মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৮ এম
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৬ নং সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ পরিচালনা করেছেন বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আব্দুল বারী সরদার।
সোমবার বিকেলে তিনি সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন। পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা মাঠে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় নাসিরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এমপি ডাঃ আব্দুল বারী সরদার।
সভায় ডাঃ আব্দুল বারী সরদার উল্লেখ করেন, "বাগমারার প্রতিটি ইউনিয়নের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগব্যবস্থা, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জনসাধারণের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।"
তিনি সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, "এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের উন্নতি, কৃষকদের সুবিধা বৃদ্ধি এবং তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। উন্নয়নের সুফল যেন ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষ পায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হবে।"
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন সোনাডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জালাল উদ্দিন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর আবুল হোসাইন, সাবেক সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক অহিদুল ইসলাম, ভবানীগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর আশরাফুল ইসলাম আশিক, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি নাদিম মোস্তফা ও সেক্রেটারি সাব্বির আহমেদ।
সভায় সোনাডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের মণিরামপুরে বালিধা-পাঁচাকড়ি দাখিল মাদ্রাসার মাঠের মাঝ থেকে রাস্তা অপসারণ এবং সুপার-শিক্ষককের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। রোববার বেলা ১২টার দিকে মাদ্রাসার সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের শেষে শিক্ষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
মানববন্ধনে সুপার আবু বক্কার সিদ্দিক এবং সহকারি সুপার আব্দুল হামিদ রাস্তাটি অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, বালিধা-পাঁচাকড়ি দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৭৪ সালের পরে স্থানীয় আকুঞ্জিপাড়ার কয়েকটি পরিবারের চলাচলের সুবিধার্থে মাদ্রাসার মাঠের মাঝ দিয়ে ঘরোয়াভাবে একটি কাঁচা রাস্তা তৈরি করা হয়। কিন্তু, রাস্তাটি প্রতিষ্ঠানের মাঝ দিয়ে তৈরি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের চলাচল এবং খেলাধুলায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সুপার আরও বলেন, এই কারণে প্রতিষ্ঠানের উত্তর-পশ্চিম পাশ দিয়ে আমরা একটি বিকল্প রাস্তা তৈরি করেছি, যাতে এলাকার মানুষ সহজে চলাচল করতে পারেন। স্থানীয় কিছু কুচক্রী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। এর অংশ হিসেবে চলতি মাসের ১৫ সেপ্টেম্বর আমার এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আদালতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাস্তা নিয়ে মিথ্যা সাজানো ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য মানববন্ধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সম্রাট হোসেন জানান, "বিষয়টি আমি শুনেছি, ঘটনাস্থল তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের গীলাবাড়ি গ্রামের মৃত মানিক সানার পুত্র, আ.লীগের কর্মী আঃ গফফার সানা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, "সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পারিবিরক সমস্যা ও শারীরিক অসুস্থ্যতার কারণে আর কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততা থাকতে চাইনা।" এই কারণেই তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, "আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতি করলেও কোন পদে দায়িত্ব ছিলাম না। একজন কর্মী হিসাবে কাজ করেছি। বর্তমানে বয়সের ভারে আমার পক্ষে রাজনীতি করা সম্ভব হচ্ছেনা। এজন্য আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।" এ বিষয়ে প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কয়রায় উপজেলা যুবদলের নেতা-কর্মীরা খুলনা জেলা যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেছে। এই মিছিলে নতুন কমিটির সভাপতি শেখ নাজিমুজ্জামান জনি এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন সহ কমিটির সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় কয়রা যুবদলের উদ্যোগে এই আনন্দ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে সদরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে একই এলাকায় এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোতাসিম বিল্লাহ।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, বিএনপি নেতা জিএম মাওলা বকস, মাওলানা গোলাম মোস্তফা, মহররম ফকির, নাজমুল হুদা, যুবদল নেতা ডিএম জাহিদুল ইসলাম, আহাদুর রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান খোকন, মোঃ রফিক, মোস্তাফিজুর রহমান রাজু, আওছাফুর রহমান, কামরুজ্জামান টুকু, হেলাল উদ্দিন, ইব্রাহিম সানা, শ্রমিক দল নেতা আঃ রউফ, এম এ করিম, জাসাসের ডাঃ আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান সবুজ, মামুন বিল্লাহ, সুমন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নে জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানিমূলক মামলার অভিযোগ জালিয়াতির মাধ্যমে জমির কাগজপত্র তৈরি করার ঘটনা সামনে এসেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহারাজপুর গ্রামের মৃত উজির আলীর পুত্র মো. আবুল হোসেন গাজী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. আশরাফ আলী, মো. রফিকুল ইসলাম গাজী সহ অন্যান্যরা। আবুল হোসেন গাজী তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মহারাজপুর মৌজার কয়েকটি খতিয়ানের জমি তারা দীর্ঘদিন ধরে ক্রয় ও ওয়ারিশসূত্রে ভোগদখল করে আসছেন। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির মধ্যে প্রায় ৯৯ শতক জমি রেকর্ডীয় মালিকদের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও প্রায় ৩৭ শতক জমি ক্রয় করে তারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সম্প্রতি মঠবাড়ি গ্রামের মোবারক আলী গাজী ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে একটি খতিয়ানের প্রায় ১ দশমিক ১৬ শতক জমি নিয়ে ‘ভুয়া রেকর্ড’ প্রস্তুত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, খুলনা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্ট জমির বিষয়ে তাদের দাবির পক্ষে অন্য কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। তবুও প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে আবুল হোসেন আরও জানান, এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। তবে একটি ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে ভুল বুঝতে পেরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পরে পোস্টটি সরিয়ে নিয়েছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। ভুক্তভোগীরা জানান, তারা শান্তিপ্রিয় মানুষ। জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করার পাশাপাশি জাল কাগজপত্র তৈরি, জমি দখলের চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমির কাগজপত্র যাচাই, দখল রক্ষা এবং হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ