০৫:১৩ পি.এম
সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা আমির হামজার নারীঘটিত যে বিষয়টি সামনে এসেছে, সে সম্পর্কে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান আগেই অবগত ছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার বক্তব্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
আজ শুক্রবার, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই দাবি তুলে ধরেন। ফেসবুকে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, ‘আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও জানতেন। এটি নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আলোচনাও করেছিলেন।’
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামিক বক্তা তারেক মনোয়ার আমির হামজাকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান। তিনি তাকে বাটনফোন ব্যবহারের পরামর্শও দেন।
আরও পড়ুন: ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের নিন্দা জানালেন এমপি নূরুন্নিসা
রাশেদ খান বলেন, ‘মূলত কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের কোনো যোগ্য প্রার্থী না থাকায় লম্পট আমির হামজাকেই নমিনেশন দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।’
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাশেদ খান এক পোস্টে দাবি করেন, আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও তার কাছে এসেছে। তিনি জানান, ফ্যাক্ট চেকেও এগুলোর সত্যতা মিলেছে।
এ প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ‘আমার কাছে আমির হামজার নারীঘটিত তথ্যপ্রমাণগুলো এসেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে। কিছু অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি দ্য ডিসেন্ট এবং রিউমার স্ক্যানারের সঙ্গেও যোগাযোগ করি। তারা তাদের মতো করে অনুসন্ধান করছে। ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে তাদের কাছ থেকে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে দেরি হওয়ার প্রেক্ষিতে অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিও-এর সত্যতা পাই।’
নারীঘটিত এই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জামায়াত আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাশেদ খান।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে হাদি হত্যার বিচার দাবিতে অনুষ্ঠিত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন