ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইবিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভবিষ্যৎ গড়ার প্রস্তুতি’ নিয়ে সেমিনার


ইবিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভবিষ্যৎ গড়ার প্রস্তুতি’ নিয়ে সেমিনার

শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্রমবর্ধমান প্রভাব, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ‘শেপিং আওয়ার ফিউচার: প্রিপেয়ারিং আওয়ারসেলভস টু থ্রাইভ ইন দ্য এরা অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করেছে ইনস্টিটিউট অফ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইইই) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ব্রাঞ্চ।

সেমিনারটি সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। আইইইই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ এবং আইসিটি ইবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।

কর্মসূচির সহ-আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিল আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি ইবি চ্যাপ্টার ও আইইইই ইঞ্জিনিয়ারিং ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজি সোসাইটি (ইএমবিএস) চ্যাপ্টার। এই সেমিনারে কারিগরি সহায়তা প্রদান করে এসএআইসিটি ও ইডিজিই।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

আইইইই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের কাউন্সেলর অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাকীফ মাহমুদ ফয়সালের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন জার্মানির টিএইচএম ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ফ্রিডবার্গের অধ্যাপক ড. রাহমাতুল্লাহ খন্দকার।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আইইই ব্রাঞ্চের চেয়ারপারসন এস এম সাজ্জাদ হোসেন সৈকত স্বাগত বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক

পরে আইসিটি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড তারেক হাসান আল মাহমুদ ৬ জি কমিউনিকেশন এবং এর প্রযুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি তার রিসার্চ ফিল্ড সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানান এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সাথে পরামর্শ করে নতুন গবেষণা ধর্মী কাজের আশ্বাস দেন।

পরবর্তীতে প্রধান আলোচক অধ্যাপক ড. রাহমাতুল্লাহ খন্দকার এআই সম্পর্কে একটি সেশন পরিচালনা করেন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের বেসিক এআই ব্যবহার ও নানা ধরনের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করেন।

তিনি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের এআই-সম্পর্কিত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এদিকে এআইকে উদ্ভাবন ও উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের নতুন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ, স্টার্ট-আপ গড়ে তোলা এবং নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিজেদেরই তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বাত্মক সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন: ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান শাকিলের জানাজায় এমপির বিরুদ্ধে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ দেশের বাজারে যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ এম


আজ দেশের বাজারে যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

সবশেষ সমন্বয়ের ফলে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সিদ্ধান্তের পরিবর্তন অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশে মূল্যবান এই ধাতু সবশেষ সমন্বয়কৃত দামেই বিক্রি হচ্ছে।

শেষ শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। সেদিন এই মূল্যবান ধাতুটির দাম ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকায় বৃদ্ধি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে গেছে। এই কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে।

এর আগে গত ৭ আগস্ট সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৪৯ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৫০ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকায়। এছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬১ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৩১ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনা করছে ইন্টেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ এম


১৫ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনা করছে ইন্টেল

শেয়ারের দামে বড় ধরনের উত্থানের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ১৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেল।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

চুক্তিভিত্তিক চিপ উৎপাদন ব্যবসার ব্যয়বহুল সম্প্রসারণে এই অর্থ ব্যবহারের জন্য আবশ্যক।

একসময় বিশ্ব চিপ শিল্পে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল ইন্টেলের। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিভিত্তিক চিপ উৎপাদন ব্যবসায় বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে।

শিল্পের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান টিএসএমসিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে নতুন কারখানা এবং উন্নত প্যাকেজিং সক্ষমতা গড়ে তোলার তৎপরতা চলছে ইন্টেলের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ নিউজ জানিয়েছে, ইন্টেল শেয়ার বিক্রির পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে।

শেয়ারপ্রতি ৯৫ ডলার অথবা তার বেশি দামে এই শেয়ার বিক্রি হতে পারে।

সোমবার ইন্টেলের শেয়ার ৯৭.৫২ ডলারে লেনদেন শেষ হয়েছিল। এই হিসাবে অফার মূল্য বাজারদরের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেয়ার কেনার জন্য বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

ওভার-অ্যালটমেন্ট অপশন ব্যবহার করা হলে চুক্তির পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হতে পারে।

তবে রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনটি যাচাই করতে পারেনি।

সাধারণ কর্মঘণ্টার বাইরে ইন্টেলের সঙ্গে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সোমবার ইন্টেলের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমেছে।

কিন্তু সর্বশেষ বাজার বন্ধের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দাম প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

একই সময়ে প্রতিদ্বন্দ্বী এএমডির তুলনায় ইন্টেলের শেয়ারের পারফরম্যান্স ভালো হয়েছে।

এনভিডিয়া এবং ফিলাডেলফিয়া সেমিকন্ডাক্টর ইনডেক্সেরও এ সময়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ উত্থান হয়েছে।

বেশ কয়েকজন বিশ্লেষক মনে করছেন, ইন্টেলের শেয়ারের দাম বাড়ায় প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের সুযোগও বেড়েছে।

এজে বেলের বিনিয়োগ পরিচালক রাস মোল্ড বলেছেন, ২০১০-এর দশকে ৮২ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার বাইব্যাকের কারণে ইন্টেল একটি পুঁজিনির্ভর ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।

ভৌত প্রকৌশলের পরিবর্তে আর্থিক প্রকৌশলের ওপর বেশি মনোযোগ দেয়ায় প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ব্যালান্স শিট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এরপর আগস্ট থেকে শেয়ার দাম পাঁচ গুণ বেড়ানোর পর ইন্টেলের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া যৌক্তিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের দিকে ঝোঁক বাড়ায় সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউর চাহিদা ইন্টেলের উৎপাদন সক্ষমতার ওপর চাপ তৈরি করেছে।

এর ফলে জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরের মূলধনী ব্যয়ের পূর্বাভাস ১৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে।

এর আগে বড় কোনো বহিরাগত ক্রেতা পাওয়া না গেলে নতুন প্রযুক্তি স্থগিত হয়ে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেছিল ইন্টেল।

পরে প্রতিষ্ঠানটি ২০২৮ সালের মধ্যে তাদের ১৪এ উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ চিপ উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইন্টেলের ফাউন্ড্রি ইউনিট টেসলাকে গ্রাহক হিসেবে পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাপলকে ১৪এ গ্রাহক হিসেবে পাওয়ার এবং আরও একজন বড় গ্রাহক পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করার পর এ সম্ভাবনা আরও বেড়েছে।

ইন্টেলের সঙ্গে প্রসেসর তৈরির বিষয়ে অ্যাপলও আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গেলেও কোনো প্রতিষ্ঠানই বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

গত মাসে আয়ারল্যান্ডে চিপ উৎপাদন ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে ৫ বিলিয়ন ইউরো বা ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে ইন্টেল।

এই অর্থ ২০২৬ সালের পরিকল্পিত মূলধনী ব্যয়ের ২৫ শতাংশেরও বেশি।

এদিকে, ইন্টেল আন্ডাররাইটারদের ৩০ দিনের একটি বিকল্প দেয়ার পরিকল্পনা করেছে।

এর আওতায় তারা অফার মূল্যে ছাড় বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত শেয়ার কিনতে পারবেন।

জেপি মরগান সিকিউরিটিজ, গোল্ডম্যান স্যাক্স, মরগান স্ট্যানলি ও সিটিগ্রুপ গ্লোবাল মার্কেটস যৌথ বুক-রানিং ম্যানেজার হিসেবে চুক্তিটিতে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই অবকাঠামোয় ৫০০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহে এনভিডিয়ার জোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ এম


এআই অবকাঠামোয় ৫০০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহে এনভিডিয়ার জোট

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামো খাতে ৫০০ বিলিয়ন ডলার (৩৭০ বিলিয়ন পাউন্ড) মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে এনভিডিয়া ওয়াল স্ট্রিটের কয়েকটি প্রধান ব্যাংক এবং বিনিয়োগকারীদের সাথে জোট করেছে।

চিপ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তারা অ্যাপোলো, ব্ল্যাকরক, ব্ল্যাকস্টোন, ব্রুকফিল্ড, গোল্ডম্যান স্যাক্স এবং কেকেআরের সাথে চুক্তি করেছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা প্রথমবারের মতো এআই হার্ডওয়্যার ও অবকাঠামোকে, যা সাধারণত ‘কম্পিউট’ নামে পরিচিত, পৃথক একটি অ্যাসেট ক্লাস হিসেবে বিবেচনা করছে।

এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং বলছেন, “এআইয়ের ক্ষেত্রে কম্পিউটই হলো রাজস্ব। এআই অবকাঠামোয় স্বাধীনভাবে অর্থায়নের জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দীর্ঘমেয়াদি মূলধন সরবরাহকারীদের একত্র করা হচ্ছে।”

সংগ্রহিত অর্থটি এনভিডিয়ার নিজস্ব প্রকল্প এবং অংশীদারদের নির্মিত প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই তহবিলের আওতায় নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণের মতো অনেক অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে। এসব ডেটা সেন্টারে এআইয়ের তথ্য ও কার্যক্রম প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিপুলসংখ্যক কম্পিউটার চিপ রাখা, পরিচালনা এবং ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থাও থাকবে।

এছাড়া, এআই চিপ তৈরির নতুন কারখানা নির্মাণ এবং ক্রেতাদের কাছে এসব চিপের সরবরাহ বৃদ্ধি করতেও এই অর্থ ব্যবহার করা হতে পারে। কেকেআরের সহ-প্রধান নির্বাহী জো বে ও স্কট নাটাল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “কম্পিউট একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত সম্পদে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল অবকাঠামোর ক্ষেত্রে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে তারা বুঝেছেন, উচ্চাকাঙ্ক্ষার চেয়ে বাস্তবায়নই কঠিন কাজ।”

বর্তমানে প্রায় সব বড় প্রযুক্তি ও এআই কোম্পানি তাদের পরিষেবা, এআই প্ল্যাটফর্ম এবং এআই চ্যাটবট পরিচালনায় এনভিডিয়ার কম্পিউটার চিপ বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ) ব্যবহার করে।

নভেম্বর ১০ তারিখে একটি বিবৃতিতে হুয়াং চিপ নির্মাতা হিসেবে এনভিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে বলেছেন, তারা এখন নতুন ধরনের উৎপাদনশীল এবং বিনিয়োগযোগ্য অবকাঠামো, যা ‘এআই ফ্যাক্টরি’ বলা হয়, তৈরিতে সহায়তা করছে। এনভিডিয়ার অংশীদার ব্যাংক এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের এই নতুন সক্ষমতা এআইয়ের দ্রুত বিস্তারে আরও বড় পরিসরে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করবে।

১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদ পরিচালনাকারী ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলোর প্রেসিডেন্ট জিম জেল্টার বলেছেন, “আধুনিক কম্পিউটিং একটি দুর্লভ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ শ্রেণি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে যাচ্ছে।”

এর আগে গত মাসে ব্ল্যাকরক টেক্সাসের একটি ডেটা সেন্টারে অর্থায়ন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা নেওয়ার জন্য মেটার সঙ্গে পৃথক একটি চুক্তি করেছে। অন্যদিকে, এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক সম্প্রতি তাদের অবকাঠামোয় বিনিয়োগের জন্য ম্যাককোয়ারি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট এবং সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ ব্যাংক জিআইসির সাথে চুক্তি করেছে।

অ্যানথ্রোপিক চুক্তিটির আর্থিক আকার জানায়নি, তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের জনপ্রিয় চ্যাটবট ‘ক্লড’-এর চাহিদার এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সেই চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য নতুন কম্পিউটিং সক্ষমতা প্রয়োজন।

সূত্র-বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেন যুদ্ধে আরও ৫ লাখ নতুন সেনা নামাচ্ছেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ এম


ইউক্রেন যুদ্ধে আরও ৫ লাখ নতুন সেনা নামাচ্ছেন পুতিন

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধে আরও ৫ লাখ নতুন সৈন্য নামানোর পরিকল্পনা করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কিয়েভের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুতিন ৫ লাখ নতুন সেনাকে মাঠে নামানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মূলত ২১ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার পার্লামেন্ট (ডুমা) নির্বাচনের পরে এই সেনা সমাবেশ শুরু হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, নিজ দেশে জনগণের ক্ষোভের ভয়ে পুতিন প্রকাশ্যে এটি করবেন না। দ্রুত বিশাল সেনাবহরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে এই অনভিজ্ঞ সেনাদের কারণে রণক্ষেত্রে রাশিয়ার ব্যাপক প্রাণহানি ঘটবে বলে মনে করেন জেলেনস্কি।

এদিকে, পশ্চিমা মিত্রদের সাথে আলোচনা করে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদান সতর্ক করেছেন যে, ইউক্রেন রাশিয়ার গভীরে হামলা চালানোর কারণে যুদ্ধ এখন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পৌঁছে গেছে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পুতিন শেষ অস্ত্র হিসেবে পরমাণু হামলা চালাতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

চলতি বছর উভয় দেশই দূরপাল্লার হামলা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। সোমবার রাশিয়ার তাতারস্তানে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন এবং একই দিনে ইউক্রেনের খারকিভে রুশ গোলাবর্ষণে ৫ জন প্রাণ হারান। রাশিয়া একদিনে ইউক্রেনের ৪৫৬টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। অন্যদিকে, কিয়েভের দাবি অনুযায়ী, রাশিয়া তাদের ভূখণ্ডে ১২৬টি ড্রোন ছুড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%