ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেঙে গেল থমাস মুলারের দুই দশকের সংসার, হতবাক ফুটবল বিশ্ব


ভেঙে গেল থমাস মুলারের দুই দশকের সংসার, হতবাক ফুটবল বিশ্ব

জার্মান ফুটবল থেকে এসেছে একটি চমকে দেওয়া খবর। জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী তারকা থমাস মুলার এবং তার স্ত্রী লিসা মুলার দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ করা হয়েছে, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়ে গেছেন এবং কিছুদিন আগে পারস্পরিক সম্মতিতে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

থমাস ও লিসার প্রেমের সূচনা ঘটে ২০০৭ সালে। এরপর ২০০৯ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বহু সময় ধরে তারা ইউরোপীয় ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম আদর্শ দম্পতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ফুটবল ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন, শিরোপা জয় এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা অধ্যায়ে, লিসা ছিলেন থমাস মুলারের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সঙ্গী।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা গেলেও অবশেষে তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

তবে বিচ্ছেদের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। থমাস মুলার কিংবা লিসা মুলার, দুজনেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করার জন্য বিরত রয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের বিচ্ছেদ শান্তিপূর্ণ ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে হয়েছে।

ফুটবল বিশ্বের অনেকের কাছেই থমাস ও লিসা মুলার ছিলেন দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক এবং পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতীক। তাই তাদের বিচ্ছেদের খবর ভক্ত-সমর্থকদের কাছে এসেছে বেশ অপ্রত্যাশিত ও আবেগঘন এক সংবাদ হিসেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে পিতা ও কন্যার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে পিতা ও কন্যার মৃত্যু

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বজ্রপাতে পিতা ও কন্যার প্রাণহানি ঘটেছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে ফাজিলহাটি ইউনিয়নের শাহদারিপাড়া গ্রামের এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, উপজেলার মাদারখোল গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে খালেদুল এবং নিহত খালেদুলের কন্যা খাদিজা আক্তার।

এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন দেলদুযার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোহরা সুলতানা যূথী।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার খালিদুল স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফাজিলহাটি ইউনিয়নের পুটিয়াজানী গ্রামে গিয়েছিলেন। দুপুরের দিকে পার্শ্ববর্তী গ্রাম মেরুয়াঘোনা গ্রামে অপর একটি আত্মীয়বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার উদ্দেশ্যে যখন যাত্রা শুরু করেন, তখন শাহধারীপাড়া নামক স্থানে পৌঁছানোর পর অটোরিকশা থেকে নামার সময় বাবা ও কন্যা দুজনে একসঙ্গে আচমকা বজ্রপাতে আক্রান্ত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার সময় খালিদুলের পকেটে একটি এনড্রোয়েড মোবাইল ছিল, যেটি বজ্রপাতে পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। সেই সঙ্গে খালিদুলের গায়ের শার্টটিও পুড়ে যায়। এ ঘটনার পর খালিদুলের পরিবার ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিকিট বিক্রিতে ফিফার ভুলের কারণে বিপাকে দর্শকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


টিকিট বিক্রিতে ফিফার ভুলের কারণে বিপাকে দর্শকরা

ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা, তখন ফিফার একটি প্রযুক্তিগত ভুল টিকিট বিতরণে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ঘটনায় জানা গেছে, ফিফার টিকিট বিক্রির ওয়েবসাইটে কারিগরি ত্রুটির কারণে প্রায় ৬০ জন ফুটবলপ্রেমী ভুলবশত বিশ্বকাপের টিকিট বিনামূল্যে পেয়ে যান। আকস্মিক এই সুযোগে তারা শুরুতে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

পরে ফিফা জানায়, বিশ্বকাপের জন্য কোনো বিনামূল্যের টিকিট বরাদ্দ ছিল না। এটি ছিল সম্পূর্ণ একটি সিস্টেম ত্রুটি। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ৬০ জন গ্রাহককে ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো হয় যে, তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে টিকিটের পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় তাদের টিকিট বাতিল করা হবে।

৩ জুন পাঠানো ওই ই-মেইলে ফিফা আরও জানায়, নির্ধারিত সময় পর্যন্ত টিকিটগুলো সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকবে।

জানা যায়, শুরুতে বিষয়টি ফিফার নজরে আসেনি। নিয়ম অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করে টিকিট কেনা কয়েকজন সমর্থকের অভিযোগের পরই সমস্যা ধরা পড়ে। পরে তদন্তে প্রযুক্তিগত ত্রুটির সত্যতা পাওয়ার পর সংস্থাটি নতুন নির্দেশনা জারি করে।

ঘটনার পর ফিফার টিকিট ব্যবস্থাপনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে কীভাবে এমন ভুল হতে পারে।

এর আগে বিশ্বকাপ টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়েও ফিফা বিতর্কে জড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়া খ্যাতিমান কোচ পেপ গার্দিওলাসহ ফুটবল অঙ্গনের অনেকেই টিকিটের দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনার কারণে এখন নতুন করে ফিফার স্বচ্ছতা ও টিকিট ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবু গাছের সঙ্গে কী শত্রুতা? কাটা হলো ২০০ গাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১০ পি.এম


লেবু গাছের সঙ্গে কী শত্রুতা? কাটা হলো ২০০ গাছ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কাটিগ্রাম ইউনিয়নের মধ্যবরুণ্ডি এলাকায় পূর্বে ঘটে যাওয়া শত্রুতার কারণে একটি লেবু বাগানের প্রায় ২০০টি চারা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার (৫ জুন) মানিকগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

অভিযুক্ত দলটিতে উপস্থিত আছেন- আমিনুল ইসলাম ওরফে তনু (৪০), শরিফ হাজারী (৩৩), সেলিনা বেগম (৩৮), আবুল হোসেন (৪৩) ও ইন্নত আলী (৬৫)-এর মতো আরও ৪ থেকে ৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যাচ্ছে, সদর উপজেলার মধ্যবরুণ্ডি গ্রামের বাসিন্দা জলি আক্তার ও তার ছেলে জাহিদুল ইসলাম তাদের মালিকানাধীন ২৭ ডিসিমেল জমিতে প্রায় ১৫ দিন আগে লেবু ও পাটের চারা রোপণ করেছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে জমিতে প্রবেশ করে অধিকাংশ লেবু গাছের চারা কেটে ফেলে এবং পাটের চারাও নষ্ট করে দেয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমি দখলের উদ্দেশ্যে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এতে তাদের প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে, ফসলি জমির ক্ষতিসাধন করেছে এবং পারিবারিক বিরোধের কারণে ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে।

এর আগে, প্রধান অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম ওরফে তনুর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের একটি অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় জমির মালিক রাসেল হোসেন জানান, আমরা জানি জমিটির মালিক জাহিদুল ও তার মা। শুনেছি তাদের লাগানো লেবুর গাছগুলো কাটা হয়েছে।

ভুক্তভোগী জলি আক্তারের দেবর মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু জানান, দলিল অনুযায়ী জমিটির বৈধ মালিক হচ্ছেন জলি আক্তার ও তার ছেলে জাহিদুল ইসলাম। জমি দখলের উদ্দেশ্যে লেবুর চারা উপড়ে ফেলা হয়েছে এবং পাটের চারাগুলোকে মধ্যে পা দিয়ে মাড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে।

জমির যৌথ মালিক জাহিদুল ইসলাম বলেন, চাষাবাদ করে আমি আমার পড়াশোনার জন্য খরচ মেটাতে পারি। কিন্তু তনুরা আমার অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলেছে। জমিটি আমার খালাদের কাছ থেকে কেনা হয়েছে এবং আমার নানীও কিছু জমি আমাকে লিখে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে আমি এবং আমার মা ২৭ ডিসিমেল জমির মালিক। পরিকল্পিতভাবে আমাদের লেবুর চারা গাছ কেটে ফেলা হয়েছে এবং পাটের চারাও নষ্ট করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী জলি আক্তার বলেছেন, আমার ও আমার ছেলের মালিকানাধীন জমিতে আমরা লেবুর চারা রোপণ করেছিলাম। সবগুলো চারা কেটে ফেলা হয়েছে। আমাদের প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন ঘটেছে। এর আগে, লেবু গাছ রোপণের আগের দিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সামনেই তনু আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল। এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার প্রার্থনা করছি।

অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম তনু জানিয়েছেন, আমি কারো লেবু গাছ কাটিনি, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। উল্টো তারা আমার মিষ্টি কুমড়া খেত উজাড় করে হাল চাষ করেছে।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেছেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর পুনরায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর পুনরায়

টাঙ্গাইলের গোপালপুর এবং ভূঞাপুর উপজেলার মধ্যে দুটি গ্রামের সংঘর্ষের ফলে একজন নিহত হওয়ার পর প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করলেও, তা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা পুনরায় ঘটেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে সংঘর্ষ আবার শুরু হয়। এই সময় অন্তত পাঁচটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করা হয়। ফলে পুরো এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের মতে, ১৪৪ ধারার মধ্যেও দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা অব্যাহত আছে। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। আশপাশের কয়েকটি এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংঘর্ষ আশপাশের অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এভাবে জানানো হয়েছে, প্রথমে দুই গ্রামের মধ্যে বিরোধ সীমাবদ্ধ ছিল কিন্তু বর্তমানে সংঘর্ষের প্রভাব অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থল এবং আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহবুব হাসান বলেন, একটি ছোট বিষয় নিয়ে ঘটনাটি শুরু হলেও বর্তমানে এটি আধিপত্য বিস্তারের রূপ নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সবাইকে শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে গত ২২ এপ্রিল গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে একজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই সময় অন্তত ১০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%