রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৩ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। একই সঙ্গে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে লিফলেট বিতরণ করেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কার্যালয়ে স্মারকলিপিটি জমা দেওয়া হয়। এরপর ভিসির কার্যালয় চত্বর থেকে টিএসসি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্বোধন করা ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর ধারাবাহিকতায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ এবং এস্টেট ব্যবস্থাপক ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপিতে ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন এবং সেগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণসহ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে গত ৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে যেসব দাবি জানানো হয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন করা হলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে। বিশেষ করে ক্যাম্পাসের প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ন্যূনতম একটি করে ডাস্টবিন স্থাপন এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রতিটি আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনে মাসে অন্তত দুইবার ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘ভিসি মহোদয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সামনে আমরা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশগত পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে নিয়মিত কার্যকর অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে গত ৪ আগস্ট ভিসি বরাবর আমরা যে স্মারকলিপি দিয়েছিলাম, সেখানে ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা নিশ্চিত করাসহ যেসব সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছিলাম, সেগুলো বাস্তবায়নের বিষয়েও আমরা প্রশাসনকে তাগিদ দিয়েছি।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ‘আমরা আমাদের সাংগঠনিক পরিসর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৃহৎ পরিসরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করলে প্রয়োজন অনুযায়ী স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা করব।’
তিনি আরও জানান, ‘আমাদের হল শাখাগুলো আগামীকাল থেকে নিজ নিজ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে স্মারকলিপি প্রদান ও আলোচনা করবে। পাশাপাশি হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে।’
ছাত্রদল নেতারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধুমাত্র মশা নিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ সময় সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা পর্যায়েও এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। আগামীকাল থেকে হল প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও আলোচনা এবং আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে। প্রয়োজন হলে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক সন্তানের জনক পুলিশ সদস্য মেরাজ আলীর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেছেন আরেক নারী পুলিশ সদস্য। অভিযুক্তের বাড়ি ও মামার বাড়ি দুটোই তালাবদ্ধ থাকায় বাড়ির ফটকে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিণগর এলাকার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাকিবের ছেলে মেরাজ আলীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। মেরাজ আলী বর্তমানে ঢাকার উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের দেহরক্ষী (কনস্টেবল) হিসেবে কর্মরত।
অনশনকারী নারী পুলিশ সদস্য জানান, ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে মেরাজ আলীর সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেরাজ গাজীপুরে যৌথভাবে বসবাসসহ বিভিন্ন হোটেলে রাত্রিযাপন ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এমনকি বাড়ি করার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা এবং গত এক বছর ধরে পুরো বেতন হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
পরবর্তীতে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে ওই নারী জানতে পারেন যে মেরাজ বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক। গত ১৮ দিন ধরে কোনো যোগাযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে তিনি শিবগঞ্জে মেরাজের বাড়িতে আসেন। দাবি না মানলে আত্মহত্যা এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও হুমকি দেন ওই নারী কনস্টেবল।
অভিযুক্ত মেরাজ আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর মা ও স্ত্রী এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৩ শিক্ষক, নানা জটিলতা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আপত্তি অতিক্রম করে। ২৪ জন শিক্ষক পদোন্নতির জন্য আবেদন করেছিলেন।
রোববার, পদোন্নতি পাওয়া ২৩ শিক্ষক অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। অপর শিক্ষক ড. আবদুল কাইউমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পরে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, অধ্যাপক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়। ইউজিসির আপত্তির কারণে পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে যায়। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও বিভিন্ন প্রক্রিয়ার পর ২৪ শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. জামাল উদ্দীন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. সাদেকুর রহমান ও ড. তারেক মাহমুদ আবীর, লোক প্রশাসন বিভাগের ড. ইসরাত জাহান, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ড. হাফিজ আশরাফুল হক এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. সুব্রত কুমার দাস।
এছাড়া, ইতিহাস বিভাগের ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ড. ধীমান কুমার রায় এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ড. রাহাত হোসাইন ফয়সালও পদোন্নতি পেয়েছেন।
রসায়ন বিভাগের চার শিক্ষক ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস ও ড. মো. মাসুদ পারভেজ এবং গণিত বিভাগের চার শিক্ষক ড. মো. শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা ও ড. হেনা রানী বিশ্বাসও পদোন্নতি লাভ করেছেন।
অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের পাঁচ শিক্ষক ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী ও ড. মো. আলমগীর মোল্লা অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
পদোন্নতি পাওয়া একাধিক শিক্ষক জানান, রোববার ২৩ শিক্ষক অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। এ সময় পদোন্নতিপ্রত্যাশী ড. আবদুল কাইউমকে দেখা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত তিনজন সিন্ডিকেট সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান এবং তৎকালীন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ড. আবদুল কাইউমকে এবার পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে, ড. আবদুল কাইউমের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ মন্তব্য করেছেন, "৫ আগস্ট আমাদের কাছে একটি দলের লেজুড়বৃত্তিতে পুলিশের জঘন্য ব্যবহারের প্রতিফলন হিসেবেই এসেছে।" তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত সময়ে পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকার অবসান ঘটানোর জন্য তারা চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি জানান, থানাগুলো এখনও সম্পূর্ণরূপে জনবান্ধব হয়ে উঠতে পারেনি, তবে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য তারা কাজ করছেন। এ জন্য জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
ডিআইজি আশিক সাঈদ বলেন, "আমি বিশ্বাস করি থানায় মাদক ব্যবসায়ীদের পরিচয় পুলিশের অজানা নয়; কিন্তু যখন আমরা তাদের আটক করি, তখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা তাদের মুক্ত করার জন্য তদবির শুরু করেন।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিভাবে ভালো হবে?"
রোববার দুপুরে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মাদক সন্ত্রাস ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, "যদি পুলিশের কেউ মাদক ব্যবসা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, মাদক প্রতিরোধে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিপদ ঘটবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক, বড়াইগ্রাম থানার ওসি শফিকুল ইসলাম, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উপজেলা সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এম লুৎফর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বয়েত রেজা, সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী, জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আবুল হোসাইন, জোয়াড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলী আকবর, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা এবং সন্ত্রাসী হামলায় নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবুর সহধর্মিণী মহুয়া নুর কচি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, দেশে অপশক্তির পাশাপাশি বিদেশেও অপশক্তির উপস্থিতি রয়েছে। ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এবং তার পরিবারের ওপর ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা ও হেনস্তার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বাঁধনের সঙ্গে আলোচনা করে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।
রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা এবং সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "গণমাধ্যম ছাড়া কোনো সরকার সামনে এগোতে পারে না। আমরা স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাস করি। এখানে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, পূর্বে গণমাধ্যমগুলো সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেনি, কিন্তু এখন সরকার সেই দরজাগুলো খুলে দিতে চায়। মন্ত্রী বলেন, সরকার একটি মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এ সময় সংরক্ষিত-৫ আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিকালে, মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। এর পূর্বে সকালে তিনি চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউসে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ