সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৯ পি.এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ খেলাধুলা ও আনন্দময় কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শেখার আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের শিখনদক্ষতা যাচাইয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এই অভিমত প্রকাশ করেন।
এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে লার্নিং টয়েস (শিখন উপকরণ) বিতরণ করা হয় এবং খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের শিখনদক্ষতা পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক স্তরের মৌলিক শিখনদক্ষতা যাচাই করা হয়।
বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্য করেন, লার্নিং টয়েস ব্যবহার করে শিশুরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বিভিন্ন জটিল ধারণা ও বিষয় সহজেই আয়ত্ত করতে সক্ষম হচ্ছে। প্রচলিত মুখস্থ নির্ভর বা গতানুগতিক পদ্ধতির তুলনায় খেলনা ও হাতে-কলমে শেখার উপকরণের মাধ্যমে শিশুরা দ্রুত বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পারছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের আধুনিক উপকরণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি বাড়তি আগ্রহ, উদ্দীপনা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কেবল বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; বরং প্রতিটি শিশু শ্রেণিকক্ষে প্রকৃতপক্ষে কী শিখছে, নির্ধারিত শিখনফল অর্জন করতে পারছে কি না এবং শিক্ষকরা কতটা কার্যকরভাবে পাঠদান করছেন—তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, গণিত ও ইংরেজিসহ মৌলিক শিখনদক্ষতার ক্ষেত্রে যেসব ঘাটতি রয়েছে, তা নিপুণভাবে চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। শ্রেণিভিত্তিক শিখনফল যাচাই এবং শিশুদের উপযোগী আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার ওপর জোর দেন তিনি।
পরিদর্শনের অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে লার্নিং টয়েসসহ কার্যকর শিখন পদ্ধতিগুলো সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কিভাবে আরো বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলেও তিনি জানান।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের বিষয়ে বড় ঘোষণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)-র সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা গেলে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব আরো গতিশীল ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। বিদ্যমান নিয়োগবিধি ও পিএসসির প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর সহকারী শিক্ষক নিয়োগের নতুন প্রয়োজনীয়তা তৈরি হবে বলেও তিনি জানান।
বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের জন্য সোনার পদক গলায় ঝোলানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইরাকের সুলাইমানিয়াহতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ আর্চারির (ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং টুর্নামেন্ট স্টেজ-২) রিকার্ভ পুরুষ এবং কম্পাউন্ড নারী উভয় ইভেন্টে ফাইনালের টিকিট অর্জন করেছে বাংলাদেশি আর্চাররা।
দুই ইভেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে কাজাখস্তান। রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টের সেমিফাইনালে উজবেকিস্তানকে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছায় বাংলাদেশ। সাগর ইসলাম, আব্দুর রহমান আলিফ এবং আবদুল্লাহ আল মোহাম্মদ রাফিরা সরাসরি ৬-০ সেট পয়েন্টে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছেন।
অন্যদিকে, স্বাগতিক ইরাককে ৬-২ সেট পয়েন্টে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট পায় কাজাখস্তান। বাংলাদেশ ও কাজাখস্তানের মধ্যে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ অক্টোবর।
কম্পাউন্ড নারী দলগত ইভেন্টেও বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছায়। সেমিফাইনালে ২৩৩-২১৯ পয়েন্ট ব্যবধানে জয়লাভ করেন বান্না আক্তার, শ্রীপর্ণা বিশ্বাস এবং কুলসুম আক্তার মনিরা।
অন্য সেমিফাইনালটি ছিল ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনীর’ মতো। ফাইনালে ওঠার জন্য ইরাক-কাজাখস্তানের মূল ম্যাচটি সমানে সমান হয়ে শেষ হয়, ২১৭-২১৭ পয়েন্টে। পরে শুটঅফে ২৯-২৭ পয়েন্টে স্বাগতিকদের পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে কাজাখস্তান। মেয়েদের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ অক্টোবর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হলিউডের স্বর্ণযুগের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিম নোভাক মৃত্যুর পর প্রচলিত দাহ বা সমাহিত হওয়ার পদ্ধতির পরিবর্তে নিজের দেহকে জৈব সারে পরিণত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই জৈব সার ব্যবহার করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর, যাতে মৃত্যুর পরেও প্রকৃতির মধ্যে তাঁর বেড়ে ওঠা অব্যাহত থাকে। ৯৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী তাঁর শেষযাত্রা নিয়ে এমন ব্যতিক্রমী পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
কিম নোভাক জানিয়েছেন, তিনি কয়েক বছর আগে থেকেই মৃত্যুর পর দেহের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করে রেখেছেন। তাঁর ইচ্ছা, মৃত্যুর পর তাঁর দেহ থেকে তৈরি জৈব সার দিয়ে গাছ লাগানো হবে। গাছের মাধ্যমে তিনি যেন নতুনভাবে বেঁচে থাকতে পারেন, এমন ভাবনা তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করেছে।
নিজের এই ইচ্ছার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, গাছের মধ্যে এক ধরনের ধৈর্য রয়েছে, যা তাঁর নিজের মধ্যে সব সময় ছিল না। তাই গাছের বেড়ে ওঠার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে চান। তাঁর কাছে এটি মৃত্যুর পরও জীবনের বিভিন্ন রূপের সাক্ষী হয়ে থাকার একটি সুযোগ।
কিমের কাছে দেহকে জৈব সারে পরিণত করার ধারণাটি মোটেও অদ্ভুত বা হাস্যকর মনে হচ্ছে না। বরং প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার বিষয়টি তাঁকে প্রশান্তি দেয়। তিনি বিশ্বাস করেন, দেহ থেকে তৈরি জৈব সার গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এভাবে মৃত্যুর পরও তাঁর অস্তিত্ব প্রকৃতির অংশ হয়ে থাকবে।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ‘আর্থ ফিউনারেল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি ব্যবস্থা করেছেন। মৃত্যুর পর তাঁর দেহ কীভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হবে, সে বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বন্ধু ও স্বজনদেরও একটি করে গাছ বা ঝোপজাতীয় উদ্ভিদ লাগানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে গাছ লাগানোই তাঁর বেশি পছন্দ, কারণ তিনি চান তাঁর বেড়ে ওঠার ধারণাটি যেন মৃত্যুর পরও থেমে না যায়।
উল্লেখ্য, কিম নোভাক ১৯৫৮ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত বক্স অফিসের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা ছিলেন। ১৯৬৬ সালে হলিউডের অভিনয়জগৎ থেকে সরে গিয়ে তিনি ব্যক্তিগত জীবনে মনোযোগ দেন। পরবর্তীতে ছবি আঁকাকে নিজের ভাবনা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন। চলচ্চিত্রের পরিচয়ের বাইরেও নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব তুলে ধরতে চান এই অভিনেত্রী। মৃত্যুর পর জৈব সার হয়ে গাছের মধ্যে বেঁচে থাকার ইচ্ছা সেই ভাবনারই অংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল মাঠে লাল কার্ড এবং মাঠের বাইরে ব্যর্থ প্রেমের কাহিনী নিয়ে আলোচনা চলছে।
রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জীবনে গত কয়েক দিনে আলোচনা ও গুঞ্জনের অভাব নেই। ৪ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, বিচ্ছেদের পর সাবেক স্বামীর সঙ্গে প্রেমিকার ঘনিষ্ঠতা, আবার বিয়ের সম্ভাবনা—এই সবই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন নতুন নাটকের সূচনা করেছে!
ব্রাজিলিয়ান ইনফ্লুয়েন্সার ভার্জিনিয়া ফনসেকার সঙ্গে ভিনিসিয়ুসের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটেছে—এটি এখন সকলের জানা। নতুন তথ্য হলো, ভিনিকে ছেড়ে ভার্জিনিয়া তার সাবেক স্বামী এবং তিন সন্তানের বাবা জে ফেলিপের কাছে ফিরে গেছেন। ব্রাজিলের একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তারা শিগগিরই আবার বিয়ে করার পরিকল্পনা করছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে, ভার্জিনিয়া ফনসেকা ও জে ফেলিপ সন্তানদের নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটান। পরে তারা একই উড়োজাহাজে ভ্রমণের ছবি শেয়ার করার পর ভক্তদের মনে নতুন প্রশ্নের উদ্রেক হয়।
সিএনএন ব্রাজিল এবং ইউওএল জানাচ্ছে, বিয়ের গুঞ্জন নতুন মোড় নিয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিনির সঙ্গে সম্পর্কের অবসানের কয়েক দিন পর ভার্জিনিয়া আবার জে ফেলিপের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং বিয়ের পরিকল্পনা করছেন।
মাঠে ভিনির পারফরম্যান্সও ভালো যাচ্ছে না। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের চুল টেনে ধরে লাল কার্ড দেখার পর রেফারির সঙ্গে বাজে আচরণ করায় লা লিগা কর্তৃপক্ষ রিয়াল ফরোয়ার্ডকে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুর রশিদ খান মারা গেছেন। আজ সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৫৯ বছর।
গত শনিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হন।
আবদুর রশিদ খানের মৃত্যুতে পাওয়ার গ্রিড পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করেছে। শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার মৃত্যু দেশের বিদ্যুৎ খাতে একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ প্রকৌশলীকে হারানোর সমার্থক।
শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, দক্ষতা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে আবদুর রশিদ খান সহকর্মীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। বিদ্যুৎ খাতে তার অবদান ও স্মৃতি পাওয়ার গ্রিড পরিবারের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আবদুর রশিদ খান ১৯৬৭ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৯২ সালে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে (ইইই) বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (বিপিডিবি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে ২০০০ সালের ৭ জুন পাওয়ার গ্রিডে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন শেষে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
পাওয়ার গ্রিড পরিবার মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ