প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ মন্তব্য করেছেন, "৫ আগস্ট আমাদের কাছে একটি দলের লেজুড়বৃত্তিতে পুলিশের জঘন্য ব্যবহারের প্রতিফলন হিসেবেই এসেছে।" তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত সময়ে পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকার অবসান ঘটানোর জন্য তারা চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি জানান, থানাগুলো এখনও সম্পূর্ণরূপে জনবান্ধব হয়ে উঠতে পারেনি, তবে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য তারা কাজ করছেন। এ জন্য জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
ডিআইজি আশিক সাঈদ বলেন, "আমি বিশ্বাস করি থানায় মাদক ব্যবসায়ীদের পরিচয় পুলিশের অজানা নয়; কিন্তু যখন আমরা তাদের আটক করি, তখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা তাদের মুক্ত করার জন্য তদবির শুরু করেন।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিভাবে ভালো হবে?"
রোববার দুপুরে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মাদক সন্ত্রাস ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, "যদি পুলিশের কেউ মাদক ব্যবসা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, মাদক প্রতিরোধে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিপদ ঘটবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক, বড়াইগ্রাম থানার ওসি শফিকুল ইসলাম, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উপজেলা সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এম লুৎফর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বয়েত রেজা, সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী, জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আবুল হোসাইন, জোয়াড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলী আকবর, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা এবং সন্ত্রাসী হামলায় নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবুর সহধর্মিণী মহুয়া নুর কচি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন