মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৮:০৫ পি.এম
আজ ২৯ জুন, বুধবার দুপুরে নাঃগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে র্যাব -১১ এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় একটি মত বিনিময় সভা।
এ সভায় মাদক, অনলাইন জুয়া, সাইবার অপরাধ এবং কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সচেতন ও নিরাপদ সমাজ গঠনে সম্মিলিত অঙ্গীকার প্রত্যয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাঃগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এবং নাঃগঞ্জ মহানগর পুলিশিং কমিউনিটি কমিটির সভাপতি এডঃ মোঃ আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, "মাদক, অনলাইন জুয়া, সাইবার অপরাধ ও কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে সকলে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমস্ত নিয়োগের পর্যালোচনা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যে শিক্ষকেরা অবস্থান নিয়েছিলেন, তাদের সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং সেখানে এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে কালের কণ্ঠকে অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
নিয়োগ পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া, একই সময়সীমায় বিশ্বব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে পরিচালিত ‘হেকেপ’ (HEQEP) প্রকল্পের আওতাধীন সব গবেষণা কার্যক্রমও পর্যালোচনার চিন্তা করেছে সিন্ডিকেট। এই গবেষণায় প্রকল্পের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করার জন্য উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীকে আহ্বায়ক করে একটি আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সিন্ডিকেট আরও চার সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যে শিক্ষকরা অবস্থান নিয়েছিলেন, তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। এই টিমের মধ্যে উপাচার্য, দুই উপ-উপাচার্য এবং সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকবৃন্দ’ প্ল্যাটফর্মের দেওয়া ১২৫ জন শিক্ষকের তালিকাটি এই টিম পর্যালোচনা করবে এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শিক্ষকদের শনাক্ত করবে। অভিযুক্ত শিক্ষকরা যদি কোন শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হন, তবে ওই সংগঠনের কার্যক্রম স্থগিত করা হবে।
এদিকে, সিন্ডিকেট সভা চলাকালে ডাকসু, হল সংসদ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সভাস্থল ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন। অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের হলে থাকার মেয়াদ এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে নতুন সিট বণ্টন নীতিমালা সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদিত হবে বলে অভিযোগ করে তারা প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীরা সভাস্থলের সামনে হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করেন, যা সভাকক্ষে প্রবেশ করে।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কারণে সিন্ডিকেট সভায় প্রস্তাবিত সিট বণ্টন নীতিমালাটি অনুমোদিত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আরও আলোচনা করা হবে এবং পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়াও, সভা চলাকালীন যারা হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করেছেন, তাদের গতিবিধি ভিজ্যুয়াল ফুটেজ দেখে যাচাই করার কথাও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, সিন্ডিকেট সভায় ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত, ঔষধপ্রযুক্তি বিভাগের আবু সারা শামসুর রউফ, ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দীন, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ড. রফিক শাহরিয়ার, নিউক্লিয়ার ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আফরোজা শেলী, অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলামকে বিভিন্ন অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার, শাস্তি এবং অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৮২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গতকাল (মঙ্গলবার) বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
আজ (বুধবার) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
এতে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে পল্টন থানায় ১১ জন, শাহজাহানপুর থানায় ১৫ জন, খিলগাঁও থানায় ১৭ জন, রামপুরা থানায় ১০ জন, মুগদা থানায় ৬ জন, মতিঝিল থানায় ১১ জন এবং সবুজবাগ থানায় ১২ জন রয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি, পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অপরাধীও রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে অর্থ (ফি) নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এটি লোহিত সাগরের দক্ষিণে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে বিষয়টি অবগত কয়েকটি আঞ্চলিক সূত্রের বরাতে বুধবার (২৯ জুলাই) রয়টার্স জানায়।
গত ২০ জুলাই হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। এরপর থেকেই তারা এই নৌপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বেশির ভাগ বাণিজ্যিক জাহাজকে ফি দিতে হবে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে কবে থেকে এটি কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে ইরান সফরের সময় হুথি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন ইরানি কর্মকর্তারা। তাদের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক এই নৌপথে ফি আদায়ের ব্যবস্থা চালু করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়ানো।
সূত্রগুলোর দাবি, চীনের জাহাজগুলোকে এই ফি থেকে ছাড় দেওয়া হতে পারে। এর আগে লোহিত সাগরে চীনা জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বেইজিং ও হুথিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের মনোনীত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরাহ আল-জৌবা বলেন, হুথিরা লোহিত সাগরের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সফল হলে তারা জাহাজ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করবে। পশ্চিমা কূটনীতিকদের মতে, এমন পদক্ষেপ উপসাগরীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরোধিতার মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্রপথে বাণিজ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে ২০২৩ সালের শেষ দিকে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর হুথিদের হামলার কারণে লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হতে পারেনি। গত সপ্তাহেও সৌদি আরবের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করে হুথিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতা সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইন সংবিধানের আলোকে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিষয়টি নিয়ে আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানান।
সিইসির সাথে বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে যে অযোগ্যতার কথা বলা হচ্ছে, তা অবান্তর। যদি শিক্ষকদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য না করেন, তবে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে তাদের প্রার্থী হতে না দেওয়ার কারণ কী?"
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ এবং নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
জামায়াতের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রমুখ।
বৈঠকের শেষে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মোট নয়টি প্রস্তাব সম্বলিত একটি চিঠি সিইসির কাছে হস্তান্তর করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ