রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৩ পি.এম
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৩ শিক্ষক, নানা জটিলতা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আপত্তি অতিক্রম করে। ২৪ জন শিক্ষক পদোন্নতির জন্য আবেদন করেছিলেন।
রোববার, পদোন্নতি পাওয়া ২৩ শিক্ষক অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। অপর শিক্ষক ড. আবদুল কাইউমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পরে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, অধ্যাপক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়। ইউজিসির আপত্তির কারণে পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে যায়। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও বিভিন্ন প্রক্রিয়ার পর ২৪ শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. জামাল উদ্দীন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. সাদেকুর রহমান ও ড. তারেক মাহমুদ আবীর, লোক প্রশাসন বিভাগের ড. ইসরাত জাহান, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ড. হাফিজ আশরাফুল হক এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. সুব্রত কুমার দাস।
এছাড়া, ইতিহাস বিভাগের ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ড. ধীমান কুমার রায় এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ড. রাহাত হোসাইন ফয়সালও পদোন্নতি পেয়েছেন।
রসায়ন বিভাগের চার শিক্ষক ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস ও ড. মো. মাসুদ পারভেজ এবং গণিত বিভাগের চার শিক্ষক ড. মো. শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা ও ড. হেনা রানী বিশ্বাসও পদোন্নতি লাভ করেছেন।
অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের পাঁচ শিক্ষক ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী ও ড. মো. আলমগীর মোল্লা অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
পদোন্নতি পাওয়া একাধিক শিক্ষক জানান, রোববার ২৩ শিক্ষক অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। এ সময় পদোন্নতিপ্রত্যাশী ড. আবদুল কাইউমকে দেখা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত তিনজন সিন্ডিকেট সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান এবং তৎকালীন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ড. আবদুল কাইউমকে এবার পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে, ড. আবদুল কাইউমের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ মন্তব্য করেছেন, "৫ আগস্ট আমাদের কাছে একটি দলের লেজুড়বৃত্তিতে পুলিশের জঘন্য ব্যবহারের প্রতিফলন হিসেবেই এসেছে।" তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত সময়ে পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকার অবসান ঘটানোর জন্য তারা চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি জানান, থানাগুলো এখনও সম্পূর্ণরূপে জনবান্ধব হয়ে উঠতে পারেনি, তবে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য তারা কাজ করছেন। এ জন্য জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
ডিআইজি আশিক সাঈদ বলেন, "আমি বিশ্বাস করি থানায় মাদক ব্যবসায়ীদের পরিচয় পুলিশের অজানা নয়; কিন্তু যখন আমরা তাদের আটক করি, তখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা তাদের মুক্ত করার জন্য তদবির শুরু করেন।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিভাবে ভালো হবে?"
রোববার দুপুরে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মাদক সন্ত্রাস ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, "যদি পুলিশের কেউ মাদক ব্যবসা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, মাদক প্রতিরোধে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিপদ ঘটবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক, বড়াইগ্রাম থানার ওসি শফিকুল ইসলাম, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উপজেলা সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এম লুৎফর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বয়েত রেজা, সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী, জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আবুল হোসাইন, জোয়াড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলী আকবর, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা এবং সন্ত্রাসী হামলায় নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবুর সহধর্মিণী মহুয়া নুর কচি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, দেশে অপশক্তির পাশাপাশি বিদেশেও অপশক্তির উপস্থিতি রয়েছে। ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এবং তার পরিবারের ওপর ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা ও হেনস্তার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বাঁধনের সঙ্গে আলোচনা করে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।
রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা এবং সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "গণমাধ্যম ছাড়া কোনো সরকার সামনে এগোতে পারে না। আমরা স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাস করি। এখানে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, পূর্বে গণমাধ্যমগুলো সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেনি, কিন্তু এখন সরকার সেই দরজাগুলো খুলে দিতে চায়। মন্ত্রী বলেন, সরকার একটি মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এ সময় সংরক্ষিত-৫ আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিকালে, মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। এর পূর্বে সকালে তিনি চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউসে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে (ডিপিডিসি) আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নিয়োগের উদ্যোগ বন্ধ করার পাশাপাশি ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী কল্যাণ ফাউন্ডেশন। এই দাবিগুলো রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আইডিবি ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়।
সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, গত দশকের মধ্যে ডিপিডিসির গ্রিড, বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক এবং গ্রাহকসেবার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু ২০১৩ সালের পুরনো অর্গানোগ্রাম বা সাংগঠনিক কাঠামো এখনও পরিবর্তন করা হয়নি। এর ফলে, প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী জনবল সংকট একটি গুরুতর আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি সিএসএস, ডিএসএস বা আউটসোর্সিং পদ্ধতির মাধ্যমে প্রায় ৪০ জন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নিয়োগের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা স্থায়ী সংকটের জন্য কোনো কার্যকর সমাধান নয় বলে মনে করে সংগঠনটি।
ডিপ্লোমা প্রকৌশলী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ছয় দফা দাবির মূল বিষয়গুলো হলো—
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ বিতরণ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং কারিগরি সেবা খাত। তাই এর নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য অস্থায়ী বা আউটসোর্সিং জনবল নয়, বরং স্থায়ী ও দক্ষ জনবল কাঠামো অপরিহার্য। আউটসোর্সিংয়ের বিকল্প হিসেবে নিয়মিত নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ডিপিডিসির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং হাজারো যোগ্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১১ দলীয় ঐক্য ঘোষিত লং মার্চ এবং টাঙ্গাইল বাইপাস নগর জালফৈ পথ সভার কর্মসূচি সফল করার উদ্দেশ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) আদর্শ সমাজ কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে শহর জামায়াতের উদ্যোগে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এই প্রস্তুতি সভায় শহর শাখার রুকনগণ এবং ওয়ার্ডের সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন। শহর জামায়াতের আমির মিজানুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমির আহসান হাবীব মাসুদ।
সভায় শহর নায়েবে আমির খন্দকার আব্দুর রহিম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম প্রমুখও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শহর সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম।
জেলা আমির তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “দেশ ও জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে ঘোষিত ঢাকা-রংপুর লং-মার্চ ও নগর জালফৈ বাইপাসের পথসভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কর্মসূচি সফল করতে টাঙ্গাইল শহর ও জেলার সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে। আমরা যেকোনো মূল্যে রাজপথের এই কর্মসূচি সফল করে গণমানুষের দাবি আদায় করব, ইনশাআল্লাহ।”
সভায় লংমার্চ এবং ১৯ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল বাইপাসের পথসভা সফল করার জন্য শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ে গণসংযোগ জোরদার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ