প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্রমবর্ধমান প্রভাব, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ‘শেপিং আওয়ার ফিউচার: প্রিপেয়ারিং আওয়ারসেলভস টু থ্রাইভ ইন দ্য এরা অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করেছে ইনস্টিটিউট অফ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইইই) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ব্রাঞ্চ।
সেমিনারটি সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। আইইইই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ এবং আইসিটি ইবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।
কর্মসূচির সহ-আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিল আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি ইবি চ্যাপ্টার ও আইইইই ইঞ্জিনিয়ারিং ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজি সোসাইটি (ইএমবিএস) চ্যাপ্টার। এই সেমিনারে কারিগরি সহায়তা প্রদান করে এসএআইসিটি ও ইডিজিই।
আইইইই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের কাউন্সেলর অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাকীফ মাহমুদ ফয়সালের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন জার্মানির টিএইচএম ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ফ্রিডবার্গের অধ্যাপক ড. রাহমাতুল্লাহ খন্দকার।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আইইই ব্রাঞ্চের চেয়ারপারসন এস এম সাজ্জাদ হোসেন সৈকত স্বাগত বক্তব্য দেন।
পরে আইসিটি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড তারেক হাসান আল মাহমুদ ৬ জি কমিউনিকেশন এবং এর প্রযুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি তার রিসার্চ ফিল্ড সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানান এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সাথে পরামর্শ করে নতুন গবেষণা ধর্মী কাজের আশ্বাস দেন।
পরবর্তীতে প্রধান আলোচক অধ্যাপক ড. রাহমাতুল্লাহ খন্দকার এআই সম্পর্কে একটি সেশন পরিচালনা করেন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের বেসিক এআই ব্যবহার ও নানা ধরনের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের এআই-সম্পর্কিত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এদিকে এআইকে উদ্ভাবন ও উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের নতুন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ, স্টার্ট-আপ গড়ে তোলা এবং নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিজেদেরই তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বাত্মক সহায়তা করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন