ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুপুর ১টা পর্যন্ত কয়েকটি জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা


দুপুর ১টা পর্যন্ত কয়েকটি জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা

দেশের কিছু অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর সঙ্গে রয়েছে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

এসব অঞ্চলের জন্যও বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্য এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়িয়ে কানাডায় ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ এম


বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়িয়ে কানাডায় ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আকস্মিকভাবে কানাডা থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি, ডেইরি পণ্য এবং অ্যালকোহল খাতের প্রতি কানাডার তথাকথিত বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই নতুন শুল্ক আগামী ত্রিশ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে, আর এর ফলে উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্য উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, আমেরিকান ব্যবসা ও শিল্প খাতকে সুরক্ষার জন্য মূলত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই শুল্কের আওতায় প্রাত্যহিক ব্যবহারের বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য যেমন ওয়াইন ও হকি স্টিক থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক সিমেন্টের মতো শিল্পপণ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে, দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তির আওতাধীন জ্বালানি, পটাশ, খনিজ সম্পদ এবং মাছের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পণ্য এই শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে। এমনকি, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মধ্যে বিদ্যমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির শর্তকে উপেক্ষা করেই এই আমদানি শুল্ক ঘোষণা করা হলো।

এর আগেও দুই দেশের মধ্যে নানা ধরনের বাণিজ্য বাধা এবং পাল্টাপাল্টি শুল্কের ইতিহাস বিদ্যমান রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে কানাডার লোহা, অ্যালুমিনিয়াম এবং তামার ওপর ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ শুল্ক বজায় রেখেছে। পাশাপাশি কানাডার সফটউড লম্বার বা কাঠজাতীয় পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ এবং মার্কিন যন্ত্রাংশবিহীন গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আদায় করছে ওয়াশিংটন।

কানাডাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত নির্দিষ্ট কিছু স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম এবং গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে রেখেছে।

কানাডার দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে ট্রাম্প এর আগে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন, তবে সোমবার স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশে দাবানল সংক্রান্ত কোন বিষয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়নি।

মূলত গাড়ি, ডেইরি এবং অ্যালকোহল নিয়ে কানাডার সঙ্গে অমীমাংসিত বাণিজ্য ইস্যুগুলোই এই আদেশের মূল ভিত্তি হিসেবে উঠে এসেছে, যা দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য আলোচনার অচলাবস্থাকেই স্পষ্ট করছে।

মার্কিন গাড়ি এবং গাড়ির যন্ত্রাংশের ওপর কানাডার বাড়তি কর আরোপের কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প এটিকে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক বলে উল্লেখ করেছেন।

অন্যদিকে, কানাডার ডেইরি খাতের সাপ্লাই ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সরবরাহ ব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সীমার বেশি বিদেশি আমদানির ওপর ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক নেয়া হয়।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের আশঙ্কা কতটা বাস্তব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ এম


ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের আশঙ্কা কতটা বাস্তব?

যুক্তরাষ্ট্র কি চলমান বিমান হামলার পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলীয় ইরানে সীমিত পরিসরে কোনও স্থল আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে? সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সামরিক অবকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর হামলার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এই প্রশ্নটি এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় আলোচনা হয়ে উঠেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পশ্চিম এশিয়া জুড়ে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর আগে গত জুন মাসে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির একটি স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, কিন্তু তা অত্যন্ত তাড়াতাড়ি ভেঙে পড়ে। জুলাই মাসের শুরু থেকেই ওয়াশিংটন নতুন করে তেহরানের ওপর হামলা শুরু করে, যার ফলস্বরূপ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আক্রমণ চালায় ইরান। এরপর থেকে সংঘাতের রূপ পুরোপুরি বদলে গেছে।

প্রাথমিকভাবে যুদ্ধটি হরমুজ প্রণালি ও সামুদ্রিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় ইরানের পরিবহন নেটওয়ার্ক, বন্দর, রেলপথ এবং সাঁজোয়া ডিভিশনে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে খুজেস্তান, বুশেহর, হোরমোজগান এবং সিস্তান ও বেলুচিস্তান; এই চারটি খনিজ ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশের ওপর লাগাতার হামলা অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, জলপথ অবরোধের কৌশল যথেষ্ট না হওয়ায় এখন এই প্রদেশগুলোর সাথে মধ্য ইরানের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরানি পক্ষ এবং আঞ্চলিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পূর্ণাঙ্গ কোনো দখলদারিত্বের জন্য পর্যাপ্ত সেনা মার্কিন বাহিনীর হাতে নেই।

ইরানের ৮ কোটি ৮০ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে এই বিশাল ভূখণ্ডে পূর্ণ সামরিক দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করার জন্য ১৭ লক্ষাধিক সেনার প্রয়োজন, যা মার্কিন মোট সক্রিয় সেনার চেয়েও বেশি। এমনকি কুয়েত বা অন্যান্য অঞ্চলে সামান্য কিছু সেনা বাড়ানো হলেও তা সীমিত কোনো উপকূলীয় বা দ্বীপাঞ্চল দখল অভিযানের চেয়ে বেশি কিছু নয়।

ইতিমধ্যে ইরানের পক্ষ থেকেও কঠোর বার্তা প্রদান করা হয়েছে। তেহরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কূটনীতিকরা এ ব্যাপারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো স্থল আগ্রাসনের চেষ্টা করে, তবে তা হবে তাদের জন্য এক বিরাট বিপর্যয়। ইরানি বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক গভীরতা ও সরবরাহ লাইনগুলোতে সুনির্দিষ্ট আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের সম্ভাবনা কম থাকলেও সীমিত কোনো স্থল অনুপ্রবেশের ঝুঁকি পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সূত্র: আল মায়াদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনৈতিক মিত্রদের পুরস্কৃত করছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ এম


রাজনৈতিক মিত্রদের পুরস্কৃত করছেন প্রধানমন্ত্রী

> জাতীয়

পদ-পদবি না পাওয়ার কারণে জমিয়তের নেতৃবৃন্দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক মিত্রদের পুরস্কৃত করার বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রেখেছেন।

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬: ২৮

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিকখবর

সরকারের কাছ থেকে অবলম্বন করে বিএনপির মিত্ররা মূল্যায়নের দাবি তুলেছে।

আন্দোলন-সংগ্রামে সহযাত্রী এবং এক সময়ে জোটসঙ্গী থাকা নেতারা এখন যথাযথভাবে মূল্যায়িত হওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। কিছু নেতা অভিমান ও চাপের কৌশলও অবলম্বন করছেন। এর মধ্যে কিছু নেতাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন ভাগ্যবান কয়েকজন। যাদের হয়নি, তাদের কেউ হতাশ। যদিও অনেকে আশা ছাড়েননি। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান মান ভাঙানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। গতকাল সোমবার রাতে তাদের নিয়ে নৈশভোজে তিনি মিলিত হয়েছেন। এর আগে শুধুমাত্র ‘ভোটসঙ্গী’ হওয়ার কারণে রাশেদ খানকে ‘বিশেষ সহকারী নিয়োগ করে’ অন্যান্যদের ধৈর্য্য ধরে থাকতে বলেছেন।

প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির জটিল দোলাচালে কেউ সন্তুষ্ট এবং কেউ ক্ষুব্ধ। দীর্ঘদিনের সহযাত্রীর অবস্থান দেখেও কিছু রাজনৈতিক দল সরকারের পদ-পদবি পায়নি। এ কারণে তাদের মধ্যে অসন্তোষ ওঠে। কিছু রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে এ বিষয়টি তুলে ধরেছে। যদিও ইসলামপন্থি কিছু দল বিএনপি জোটে না থাকার পরেও সরকারের পদ পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেড় দশকের বেশি সময় ধরে স্বৈরাচারী সরকারের বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির সাথে একযোগে আন্দোলন করেও কিছু না পাওয়ার কারণে হতাশা প্রকাশ করছে।

অসন্তুষ্টদের অনেকে অভিযোগ করছেন যে, বিএনপির জোটসঙ্গী হিসেবে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে তারাও নানা নির্যাতনে শিকার হয়েছেন। তবে, কিছু রাজনৈতিক দল প্রতিদানের অংশীদার হলেও অধিকাংশ দল অবাঞ্চিত রয়ে গেছে।

ছাত্রজনতার বিপ্লবের মাধ্যমে হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটে। এরপর নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা করে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে বিএনপি নিঃশর্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। বিএনপি ও এর জোটসহ সমমনা ও যুগপৎ আন্দোলনের অংশীদাররা ২১৪ আসনে বিজয়ী হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি ২১১ আসন ও শরিকরা ৩টি আসন পেয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদ সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিমন্ত্রী হন।

এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বিএনপিতে যোগ দিয়ে নির্বাচন করেন। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন এবং এমপি নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনিও সরকারের প্রতিমন্ত্রী।

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান।

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খানকে গতকাল সচিবের মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর পদ দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত আন্দোলন সংগ্রামে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত অনেক রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন নাগরিক ফোরাম এবং অধিকারকর্মীরাও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। বিএনপির নেতৃত্বে তিনটি জোট স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট ও জাতীয়বাদী সমমনা জোট।

গণতন্ত্র মঞ্চ, বিএনপি নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সাতটি দলের সমন্বয়ে গঠিত। এই দলের মধ্যে আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি আসন পায়নি। বিজেপি নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নার দলের প্রার্থী মনোনয়নের চূড়ান্ত পদক্ষেপ বাদ পড়ে। এ দলেরই একসময় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. জাহেদ উর রহমান পদত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান।

কমরেড সাইফুল হকের নেতৃত্বে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জন্য একটি আসন বরাদ্দ থাকলেও তাতে বিজয়ী হতে পারেননি। জোনায়েদ সাকির গণসংহতি আন্দোলন নির্বাচনে একটি আসনে বিজয়ী হয় এবং সরকারের প্রতিমন্ত্রীর পদ পান।

গণঅধিকার পরিষদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা ড. রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে সন্তোষজনক ফলাফল লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই দলে সভাপতি নুরুল হক নুর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন।

তবে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বাকি দলের সদস্যদের মধ্যে নির্বাচন ও সরকারের পদ-পদবি থেকে কেউই কিছু পাননি।

১২ দলীয় জোট রাজনৈতিক মিত্র অসন্তোষের জমিয়ত ও ইসলামপন্থিদের মধ্যে অসন্তোষ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আয়োজিত এই নৈশভোজে অংশ নেওয়ার জন্য প্রেসক্রিপ্টের লিঙ্কে থাকা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতারা সরকার গঠানের পর থেকে কার্যত উপেক্ষিত হয়ে এসেছেন। বিএনপির সঙ্গে তাদের এমন কিছু সম্পর্কের অবনতি হয়েছে যা রহস্যজনক।

জমিয়তের নেতারা বলেছেন, তারা নির্বাচনে চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু তাদের স্পষ্ট বিজয় অর্জন করতে পারেনি। তাই সরকার গঠন শেষে ইউজার দলের অধিকারকে মূল্যায়িত করা হয়নি বলেই মনে করছেন জমিয়তের নেতারা।

জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের মতে, নির্বাচনের পর সরকারের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “জোটের অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেও আমাদের বরাবর উপেক্ষা করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের নীতি নির্ধারক ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, কিন্তু তারা প্রকাশ্যে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে, রাশেদ খানের নিয়োগ নিয়ে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাদের মধ্যে বিকাশ সৃষ্ট হয়েছে। এক সাবেক ছাত্রদল নেতা জানিয়েছেন, দলের পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়িত না করে অন্যান্যদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে এবং এটি দলের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনায় পানি বৃদ্ধির কারণে সিরাজগঞ্জে ভয়াবহ ভাঙন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ এম


যমুনায় পানি বৃদ্ধির কারণে সিরাজগঞ্জে ভয়াবহ ভাঙন

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪: ৫৬

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কদিনের টানা বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনায় পানি বাড়ায় নদীপাড়ের শত শত মানুষ ভাঙনে দিশাহারা হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে যাচ্ছে। জেলার শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের শ্রীপুর, ধীতপুর, কুসুরি, বারপাখিয়া, কাজীপুর উপজেলার চরগিরিশ ফ্লাড সেন্টার এলাকায় ব্যাপকভাবে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া চৌহালী উপজেলায়ও নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে কাজীপুর উপজেলার পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বসতভিটা ও ঘরবাড়ি।

সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার ৮৩ ইউনিয়নের মধ্যে ৩২টি ইউনিয়ন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে তারা, যা জানিয়েছেন সিভিল সার্জন নুরুল আমীন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীতে সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় তিন সেন্টিসিটার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কাজীপুরে মেঘাইঘাট পয়েন্টে তিন সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি ঘটেছে। পানি বাড়ার কারণে এই জেলার ৮৩ ইউনিয়নের মধ্যে ৩১টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।

শাহজাদপুর উপজেলার কুরসি গ্রামের ইয়াসিন মোল্লা বলেছেন, 'নদীভাঙনে আমি সর্বস্বান্ত। চরে আমার প্রায় ৬০ বিঘা জমি ছিল। এসব জমিতে ফসলের আবাদ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন কাটাতাম। কিন্তু সর্বনাশা যমুনা নদী আমার সব কেড়ে নিয়েছে। এখন আমি নিঃস্ব।' ভাঙনের কারণে আমার মতো অনেকেই আজ পথের ভিখারি। কাজীপুর উপজেলার চরগিরিশ এলাকার আব্দুল কাদের বলেছেন, 'সহায়-সম্বল যা ছিল, সবকিছু এখন নদীর পেটে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকা ভাঙছে। শুষ্ক মৌসুমে যমুনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার কারণে বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। চলতি মাসে এই এলাকার অর্ধশতাধিক বাড়িঘর এবং ফসলি জমি নদীতে চলে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে চরগিরিশ ফ্লাড সেন্টার, পশ্চিম চরগিরিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বহু বসতভিটা এবং ঘর-বারি।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানিয়েছেন, 'গত ১৩ জুলাই থেকে টানা আট দিন ধরে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টে তিন সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে কাজীপুর মেঘাইঘাট পয়েন্টেও তিন সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফল হিসেবে নতুন নতুন এলাকাগুলোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন রোধে বালুর বস্তা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%