ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পূর্ণিমা রাতে ব্রহ্মপুত্রের তীরে লালনের সুরে মুখরিত ময়মনসিংহ


পূর্ণিমা রাতে ব্রহ্মপুত্রের তীরে লালনের সুরে মুখরিত ময়মনসিংহ

আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ উজ্জ্বল। ব্রহ্মপুত্র নদটি পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাতের গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে পরিবেশ হয়ে উঠেছে নীরব। এর মধ্যেই লালনের গান ভেসে আসছিল।

নদপারের সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষজন নিজেদের যানবাহন থামিয়ে উঁকি মেরে দেখছিলেন, কারা গান গাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের ব্যানারে লেখা ছিল ‘পূর্ণিমার রাতে পরমের সাথে’। ময়মনসিংহ বাউল সমিতির উদ্যোগে প্রতি পূর্ণিমার রাতে নগরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় এই আসর বসে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ছিল শরৎকালের দ্বিতীয় পূর্ণিমা। এই পূর্ণিমায় ষষ্ঠবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এসআরবি-৮-এর অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫ মামলার আসামি ইয়াসিন খান

ভাবগম্ভীর পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন ময়মনসিংহ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নবীন ও খ্যাতিমান বাউলশিল্পীরা। ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই আয়োজন উপভোগ করেন।

রবিবার রাতের এই আয়োজনটি লালন শাহর তিরোধান উপলক্ষে তার গান দিয়ে সাজানো হয়েছিল। হেমন্তের স্নিগ্ধ পূর্ণিমার আলোয় ভাসতে ভাসতে দর্শক-শ্রোতারা রাতভর আধ্যাত্মিক সুরের সাগরে ডুব দেন।

অনুষ্ঠানস্থল থেকে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন আহাদ মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি এ পথ দিয়ে যাচ্ছিলাম। গানের সুর শুনে দেখতে আসি। খুবই সুন্দর আয়োজন। মন চাইছে সারা রাত ধরে গান শুনি।’

আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে সাজানো হয়েছিল। প্রথম পর্বে মাগরিবের নামাজের পর বিশ্বশান্তি ও সবার মঙ্গল কামনায় মিলাদ ও দরুদ শরিফ পাঠ করা হয়। মিলাদ শরিফ পরিচালনা করেন পীর খোরশেদ আলম দয়াল।

আরও পড়ুন: গফরগাঁওয়ে চলন্ত তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন

এশার নামাজের পর শুরু হয় উৎসবের মূল পর্ব। ভক্তিগীতি, লালনগীতি, সুফি এবং বাউল গানের জমজমাট আসর শুরু হয়। ময়মনসিংহ ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বাউলশিল্পীরা তাদের কণ্ঠের জাদুতে দর্শক-শ্রোতাদের মোহাবিষ্ট রাখেন।

গান পরিবেশন করেন মিজান বাউলা, জয়িতা অর্পা, চন্দন শাহ্, বাউল সোহাগী সরকার, শাহনাজ সাথী, বাউল চান মিয়া, বাউল মালেকা খাতুন, বাউল সাবিনা সরকার, বাউল সাজন মালা, বাউল নুর আলম সরকার, বাউল মাফিজুল সরকার, রফিক চিশতি, বাউল রাজ্জাক সরকার, বাউল রুমা সরকার, বাউল এরশাদ ও বাউল আবদুল মজিদ।

সৃষ্টি ও স্রষ্টার সম্পর্ক, জীবনের দর্শন এবং পরমের খোঁজ নিয়ে রচিত কালজয়ী গানগুলো যখন শিল্পীদের একতারা ও দোতারার সুরে বেজে উঠছিল, তখন উপস্থিত শ্রোতাদের মধ্যে অপার্থিব ভাবাবেগ সৃষ্টি হচ্ছিল। মুক্ত আকাশের নিচে চাঁদের আলোয় সুরের জাদু তাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখছিল। সেই সাথে মনোমুগ্ধকর বাদন সবাইকে উৎফুল্ল করে।

অনুষ্ঠানে হারমোনিয়ামে ছিলেন কাদির; বাঁশিতে আজিজুল; ট্রাম্পেটে হামিদ ভাণ্ডারী; রবাবে হাবিব; করতালে মোশাররফ; খমকে মিজান এবং ঢোলে রাজকুমার দাস, বিশাল ও শরীফ।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধার শহীদ মিনারে লাথি-ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক আহসান হাবিব

ময়মনসিংহ বাউল সমিতির সহসভাপতি কাজল দেওয়ান জানান, ‘যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলে মানুষের মনকে পরিশুদ্ধ করা এবং আধ্যাত্মিক চেতনার মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি বজায় রাখাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।’

ময়মনসিংহ বাউল সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম আসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের এই বিপুল ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণাকে পাথেয় করে আগামীতেও প্রত্যেক পূর্ণিমা তিথিতে এই আয়োজন চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি ঋণ পরিশোধ ১৩৫ কোটি ডলারে পৌঁছেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


বিদেশি ঋণ পরিশোধ ১৩৫ কোটি ডলারে পৌঁছেছে

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের মূল অর্থ ও সুদ পরিশোধের জন্য ব্যয় বেড়ে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই সময়ের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রকৃত বিদেশি সহায়তা ছাড় হয়েছে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের ১২৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার থেকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইআরডির তথ্য জানাচ্ছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণের মূল হিসেবে ৮৫ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৮১ কোটি ৬৯ লাখ ৯৯ হাজার ডলার। একই সময়ে সুদ পরিশোধের পরিমাণ ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার থেকে বেড়ে ৪৯ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের বিদেশি সহায়তা ছাড় হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ছাড় হওয়া বিদেশি সহায়তার মধ্যে ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৪ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং অনুদানের পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

এদিকে, বিদেশি ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে উন্নয়ন সহযোগীরা ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ৯১ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে পাওয়া নতুন প্রতিশ্রুতির মধ্যে ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার এবং অনুদানের পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের শেখার আগ্রহ বাড়াতে লার্নিং টয়েস ব্যবহারের পরামর্শ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


শিশুদের শেখার আগ্রহ বাড়াতে লার্নিং টয়েস ব্যবহারের পরামর্শ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ খেলাধুলা ও আনন্দময় কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শেখার আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের শিখনদক্ষতা যাচাইয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এই অভিমত প্রকাশ করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে লার্নিং টয়েস (শিখন উপকরণ) বিতরণ করা হয় এবং খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের শিখনদক্ষতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক স্তরের মৌলিক শিখনদক্ষতা যাচাই করা হয়।

বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্য করেন, লার্নিং টয়েস ব্যবহার করে শিশুরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বিভিন্ন জটিল ধারণা ও বিষয় সহজেই আয়ত্ত করতে সক্ষম হচ্ছে। প্রচলিত মুখস্থ নির্ভর বা গতানুগতিক পদ্ধতির তুলনায় খেলনা ও হাতে-কলমে শেখার উপকরণের মাধ্যমে শিশুরা দ্রুত বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের আধুনিক উপকরণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি বাড়তি আগ্রহ, উদ্দীপনা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কেবল বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; বরং প্রতিটি শিশু শ্রেণিকক্ষে প্রকৃতপক্ষে কী শিখছে, নির্ধারিত শিখনফল অর্জন করতে পারছে কি না এবং শিক্ষকরা কতটা কার্যকরভাবে পাঠদান করছেন—তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, গণিত ও ইংরেজিসহ মৌলিক শিখনদক্ষতার ক্ষেত্রে যেসব ঘাটতি রয়েছে, তা নিপুণভাবে চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। শ্রেণিভিত্তিক শিখনফল যাচাই এবং শিশুদের উপযোগী আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার ওপর জোর দেন তিনি।

পরিদর্শনের অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে লার্নিং টয়েসসহ কার্যকর শিখন পদ্ধতিগুলো সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কিভাবে আরো বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলেও তিনি জানান।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের বিষয়ে বড় ঘোষণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)-র সঙ্গে আলোচনা চলছে।

তিনি জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা গেলে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব আরো গতিশীল ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। বিদ্যমান নিয়োগবিধি ও পিএসসির প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর সহকারী শিক্ষক নিয়োগের নতুন প্রয়োজনীয়তা তৈরি হবে বলেও তিনি জানান।

বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এশিয়া কাপ আর্চারির ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা, কাজাখস্তানের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে রিকার্ভ ও কম্পাউন্ড নারী দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


এশিয়া কাপ আর্চারির ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা, কাজাখস্তানের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে রিকার্ভ ও কম্পাউন্ড নারী দল

বাংলাদেশের জন্য সোনার পদক গলায় ঝোলানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইরাকের সুলাইমানিয়াহতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ আর্চারির (ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং টুর্নামেন্ট স্টেজ-২) রিকার্ভ পুরুষ এবং কম্পাউন্ড নারী উভয় ইভেন্টে ফাইনালের টিকিট অর্জন করেছে বাংলাদেশি আর্চাররা।

দুই ইভেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে কাজাখস্তান। রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টের সেমিফাইনালে উজবেকিস্তানকে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছায় বাংলাদেশ। সাগর ইসলাম, আব্দুর রহমান আলিফ এবং আবদুল্লাহ আল মোহাম্মদ রাফিরা সরাসরি ৬-০ সেট পয়েন্টে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছেন।

অন্যদিকে, স্বাগতিক ইরাককে ৬-২ সেট পয়েন্টে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট পায় কাজাখস্তান। বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ অক্টোবর।

কম্পাউন্ড নারী দলগত ইভেন্টেও বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছায়। সেমিফাইনালে ২৩৩-২১৯ পয়েন্ট ব্যবধানে জয়লাভ করেন বান্না আক্তার, শ্রীপর্ণা বিশ্বাস এবং কুলসুম আক্তার মনিরা।

অন্য সেমিফাইনালটি ছিল ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনীর’ মতো। ফাইনালে ওঠার জন্য ইরাক-কাজাখস্তানের মূল ম্যাচটি সমানে সমান হয়ে শেষ হয়, ২১৭-২১৭ পয়েন্টে। পরে শুটঅফে ২৯-২৭ পয়েন্টে স্বাগতিকদের পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে কাজাখস্তান। মেয়েদের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ অক্টোবর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাই বা কবর নয়, মৃত্যুর পর জৈব সার হতে চান কিম নোভাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


ছাই বা কবর নয়, মৃত্যুর পর জৈব সার হতে চান কিম নোভাক

হলিউডের স্বর্ণযুগের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিম নোভাক মৃত্যুর পর প্রচলিত দাহ বা সমাহিত হওয়ার পদ্ধতির পরিবর্তে নিজের দেহকে জৈব সারে পরিণত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই জৈব সার ব্যবহার করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর, যাতে মৃত্যুর পরেও প্রকৃতির মধ্যে তাঁর বেড়ে ওঠা অব্যাহত থাকে। ৯৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী তাঁর শেষযাত্রা নিয়ে এমন ব্যতিক্রমী পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

কিম নোভাক জানিয়েছেন, তিনি কয়েক বছর আগে থেকেই মৃত্যুর পর দেহের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করে রেখেছেন। তাঁর ইচ্ছা, মৃত্যুর পর তাঁর দেহ থেকে তৈরি জৈব সার দিয়ে গাছ লাগানো হবে। গাছের মাধ্যমে তিনি যেন নতুনভাবে বেঁচে থাকতে পারেন, এমন ভাবনা তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করেছে।

নিজের এই ইচ্ছার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, গাছের মধ্যে এক ধরনের ধৈর্য রয়েছে, যা তাঁর নিজের মধ্যে সব সময় ছিল না। তাই গাছের বেড়ে ওঠার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে চান। তাঁর কাছে এটি মৃত্যুর পরও জীবনের বিভিন্ন রূপের সাক্ষী হয়ে থাকার একটি সুযোগ।

কিমের কাছে দেহকে জৈব সারে পরিণত করার ধারণাটি মোটেও অদ্ভুত বা হাস্যকর মনে হচ্ছে না। বরং প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার বিষয়টি তাঁকে প্রশান্তি দেয়। তিনি বিশ্বাস করেন, দেহ থেকে তৈরি জৈব সার গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এভাবে মৃত্যুর পরও তাঁর অস্তিত্ব প্রকৃতির অংশ হয়ে থাকবে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ‘আর্থ ফিউনারেল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি ব্যবস্থা করেছেন। মৃত্যুর পর তাঁর দেহ কীভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হবে, সে বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বন্ধু ও স্বজনদেরও একটি করে গাছ বা ঝোপজাতীয় উদ্ভিদ লাগানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে গাছ লাগানোই তাঁর বেশি পছন্দ, কারণ তিনি চান তাঁর বেড়ে ওঠার ধারণাটি যেন মৃত্যুর পরও থেমে না যায়।

উল্লেখ্য, কিম নোভাক ১৯৫৮ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত বক্স অফিসের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা ছিলেন। ১৯৬৬ সালে হলিউডের অভিনয়জগৎ থেকে সরে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত জীবনে মনোযোগ দেন। পরবর্তীতে ছবি আঁকাকে নিজের ভাবনা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন। চলচ্চিত্রের পরিচয়ের বাইরেও নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব তুলে ধরতে চান এই অভিনেত্রী। মৃত্যুর পর জৈব সার হয়ে গাছের মধ্যে বেঁচে থাকার ইচ্ছা সেই ভাবনারই অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%