মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ এম
‘মাদক সেবন আর নয়, তারুণ্য যদি সজাগ হয়’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে পাবনার চাটমোহরে ৬টি গ্রামের মানুষের যৌথ উদ্যোগে একটি মাদকবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ওমর আলীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর, আড়িংগাইল, মল্লিকবাইন তিন মাথা মোড়ে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। সুস্থ সমাজ গড়ার উদ্দেশ্যে এলাকার মাদক সম্রাট ওমর ও তার সহযোগীদের হুমকির বিরুদ্ধে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন আজির উদ্দিন প্রামানিক এবং সঞ্চালনা করেন ফয়সাল কবির। বক্তব্য রাখেন পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল করিম তারেক, ৬টি গ্রামের সম্মিলিত কবরস্থান হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুস সালাম, মাদ্রাসার মুহতামিম হাসিবুল ইসলাম শান্ত, সদস্য মোহাম্মদ আলী ফারুকী, পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নাম্বার ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মনজিল হোসেন, সাংবাদিক শাহীন রহমান, রাসেল, মাসুম রানা, কাওসার, মানসুক আলম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, চাটমোহরের সবচেয়ে বড় মাদক ডিলার ও ব্যবসায়ী হলো ওমর আলী। দীর্ঘ বছর ধরে তার বাড়ি থেকে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি হয়ে আসছে। তার কারণে এলাকায় মাদকসেবীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। তবে প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এলাকার শিশু, কিশোর, তরুণ, যুবক ও বৃদ্ধরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সমাজে চুরি ও বিশৃঙ্খলার মাত্রা বেড়ে গেছে। বক্তারা বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ওমরকে মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে, নাহলে তাকে এলাকা ছাড়তে হবে। নিজেদের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক সম্রাট ওমর নিজে মাদক ব্যবসা করে কিভাবে এলাকার মানুষকে হুমকি দেয়, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা। তারা প্রত্যেক ওয়ার্ডে ও গ্রামে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এর আগে মহেলা, মল্লিকপুর, কৃষ্ণপুর, আড়িংগাইল, মল্লিকবাইন, বারোকনা গ্রামের পাঁচ শতাধিক মানুষ মল্লিকবাইন দাখিল মাদ্রাসার সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৬ নং সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ পরিচালনা করেছেন বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আব্দুল বারী সরদার।
সোমবার বিকেলে তিনি সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন। পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা মাঠে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় নাসিরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এমপি ডাঃ আব্দুল বারী সরদার।
সভায় ডাঃ আব্দুল বারী সরদার উল্লেখ করেন, "বাগমারার প্রতিটি ইউনিয়নের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগব্যবস্থা, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জনসাধারণের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।"
তিনি সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, "এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের উন্নতি, কৃষকদের সুবিধা বৃদ্ধি এবং তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। উন্নয়নের সুফল যেন ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষ পায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হবে।"
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন সোনাডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জালাল উদ্দিন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর আবুল হোসাইন, সাবেক সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক অহিদুল ইসলাম, ভবানীগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর আশরাফুল ইসলাম আশিক, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি নাদিম মোস্তফা ও সেক্রেটারি সাব্বির আহমেদ।
সভায় সোনাডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের মণিরামপুরে বালিধা-পাঁচাকড়ি দাখিল মাদ্রাসার মাঠের মাঝ থেকে রাস্তা অপসারণ এবং সুপার-শিক্ষককের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। রোববার বেলা ১২টার দিকে মাদ্রাসার সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের শেষে শিক্ষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
মানববন্ধনে সুপার আবু বক্কার সিদ্দিক এবং সহকারি সুপার আব্দুল হামিদ রাস্তাটি অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, বালিধা-পাঁচাকড়ি দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৭৪ সালের পরে স্থানীয় আকুঞ্জিপাড়ার কয়েকটি পরিবারের চলাচলের সুবিধার্থে মাদ্রাসার মাঠের মাঝ দিয়ে ঘরোয়াভাবে একটি কাঁচা রাস্তা তৈরি করা হয়। কিন্তু, রাস্তাটি প্রতিষ্ঠানের মাঝ দিয়ে তৈরি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের চলাচল এবং খেলাধুলায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সুপার আরও বলেন, এই কারণে প্রতিষ্ঠানের উত্তর-পশ্চিম পাশ দিয়ে আমরা একটি বিকল্প রাস্তা তৈরি করেছি, যাতে এলাকার মানুষ সহজে চলাচল করতে পারেন। স্থানীয় কিছু কুচক্রী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। এর অংশ হিসেবে চলতি মাসের ১৫ সেপ্টেম্বর আমার এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আদালতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাস্তা নিয়ে মিথ্যা সাজানো ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য মানববন্ধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সম্রাট হোসেন জানান, "বিষয়টি আমি শুনেছি, ঘটনাস্থল তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের গীলাবাড়ি গ্রামের মৃত মানিক সানার পুত্র, আ.লীগের কর্মী আঃ গফফার সানা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, "সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পারিবিরক সমস্যা ও শারীরিক অসুস্থ্যতার কারণে আর কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততা থাকতে চাইনা।" এই কারণেই তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, "আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতি করলেও কোন পদে দায়িত্ব ছিলাম না। একজন কর্মী হিসাবে কাজ করেছি। বর্তমানে বয়সের ভারে আমার পক্ষে রাজনীতি করা সম্ভব হচ্ছেনা। এজন্য আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।" এ বিষয়ে প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কয়রায় উপজেলা যুবদলের নেতা-কর্মীরা খুলনা জেলা যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেছে। এই মিছিলে নতুন কমিটির সভাপতি শেখ নাজিমুজ্জামান জনি এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন সহ কমিটির সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় কয়রা যুবদলের উদ্যোগে এই আনন্দ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে সদরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে একই এলাকায় এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোতাসিম বিল্লাহ।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, বিএনপি নেতা জিএম মাওলা বকস, মাওলানা গোলাম মোস্তফা, মহররম ফকির, নাজমুল হুদা, যুবদল নেতা ডিএম জাহিদুল ইসলাম, আহাদুর রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান খোকন, মোঃ রফিক, মোস্তাফিজুর রহমান রাজু, আওছাফুর রহমান, কামরুজ্জামান টুকু, হেলাল উদ্দিন, ইব্রাহিম সানা, শ্রমিক দল নেতা আঃ রউফ, এম এ করিম, জাসাসের ডাঃ আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান সবুজ, মামুন বিল্লাহ, সুমন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ