শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৩ পি.এম
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ কথা বলছেন।
ঢাকার ধামরাইকে একটি পরিকল্পিত ও মডেল টাউন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ।
তিনি মন্তব্য করেন, নারীরা ঘর সামলানোর পাশাপাশি রাস্তার কাজ, মাটি ভরাটসহ বিভিন্ন কাজ করতে সক্ষম। এতে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই; বরং এটি গর্বের বিষয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধামরাইয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ।
তিনি আরও বলেন, নারীদের উন্নয়নের জন্য আমি প্রথম রাস্তার কাজ দিয়েছি। তাদের বলেছি, তোমরা মাটি ভরাটের কাজ করো, ইটের কাজ করো। কোনো কাজই ছোট নয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, কোনো কাজ ছোট নয়।
নারীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সুলতানা আহমেদ বলেন, মহিলারা রান্না করবেন, ঘর সামলাবেন, সন্তান সামলাবেন, আবার মাটি কাটার কাজও করবেন—এতে অসুবিধা কী আছে? এখানে কোনো লজ্জা-শরমের ব্যাপার নেই। আমি মনে করি, এটি আমাদের গর্বের বিষয়।
ধামরাইয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে এই সংসদ সদস্য বলেন, ধামরাইকে আরও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে সকলের একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন। তাহলেই আগামী দিনে এটি একটি মডেল টাউন হিসেবে গড়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির রাজনীতি ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন সুলতানা আহমেদ। তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী দল ঐক্যের দল এবং জনগণের পক্ষে কাজ করতে দলীয় নেতৃত্ব নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে এই সংসদ সদস্য বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নারীবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। তিনি জনগণের প্রধানমন্ত্রী। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের নারীদের গর্বিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে দেশের অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ধামরাইয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে সুলতানা আহমেদ বলেন, এলাকায় দুইজন সংসদ সদস্য রয়েছেন এবং তারা সমানভাবে উন্নয়নকাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ধামরাইয়ে অনেক রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন বরাদ্দ ও অনুদানও সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হচ্ছে।
দেশের পরিবেশ ও সবুজায়ন নিয়েও কথা বলেন সুলতানা আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে সবুজ করতে বিভিন্ন জায়গায় গাছ লাগানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও এগিয়ে যাবে এবং দেশকে আরও সুন্দরভাবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
এ সময় ঢাকা জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা খন্দকার, ধামরাই উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক লিপা আক্তার, পৌর মহিলাদলের সুমাইয়াসহ বিএনপি, মহিলাদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ, সৌদি আরবের প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ই-পাসপোর্ট সেবা সম্পর্কিত একটি নতুন আপডেট প্রদান করেছে। দূতাবাস জানায়, প্রবাসীদের তথ্য যাচাই ও প্রসেসিং কার্যক্রমের জন্য পাসপোর্ট প্রদান প্রক্রিয়ায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত একটি পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সম্প্রতি ই-পাসপোর্টের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে, যেখানে আগে প্রতি মাসে গড়ে ১১ হাজার পাসপোর্টের এনরোল করা হতো, সেখানে দূতাবাসের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে গত দেড় মাসে ৬৫ হাজারের বেশি পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক গ্রহণ করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার ৪৩৪টি পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে, ২৫ হাজার ৪৬৭টি পাসপোর্ট প্রিন্টিং অবস্থায় রয়েছে এবং ২১ হাজার ৬৭৮টি পাসপোর্টের ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে দাম্মাম অঞ্চলে ৯ দিনব্যাপী ক্যাম্পে ১৫ হাজার ২০০টি পাসপোর্ট আবেদনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণ করা হচ্ছে।
দূতাবাস জানায়, ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের পরবর্তী কার্যক্রম চলাকালীন অনেক সেবাপ্রার্থীর আবেদনে তথ্যগত ভুল, জন্ম নিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যে অসংগতি, একাধিক পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা ইত্যাদির কারণে তথ্য যাচাই ও প্রসেসিং কার্যক্রম সম্পন্ন করতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।
এক্ষেত্রে সম্মানিত প্রবাসীদের ধৈর্য ধারণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। পাসপোর্ট সেবা দ্রুততর ও সহজ করার লক্ষ্যে দূতাবাস সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নারী দল চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে গোল উদযাপন করছে।
বাংলাদেশ নারী দল অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকির প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল। এই ম্যাচে তারা দাপটের সঙ্গে বড় জয় অর্জন করেছে। আইরিন আক্তার রিয়া নজরকাড়া জোড়া গোলের সুবাদে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) চীনের ম্যাকাওতে বাংলাদেশ চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে পরাজিত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে এশিয়া কাপে উড়ন্ত সূচনা করেছে রিয়া-কনারা।
ম্যাচের শুরু থেকে শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত টার্ফে বাংলাদেশের মেয়েদের একচেটিয়া আধিপত্য ছিল। প্রথম মিনিট থেকেই তারা আক্রমণাত্মক হকির পসরা সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে রাখে।
কনা আক্তার ম্যাচের ডেডলক ভাঙেন। তার অসাধারণ এক গোলে বাংলাদেশ লিড নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয়। কনার পর তাইপের রক্ষণভাগ ভেঙে দেন ইমা ও আইরিন আক্তার রিয়া। স্টিকের নান্দনিক জাদুতে প্রতিপক্ষকে বোকা বানিয়ে এই দুজনই জোড়া গোল আদায় করেন।
ম্যাচের শেষভাগে এসেও বাংলাদেশ আক্রমণের ধার কমায়নি। বরং চতুর্থ কোয়ার্টারে গোল উৎসবে যোগ দেন অধিনায়ক সারিকা রিমন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে চমৎকার দক্ষতায় পরপর দুটি গোল করে দলের ৭-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে শ্রীশ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী ২০২৬ উদযাপন করা হবে।
শুভ জন্মাষ্টমী, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই পবিত্র তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ মানবজাতিকে সত্য, ন্যায়, ধর্ম, প্রেম, ত্যাগ, মানবিকতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার শিক্ষা প্রদান করে। তাঁর অমর বাণী ও আদর্শ যুগে যুগে মানুষকে অন্যায়, অসত্য ও অধর্মের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করেছে।
পূজা উদযাপন পরিষদ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ মনে করে, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুন্দর, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
আমরা প্রত্যাশা করি, শ্রীশ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ও মহান শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, মানবিকতা ও শান্তির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।
এই পবিত্র দিনে সকলের জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি, মঙ্গল ও কল্যাণ বয়ে আসুক—এই প্রার্থনা করি।
শুভ জন্মাষ্টমী।
হরে কৃষ্ণ। হরে কৃষ্ণ।
গণেশ চন্দ্র রায়
সভাপতি
পূজা উদযাপন পরিষদ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ
শ্যামল কান্তি রায়
সাধারণ সম্পাদক
পূজা উদযাপন পরিষদ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ