ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত


ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত

বিএনপি সরকারের উদ্যোগে প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক দ্বারা দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (কিউএসএনসিসি) আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের যৌথ বার্ষিক আলোচনার দ্বিপক্ষীয় সভায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বৈঠকে সরকারের ঘোষিত এই দুই কর্মসূচির প্রশংসা করেন উন্নয়ন সহযোগীরা। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর আগে সকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ব্যাংক অব আমেরিকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি নতুন অংশীদারত্ব কাঠামো চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাবও অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সরকার এসব চাপ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন: দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র হয়ে পড়া মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাধীন গবেষণা সংস্থাগুলোর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য পাঁচ শতাংশ কমবে। আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকও (এডিবি) এই ধরনের কর্মসূচিকে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে দেখছে।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও সামাজিক নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিতুমীর বলেন, অতীতের সরকারের সময় তালিকায় ত্রুটি থাকায় প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ফ্যামিলি ও ফার্মার্স কার্ডকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক মনে করে, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে।

ড. তিতুমীর বলেন, অতীতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রধান দুর্বলতা ছিল উপকারভোগী বাছাইয়ে ত্রুটি। যাদের সহায়তা পাওয়ার কথা, তাদের অনেকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। অন্যদিকে, যাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা নয়, তারাও তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এই সমস্যা সমাধানে সরকার ডিজিটাল জনপরিকাঠামো ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো যায়।

রাজস্ব আহরণ প্রসঙ্গ তুলে ধরে অর্থ উপদেষ্টা জানান, অতীতে কর ফাঁকি, কর অব্যাহতি ও পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতির কারণে রাজস্ব বাড়েনি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে কাজ শুরু করেছে। ফলে গত ৩০ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আয়ে ১২ থেকে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আইএমএফের আর্টিকেল ফোর মিশনের প্রক্ষেপণে চার দশমিক সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ রয়েছে। বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি বাস্তবিক ফল প্রমাণে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা-সৌদি রুটে ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ১৬ হাজার ৬২০ যাত্রী ভোগান্তিতে

ব্যাংকিং খাত সংস্কার নিয়ে তিতুমীর জানান, অতীতে ব্যাংক লুটপাটের ফলে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন হতে পারে। তবে ইতিমধ্যে সংস্কারের ফলে ইতিবাচক প্রভাব দৃশ্যমান হচ্ছে।

তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের আস্থা ফিরে এসেছে এবং গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে তারা টাকা তুলতে পারছেন। অন্যান্য সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের বিষয়ে ‘রেজল্যুশন অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমছে, যা ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার ইঙ্গিত দেয়। অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার ম্যানুফ্যাকচারিং হাব ও এক্সপোর্ট গেটওয়ে গড়ে তোলার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সমন্বিত অর্থনৈতিক কৌশল বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদল বৈঠক করে চুক্তির বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে। মূল নীতিগত বিষয়গুলোতে কোনো সমস্যা না থাকলেও, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়গুলো কীভাবে চূড়ান্ত রূপ পাবে, তা যৌথ কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

গতকাল ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। দিনের শুরুতে সিরিকিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্যাংক অব আমেরিকা, গুগল, আইএমএফ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও মুডিসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি, ঋণসংক্রান্ত বিষয়, আর্থিক খাতের সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: সেতুমন্ত্রী: ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব

বৈঠক প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও বিষয়টি অনুধাবন করতে পারছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা পুনর্ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন কাঠামো চুক্তি তৈরি করা হচ্ছে।

মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে টপকালো বাংলাদেশ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপির হিসাবে ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ এবং আগামী দুই অর্থবছর পর্যন্ত এই অবস্থান ধরে রাখতে পারে ঢাকা। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে আবারও শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করবে ভারত এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছর নাগাদ এই ব্যবধান আরও বাড়াবে দেশটি।

গত মঙ্গলবার প্রকাশিত আইএমএফের সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ ডেটাবেজ অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বর্তমান মার্কিন ডলারের মূল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৮৮৬ ডলারে, যেখানে ভারতের ক্ষেত্রে তা দুই হাজার ৭৫০ ডলার। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে মাথাপিছু আয়ের ব্যবধান মাত্র ১৩৬ ডলার।

আরও পড়ুন: ভারত থেকে ১৮ নতুন রেলকোচ এসেছে, আসবে আরো ১৮২টি

অর্থনীতির আকার প্রায় আট গুণ বড় হওয়া সত্ত্বেও ২০২৭-২৮ অর্থবছর পর্যন্ত মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের পেছনেই থাকবে ভারত। তবে আইএমএফের প্রক্ষেপণ বলছে, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বেড়ে দাঁড়াবে তিন হাজার ৬৬২ ডলারে, যা বাংলাদেশের তিন হাজার ৩৩৪ ডলারকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০৩০-৩১ অর্থবছর নাগাদ এই ব্যবধান আরো বেড়ে প্রায় ৭০৯ ডলারে পৌঁছাবে; তখন ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে চার হাজার ৩৮৯ ডলার এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা দাঁড়াবে তিন হাজার ৬৮০ ডলারে।

এর আগে ২০১৮ সাল থেকে টানা সাত বছর ভারতের চেয়ে বেশি মাথাপিছু জিডিপি বজায় রেখেছিল বাংলাদেশ। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে বাংলাদেশেকে পেছনে ফেলেছিল ভারত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবিতে এবার খেলাফত ছাত্র মজলিসের গরুভোজের ঘোষণা, থাকছে কাওয়ালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২১ এম


জবিতে এবার খেলাফত ছাত্র মজলিসের গরুভোজের ঘোষণা, থাকছে কাওয়ালি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) পশু জবাইয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নির্দেশনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস শনিবার গরুভোজের আয়োজন করছে। এই অনুষ্ঠানে গরুর মাংসের তেহারি বিতরণের পাশাপাশি সন্ধ্যায় কাওয়ালি অনুষ্ঠানও থাকবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে গরু জবাইয়ের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন আয়োজকেরা। বিকেল সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তেহারি বিতরণ করা হবে।

আয়োজক সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য জনপ্রতি ৪০ টাকা নিবন্ধন ফি ধার্য করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৮০ হাজার টাকায় একটি গরু কেনা হয়েছে। ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য খাসির মাংসের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। খাসি না পাওয়া গেলে বিকল্প হিসেবে খাসির কাচ্চি সরবরাহ করা হবে।

বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব ওবায়দুল ইসলাম বলেন, "আমরা জবি ক্যাম্পাসে সবার মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক চাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনার প্রতিবাদে আগামীকাল গরু জবাই করে ভোজের ব্যবস্থা করব। অন্য ধর্মের ভাইদের জন্যও খাসির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। খাসি না পাওয়া গেলে তাদের জন্য খাসির কাচ্চির ব্যবস্থা করা হবে।"

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে এ আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় কাওয়ালি অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথাও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

এদিকে, প্রথমে আপত্তি জানালেও পরে শর্তসাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, "আজ শিক্ষার্থীরা গরুভোজ করেছে। এতে আমাদের আপত্তি থাকলেও আজকের পরিবেশ যথেষ্ট ভালো ছিল এবং সবকিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল খেলাফত ছাত্র মজলিস আবারও গরুভোজ করতে চাচ্ছে। আমরা প্রথমে অনুমতি দিতে চাইনি। তবে সংগঠনটির নেতা মামুনুর রশিদ উপাচার্যকে ফোন করে অনুরোধ করেছেন। পরে শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।"

তিনি আরও জানান, "শুক্রবারের কর্মসূচি যে স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে, শনিবারও একই স্থানে আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"

উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনুরোধ জানানো হয়। ওই নির্দেশনার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন ও গণিত বিভাগের মধ্যবর্তী সড়কে গরু জবাই করেন শিক্ষার্থীরা। পরে গরু ও খাসির মাংস দিয়ে ভোজের আয়োজন করা হয়। এর এক দিন পর একই দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াল মাদ্রিদ লা লীগার সভাপতি তেবাসের পদত্যাগের দাবি জানাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২১ এম


রিয়াল মাদ্রিদ লা লীগার সভাপতি তেবাসের পদত্যাগের দাবি জানাল

রেফারিং নিয়ে অভিযোগ এবং পাল্টা মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। মাদ্রিদ ডার্বিতে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ২-১ গোলে পরাজয়ের পর রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল রিয়াল। এরপর তেবাস সেই অভিযোগকে প্রকাশ্যে উপহাস করায় স্প্যানিশ ক্লাবটি তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছে।

মেট্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে হারের পর রেফারি অর্তিস আরিয়াস এবং ভিডিও সহকারী রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রিয়াল। বিশেষ করে জুড বেলিংহামের হাঁটুতে কুতির রোমেরোর পা তুলে দেওয়া এবং ফেদেরিকো ভালভার্দের বাঁ গোড়ালিতে লি কাং-ইনের পা দেওয়ার ঘটনায় লাল কার্ড না দেখানো নিয়ে প্রশ্ন তোলে তারা।

রিয়ালের অভিযোগের পর লা লিগা সভাপতি তেবাস পাল্টা মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রেফারিরা পরিকল্পিতভাবে রিয়ালের বিপক্ষে কাজ করছেন—এমন ধারণাকে তিনি উড়িয়ে দেন। তাঁর মতে, মাঠের ব্যর্থতা আড়াল করতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। রেফারিংয়ের দিকে আঙুল তোলার চেয়ে মাঠে কী ঘটছে, সেটির ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন তিনি।

তেবাসের এই বক্তব্য রিয়াল কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ক্লাবটি এক বিবৃতিতে জানায়, লা লিগার সভাপতি তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান ব্যবহার করে নিয়মিত রিয়ালকে হেয় ও আক্রমণ করছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্পেনের পেশাদার ফুটবলের জন্য এমন একজন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি নিরপেক্ষভাবে প্রতিযোগিতা পরিচালনা করতে পারবেন—এমন দাবি জানিয়ে তেবাসের পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে রিয়াল থেকে।

তেবাসের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিশেষভাবে গুরুতর বলেও উল্লেখ করেছে ক্লাবটি। রিয়ালের ভাষ্য, একজন দায়িত্বশীল প্রশাসকের পক্ষে অন্য একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত স্বাধীন সাংবাদিকের লেখাকে কেন্দ্র করে কোনো ক্লাবের ক্রীড়া কৌশল নিয়ে মন্তব্য করা অনুচিত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।

ডার্বির রেফারিং নিয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে রিয়াল। ক্লাবটির দাবি, অর্তিস আরিয়াসের বাজে রেফারিংয়ের কারণে ম্যাচটি বিতর্কিত হয়ে উঠেছে। প্রথমার্ধে বেলিংহামের হাঁটুতে রোমেরোর পা দেওয়ার ঘটনায় লাল কার্ড না দেখানো এবং ভালভার্দের গোড়ালিতে লি কাং-ইনের চ্যালেঞ্জের পরও একই শাস্তি না দেওয়ার বিষয়টি আলাদাভাবে তুলে ধরেছে তারা।

ম্যাচের ফলও রিয়ালের জন্য পরিস্থিতি জটিল করেছে। ডিন হুইসেন পেনাল্টি এলাকায় জিউলিয়ানো সিমিওনেকে টেনে ধরায় লাল কার্ড দেখেন। সেখান থেকে পাওয়া পেনাল্টিতে গোল করেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো। পরে জোনাথন ডেভিড আতলেতিকোর ব্যবধান বাড়ান। দশজনের দল নিয়ে খেলা রিয়ালের হয়ে শেষ দিকে একটি গোল শোধ করেন আন্তোনিও রুডিগার। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল।

এই হারের পর লিগের পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ। অপরাজিত বার্সেলোনা শীর্ষে রয়েছে, আর রিয়ালের ওপরে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল বেতিসও। বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়ালের ব্যবধান এখন ছয় পয়েন্ট।

ফলে শিরোপার লড়াইয়ের পাশাপাশি রিয়াল-লা লিগা দ্বন্দ্বও নতুন মাত্রা পেয়েছে। কোচ হোসে মরিনিওকে এখন মাঠের বাইরের বিতর্ক সামলে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। একই সঙ্গে ডার্বিতে চোট পাওয়া বেলিংহাম ও ভালভার্দের শারীরিক অবস্থাও নজরে থাকবে। তবে রেফারিং নিয়ে রিয়াল ও লা লিগার নেতৃত্বের এই সংঘাত আপাতত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২২ এম


মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা

লিওনেল মেসি ছাড়া নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা আগামী নভেম্বরের ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করেছে। এই সময়ে আলবিসেলেস্তেদের প্রতিপক্ষ হিসেবে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা থাকবে।

সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা আগামী ১৩ নভেম্বর বুয়েনস আইরেসে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলতে যাচ্ছে। টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে লা প্লাতার এস্তাদিও উনিকো স্টেডিয়ামও বিবেচনায় ছিল। তবে সেখানে সংস্কারকাজ চলমান থাকায় লা বোমবোনেরাই এগিয়ে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিরতির দ্বিতীয় ম্যাচটি ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। কোস্টারিকার বিরুদ্ধে কর্ডোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে খেলবে আর্জেন্টিনা। এর আগে এই শহরে বলিভিয়াকে হারিয়ে ছিল তারা।

এই দুটি ম্যাচের মাধ্যমে মেসি ছাড়া আর্জেন্টিনার নতুন পথচলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে যাচ্ছে। বেনিনের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচে বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্তালে আবেগঘন পরিবেশে জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের ঐতিহাসিক অধ্যায়ের ইতি টেনেছেন মেসি, যিনি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার।

এছাড়া, বছরের শেষ আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে দেখা যাবে না অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকেও। তার অনুপস্থিতিতে ক্রিস্তিয়ান রোমেরোকে দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, আসন্ন ট্রেনিং ক্যাম্পে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও আরও এগোতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মার্চে পরবর্তী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরুর আগে দল গোছানোর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে এই দুটি ম্যাচকে কাজে লাগাতে চান স্কালোনি। নতুন খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করার পাশাপাশি দলের কৌশল ও একাদশ নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারেন তিনি।

মেসি ও ওতামেন্দিকে ছাড়াই নতুন নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা কতটা কার্যকর ফুটবল খেলতে পারে, উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ দুটি হবে তারই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৬ এম


দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উল্লেখ করেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তিনি আরও জানান, সরকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়গুলোর পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করছে। পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘শারদীয় দুর্গোৎসব’ উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এক বাণী প্রদান করেছেন। তিনি বাণীতে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, দুর্গাপূজা বাংলাভাষী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শরতের নির্মল আকাশ, শুভ্র কাশফুল এবং উৎসবের আনন্দঘন আবহ প্রতিবছর দেবী দুর্গার আগমন তার ভক্তদের হৃদয়ে নতুন আশা ও কল্যাণের প্রত্যয় জাগায়। দুর্গোৎসবের অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়। অন্যায়, অসত্য ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে ন্যায় ও মানবতার চিরন্তন আহ্বান।

তিনি আরও বলেন, এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘকাল ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে। এটি আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অনন্য উদাহরণ। দুর্গাপূজা শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এর সঙ্গে মিশে আছে চিরায়ত বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। এই উৎসবে সমাজের সব স্তরের মানুষ সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হন।

মানুষে-মানুষে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত হয়। রাষ্ট্রপতি কামনা করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দরের আলোকে ভাস্বর হয়ে উঠুক এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক।

তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায় যেন নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্ভয়ে, স্বাধীন, নিরাপদ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। অন্যায় ও অসত্য থেকে দূরে রাখে এবং মুক্তির পথ দেখায়। রাষ্ট্রপতি সকলকে আহ্বান জানান, যার-যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা উচিত এবং মানবতার কল্যাণে নিবেদিত হওয়া উচিত। ধর্ম, বর্ণ বা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে কোনো মানুষ যেন বৈষম্য, বঞ্চনা কিংবা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, তার নিশ্চয়তা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং আমাদের সবার।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ুক। রাষ্ট্রপতি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের সবার জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। সব ভেদাভেদ ভুলে মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ুক- এটাই তার একান্ত প্রত্যাশা।

তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%