প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাঙ্গাইলের গোপালপুর এবং ভূঞাপুর উপজেলার মধ্যে দুটি গ্রামের সংঘর্ষের ফলে একজন নিহত হওয়ার পর প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করলেও, তা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা পুনরায় ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে সংঘর্ষ আবার শুরু হয়। এই সময় অন্তত পাঁচটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করা হয়। ফলে পুরো এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের মতে, ১৪৪ ধারার মধ্যেও দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা অব্যাহত আছে। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। আশপাশের কয়েকটি এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংঘর্ষ আশপাশের অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এভাবে জানানো হয়েছে, প্রথমে দুই গ্রামের মধ্যে বিরোধ সীমাবদ্ধ ছিল কিন্তু বর্তমানে সংঘর্ষের প্রভাব অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থল এবং আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহবুব হাসান বলেন, একটি ছোট বিষয় নিয়ে ঘটনাটি শুরু হলেও বর্তমানে এটি আধিপত্য বিস্তারের রূপ নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সবাইকে শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে গত ২২ এপ্রিল গোপালপুর উপজেলার গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে একজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই সময় অন্তত ১০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন