সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৭ পি.এম
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আইডেক্স ২০২৭ ও ন্যাভডেক্স ২০২৭-এ যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এই প্রদর্শনীগুলি আগামী ২৫ থেকে ২৯ জানুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হবে।
১৮তম ইন্টারন্যাশনাল ডিফেন্স এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স (আইডেক্স) এবং অষ্টম ন্যাভাল ডিফেন্স অ্যান্ড মেরিটাইম সিকিউরিটি এক্সিবিশন (ন্যাভডেক্স) আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (এডিএনইসি) আয়োজন করা হবে।
ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের মাধ্যমে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আইডেক্স ও ন্যাভডেক্সে স্থল, নৌ ও আকাশ প্রতিরক্ষা খাতের সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শিত হবে। এই প্রদর্শনীতে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে।
আমন্ত্রণবার্তায় শেখ হামদান বলেন, ‘এই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করবে এবং প্রদর্শনী দুটির সফল আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তার সম্মান ও গভীর শ্রদ্ধার কথাও জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের গৌরনদী বন্দরে বিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদনহীন কসমেটিকস এবং অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানের ফলস্বরূপ, দুটি দোকানকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, জব্দ করা অনুমোদনহীন পণ্যগুলো সকলের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
এই অভিযানটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে গৌরনদী বন্দরের অভি কসমেটিকস ও আবির কসমেটিকসে পরিচালিত হয়।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইব্রাহীম। এ সময় বিএসটিআই কর্মকর্তা মোঃ মামুন তালুকদার এবং গৌরনদী মডেল থানার এসআই আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের সময় অনুমোদনহীন কসমেটিকস ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দুটি দোকানকে জরিমানা করার পাশাপাশি জব্দ করা পণ্যগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক ইব্রাহীম জানিয়েছেন যে, জনস্বার্থ রক্ষা, ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনুমোদনহীন ও অবৈধ পণ্যের বিক্রি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের জকিগঞ্জে অবস্থিত একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষের তালা ভেঙে ১৫টি সিলিং ফ্যানসহ অন্যান্য মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৫১ হাজার ৭৫০ টাকা বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় বিদ্যালয়ের দরজা ও জানালারও ক্ষতি হয়েছে।
কসকনকপুর ইউনিয়নের ১২১ নম্বর নিয়াগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিলকিছ আরা বেগম ২২ অক্টোবর তারিখে জকিগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ১৫ অক্টোবর বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির পর শিক্ষকরা কক্ষগুলো তালাবদ্ধ করে বাড়িতে চলে যান। শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি থাকায় বিদ্যালয়টি বন্ধ ছিল। পরে ২২ অক্টোবর কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বিদ্যালয়ের মাঠে ফ্যানের ভাঙা অংশ পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁরা বিদ্যালয়ের দরজা খোলা ও তালা ভাঙা থাকার বিষয়টি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে জানান।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে গিয়ে বিভিন্ন কক্ষের তালা ভাঙা দেখতে পান। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ থেকে চারটি, প্রাক্-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ থেকে চারটি, প্রথম শ্রেণিকক্ষ থেকে চারটি, দ্বিতীয় শ্রেণিকক্ষ থেকে দুটি এবং তৃতীয় শ্রেণিকক্ষ থেকে একটি সিলিং ফ্যান চুরি হয়েছে। এছাড়া একটি ওজন মাপার যন্ত্র, একটি ঘণ্টা এবং বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষের ১৩টি বৈদ্যুতিক বাল্বও চুরি হয়েছে। অফিস কক্ষের কিছু জরুরি কাগজপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া যায়।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীদুল ইসলাম বলেন, চুরির ঘটনা জানার পরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে দপ্তরি কাম প্রহরী না থাকায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে। তবে এলাকার লোকজন তৎপর হলে দ্রুত প্রতিকার পাওয়া সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেরাজ জানান, বিদ্যালয়ের মালামাল চুরির ঘটনায় তদন্ত চলছে। পুলিশের একটি দল কাজ করছে এবং দ্রুত ফল পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য খাতের নীতি ও কর্মসূচি পরিবর্তনের জন্য গবেষণাকে কেবল ডিগ্রি অর্জন বা পদোন্নতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত। তিনি উল্লেখ করেন, "গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা তখনই আসে, যখন এর ফলাফল সাধারণ মানুষের জীবন বদলায় এবং জাতীয় নীতিমালায় পরিবর্তন আনে।"
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ২২ সপ্তাহব্যাপী গবেষণা পদ্ধতিবিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি মূল প্রবন্ধও উপস্থাপন করেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চিকিৎসকদের প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হয়, যা অত্যন্ত ক্লান্তিকর। তবে, প্রতিকূল পরিবেশেও চিকিৎসকদের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে যথাযথ গবেষণা পরিকল্পনা করতে পারলে তা স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।
ড. এম. এ. মুহিত তাঁর দীর্ঘ গবেষণাজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অতীতে অন্ধত্ব দূরীকরণ এবং সেরিব্রাল পলসিতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে কমিউনিটিভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নীতিগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে হাজারো শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
গবেষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "শুধু বড় নমুনা বা বিপুলসংখ্যক ভেরিয়েবল ব্যবহার করলেই ভালো গবেষণা হয় না।" গবেষণার মূল প্রশ্ন চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেটির সমাধানের সুনির্দিষ্ট উপায় খুঁজে বের করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে নীতিনির্ধারক ও সরকারের সঙ্গে কাজ করা গেলে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মানও বহুগুণ উন্নত করা সম্ভব।
চিকিৎসকদের গবেষণায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পুনর্গঠন ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ভাইরাল হেপাটাইটিস ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মানসম্মত গবেষণার বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মাজহারুল শাহীন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও সোসাইটি অব মেডিসিনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংকট কমানো এবং সহিংসতা হ্রাসের উদ্দেশ্যে তেহরানে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল গঠন করা হয়েছে, যা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ভুক্ত দেশগুলোর অংশ। এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সউদী আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান।
সউদী পাবলিক ডিপ্লোমেসি বিষয়ক উপমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত ড. রায়েদ ক্রিমলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা নিরসনে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি করাই সফরের মূল লক্ষ্য। প্রতিনিধি দলটি ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজাইয়ের সাথে পৃথক বৈঠক করবে।
সফরকারী এই ত্রিপক্ষীয় দলে সউদী প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন:
পাকিস্তান: দেশটির সেনাবাহিনী প্রধান (সিওএএস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
তুরস্ক: দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এমআইটি)-র প্রধান ইব্রাহিম কালিন।
কূটনৈতিক গুরুত্ব ও মধ্যস্থতা: ড. রায়েদ ক্রিমলি উল্লেখ করেন যে, কাতার ও পাকিস্তান কর্তৃক পূর্বে গ্রহণ করা মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির স্বাক্ষরকারী দেশগুলো আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই অঞ্চলের সকল দেশের সাথে একযোগে কাজ করে উত্তাপ কমানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সূত্র: সউদী গেজেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ