামে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এর আগে মহেলা, মল্লিকপুর, কৃষ্ণপুর, আড়িংগাইল, মল্লিকবাইন, বারোকনা গ্রামের পাঁচ শতাধিক মানুষ মল্লিকবাইন দাখিল মাদ্রাসার সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ